Wisdom Islamic TV

Wisdom Islamic TV

Share

A Sister Concern Of "Wisdom World Peace Foundation" (A Non-Profit Chariatble Organization, USA)
--------------------------------------------
আসসালামুয়ালাইকুম,
আমাদের পেইজ-এ স্বাগতম। "উইজডম ইসলামিক টিভি" একটি অরাজনৈতিক অনলাইন ভিত্তিক শিক্ষা এবং দাওয়াহ চ্যানেল, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক অলাভজনক দাতব্য প্রতিষ্ঠান 'উইজডম ওয়ার্ল্ড পিস ফাউন্ডেশন' কর্তৃক পরিচালিত। আমাদের লক্ষ্য বিশ্বব্যাপী ইসলাম

05/09/2026

যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের আমল লিস্ট!

যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিন অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ। এই দিনগুলোতে করা নেক আমল আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয়। তাই আসুন, আমরা আগে থেকেই কিছু আমল ঠিক করে নেই, যেন এই দিনগুলো উদ্দেশ্যহীনভাবে চলে না যায়।

সুন্দরভাবে গুছিয়ে আমল লিস্ট শেয়ার করছি যেন রেডি হয়ে যেতে পারেন--

১. পাঁচ ওয়াক্ত সালাত যথাসময়ে আদায় করা:

সব আমলের ভিত্তি হলো ফরয ইবাদত। চেষ্টা করি সময়মতো, মনোযোগের সাথে সালাত আদায় করতে।

২. বেশি বেশি তাওবা ও ইস্তিগফার করা:

বারবার বলি:

*আস্তাগফিরুল্লাহ*

নিজের গুনাহের জন্য লজ্জিত হই, আল্লাহর কাছে ফিরে যাই।

৩. তাকবীর, তাহমীদ, তাহলীল ও তাসবীহ বেশি পড়া:

এই দিনগুলোতে বেশি বেশি পড়ি:

আল্লাহু আকবার**

আলহামদুলিল্লাহ**

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ**

সুবহান-আল্লাহ**

এভাবেও পড়তে পারি:

--আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ।

৪. কুরআন তিলাওয়াত করা

প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ কুরআন পড়ার লক্ষ্য ঠিক করি। অল্প হলেও নিয়মিত পড়ি। এখন থেকেই পড়া শুরু করুন, যিলহজ্জের ১০ দিনের মধ্যে একটা কুরআন খতিমা কমপ্লিট করতে পারেন।

৫. ফরজ নামাজের যত্ন নেয়ার পরে নফল সালাতের প্রতি যত্নবান হওয়া:

বিশেষ করে:

* তাহাজ্জুদ

* সালাতুদ দুহা

৬. রোযা রাখা

সম্ভব হলে যিলহজ্জের প্রথম ৯ দিন রোযা রাখি।

বিশেষভাবে **আরাফার দিনের রোযা** অনেক ফযীলতপূর্ণ তাদের জন্য যারা হজে নেই। ঐ দিনের রোজার মাধ্যমে আগের এবং পরের ২ বছরের গুনাহ মাফ হয় সুবহানআল্লাহ!

৭. বেশি বেশি দোয়া করা:

নিজের জন্য, পরিবারের জন্য, উম্মাহর জন্য, দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া করি।

৮. যিকিরে জিহ্বা সজীব রাখা:

কাজ করতে করতে, হাঁটতে হাঁটতে, রান্না করতে করতে, ফাঁকে ফাঁকে যিকির করি। ছোট ছোট যিকিরও অনেক ভারী হয়ে যায় মীযানে।

৯. সদকা করা:

সামর্থ্য অনুযায়ী দান করি। অল্প হলেও আন্তরিকতা নিয়ে দিই।

১০. কুরবানির নিয়ত থাকলে চুল-নখ না কাটা:

যিনি কুরবানি দেওয়ার নিয়ত করেছেন, তিনি যিলহজ্জের চাঁদ ওঠার পর থেকে কুরবানি দেওয়া পর্যন্ত চুল ও নখ না কাটার চেষ্টা করবেন।

১১. ভালো কাজের পরিকল্পনা করে রাখা:

যেমন:

* একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে সাহায্য করা

* আত্মীয়তার সম্পর্ক ঠিক করা

* কাউকে ক্ষমা করে দেওয়া

* ইসলামি কিছু শেখা বা শেখানো

১২. অন্তরকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা কর

হিংসা, অহংকার, রাগ, শত্রুতা ইত্যাদি এসব থেকে হৃদয়কে পরিষ্কার করার চেষ্টা করি। শুধু বাহ্যিক আমল নয়, অন্তরের আমলও জরুরি।

কুরবানীর এই মহান দিনগুলোতে কেবল পশু কুরবানীতে সীমাবদ্ধ না থাকি। বরং নিজেদের গুনাহ, নফসের খেয়াল, অহংকার, রাগ, খারাপ ভাষা —এসবকেও কুরবানী করার চেষ্টা করি।

এ সময় self-purification বা আত্মশুদ্ধির আমলও খুব জরুরি। যেমন:

* নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করা

* মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করা

* অন্যের হক সম্পর্কে সচেতন হওয়া

* কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে সংশোধন করা

* অন্তরকে নরম করা

এই ১০ দিন যেন আমাদের ভেতরের মানুষটাকেও বদলে দেয়।

১৩. পরিবারের মাঝেও নিজ ঘরে ইবাদতের পরিবেশ তৈরি করা:

আমাদের মা-বাবা, সন্তান, ভাইবোনদের, স্বামী/স্ত্রীরা সবাই সবাইকে উৎসাহ দিই—যেন ঘরেও যিলহজ্জের সৌন্দর্য অনুভব করা যায়।

১৪. হজ্জের মৌসুমকে অন্তরে জীবন্ত রাখা:

যারা হজ্জ করতে যাচ্ছেন, তারা তো আল্লাহর ঘরের মেহমান হয়ে হজ্জ করবেন।

আর যারা হজ্জে যাচ্ছেন না, তারাও যেন এই দিনগুলোতে এমন মানসিকতা রাখি—আমরাও আল্লাহর জন্যই সাড়া দিচ্ছি, আমরাও ইবাদাতে, যিকিরে, তাওবায়, দোয়ায় নিজেদের হাজির করছি।

এই কথার সাথে মিলে আমরাও বলি:

**লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক**

অর্থাৎ, হে আল্লাহ, আমি উপস্থিত, আমি সাড়া দিচ্ছি।

হয়তো শারীরিকভাবে হজ্জে যাওয়া হয়নি, কিন্তু অন্তর যেন আল্লাহর দরবারে হাজির হয়।

১৫. আরাফার দিনটিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া:

এই দিনে বেশি বেশি দোয়া, যিকির, তাওবা, কুরআন তিলাওয়াত ও রোযার প্রতি গুরুত্ব দিই।

১৬. ঈদের দিন আল্লাহর শোকর আদায় করা:

ঈদের আনন্দের মাঝেও যেন আল্লাহকে ভুলে না যাই। কুরবানি, সালাত, যিকির— সবকিছুই ইবাদত।

এক নজরে আমল চেকলিস্ট:

☐ পাঁচ ওয়াক্ত সালাত

☐ কুরআন তিলাওয়াত

☐ ১০ দিনের বিশেষ যিকির

☐ ইস্তিগফার

☐ আরাফার দিনের জন্য বিশেষ দুয়া লিস্ট রেডি করা, দোয়া করা

☐ আরাফার দিনে রোজা রাখা

☐ সম্ভব হলে প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা

☐ সদকা দেয়া

☐ নফল সালাত

☐ আত্মশুদ্ধির চেষ্টা করা, নিজের বদঅভ্যাস কুরবানী করা

☐ রাগ নিয়ন্ত্রণ করা

☐ ভালো ব্যবহার করা

☐ অন্যের হকের ব্যাপারে সচেতন হওয়া

☐ কুরবানী করা, কুরবানীর গোশত শেয়ার করা হকদারদের সাথে

নিজের জন্য এই নিয়তটি ঠিক করে ফেলুন আজকেই --

*“আমি এই ১০ দিনে আল্লাহর আরও প্রিয় বান্দা হওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ, আমার আমলে, আমার অন্তরে, আমার চেষ্টা দিয়ে!"

আল্লাহ আমাদের যিলহজ্জের এই বরকতময় দিনগুলোকে সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগানোর তাওফীক দিন।

আমিন।

05/08/2026

📌মুমিনের জীবন — সংগ্রাম থেকে সাফল্যের গল্প,আল্লাহর পথে চলা কঠিন, তবু এই পথেই শান্তি

---

আমরা এমন একটি যুগে বাস করছি, যেখানে প্রতিটি মুহূর্তে একজন মুমিনের ঈমান পরীক্ষার সম্মুখীন। সোশ্যাল মিডিয়ার অবাধ প্রবাহ, পশ্চিমা সংস্কৃতির আগ্রাসন, হালাল-হারামের সীমারেখা ঝাপসা হয়ে যাওয়া — এই পরিবেশে একজন প্রকৃত মুমিন হয়ে বেঁচে থাকা সত্যিই এক অসাধারণ কঠিন চ্যালেঞ্জ।

---

🟥 দুনিয়া মুমিনের জন্য কারাগার

রাসূলুল্লাহ ﷺ চquatorze শতাব্দী আগেই এই সত্য ঘোষণা করে গেছেন।

> "الدُّنْيَا سِجْنُ الْمُؤْمِنِ وَجَنَّةُ الْكَافِرِ"
> "দুনিয়া মুমিনের জন্য কারাগার আর কাফিরের জন্য জান্নাত।"*
> — (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৯৫৬)

এই হাদিসের গভীরে একটু ভাবুন। কারাগারে থাকা মানুষটি যা ইচ্ছা তাই করতে পারে না। তার চলাফেরায় সীমাবদ্ধতা আছে, তার আনন্দে নিয়ন্ত্রণ আছে। ঠিক তেমনি একজন সত্যিকারের মুমিনও এই দুনিয়ায় তার প্রতিটি কাজে আল্লাহর বিধানের কাছে আবদ্ধ। মন চাইলেই সুদের ব্যবসায় যেতে পারেন না, মন চাইলেই হারাম সম্পর্কে জড়াতে পারেন না, মন চাইলেই মিথ্যার আশ্রয় নিতে পারেন না।

বর্তমান বাস্তবতায় এই সীমাবদ্ধতা আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। চারদিকে যখন সবাই সুদভিত্তিক লোন নিয়ে গাড়ি-বাড়ি করছে, তখন একজন মুমিনকে সেই পথ এড়িয়ে চলতে হয়। যখন অফিসে মিথ্যা বললে প্রমোশন মেলে, তখন মুমিনকে সত্যের উপর অবিচল থাকতে হয়।

---

🟥জলন্ত কয়লার মতো ঈমান ধরে রাখা

রাসূলুল্লাহ ﷺ শেষ যুগের মুমিনদের পরীক্ষার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন —

> **"يَأْتِي عَلَى النَّاسِ زَمَانٌ الصَّابِرُ فِيهِمْ عَلَى دِينِهِ كَالْقَابِضِ عَلَى الْجَمْرِ"**
> *"মানুষের উপর এমন একটি সময় আসবে, যখন দ্বীনের উপর ধৈর্য ধরে থাকা জ্বলন্ত অঙ্গার হাতে ধরে রাখার মতো কঠিন হবে।"*
> — **(সুনানে তিরমিযী, হাদিস: ২২৬০; হাসান সহিহ)**

আজকের যুগে এই হাদিসের প্রতিফলন দেখুন। একজন তরুণ যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে, চারদিকে মিশ্র পরিবেশ, নেটফ্লিক্স-ইউটিউবের অবাধ ফিতনা, বন্ধুদের আড্ডায় গান-বাজনা — এই পরিবেশে নামাজ ঠিক রাখা, দৃষ্টি সংযত রাখা, হালাল-হারামের খেয়াল রাখা — এটি কি সত্যিই জ্বলন্ত কয়লা হাতে ধরে রাখার চেয়ে কম কঠিন?

---

🟥দুনিয়া আরামের জায়গা নয় — কুরআনের দিকনির্দেশনা

আল্লাহ তা'আলা কুরআনে কারিমে স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন —

> "وَمَا هَٰذِهِ الْحَيَاةُ الدُّنْيَا إِلَّا لَهْوٌ وَلَعِبٌ ۚ وَإِنَّ الدَّارَ الْآخِرَةَ لَهِيَ الْحَيَوَانُ"
> "এই পার্থিব জীবন তো কেবল খেলাধুলা আর তামাশা। আর আখিরাতের আবাসই হলো প্রকৃত জীবন।
> — (সূরা আনকাবুত, আয়াত: ৬৪)

আরও বলেছেন —

> "زُيِّنَ لِلنَّاسِ حُبُّ الشَّهَوَاتِ"
> "মানুষের কাছে প্রবৃত্তির ভোগ-বিলাসকে সুশোভিত করে দেওয়া হয়েছে।"
> — (সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৪)

এই আয়াতদ্বয় বর্তমান যুগের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। আজকের বিজ্ঞাপন জগৎ, বিনোদন শিল্প এবং ভোগবাদী সংস্কৃতি — সবকিছুই মানুষকে দুনিয়ার রঙিন ফাঁদে আটকে রাখতে কাজ করছে। একজন মুমিনকে এই চাকচিক্যের মাঝে দাঁড়িয়ে প্রতিদিন নিজেকে স্মরণ করিয়ে দিতে হয় — এটা আমার আসল ঘর নয়।

---

🟥 মুমিনের জীবন একটি কর্মক্ষেত্র

দুনিয়া কারাগার মানে এই নয় যে মুমিন হতাশ হয়ে বসে থাকবে। বরং এই সীমিত সময়টাই তার আমলের মৌসুম।

> فَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَهُ"
> যে অণু পরিমাণ ভালো কাজ করবে, সে তা দেখতে পাবে।"
> — (সূরা যিলযাল, আয়াত: ৭)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন —

> "اِغْتَنِمْ خَمْسًا قَبْلَ خَمْسٍ: شَبَابَكَ قَبْلَ هَرَمِكَ..."
> "পাঁচটি জিনিসকে পাঁচটি আসার আগে গনিমত মনে করো: বার্ধক্যের আগে যৌবন, অসুস্থতার আগে সুস্বাস্থ্য, দারিদ্র্যের আগে সচ্ছলতা, ব্যস্ততার আগে অবসর এবং মৃত্যুর আগে জীবন।"
> — (মুস্তাদরাক হাকিম, হাদিস: ৭৮৪৬; সহিহ)

একজন মুমিনের প্রতিটি দিন হওয়া উচিত আখিরাতের পাথেয় সংগ্রহের দিন। সৎভাবে উপার্জন করা, পরিবারের হক আদায় করা, সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা — এই সবকিছুই তার কর্মক্ষেত্রের অংশ।

---

🟥 বর্তমান যুগের ফিতনা এবং করণীয়

রাসূলুল্লাহ ﷺ ফিতনার যুগে মুমিনদের জন্য পথ দেখিয়েছেন —

> "تَرَكْتُ فِيكُمْ أَمْرَيْنِ لَنْ تَضِلُّوا مَا تَمَسَّكْتُمْ بِهِمَا: كِتَابَ اللَّهِ وَسُنَّةَ نَبِيِّهِ"
> "আমি তোমাদের মাঝে দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি, যতদিন তোমরা এই দুটি আঁকড়ে ধরবে কখনো পথভ্রষ্ট হবে না — আল্লাহর কিতাব এবং তাঁর নবীর সুন্নাহ।"
> — (মুওয়াত্তা ইমাম মালিক, হাদিস: ৩৩৩৮)

এই হাদিসই আমাদের মুক্তির পথ। কুরআন ও সুন্নাহর বাইরে যত পথ আছে, সব পথ বিভ্রান্তির পথ। আজকের যুগে নিজের মতবাদ, দলীয় রাজনীতি বা পীরের অন্ধ অনুসরণ নয় — বরং কুরআন ও সহিহ হাদিসের আলোয় জীবন পরিচালনাই হলো মুমিনের একমাত্র পথ।

---

দুনিয়া মুমিনের জন্য কঠিন — এটা কোনো অভিযোগ নয়, এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে এক সুসংবাদ। কারণ যে কারাগারে ধৈর্য ধরেছে, তার জন্য অপেক্ষা করছে চিরন্তন মুক্তির আবাস — জান্নাত। আল্লাহ তা'আলা বলেন —

> "إِنَّمَا يُوَفَّى الصَّابِرُونَ أَجْرَهُم بِغَيْرِ حِسَابٍ"
> *"নিশ্চয়ই ধৈর্যশীলদের পুরস্কার দেওয়া হবে অগণিতভাবে।"*
> — (সূরা যুমার, আয়াত: ১০)

তাই হে মুমিন ভাই ও বোন — দুনিয়ার ঝলমলে চাকচিক্যে ধোঁকা খাবেন না। কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরুন, প্রতিটি পদক্ষেপে আল্লাহর সন্তুষ্টিকে প্রাধান্য দিন। এই ক্ষণিকের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই মিলবে চিরসুখের আবাস।

আল্লাহ আমাদের সকলকে ঈমানের উপর অবিচল রাখুন। আমিন।

Want your business to be the top-listed Media Company in Miami?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Miami, FL
33032