Lal Miah
আমি বিজয় দেখেছি
------------------ লাল মিয়া লালু
আমি বিজয় দেখেছি নেতাদের
আমি বিজয় দেখেছি সেনাবাহিনীর
আমি বিজয় দেখেছি পুলিশের
আমি বিজয় দেখেছি নির্বাচনের
আমি বিজয় দেখেছি সোয়াবিন তেলের
আমি বিজয় দেখেছি গরুর মাংসের
আমি বিজয় দেখেছি আদার
আমি বিজয় দেখেছি পিয়াজের
আমি বিজয় দেখেছি কাঁচামরিচের
আমি বিজয় দেখেছি ঘোষের
আমি বিজয় দেখেছি সুদের
আমি বিজয় দেখেছি গুমের
আমি বিজয় দেখেছি খুনের
আমি বিজয় দেখেছি ধর্ষনের
আমি বিজয় দেখেছি গ্রেফতারের
আমি বিজয় দেখেছি মিথ্যা মামলার
আমি বিজয় দেখেছি আমলার
আমি বিজয় দেখেছি জয় বাংলার।
জয় বাংলার জয় বাংলার।
ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ।
১৭০ বছর আগে ক্রিমিয়ান যুদ্ধের ইতিহাস পড়লে দেখা যায় সেই রাশিয়ার সম্রাট ক্রিমিয়া এলাকা দখল করে রাখতে পারেনি মিত্র বাহিনীর কাছ থেকে।১৮৫৩ সালের সেই ক্রিমিয়ান যুদ্ধ যেভাবে শুরু হয়েছিল এবং এর শেষ পরিণতি দেখলে বুঝা যায় ইতিহাস কিভাবে পুনরাবৃত্তি ঘটেছে।
যেভাবে যুদ্ধের সূচনা হয়েছিল: ফ্রান্স এবং রাশিয়া ফিলিস্তিনে তাদের নিজ নিজ ধর্মীয় অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে। ফ্রান্স তাদের রোমান ক্যাথলিক এবং রাশিয়া তাদের ইস্টার্ন অর্থডক্স চার্চ ফিলিস্তিনে প্রতিস্টা করতে চায়। যেহেতু ফিলিস্তিন অটোম্যান সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল এবং ফ্রান্সের সাথে অটোম্যান সাম্রাজ্যের সমঝোতা চুক্তি ছিল তাই অটোম্যান সাম্রাজ্যের সম্রাট আব্দুল মজিদ ফ্রান্সের রোমান ক্যাথলিক চার্চের ব্যাপারে কোন অনিহা প্রকাশ করেন নি কিন্তু রাশিয়ার ইস্টার্ন অর্থডক্স চার্চ ফিলিস্তিনে প্রতিস্টা করতে অস্বীকৃতি প্রকাশ করলে রাশিয়ার সম্রাট বর্তমান রোমানিয়া যা অটোম্যান সাম্রাজ্যের অংশ ছিল তাতে রাশিয়ার সৈন্য দখল নেয় তখন এ পরিস্থিতিতে বৃটিশ সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় আর এর পরিপ্রেক্ষিতে অটোম্যান সাম্রাজ্যের সম্রাট রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।আর যুদ্ধের শুরুতে রাশিয়ান নৌবাহিনী অটোম্যান নৌবাহিনীর অনেক জাহাজ ধংস করে দেয়। এই পরিস্থিতিতে ফ্রান্স এবং বৃটিশ সরকার অটোম্যান সাম্রাজ্যকে সাহায্য করতে তাদের নৌবাহিনী পাঠায় এবং যখন ফ্রান্স এবং বৃটিশ নৌবাহিনী কৃষ্ণ সাগর পৌছে অটোম্যান সাম্রাজ্যের নৌবাহিনীর সাথে যোগ দেয় তখন রাশিয়া পিছু হটে কৃষ্ণ সাগর ছেড়ে চলে যায় এদিকে ফ্রান্স এবং বৃটিশ নৌবাহিনী যখন এসেছে তখন তারা ফিরে যেতে চায়নি যুদ্ধ ছাড়া তাই তারা তিন দেশের নৌবাহিনী ক্রিমিয়ান পেনিনসুলার সেভেসতোপুল শহর সিজ করে তারা ঘাটি গড়ে। প্রায় তিন বছরের এ যুদ্ধে দু'পক্ষের অনেক সৈন্য যুদ্ধ এবং মহামারী কলেরার মারা যায় এবং শেষ পর্যন্ত রাশিয়া পরাজয় মেনে নিয়ে পেরিস ট্রিটি হয় এবং যুদ্ধ সমাপ্ত হয় এর পরবর্তী আরো অনেক ঘটনা ঘটে ইউরোপীয় আরো কয়েকটি যুদ্ধ হয় রাশিয়া আবার ট্রিটি ভংগ করে কৃষ্ণ সাগরে তাদের নৌঘাঁটি স্হাপন করে এবং ইউরোপীয় শক্তি আবার আক্রমণ করতে পারে তাই ১৮৬৭ সালে আলাস্কা এমেরিকা কাছে মাত্র ৭.২ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি করে এই সবকিছুর পিছনে রাশিয়ার একমাত্র আখাংকা ছিল উষ্ণ পানিতে নৌঘাঁটি এবং এশিয়া ইউরোপ এর সমুদ্র যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা।এই ঘটনাটি লেখার কারন হলো আমরা ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধ মনে করলে এই যুদ্ধ শুরু হয়েছিল ১৮৫৩ সালে এবং ঐতিহাসিকরা মনে করেন ক্রিমিয়ান যুদ্ধ ছিল প্রথম আধুনিক যুদ্ধ এবং এই যুদ্ধকে অনেকেই প্রথম বিশ্বযুদ্ধ মনে করে থাকেন এছাড়া এই যুদ্ধের সময় কালে প্রথম রেল যোগাযোগ প্রথম টেলিগ্রাম এবং প্রথম বারের মতো ছবি তোলার সক্ষমতা অর্জন হয় এছাড়াও এই যুদ্ধ থেকেই নার্সিং শুরু হয় ক্রিমিয়ান যুদ্ধের এক নার্স লন্ডন নার্সিং স্কুল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আধুনিক নার্সিং চালু হয়।
এই পুরো ইতিহাস পড়ে মনে হচ্ছে এই বর্তমান ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধ এবং সেই ১৮৫৩ সালের ক্রিমিয়ান যুদ্ধের পুনরাবৃত্তি ঘটতে যাচ্ছে । গুগল লিংক দিয়ে দিলাম যারা জানতে চান অনেক অনেক তথ্য আছে পড়ে জানতে পারেন এই যুদ্ধের অনেক বইও আছে এখানে সামান্য বর্ননা দিয়েছি পড়ে হয়তো আপনাদের ভালো লাগতে পারে। ধন্যবাদ।
history of crimean war - Google Search
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Clinton Township, MI