ST_RaiN

ST_RaiN

Share

আমার পেইজে আপনাদের সকল কে স্বাগতম। এখানে আপনরা কুরআন, হাদিস, ইসলামের ইতিহাস , সকল ধরণের দেশীও এবং আন্তর্জাতিক খবরের আপডেট পাবেন। ব্যক্তিগত ব্লগ।অনুগ্রহ করে আমাদের সাথেই থাকুন।

04/18/2026

ইন্ডিয়ান বীর্য শুয়োরের শুক্রাণু দিয়া যাদের জন্ম হয়েছে তাদেরকে পড়ার অনুরোধ রইল। যাহারা দিনরাত ২৪ ঘন্টা শুধু রাজাকার স্বপ্নে দেখেন, মনে করেন পাঁচ লাখ মা-বোনেরা রাজাকার দ্বারা দর্শনের শিকার তারাও পরবেন।

‎ব্রিটিশ ২০০ বছর শাসন আমলে পূর্ব বাংলায় মাত্র একটি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল "ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয়। সেটিরও বিরোধিতা করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কলকাতার প্রভাবশালী মহল।

‎ব্রিটিশরা প্রায় ২০০ বছরে পূর্ব বাংলায় কোনো উন্নয়ন করেনি। যদি কিছু করার উদ্যোগও নেওয়া হতো, সেগুলোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াত কলকাতার দাদা-বাবুরা। কলকাতাকে তারা ভারতের রাজধানী বানিয়েছিল।

‎বাংলাদেশের ইতিহাসে আমাদের শেখানো হয় যে পাকিস্তান ২৪ বছর আমাদের শোষণ করেছে। অথচ বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন গুলো পাকিস্তান আমলেই হয়েছিল।

‎ পাকিস্তান আমলে মোট ৫ টি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে।

‎◾রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৫৩)

‎◾চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৬)

‎◾জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৭০)

‎◾জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৮)

‎◾পূর্ব পাকিস্তান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাংলাদেশ কৃষি বিঃ) (১৯৬১)

‎▶ পাকিস্তান আমলে মোট ৪ টি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে।

‎◾বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ১৯৬২ সাল

‎◾রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ১৯৬৪ সাল

‎◾চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ১৯৬৮ সাল

‎◾খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ১৯৬৯ সাল

‎উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় আছে মোট ৫ টা, যার মধ্যে ৪ টাই পাকিস্তান আমলের। আর পরবর্তী ৫০ বছরে হয়েছে ১ টা।

‎ ▶পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার মোট ৮৭ টি কলেজ প্রতিষ্ঠা করে৷ যার মধ্যে রয়েছে

‎◾নটর ডেম কলেজ, ঢাকা (১৯৪৯)

‎◾সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ (১৯৪৯)

‎◾বাঙলা কলেজ (১৯৬২)

‎◾ভিকারুননিসা নুন স্কুল ও কলেজ

‎উল্লেখ্য বর্তমানে ঢাকা শহরে মোট ৩৯ টি কলেজ আছে, যার ভেতর ৮ টি তৈরি হয়েছে ইংরেজ আমলে, ২১ তৈরি হয়েছে পাকিস্তান আমলে, আর মাত্র ১০ টি তৈরি হয়েছে স্বাধীনতার পর ৫০ বছরে।

‎▶ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ৮ টা সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করে।

‎◾চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (১৯৫৭)

‎◾রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (১৯৫৮)

‎◾ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬২)

‎◾সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ (১৯৬২)

‎◾স্যার সলিমুলস্নাহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬৩)

‎◾স্নাতকোত্তর চিকিৎসা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বর্তমান নামঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) (১৯৬৬)

‎◾শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (১৯৬৮)

‎◾রংপুর মেডিকেল কলেজ (১৯৭০)

‎উল্লেখ্য ইংরেজ শাসন আমলের ২০০ বছরে মোট ১টি মেডিকেল তৈরি হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ৷

‎ঢাকা মেডিকেল কলেজ ১৯৪৭ সালের আগে প্রতিষ্ঠিত হলেও পাকিস্তান আমলে এর কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়।

‎▶পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ১৭ টি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করে। বর্তমানে বাংলাদেশে ৪৯টি সরকারী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট রয়েছে। অর্থাৎ পাকিস্তান সরকার ২৪ বছরে করেছে ১৭ টি। আর বাংলাদেশ সরকার ৫০ বছরে করেছে ৩২টি৷

‎▶ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ৪ টি ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠা করে।

‎◾ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ(১৯৫৮)

‎◾মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ(১৯৬৩)

‎◾ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ ( ১৯৬৩)

‎◾রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ (১৯৬৫)

‎উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশে ক্যাডেট কলেজ আছে ১২ টা এর ভেতর ৪ টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে।

‎▶ চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমী, নৌ অফিসার, মেরিন ইঞ্জিনিয়ার গড়ে তোলার জন্য ১৯৬২ সালে পাকিস্তান নৌবাহিনী কর্তিক এই একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এর নাম "বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি (BMA)"

‎▶ এছাড়াও প্রতিষ্ঠা হয়েছে....

‎◾ইস্ট পাকিস্তান টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট’ (১৯৫০) যার বর্তমান নাম "বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স)"।

‎◾ চট্টগ্রাম কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। ১৯৬২ সালে এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।

‎◾এরকম আরো অনেক বিশেষায়িত কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ইনস্টিটিউট, নার্সিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে। এছাড়া দেশ ব্যাপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কয়েক হাজার প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং হাই স্কুল।

‎★অনেকেই অভিযোগ করেন পশ্চিম পাকিস্তানের চেয়ে পুর্ব পাকিস্তান পিছিয়ে ছিলো, কারন পূর্ব পাকিস্তানে কম উন্নয়ন করা হয়েছে। লক্ষ করুন, ব্রিটিশ আমলে বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল মাত্র ১ টা, বিপরিতে পাকিস্তানে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ১৮ টা। অর্থাৎ পাকিস্তান নামক রাষ্ট্র সৃষ্টির আগ থেকেই আমরা উচ্চ শিক্ষার দিক দিয়ে পাকিস্তানের চেয়ে ১৮ গুন পিছিয়ে ছিলাম আমরা!

‎১৯৪৭ সালের পরবর্তী ১০ বছরে পুর্ব পাকিস্তানে যদি ১০ টা বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করা হতো আর পশ্চিম পাকিস্তানে যদি একটাও তৈরি করা না হতো, তবুও তো আমরা পাকিস্তানের চেয়ে পিছিয়েই থাকতাম। আসলে ব্রিটিশ আমল থেকেই আমরা পাকিস্তানের তুলনায় এত বেশি পিছিয়ে ছিলাম, যার ফলে এই অঞ্চল কখনোই পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে উন্নয়নের দৌড়ে খাপ খাওয়াতে পারেনি।

‎★ ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির আগে এই অঞ্চলের স্বাক্ষরতার হার ছিলো মাত্র ১২%। ১৯৬১ সালের আদমশুমারিতে স্বাক্ষরতার হার দাড়ায় ২৪.৭%। অর্থাৎ মাত্র ১৩ বছরে এই অঞ্চলের স্বাক্ষরতার হার দ্বীগুন হয়ে যায়। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের আদমশুমারী না হওয়ায় পাকিস্তান আমলের প্রকৃত স্বাক্ষরতার হার জানা যায়নি।

‎▶শিল্প প্রতিষ্ঠান, মিল ও কল-কারখানা

‎◾ বাংলাদেশ সচিবালয় ( ১৯৭১ সালের পর এ সচিবালয়ের পুরাতন ৬ নং ভবনটি ভেঙ্গে ২০ তলা ভবন তৈরী করা হয়)

‎◾ পাকিস্তানের সেকেন্ড ক্যাপিটাল হিসাবে শেরেবাংলা নগর কে পরিকল্পিতভাবে তৈরী

‎◾ সংসদ ভবন

‎◾ বাইতুল মোকাররম মসজিদ

‎◾ বাংলা একাডেমি

‎◾ ইসলামিক একাডেমি (বর্তমান ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

‎◾ রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর, সিলেট বেতার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা

‎◾ কমলাপুর রেলস্টেশন (পূর্বতন রেলস্টেশন টি ছিলো গুলিস্তান-ফুলবারিয়ায়)

‎◾ মীরপুর চিড়িয়াখানা

‎◾ কুর্মিটোলা বিমানবন্দর (ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর)

‎◾ যমুনা সেতু (১৯৬৬ সনে সংসদে অনুমোদিত)

‎◾ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ( ১৯৬১ সালে এর পরিকল্পনা গ্রহন করে তখনকার পূর্বপাকিস্তানের অনেক কর্মকর্তাকে বিদেশে প্রশিক্ষনে প্রেরণ করা হয়, যারা এখন ইরান ইরাকে কর্মরত। ১৯৭২ সালে প্রকল্পটি বন্ধ করে দেয়া হয়)

‎◾ শাহজীবাজার বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র

‎◾ আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র

‎◾ কর্ণফুলী বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র

‎◾ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল

‎◾ গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প

‎◾ রামপুরা টেলিভিশন ভবন

‎◾ ঢাকা স্টেডিয়াম

‎◾ ঢাকা যাদুঘর (বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আবাসিক ভবন)

‎◾ WAPDA এবং এর অধিনে শতশত বাধ ও সেচ প্রকল্প

‎◾ ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, গুলশান, বনানী প্রভৃতি আবাসিক এলাকা গঠন ও নগরায়ন

‎◾ শত শত পাট ও কাপড়ের কল যা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাতীয়করণের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়।

‎◾ শিল্পায়নের জন্য গড়ে তোলা হয় East Pakistan Industrial Development Corporation (EPIDC)

‎◾ গাজীপুর সমরাস্ত্র কারখান

‎◾ গাজীপুর মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি

‎◾ মংলা সামুদ্রিক বন্দর ( চট্টগ্রাম বন্দরটি মুঘল আমলে তৈরী)

‎◾ঢাকার নিউমার্কেট সহ বিভাগীয় শহরে একটি করে নিউমার্কেট তৈরী

‎◾তেজগাঁও শিল্প এলাকা

‎◾হাজারীবাগ ট্যানারি শিল্প এলাকা

‎◾খালিশপুর শিল্প এলাকা।

‎◾আদমজী জুট মিলস (নারায়ণগঞ্জ): ১৯৫১

‎◾খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস: ১৯৫৯

‎◾চিটাগং ড্রাই ডক: ১৯৬০

‎◾ ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (চট্টগ্রাম): ১৯৬৮

‎◾ঢাকা জুট মিলস লিমিটেড: ১৯৫০ এর দশক

‎◾ আমিন জুট মিলস লিমিটেড (চট্টগ্রাম): ১৯৫৩

‎◾ খুলনা জুট মিলস: ১৯৫০ এর দশক

‎◾ ইস্পাহানী কটন মিলস: পাকিস্তান আমলে প্রতিষ্ঠিত হয়।

‎◾ কাপ্তাই জল বিদ্যুত - ১৯৬২

‎◾ চন্দ্রঘোনা পেপার মিল - ১৯৫৩

‎◾ কর্ণফূলী রেয়ন মিল – ১৯৫৩

‎◾ প্রগতি ইন্ড্রাস্ট্রিজ – ১৯৫৩

‎◾বাংলাদেশে একটিমাত্র তেল শোধনাগার সেটিও পাকিস্তান করে দিয়েছে।

‎১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর পাকিস্তান ঘাস খেয়ে পারমাণবিক বোমা তৈরি করেছে। বর্তমানে পাকিস্তানের কাছে আনুমানিক ১৭০টি পারমাণবিক ওয়ারহেডসহ একটি পারমাণবিক অস্ত্রাগার রয়েছে।

‎তাদের বিমান বাহিনীর আকাশ ছোঁয়া সাফল্যের কারণে দেশটি সৌদি আরবের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বিমান বাহিনীর মধ্যে পাকিস্তান বিমান বাহিনী ১৪৩৪ টি যুদ্ধবিমান ও রনকৌশল নিয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছে। যার মেরুদণ্ড হিসেবে আছে আমেরিকান এফ-১৬, জেএফ-১৭ থান্ডার এবং আধুনিক চীনা জে-১০সি।

‎তাদের কাছে আছে শাহীন-৩ (২,৭৫০ কিমি পর্যন্ত পাল্লার), গৌরী এবং গজনভীর মতো একাধিক উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। তাদের কাছে বাবর ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যা পারমাণবিক এবং প্রচলিত উভয় ধরনের ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম এবং যা স্থল ও সমুদ্র থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।

‎তাদের সেনাবাহিনীর কাছে ২,৬০০টিরও বেশি প্রধান যুদ্ধ ট্যাঙ্কের একটি বহর রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো উন্নত খালিদ, ভিটি-৪ এবং টি-৮০ইউডি ট্যাঙ্ক।

‎দেশটি তার প্রতিরক্ষা খাতকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে গিয়েছে। চীনের সাথে যৌথ উদ্যোগে নিজস্ব জঙ্গি বিমান বানিয়েছে। তাদের কাছে বুরাকের মতো উন্নত ড্রোন সক্ষমতা রয়েছে এবং উইং লুং ড্রোনের জন্য চীনের সাথে সহযোগিতা করে।

‎তাদের কাছে আটটি সাবমেরিন রয়েছে, উপকূলরেখা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষিত করার জন্য নৌবহরে আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট এবং দ্রুতগামী মিসাইল বোট রয়েছে।

‎এছাড়াও তাদের কাছে ৩,০০০টিরও বেশি কামান (টানা ও স্ব-চালিত উভয়ই) এবং একাধিক রকেট লঞ্চার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

‎এমনকি পাকিস্তানের ১১ টি বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃতি পেয়েছে। শিক্ষার মানেও পাকিস্তান অনেক এগিয়ে। সবচেয়ে বড় কথা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে দেশটি বড় খেল দেখিয়েছে ইরান যুদ্ধ বন্ধ করতে। তারা আন্তর্জাতিক রাজনীতি তে নিজেকে একটা গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে কূটনীতি ও সামরিক পার্সপেক্টিভে। যারা আমেরিকা এবং ইরানকে ও এক টেবিলে বসাতে পারছে।

‎আর ১৯৭১ সালে বিজয়ী বাংলাদেশের যুদ্ধ করে দাসত্বের সার্টিফিকেট নিয়েছে। তারা বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা দিয়ে পৃথিবীর প্রথম চেতনা বোমা বানিয়েছে। যা চীনের হাইড্রোজেন বোমার চেয়েও ভয়ংকর।

‎ এই পর্যন্ত সংসদের মতো একটা স্থানে চেতনা বড় নাকি আধুনিকতা বড়! এই নিয়ে কয়েকশ অধিবেশন চলছে।আফসোস🙂
সংগৃহীত

04/14/2026

দেশের সার্বভৌমত্ব কোন পথে যাচ্ছে? দেশের স্পর্শকাতর সামরিক তথ্য শুধু ভারতের ‘র’-এর কাছেই যাচ্ছে না, বরং তাদের সংবাদমাধ্যমগুলো তা প্রচার করে মোদির জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করছে।

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Northeast News একটি ছবি প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন পাকিস্তানি সামরিক সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা। আর সেই সফরের জন্য বাংলাদেশের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা পরিদর্শনের ক্লিয়ারেন্স বা নিরাপত্তা ছাড়পত্র চলে গেছে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা (র)-এর কাছে। এমনকি তাদের গণমাধ্যমগুলোও এটি প্রচার করছে। সেখানে বাংলাদেশে আসা পাকিস্তানি ব্যক্তিদের পরিচয়, পাসপোর্ট নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্যও রয়েছে।

একটি দেশের গোয়েন্দা ব্যবস্থা যখন এতটাই দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন আপনি কিভাবে চীন, পাকিস্তান কিংবা তুরস্কের কাছ থেকে তাদের গোপন সামরিক প্রযুক্তি পাওয়ার আশা করেন?
আজ এসব প্রযুক্তি বাংলাদেশের হাতে এলে হয়তো কালই তার সকল গোপন তথ্য ভারতে পাচার হয়ে যাবে।

04/12/2026

উনি কোন কথা বলবেননা
ইউ হেভ এ প্লান.

04/11/2026

ডা. কামরুল হাসান, যে মানুষটি ৩০ লাখ টাকার সার্জারি করেন মাত্র ২ লাখ টাকায়।

আর এই ২ লাখ টাকার এক টাকাও তার নিজের পকেটে যায় না। এটা শুধু আনুষঙ্গিক খরচ ,সার্জারিটা তিনি করেন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

২০০৭ সাল থেকে শুরু করে গত ১৭ বছরে তিনি ২০০০-এরও বেশি কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট সম্পূর্ণ ফ্রিতে করেছেন।
শুধু এখানেই শেষ না।

রোগীদের ফলোআপের জন্যও তিনি কোনো ফি নেন না। তার নিজের হাসপাতাল ,“সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (CKD)” , এ রোগ নির্ণয়ের জন্য কোনো টাকা লাগে না। ভর্তি রোগীদের খাবারের জন্যও দিতে হয় না এক টাকাও।

সপ্তাহে ৭ দিনের মধ্যে ৬ দিনই তিনি কোনো না কোনো সার্জারিতে ব্যস্ত থাকেন।

তার হাসপাতালের ৪৫০ জন কর্মীর মধ্যে প্রায় ২০০ জনের থাকার ব্যবস্থা করেছেন তিনি নিজেই। এমনকি এই স্টাফদের প্রতিদিন ৩ বেলা খাবারও দেওয়া হয় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

যখন তাকে জিজ্ঞেস করা হয় ,যে সার্জারির জন্য বিদেশে ৩০–৫০ লাখ টাকা লাগে, আর দেশেও যেখানে অন্তত ১০–১৫ লাখ টাকা খরচ হয় ,সেখানে তিনি কেন কোটি কোটি টাকা ছাড় দিয়ে এসব কাজ বিনামূল্যে করছেন?
তিনি উত্তর দেন ,
তিনি তার কাজটাকে একটা ‘ইবাদাত’ বানাতে চান। দুনিয়াতে এর কোনো প্রতিদান তিনি আশা করেন না।

ঠিক এমন একজন মানুষের কাছেই দীর্ঘদিন ধরে চাওয়া হচ্ছিল চাঁদা।

শুরুতেই বলেছি ,হাসপাতালের স্টাফদের খাবারও ফ্রিতে দেওয়া হয়। তাই প্রতিদিনের খাবার কেনা হয় সবচেয়ে কম দামে, ভালো মান বজায় রেখে। এই সুযোগেই নজর পড়ে যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন মঈনের। খাবার সরবরাহের টেন্ডারটা অনেকটা জোর করেই নিয়ে নেয় সে। প্রথমে সমস্যা না হলেও, পরে সে খাবারের দাম বাড়াতে শুরু করে ,প্রতি কেজিতে অতিরিক্ত ১১–১২ টাকা পর্যন্ত রাখা হয়। ফলে ৮ হাজার টাকার খাবার হয়ে যায় ১০ হাজার টাকা।

এই অনিয়মের কারণে তার টেন্ডার বাতিল করা হয়। এরপর থেকেই শুরু হয় চাঁদা দাবি, ভয় দেখানো, এবং বিভিন্ন অজুহাতে হাসপাতালের উপর চাপ সৃষ্টি।

ডা. কামরুল হাসান একাধিকবার বিএনপির বিভিন্ন নেতার কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। কিন্তু কোনো সমাধান আসেনি।
পরবর্তীতে বিষয়টি মিডিয়ায় আসার পর যুবদলের সভাপতি-সম্পাদকসহ অনেকে এসে তার সাথে দেখা করেন এবং ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

অন্যদিকে পুলিশ জানিয়েছে ,তাদের কাছে কোনো চাঁদাবাজির আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করা হয়নি। তবে শুক্রবার থানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও মঈন উদ্দিনের মধ্যে একটি সমঝোতা বৈঠক হয়েছে।

এখন প্রশ্ন হলো ,
এমন একজন মানুষের কাছ থেকেও কেউ কীভাবে চাঁদা দাবি করতে পারে?
চাঁদাবাজি কারও ক্ষেত্রেই গ্রহণযোগ্য না ,কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তবতায় ধরে নিলাম এটা ঘটে। তবুও, ডা. কামরুল হাসানের মতো একজন মানুষের সাথে এমন আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

আরও বড় প্রশ্ন হলো ,
যদি তিনি আগে থেকেই অভিযোগ জানিয়ে থাকেন, তাহলে সমাধান আসতে এত দেরি হলো কেন? কেন বিষয়টি মিডিয়ায় আসার পরেই নড়াচড়া শুরু হলো?

দিন দিন আমাদের বিচারব্যবস্থা যেন এমন জায়গায় গিয়ে দাঁড়াচ্ছে, যেখানে ন্যায়বিচার হবে কি না ,তা নির্ভর করছে কোনো বিষয়টা ভাইরাল হলো কি না তার উপর।

একজন মানুষ, যিনি হাজারো মানুষের জীবন বাঁচাচ্ছেন…তার কাছেও যদি চাঁদা চাওয়া হয় ,
তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?

আর যদি বিচার পাওয়ার জন্য “ভাইরাল” হতে হয় ,
তাহলে আমাদের বিচারব্যবস্থা আসলে কতটা কার্যকর?

Maruf Hayat

04/09/2026

১০ বছর আগে স্বামী মারা গিয়েছিল মহিলাটার। তার একটা সন্তান আছে। সেই সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়েই কষ্ট করে অন্যের বাড়িতে কাজ করত সে। খেয়ে না খেয়ে কোনরকম চলতো তার সংসার।

বিধবা হওয়া সত্ত্বেও এতবছর বিধবা ভাতার একটা টাকাও পায়নি সে। এলাকার নেতারাই সব টাকা মেরে দিতো।

মহিলাটা বাড়িতে একা একা থাকে বিধায় মহিলার দিকে নজর যায় ফরিদপুর পৌর এলাকার বিএনপি নেতা সুজন শেখের। সে বারবার সুযোগ খুঁজতে থাকে কিভাবে মহিলার সম্ভ্রমহানি করা যায়।

কিছুদিন আগে সুজন শেখ মহিলার বাড়িতে এসে তাকে ফ্যামিলি কার্ড করে দেয়ার আশ্বাস দেয়। মহিলাটা তার কথা বিশ্বাস করে না কেননা এতবছর বিধবা ভাতার একটা টাকাও পায়নি সে।

মহিলাটা তেমন একটা পড়াশোনা জানে না, কাগজপত্রের ঝামেলাও বুঝে না। সুজন শেখ মহিলার এই সরলতার সুযোগটাকেই কাজে লাগায়। ফ্যামিলি কার্ডের আশ্বাস দিয়ে মহিলাটার সাথে যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করতে থাকে।

এরপর গত ২ তারিখ বৃহস্পতিবার সুজন শেখ মহিলাটার বাড়িতে এসে বলে- ফ্যামিলি কার্ড নিতে হলে উপজেলা পরিষদে যেতে হবে, আমার সাথে আসো।

মহিলাটাও বিশ্বাস করে যায়। সুজন শেখ মহিলাটাকে প্রথমে রিক্সা করে বাস টার্মিনালে নিয়ে যায়। তারপর সেখান থেকে পায়ে হেঁটে একটা আবাসিক হোটেলের সামনে নিয়ে যায়।

মহিলাটা তখন জিজ্ঞেস করে- এটা কি উপজেলা পরিষদ?
সুজন শেখ তখন উত্তরে বলে- এখানেই নতুন অফিস করা হয়েছে, আসো।

তারপর মহিলাটাকে সেই আবাসিক হোটেলের একটা রুমে নিয়ে যায় সুজন শেখ। রুমে নেয়ার পর মহিলাটা বুঝতে পারে সুজন শেখের মতলব ভালো না। সে সেখান থেকে চলে আসতে চায় এমনকি জোরে চিৎকার দেয়ার চেষ্টাও করে।

চিৎকার দিতে চাইলে সুজন শেখ মহিলাটার চোখমুখ চেপে ধরে এবং বলে তার কথামতো কাজ না করলে ফ্যামিলি কার্ড দিবে না। মহিলাটা কার্ড লাগবে না বলে চলে আসার চেষ্টা করেছিল কিন্তু সুজন শেখ জোরজবরদস্তি করে টানা ধ*র্ষণ করতে থাকে।

এরপর মহিলাটাকে সেখানে ফেলেই সুজন শেখ চলে আসে এবং আসার সময় হুমকি দিয়ে আসে এ ঘটনা যাতে ভুলেও কেউ জানতে না পারে, এমনকি তার কাছের কেউও না।

এর ঘন্টা দুয়েক পর মহিলাটা রিকশায় করে কোনরকম বাড়িতে আসে। বাড়িতে এসেই জোরপূর্বক ধ*র্ষণের নির্মমতায় অসুস্থ হয়ে পড়ে সে। অসুস্থ হয়ে পড়ায় সে আর বিষয়টা লুকিয়ে রাখতে পারে না। পুরো ঘটনাটা তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে খুলে বলে।

তারপর অবস্থা সিরিয়াস দেখে তারাই মহিলাটাকে ফরিদপুর মেডিকেলের ওসিসি সেন্টারে ভর্তি করায়। টানা ধ*র্ষণে অবস্থা ক্রিটিকাল হয়ে যাওয়ায় সেখানে ৪ দিন যাবত মহিলাটার চিকিৎসা চলে।

তারপর ভাইয়ের স্ত্রী এবং ডাক্তারদের সহায়তায় কোতোয়ালি থানায় মামলা করে দায়ের সে। উপজেলা পুলিশ ডাক্তারদের সাথে কথা বলে এবং মেডিকেল রিপোর্ট দেখে ধ*র্ষণের সত্যতা খুঁজে পায়।

কিন্তু ধ*র্ষণের সত্যতা পাওয়া গেলেও পুলিশ এখনো সুজন শেখকে গ্রেফতার করতে পারেনি। কারণ সুজন শেখ এলাকাতে বিএনপি করে এবং বিএনপির উর্ধ্বতন নেতাদের সাথেও তার দহরমমহরম সম্পর্ক আছে।

মামলার এজাহার নেয়ার সময় মহিলাটা কেঁদে কেঁদে বলছিল- আমারতো স্বামী নাই, একটা সন্তান নিয়া মাইনষের বাড়িত কাজ কইরা খাই, অভাব অনটনের সংসার। সুজন শেখ রাজনীতি করে ,ভাবছি উনায় কার্ড কইরা দিতে পারব কিন্তু এহনতো আমার জীবনডারে শেষ কইর‍্যা দিলো।

কথাগুলো বলেই ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছিল মহিলাটা। তার ছোট সন্তানটাও ছিল তার সাথে।

মহিলাটা অসহায় ,তেমন একটা পড়াশোনা জানে না। কাগজপত্র ,মামলা মোকদ্দমা বুঝে না। এই সুযোগেই বিএনপি দলের প্রভাব খাটিয়ে সুজন শেখ গ্রেফতার হওয়া থেকে বেঁচে যাচ্ছে। প্রশাসনের সাথে একটা সমঝোতাও করে ফেলতে চাচ্ছে সে কারণ মহিলাটার পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ নাই।

মহিলাটা এতটাই গরবি আর অসহায় যে তার বাড়ির টিনের চালা দিয়ে পানি পড়ে, বৃষ্টি এলে কোনরকম পলিথিনের কাগজ দিয়ে ঘরটাকে বাঁচিয়ে রাখে, একটা সন্তানকে নিয়ে ছোট্ট ঘরটাতেই অনাহারে কাটে তার জীবন।

অন্যদিকে সুজন শেখের টাকাপয়সা আছে ,দলের ক্ষমতা আছে, আইন আদালত হাত করা আছে।

মহিলাটা গত দুইদিন যাবত থানার ঘুরতেছে বিচারের আশায়। এই অসহায় মহিলাটা টাকাপয়সা চায় না, ক্ষতিপূরণ চায় না, তার উপর অমানবিক ধ*র্ষণের বিচারটুকু চায় শুধু

- Ibrahim Khalil Shawon

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Brooklyn?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


766 Drew Street
Brooklyn, NY
11208