Hccjjccu
21/08/2024
ওনাকে যারা ছিনেন না তাদের জন্য।
তার নাম - লুৎফুজ্জামান বাবর।
২০০১ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ভারত - বাংলাদেশের বর্ডার এতই শক্তিশালী ছিল যে, বেগম খালেদা জিয়াকে বলা হয় ইন্ডিয়ার সাথে নেগোশিয়েট করতে। তখন দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার রিপ্লাই ছিল : "কিন্তু আমার বাবর পাগলাকে বুঝাবে কে?"
তারেক জিয়া ২০০৪ সালের একটা ইন্টারভিউতে বলছিলো যে বাংলাদেশের আয়তন আরো বাড়বে।
মাওলানা ভাসানী বলেছিলেন, "আসাম আমার, পশ্চিমবঙ্গ আমার, ত্রিপুরাও আমার। এগুলো ভারতের কবল থেকে ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মানচিত্র পূর্ণতা পাবে না। "
ছবিতে যাকে দেখতে পাচ্ছেন ইনিই হলেন তৎকালীন নেত্রকোনা - ৪ আসনের সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।
তিনি ১০ ট্রাক ভর্তি অস্র- গোলাবারুদ, রকেটের লঞ্চার নিয়ে ভারতে পাঠাচ্ছিলো ২০০৪ সালে। তখন তারা নিজেদের দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু করে, মূল ভারত থেকে আলাদা হতে চাচ্ছিলো এই সাত অঙ্গরাজ্য যেমন- মিজুরাম, আসাম, মেঘালয়, সিকিম, ত্রিপুরা, বিহার ও উড়িষ্যা।
আর সেখানের আন্দোলন কারিদের ১০ ট্রাক ভর্তি অস্ত্র সাপ্লাই করেছিলো এই মন্ত্রী।
তারপর হঠাৎ কিছু কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রের কারণে তার অস্ত্রশস্ত্র সব ধরা খায়, তারপর থেকে আর তারা বিদ্রোহ করতে পারেনি।
এখানে ৪৬৩টি বাক্স অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয় যেগুলির মধ্যে ছিল এমটিটি, এসএমজি, টমিগান ৭৯০টি, গ্রেনেড ২৭ হাজার, রকেট লঞ্চার ১৫০, ম্যাগজিন ৬২০ এবং ১১ লাখ ৪৩ হাজার ৫২০টি গুলি।
এসবকিছুর আনুমানিক মূল্য ২৭ হাজার কোটি টাকা।
এই বান্দার 'উই আর লুকিং ফর শত্রুজ!' ডায়লগটা ভুলবো না কোন দিন!
এই মামলায় যদিও তাকে আটকানো যায় নাই।
কিন্তু ঘটনার সময়ে সে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ছিলেন। ১০ ট্রাক অস্ত্র সেদিন ভারতে ঢুকলে আজ সেভেন সিস্টার্স এর ধ্বংসাবশেষ ও থাকতো না।
ভারত নিজেদের নিয়ে এতো ব্যস্ত থাকতো যে , আমাদের দেশের অভ্যন্তরীন বিষয় নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় পাইতো না। ১৭ বছরের দুঃশাসন সহ্য করতে হতো না আজ আমাদের দেশকে ও জাতিকে।
এই কারনে ভারত সবসময় চাইতো বাংলাদেশ এর ভিতর দিয়ে করিডোর করে যেনো সরাসরি এই ৭ অঙ্গ রাজ্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। তারজন্যই আজ দেশের বুক চিরে রেলপথ তৈরি করেছে।
আর এখন এই মন্ত্রীর ছবি, ভিডিও দিয়ে ভারতকে রেড এলার্ট দিচ্ছে জনগণ।
সাহসী সেনা এবং বিডিআর অফিসার তৈরি হয়েছিল এই লুৎফুজ্জামান বাবরের হাত ধরেই। বর্ডারের বিষয়ে বাবর ছিলেন সর্বদা জিরো টলারেন্সে। ইন্ডিয়ার যম দূত ছিলেন। তখন একটা গুলির জবাবে পাঁচটা দিয়ে জবাব দিতো বাংলাদেশ। তার পরবর্তীতে ইন্ডিয়া আর কখনোই বিএনপিকে ক্ষমতায় আসতে দেয় নি, যা বিগত ১৭ বছরে পুরো দেশবাসী স্বচক্ষে উপলব্ধি করেছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Medina