Eager To Know Islam

Eager To Know Islam

Share

13/01/2021

গিবত বা পরচর্চা করার পর যার গিবত করা হয়েছে তার নিকট ক্ষমা চাওয়া জরুরি কি?
▬▬▬▬✪✪✪▬▬▬▬

প্রশ্ন: আমরা জানি, গিবত করা এবং শোনা উভয়টি গুনাহের। কিন্তু কেউ যদি কারো গিবত করার পর নিজের ভুল বুঝতে পারে তাহলে কি তার জন্য যার গিবত করেছে তার নিকট ক্ষমা চাওয়া জরুরি?
অনুরূপভাবে গিবত শ্রবণ করার পর যার গিবত শুনেছে তার নিকট কি ক্ষমা চাওয়া জরুরি? দয়া করে বিষয়টি জানিয়ে বাধিত করবেন।

উত্তর:
নি:সন্দেহ গিবত বা কারো অনুপস্থিতে তার দোষ-ত্রুটি নিয়ে সমালোচনা করা কবিরা গুনাহ (বড় পাপ)। কুরআনে আল্লাহ তাআলা এটিকে মৃত ভাইয়ের গোস্ত খাওয়ার সাথে তুলনা করেছেন।
অনুরূপভাবে গিবত শ্রবণ করাও গুনাহের কাজে শরিক হওয়ার শামিল।

যাহোক, কেউ কারো গিবত করে ফেললে তাবে বিষয়টি জানানো এবং তার নিকট ক্ষমা চাওয়া শর্ত কি না এ ব্যাপারে ওলামাদের মাঝে দ্বিমত আছে।
তবে অধিকাংশ আলেমের মতে, যার গিবত করা হয়েছে তাকে বিষয়টি জানানো এবং তার নিকট ক্ষমা চাওয়া জরুরি নয়।

ইবনে তাইমিয়া রাহ. বলেন, যার বিষয়ে গিবত করা হয়েছে তার কাছে বিষয়টা জানাতে গেলে কোন লাভ তো হবে না বরং সমস্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। সে ব্যক্তি বিষয়টি জানার আগ পর্যন্ত হয়ত মানসিকভাবে শান্তিতেই ছিল কিন্তু শুনার পরে তার মানসিক অস্থিরতা বেড়ে যেতে পারে। শুনার পর সে ধৈর্য ক্ষমতা হারিয়ে তার ক্ষতি করে ফেলতে পারে। তাই তার নিকট বলতে যাওয়া ঠিক নয়।
বরং তার উচিৎ হবে, তার জন্য আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি তার প্রশংসা ও সুনাম করে বদনামের ক্ষতিপূরণ করা এবং তার জন্য মহান আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা ও দুআ করা। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম করুণার আধার।

হাসান বসরী রহ. বলেন, “গিবতের কাফফারা হল, যার গিবত করেছো তার জন্য আল্লাহর নিকট ইস্তিগফার করা।”
অধিকাংশ আলেম এই মতামত ব্যক্তি করেছেন।

অনুরূপভাবে আপনি যদি কারও ব্যাপারে গিবত শুনেন তারপর যদি যার গিবত করা হয়েছে তার নিকট ক্ষমা চাওয়ার উদ্দেশ্যে বিষয়টি তাকে বলতে যান তাহলে যে গীবত করেছে তার সাথে আপনি যুক্ত হয়ে ত্রিমুখী সমস্যা ও ঝগড়া-ঝাটির সূচনা হওয়ার পর্যাপ্ত সম্ভাবনা রয়েছে।
সুতরাং আপনার জন্যও তাই করা উচিৎ, গিবত কারীর জন্য যা যা করা উচিৎ। সেই সাথে গিবত কারীকে নসিহত করাও আপনার কর্তব্য যদি সম্ভব হয়।
আল্লাহ তাআলা গিবতের মত ভয়াবহ ব্যাধি থেকে মুসলিম সমাজকে রক্ষা করুন। আমীন। আল্লাহু আলাম।

✒✒✒✒✒
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব।

30/08/2020

💗চারটি কালেমা সারা সকাল ইবাদতের চেয়েও ওজনে ভারী।💗

سُبْحَانَ اللّٰهِ وَبِحَمْدِهِ عَدَدَ خَلْقِهِ، وَرِضَا نَفْسِهِ، وَزِنَةَ عَرْشِهِ، وَمِدَادَ كَلِمَاتِهِ،

⭕উচ্চারণ: সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি ‘আদাদা খালক্বিহি, ওয়া রিদ্বা নাফসিহি, ওয়া যিনাতা ‘আরশিহি, ওয়া মিদা-দা কালিমাতিহি।

⭕অর্থ: “আমি আল্লাহর প্রশংসাসহ পবিত্রতা জ্ঞাপন করছি তাঁর অগণিত সৃষ্টির সমান, তাঁর সন্তুষ্টি, তাঁর আরশের ওজনের পরিমাণ ও তাঁর বাণীসমূহ লেখার কালি পরিমাণ।”

⭐উম্মুল মুমিনিন জুওয়ায়রিয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা) প্রত্যূষে তাঁর নিকট থেকে বের হলেন। যখন তিনি ফজরের সালাত আদায় করলেন তখন তিনি সালাতের জায়গায় ছিলেন। এরপর তিনি –দুহা’র পরে ফিরে এলেন। তখনও তিনি বসেছিলেন। নবী (সা) বললেন, আমি তোমাকে যে অবস্থায় রেখে গিয়েছিলাম তুমি সেই অবস্থায়ই আছো?
তিনি বললেন, হ্যাঁ। তখন নবী (সা) বললেনঃ আমি তোমার নিকট থেকে যাওয়ার পর চারটি কালেমা তিনবার পাঠ করেছি। আজকে তুমি এ পর্যন্ত যা বলেছ তার সাথে ওজন করলে এই কালেমা চারটির ওজনই বেশী হবে।

(মুসলিম, হাদীস নং- ৬৬৬৫; ইবনে মাজাহ, হাদীস নং- ৩৮০৮; তিরমিজী, হাদীস নং-৩৫৫৫)

Want your place of worship to be the top-listed Place Of Worship in Jeddah?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Jeddah