R1971

R1971

Share

01/03/2026

ইরান-আমেরিকা-ইসরাইলের এই লড়াইয়েও এদেশের বিরাট বড় যাকাত খাওয়া ইসলামী দল দাবি করা জামায়াতে ইসলামী কোনো নির্দিষ্ট অবস্থান নিতে পারেনি। এই তিনদেশকেই এক মার্জিনে ফেলে দিয়ে সবাইকে সংযত হওয়ার আহবান জানিয়েছে জামাতের আমীর ডা. শফিক!

আরও মজার ব্যাপার হলো, বায়তুল মোকাররম উত্তরগেটে জামায়াত একটা প্রোগ্রাম করেছে ইরানে হামলা এবং খামেনী হত্যার প্রতিবাদে। কিন্তু পোস্টার ব্যানার কোথাও আমেরিকা, ইসরাইলের নামটাও নিতে পারে নাই!

এমন নগ্ন দাসত্ব ক্যামনে সম্ভব? হাউ?

আদতে মুনাফেকের চরিত্রই হলো তারা কোনো ক্লিয়ার অবস্থানে থাকতে পারবে না! সুবিধা ও ক্ষমতার লোভ তাদেরকে তাড়া করে ফিরবে এবং পরিশেষে জিল্লতি গ্রহণ করতে হবে।

স্পষ্ট কথা হলো, বিএনপি বা এনসিপিও এমন অবস্থান নিতে পারে কিন্তু জামায়াত,মজলিস, আইএবি তারা এমন অবস্থানে যেতে পারবে না। তাদের অবস্থান হতে হবে ক্লিয়ার এবং একমাত্র মুসলমানের পক্ষে। নয়ত তাদেরকে ইসলামী দলের খোলস থেকে বের হতে হবে।

এই মুনাফিকী চরিত্রের জাতীয় সমস্যার বিষয় হলো, বিরোধীদল হিসেবেও জামায়াত এমনই থাকবে। সুবিধাভোগের রাজনীতিটাই করবে। মুখে বলবে আমরা গৃহপালিত বিরোধীদল হবো না কিন্তু সরকারের প্রতি খুবই অনুগত থাকবে, পুরাই গৃহপালিত থাকবে। এনসিপি দিয়ে সরকারের বিরোধিতা এবং কিছু হুজুর দিয়ে হুজুর দলের বিরোধিতা করায়া নিজেরা বেশ সেফজোনের রাজনীতিটা করতে চাইবে।

ইভেন তাদেরকে আপনি এগুলো ধরায়াও দিতে পারবেন না। সমালোচনাও করতে পারবেন না। করলেই কমেন্টবক্সে জম্বির মত হামলে পড়বে! গালীগালাজ আর বটাক্রমন করে সব উড়ায়া ফেলবে। এই পোস্টের কমেন্টবক্সেও দেইখেন সেটা।

01/02/2026

তবে কি জামায়াত দেশ বিক্রির চক্রান্তে লিপ্ত?

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের উত্তাপ শহর থেকে গ্রাম—সর্বত্র। কিন্তু এই উত্তাপের আড়ালেই ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে আধিপত্যবাদীদের আসন্ন নৃশংস থাবা। যে থাবার লক্ষ্য সার্বভৌম বাংলাদেশ।
সাম্প্রতিক সময়ে আমরা দেখেছি—জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বিদেশি আধিপত্যবাদী শক্তির দফায় দফায় বৈঠক। হাইকমিশন থেকে শুরু করে অভিজাত হোটেল—সবখানেই চলছে এই তৎপরতা। ক্ষমতায় যাওয়ার অন্ধ ক্ষুধায় জামায়াত যে বাংলাদেশকে বিপদের মুখে ঠেলে দিতে পারে—এ আশঙ্কা এখন আর গুজব নয়; রাষ্ট্রচিন্তকদের আলোচনায় তা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।

বাংলাদেশের চিরশত্রু ভারতের সঙ্গে জামায়াতের গোপন আঁতাত নতুন কিছু নয়। অভিযোগ রয়েছে—জামায়াত ক্ষমতায় এলে ভারতকে সব ধরনের কৌশলগত সুবিধা দেওয়ার নিশ্চয়তা দিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক মিয়া গোলাম পরওয়ার। ভারতের ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে আয়োজিত রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলের অনুষ্ঠানে তিনি নাকি গোপনে এই প্রতিশ্রুতি দেন। এমনকি আওয়ামী লীগের চেয়েও ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ হিসেবে জামায়াতকে দেখতে পাবে ভারত—এমন আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি উঠেছে।
অন্যদিকে ফেনিতে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মঞ্জুর নির্বাচনী আলোচনা সভায় জামায়াতের নায়েবে আমির তাহের যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা আরও উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, আমেরিকার হাইকমিশনারকে জানানো হয়েছে—ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (আইএবি)-কে ‘এক্সট্রিমিজম’ বা মৌলবাদ থেকে দূরে আনা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে গোপন বৈঠকে জামায়াত আশ্বস্ত করেছে—তারা বাংলাদেশে কোনো ইসলামী সরকার গঠন করবে না, করতেও দেবে না।
রাষ্ট্রচিন্তক ও আমাদের বিশ্লেষণ বলছে, মূলত এই কারণেই ইসলাম, দেশ মানবতা প্রেমি সুফিধারার সংগঠন ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ আইএবিকে জোট থেকে সুপরিকল্পিত ভাবে বের করে দেয় জামায়াত।

এছাড়াও আমাদের কাছে সংবাদ রয়েছে, সাংবাদিক মহলে নতুন করে গুঞ্জন শুরু হয়েছে—জামায়াত ক্ষমতায় আসার বিনিময়ে আমেরিকাকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের সুযোগ দিতে প্রস্তুত। এই তথ্য সত্য হলে তা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। ইসলামও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সাজানোগোছানো এই দেশ ভারত উপমহাদেশের নতুন ফিলিস্তিন হয়েও উঠতে পারে।
এখন প্রশ্ন হলো—স্বাধীনতার চিরশত্রু জামায়াত কি তবে ক্ষমতার লোভে বাংলাদেশকে ভারত ও আমেরিকার কাছে ইজারা দিতে যাচ্ছে? তারা কি একটি ধ্বংসাত্মক ‘নতুন বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত?
সবশেষে প্রশ্নটা জনগণের কাছেই ফিরে আসে—
বাংলাদেশের মানুষ কতটুকু সায় দেবে এই আত্মঘাতী রাজনীতিকে?

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Doha?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Doha