Al RaFi
আমার পেজে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম...!
নিয়মিত পোষ্ট টাইম লাইনে না পোঁছালে Following অপশনে ক্লিক করে See First করে রাখুন।
* ছোট আমল নাজাতের জন্য যথেষ্ঠ।
* আসুন আমরা সবাই মিলে ইসলাম প্রচার করি,ইসলাম অনুযায়ী ব্যক্তী জীবন ও সমাজ জীবনকে গড়ে তুলি।
01/05/2025
আজকের শিশু কালকের ভবিষ্যৎ। আর এই ভবিষ্যৎ গড়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হলেন বাবা-মা। সন্তানের সঠিক তারবিয়াহ শুধুমাত্র ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করানো বা পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর চেয়েও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে তার চারিত্রিক গঠন, নৈতিক শিক্ষা ও ভালো-মন্দের বোধ তৈরি করা।
১. সন্তানের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলুন:
শুধু আদেশ-নিষেধ নয়, সন্তানের সঙ্গে একান্তে সময় কাটান। তার অনুভূতি শুনুন, চোখে চোখ রেখে কথা বলুন। এতে সে অনুভব করবে আপনি তার আপনজন, ভরসার স্থান।
২. ভালোবাসা ও শৃঙ্খলার ভারসাম্য রাখুন:
একদিকে সীমাহীন ভালোবাসা, অন্যদিকে প্রয়োজনীয় শৃঙ্খলা—দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। খুব বেশি শাসন যেমন ক্ষতি করে, তেমনি অতিরিক্ত ছাড়ও সন্তানের ক্ষতির কারণ হতে পারে।
৩. ইসলামী মূল্যবোধ শেখান:
আল্লাহভীতি, আমানতদারি, সততা, সহমর্মিতা, বড়দের সম্মান, ছোটদের স্নেহ—এই গুণগুলো ছোটবেলা থেকেই শেখানো জরুরি। নিজের আচরণের মাধ্যমে এই মূল্যবোধগুলো শেখানো সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।
৪. পরিমিত স্ক্রিন টাইম ও টাইম ম্যানেজমেন্ট :
শিশুদের হাতে মোবাইল তুলে দেওয়ার আগে ভাবুন—এটা কি তাকে জ্ঞানী বানাচ্ছে, না কেড়ে নিচ্ছে তার শৈশব? খেলাধুলা, বই পড়া, পারিবারিক সময়—এসবের গুরুত্ব তাকে বোঝান।
৫. নিজের চরিত্র গড়ুন:
বাবা-মা যেমন হবেন, সন্তানও ধীরে ধীরে তাই হতে শেখে। আপনি যদি সময়নিষ্ঠ হন, কোমলভাষী হন, সালাত কায়েম করেন, মিথ্যা না বলেন—সন্তান নিজের অজান্তেই তা রপ্ত করবে।
সন্তান আমাদের হাতে আমানত। আমরা তাকে যেমন করে গড়ে তুলবো, সে-ই আমাদের জন্য দুনিয়ায় শান্তি ও আখিরাতে নাজাতের কারণ হতে পারে, আবার উল্টোও হতে পারে। তাই সন্তানকে সময় দিন, দোয়া করুন, সঠিক দিকনির্দেশনা দিন—আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন।
01/05/2025
ইসলামের দৃষ্টিতে মালিক-শ্রমিক সম্পর্ক
ইসলামে শ্রমিকের দায় ও অধিকার
"ইসলাম মালিক ও শ্রমিক উভয়ের অধিকার ও কর্তব্যকে নিশ্চিত করে। মালিকের যেন কর্তব্য হলো শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই তার পারিশ্রমিক দিয়ে দেয়া। অপরপক্ষে শ্রমিক বা কর্মচারীরও রয়েছে মালিকের প্রতি দায়বদ্ধতা। উভয়ে ইসলামের দিক নির্দেশনা মেনে চললেই কেবল ন্যায় প্রতিষ্ঠা হবে। তখনই শুধু মালিক-শ্রমিক উভয়েই খুশি থাকবে।
30/04/2025
আজকের আয়াত/হাদীস
"আবূ হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
مَنْ أَخَذَ أَمْوَالَ النَّاسِ يُرِيدُ أَدَاءَهَا أَدَّى اللَّهُ عَنْهُ ، وَمَنْ أَخَذَ يُرِيدُ إِتْلاَفَهَا أَتْلَفَهُ اللَّهُ
যে ব্যক্তি মানুষের মাল (ধার) নেয় পরিশোধ করার নিয়তে, আল্লাহ তা’আলা তা আদায়ের ব্যবস্থা করে দেন। আর যে তা নেয় বিনষ্ট করার নিয়তে আল্লাহ তা’আলা তাকে ধ্বংস করেন।
সহীহ বুখারী, হাদীস
اٰمَنَ الرَّسُوْلُ بِمَاۤ اُنْزِلَ اِلَیْهِ مِنْ رَّبِّهٖ وَ الْمُؤْمِنُوْنَ ؕ كُلٌّ اٰمَنَ بِاللّٰهِ وَ مَلٰٓىِٕكَتِهٖ وَ كُتُبِهٖ وَ رُسُلِهٖ ۫ لَا نُفَرِّقُ بَیْنَ اَحَدٍ مِّنْ رُّسُلِهٖ ۫ وَ قَالُوْا سَمِعْنَا وَ اَطَعْنَا ؗۗ غُفْرَانَكَ رَبَّنَا وَ اِلَیْكَ الْمَصِیْرُ لَا یُكَلِّفُ اللّٰهُ نَفْسًا اِلَّا وُسْعَهَا ؕ لَهَا مَا كَسَبَتْ وَ عَلَیْهَا مَا اكْتَسَبَتْ ؕ رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَاۤ اِنْ نَّسِیْنَاۤ اَوْ اَخْطَاْنَا ۚ رَبَّنَا وَ لَا تَحْمِلْ عَلَیْنَاۤ اِصْرًا كَمَا حَمَلْتَهٗ عَلَی الَّذِیْنَ مِنْ قَبْلِنَا ۚ رَبَّنَا وَ لَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهٖ ۚ وَ اعْفُ عَنَّا ۥ وَ اغْفِرْ لَنَا ۥ وَ ارْحَمْنَا ۥ اَنْتَ مَوْلٰىنَا فَانْصُرْنَا عَلَی الْقَوْمِ الْكٰفِرِیْنَ۠
অর্থ: রাসূলের নিকট তাঁর প্রভুর পক্ষ থেকে যা অবতীর্ণ হয়েছে তার প্রতি সে বিশ্বাস করেছে এবং মুমিনগণও। সকলেই আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ এবং তাঁর রাসূলগণের প্রতি ঈমান এনেছে। (তারা বলে,) আমরা তাঁর রাসূলগণের কারও মাঝেই কোনো বিভক্তি সৃষ্টি করি না। তারা বলে, আমরা শুনলাম এবং মেনে নিলাম। হে আমাদের প্রভু! আপনি আমাদের ক্ষমা করুন। আপনার নিকটই প্রত্যাবর্তন। আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যের বাইরে কোনো কিছু চাপিয়ে দেন না। সে (ভালো) যা কিছু উপার্জন করবে তা তারই (পক্ষে যাবে) আর সে (মন্দ) যা কিছু উপার্জন করবে তা তারই (বিপক্ষে যাবে)।
হে আমাদের প্রভু! আপনি আমাদের পাকড়াও করবেন না, যদি আমরা ভুলে যাই কিংবা ভুল করি। হে আমাদের প্রভু! আপনি আমাদের ওপর এমন ভারি বোঝা চাপিয়ে দেবেন না, যেমন চাপিয়ে দিয়েছিলেন আমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর। হে আমাদের প্রভু! আমাদের ওপর এমন কিছু চাপিয়ে দেবেন না, যার সাধ্য আমাদের নেই। আপনি আমাদের ক্ষমা করুন, আমাদের মাফ করুন এবং আমাদেরকে দয়া করুন। আপনি আমাদের অভিভাবক, তাই আপনি আমাদের কাফের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সাহায্য করুন।
(সূরা বাক্বারা, আয়াত ২৮৫-২৮৬)
(কপি পোষ্ট)
25/11/2024
সুরা ইখলাস পবিত্র কোরআনের ১১২ তম সুরা। এটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। এর রুকু ১, আয়াত ৪। এই সুরায় তওহিদ বা আল্লাহর একত্ববাদের ঘোষণার পর আল্লাহর সন্তানসন্ততি আছে বলে যে ভ্রান্ত ধারণা করা হয়, তার প্রতিবাদ করা হয়েছে। আল্লাহ সব অভাবের অতীত এবং তাঁর কোনো তুলনা নেই।
সুরা ইখলাসের বাংলা উচ্চারণ:
কুল হুওয়াল্লা হু আহাদ
আল্লা হুসসামাদ
লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ
ওয়ালাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ
সুরা ইখলাসের অর্থ:
পরম করুণাময় পরম দয়াময় আল্লাহর নামে
১.বলো তিনি আল্লাহ (যিনি) অদ্বিতীয়
২.আল্লাহ সবার নির্ভরস্থল
৩.তিনি কাউকে জন্ম দেননি ও তাঁকেও কেউ জন্ম দেয়নি
৪.আর তাঁর সমতুল্য কেউ নেই।
Also read:
সুরা ফাতিহার বাংলা উচ্চারণ অর্থ ও ফজিলত
(কপি গুগল)
25/11/2024
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
উচ্চারণ : বিসমিল্লাহির রহমা-নির রহি-ম।
অনুবাদ : শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
উচ্চারণ : আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আ -লামি-ন।
অনুবাদ : যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।
الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
উচ্চারণ : আররহমা-নির রাহি-ম।
অনুবাদ : যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।
مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ
উচ্চারণ : মা-লিকি ইয়াওমিদ্দি-ন।
অনুবাদ : বিচার দিনের একমাত্র অধিপতি।
إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ
উচ্চারণ : ইয়্যা-কা না’বুদু ওয়া ইয়্যা-কা নাসতাই’-ন
অনুবাদ : আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।
اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ
উচ্চারণ : ইহদিনাস সিরাতা’ল মুসতাকি’-ম
অনুবাদ : আমাদের সরল পথ দেখাও।
صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ
উচ্চারণ : সিরাতা’ল্লা যি-না আনআ’মতা আ’লাইহিম গা’ইরিল মাগ’দু’বি আ’লাইহিম ওয়ালা দ্দ-ল্লি-ন।
অনুবাদ : সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে
( গুগল কপি)
15/11/2024
নবী করিম (স.) বলেছেন : মিথ্যা হতে দূরে থাকো, কেননা মিথ্যা চেহারাকে কালো করে দেয়'। (মুস্তাদরাক, খণ্ড ২, পৃ. ১০০)
15/11/2024
হযরত মুস্তাফা (স.) বলেছেন : ‘যে ব্যক্তি জ্ঞান অর্জনের লক্ষ্যে ক্ষণিকের জন্য হেয় ও প্রতিপন্ন হতে প্রস্তুত হয় না, সে সারা জীবন অজ্ঞতার কারণে হেয় ও প্রতিপন্ন হয়'। (বিহারুল আনওয়ার, খণ্ড ১, পৃ. ১৭৭)
15/11/2024
প্রিয় নবী (স.) বলেছেন: ‘নম্রতা, বান্দার মর্যাদা বৃদ্ধি করে; সুতরাং নম্র হও যাতে মহান আল্লাহর অনুগ্রহ ও রহমতের শামিল হতে পারো’। (নাহজুল ফাসাহাহ, পৃ. ২৭৭)
15/11/2024
এক বৃদ্ধ ব্যক্তি মহানবী (স.) এর সমীপে উপস্থিত হল, কিন্তু উপস্থিত ব্যক্তিরা কেউই তার সম্মান করলো না এবং তাকে জায়গা দিতে অলসতা দেখালো। (উপস্থিতদের এহেন আচারণে অসন্তুষ্ট হয়ে) মহানবী (স.) বললেন: ‘যারা আমাদের ছোটদেরকে স্নেহ করেনা এবং বৃদ্ধদের প্রতি সম্মান দেখায় না, তারা আমাদের হতে নয়’। (মিশকাতুল আনওয়ার ফি গুরারিল আখবার, পৃ. ১৬৮)
15/11/2024
করিম (স.) বলেছেন: ‘যে ব্যক্তি ঘুমানোর পূর্বে আয়াতাল কুরসী পড়ে, মহান আল্লাহ্ তাকে রক্ষার জন্য একটি ফেরেশতা নিযুক্ত করেন যাতে সে সুস্থ অবস্থায় সকালে পৌঁছায়’ (বা জাগ্রত হয়)। (তাফসিরে মিনহাজুস সাদিকীন, খণ্ড ২, পৃ. ৯২)
15/11/2024
মহানবী (স.) বলেছেন: ‘তোমরা ধ্বংস হয়ে যাওয়ার জন্য সৃষ্টি হওনি, বরং তোমরা অবশিষ্ট থাকার জন্য সৃষ্টি হয়েছো। আর তোমরা [মৃত্যুর মাধ্যমে] এক স্থান হতে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হবে’। (বিহারুল আনওয়ার, খণ্ড ৩, পৃ. ১৬১)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Kuala Lumpur