Silchar Tech Info

Silchar Tech Info

Share

11/06/2026

এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক (HDFC Bank) এবং তার সিইও শশিধর জগদীশনের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ১০০০ কোটি টাকার মানহানির মামলায় এবার বিরাট ধাক্কা খেল লীলাবতী কির্তিলাল মেহতা ট্রাস্ট। সূত্রের খবর, বোম্বে হাইকোর্ট (Bombay High Court) অন্তর্বর্তীকালীন পর্যায়ে ট্রাস্টকে কোনও রকম স্বস্তি দিতে অস্বীকার করেছে। হাইকোর্টের স্পষ্ট দাবি, এই মুহূর্তে এইচডিএফসি ব্যাঙ্ককে কোনও মন্তব্য করা থেকে আটকানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।

কী অভিযোগ তুলেছিল ওই ট্রাস্ট?
লীলাবতী কির্তিলাল মেহতা ট্রাস্টের অভিযোগ ছিল যে, এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক নাকি প্রকাশ্যে এরকম কিছু মন্তব্য করেছে যাতে ট্রাস্ট এবং ট্রাস্টটি প্রশান্ত মেহতাকে ঋণ খেলাপি হিসেবে তুলে ধরা হয়। ট্রাস্টের দাবি, ব্যাঙ্কের এই বক্তব্য তাদের সামাজিক মর্যাদার পাশাপাশি বিশ্বাসযোগ্যতাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। সেই কারণেই ট্রাস্ট বোম্বে হাইকোর্টে ১০০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করে।

ট্রাস্ট আদালতের কাছে আবেদন জানায় যে, এইচডিএফসি ব্যাঙ্ককে ভবিষ্যতে এরকম ধরনের মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতে হবে। পাশাপাশি ইতিমধ্যে প্রকাশিত বিবৃতি সরাতে হবে আর প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেনি।

কেন আবেদন খারিজ করল আদালত?

বিচারপতি সোমশেখর সুন্দরেশন মামলার শুনানিতে বলেন, এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের বক্তব্যকে প্রাথমিকভাবে মানহানিকর বলা যায় না। আদালতের পর্যবেক্ষণ, ব্যাঙ্কের বক্তব্যের পিছনে যথেষ্ট নথি এবং তথ্য রয়েছে। পাশাপাশি বিআরটি-র রিকভারি সার্টিফিকেট আদালত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে। এমনকি আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, এই সার্টিফিকেট থেকে বোঝা যাচ্ছে যে, মেহতা পরিবারের বিরুদ্ধে বকেয়া অর্থের দাবি আইনি ভিত্তির উপরে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

জানা যাচ্ছে, মেহতা পরিবার এবং এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের মধ্যে এই আর্থিক বিরোধ আনুমানিক দুই দশকেরও বেশি পুরনো। ঋণ পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত এই মামলাকে ঘিরে ইতিমধ্যে একাধিক আদালত থেকে শুরু করে ট্রাইবুনাল বা তদন্তকারী সংস্থার দারস্থ হয়েছে দুই পক্ষই। আদালত আরও উল্লেখ করে যে, অতীতেও বিভিন্ন রকম আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করার চেষ্টা হয়েছে।

তবে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কোনও বিতর্ক প্রকাশ্যে এলে সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজের অবস্থান স্পষ্ট করার অধিকার রয়েছে। সেই কারণে আদালত মনে করছে, যেহেতু এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক সংবাদমাধ্যমে প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে এবং নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছে। তাই সেটিকে এই মুহূর্তে বেআইনি বলা সম্ভব নয়। এমনকি শুধু আবেদন খারিজ নয়, বরং আদালত মামলাকারীদের উপর ৫ লক্ষ টাকা খরচও ধার্য করেছে।

11/06/2026

গ্রেট নিকোবর দ্বীপে (Great Nicobar Island) এবার ১৩ হাজার কোটি টাকা খরচ করে তৈরি হবে নতুন ‘গ্রিনফিল্ড’ সামরিক-বেসামরিক বিমানবন্দর (Greenfield Airport)। আগে ঠিক হয়েছিল বিদ্যমান ‘আইএনএস বাজ’ (INS Baaz)-এর বিমানঘাঁটি সম্প্রসারণ করা হবে, তবে তার পরিবর্তে এখন এই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে। পরিবেশগতভাবে সংবেদনশীল গ্রেট নিকোবর দ্বীপে ৮১,০০০ কোটি টাকা দিয়ে বিশাল উন্নয়ন প্রকল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতরের মধ্যেই এই সিদ্ধান্তের কথা জানালো সরকার।

কোথায় গড়ে উঠবে নতুন বিমানবন্দর?
সরকার ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে যে, প্রস্তাবিত এই ডুয়েল-ইউজ বিমানবন্দরটির জন্য গ্রেট নিকোবর দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের গালাতিয়া উপসাগরের কাছে অবস্থিত ‘চিনজেন’ (Chingen) এলাকাটিকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এই বিমানবন্দরে বেসামরিক ও সামরিক – দুই প্রকার বিমানই ওঠা নামা করবে। ভারতের স্ট্র্যাটেজিক পয়েন্ট থেকেও এই জায়গাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এখান থেকে মালাক্কা প্রণালীর (Malacca Strait) পশ্চিম প্রবেশপথ খুব কাছে।

প্রসঙ্গত, মালাক্কা প্রণালী হল ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ চীন সাগরকে সংযুক্তকারী বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত ‘চক পয়েন্ট’ বা সামুদ্রিক পথ। বিপুল পরিমাণ কন্টেইনার, পণ্যবাহী জাহাজ এই পথ দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করে। ফলে এই দ্বীপটি সামুদ্রিক কাজকর্মের ওপর নজরদারি করার জন্য ভারতের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি আধিকারিকদের মতে, নতুন এই বিমানবন্দরটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য রুটে ভারতকে যেকোনো পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে ও দ্রুততার সাথে কাজ করতে সাহায্য করবে। তবে এই সিদ্ধান্তের দরুন ক্যাম্পবেল বে (Campbell Bay)-তে অবস্থিত ভারতীয় নৌবাহিনীর ‘আইএনএস বাজ’ এয়ারবেসের রানওয়ে সম্প্রসারণের পরিকল্পনাটি বাতিল হয়ে গেছে।

09/06/2026

রেল যাত্রীদের জন্য রইল অত্যন্ত জরুরি খবর। আগামী আগস্ট মাস থেকে বদলে যেতে চলেছে রেলের (Indian Railways) গুরুত্বপূর্ণ একটি নিয়ম। এমনিতে যত সময় এগোচ্ছে ততই রেলের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে সাধারণ মানুষের। এখন আর রেলে ভ্রমণ করা কষ্টের নয়, বরং আরামদায়ক। কয়েক কোটি মানুষ প্রতিদিন এই ট্রেনে করে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে চলেছেন। এখন সেইসকল যাত্রীদের জন্য রইল আজকের এই খবরটি। জানা গিয়েছে, আগামী আগস্ট মাস থেকে রেলের রিজার্ভেশনের নিয়মে বড় বদল ঘটতে চলেছে। সর্বোপরি কিছু সময়ের মধ্যে মাত্র ৭ সেকেন্ডের মধ্যে বুক হয়ে যাবে ট্রেনের টিকিট।

আগস্ট থেকে বদলাচ্ছে টিকিট বুকিং-এর নিয়ম
আগস্ট মাস থেকে ট্রেনের টিকিট বুকিং পর্যায়ক্রমে নতুন প্যাসেঞ্জার রিজার্ভেশন সিস্টেম (PRS)-এ ট্রান্সফার হবে। এই নতুন ব্যবস্থাটি ১৯৮৬ সাল থেকে চালু থাকা পুরোনো ব্যবস্থাটিকে প্রতিস্থাপন করবে। এর পেছনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো টিকিট বুকিং প্রক্রিয়াকে সহজ করা, সিস্টেমের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং যাত্রীদের আরও ভালো অভিজ্ঞতা প্রদান করা। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব রেল ভবনে এই অগ্রগতির পর্যালোচনা করেছেন এবং কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন যাতে এই পরিবর্তনের সময় যাত্রীদের কোনো অসুবিধা না হয়।

বদলাচ্ছে ৪০ বছরের পুরোনো সিস্টেম
উল্লেখ্য যে, বর্তমান প্যাসেঞ্জার রিজার্ভেশন সিস্টেম (পিআরএস) ১৯৮৬ সালে চালু হয়েছিল। বিগত বছরগুলোতে এতে খুব সামান্যই পরিবর্তন এসেছে, কিন্তু এখন এটিকে সম্পূর্ণ নতুন প্রযুক্তি দিয়ে উন্নত করা হচ্ছে, যা এটিকে আগের চেয়ে অনেক দ্রুততর এবং আরও বেশি টিকিট পরিচালনায় সক্ষম করে তুলছে। ভারতীয় রেল ২০০২ সালে অনলাইন টিকিট বুকিং চালু করে। বর্তমানে, প্রায় ৮৮ শতাংশ টিকিট বুকিং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে করা হয়।

মাত্র ৭ সেকেন্ডে বুক হবে টিকিট

রেলের তরফে এমন বদল আনা হচ্ছে যার দরুণ যাত্রীরা মাত্র ৬ থেকে ৭ সেকেন্ডের মধ্যে টিকিট বুকিং করতে সক্ষম হবেন। বর্তমানে একটি অসংরক্ষিত টিকিট বুক করতে গড়ে ১৩ থেকে ১৫ সেকেন্ড সময় লাগে। তবে নতুন আপগ্রেডেড সিস্টেম চালু হলে সেই সময় কমে মাত্র ৬ থেকে ৭ সেকেন্ডে নেমে আসবে। ফলে কাউন্টারে যাত্রীদের অপেক্ষার সময় অনেকটাই কমবে এবং দ্রুত টিকিট প্রদান সম্ভব হবে। ভারতীয় রেলওয়ে যাত্রী পরিষেবাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে সংরক্ষিত টিকিট বুকিং ব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তি যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন AI-ভিত্তিক সিস্টেম চালু হলে টিকিট বুকিং প্রক্রিয়া আরও দ্রুত, স্বচ্ছ এবং যাত্রীবান্ধব হবে।

Want your business to be the top-listed Engineering Company in Silchar?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Silchar