ALONE

ALONE

Share

07/09/2020
Photos 13/11/2015

মেয়ে :- তোমাকে বিয়ের কথা বললেই
ভয়
পাও কেনো ?
ছেলে :- আমি যে ভালো চাকরি করি
না ।
মেয়ে :-তাতে কি ?
ছেলে :-
তোমাকে যে দামী গাড়ি করে ঘুরাতে
পারবো না ।
যেটাতে তুমি অভ্যস্ত।
মেয়ে :- রিক্সায় করে ঘুরাতে পারবে ?
ছেলে :- তাতো পারবোই ।
মেয়ে :- নয়তো পায়ে হেঁটেই দুজন
সারাটা শহর ঘুরবো ।
ছেলে :- তোমাকে যে আমি চাইনিজ
খাওয়াতে পারবো না।
মেয়ে :- ফুচকা খাওয়াতে পারবা ?
ছেলে :- হুমম ।
মেয়ে :- এতেই চলবে । নয়তো
ঝালমুড়ি
খাবো ।
ছেলে :- তোমার
জন্মদিনে যে পার্টি দিতে পারবো
না।
মেয়ে :- তাতে কি ? আমার কপালে চুমু
দিয়ে
বলতে পারবে না "হ্যাপি বার্থ ডে
লক্ষী বউ" ?
ছেলে :- আমিতো সেটাই চাই । কিন্তু
যদি দূরে থাকি ?
মেয়ে :- তোমার ছোট একটা
এসএমএস'ই
যথেষ্ট ।
ছেলে :- তোমাকে যে বিশাল
আলিশানে রাখতে পারবো না ।
মেয়ে :- তাতে কি ? ছোট খাট আর
ছোট ঘর
হবে ?
ছেলে :- হুম ।
মেয়ে :- নয়তো কুঁড়ে ঘরে চলবে ।
উঁকি দিয়ে বেড়ার ফাঁক দিয়ে চাঁদের
আলো দেখবো দুজন
মিলে ।
ছেলে :-
ভালো খাবারে ব্যবস্থা যে করতে
পারবো না ।
মেয়ে :- তাতে কি ? ডাল আর ভাত
হবে তো ।
ছেলে :-তাও যদি না হয় ?
মেয়ে :-দু'জন না খেয়ে থাকবো ।
ছেলে :- বোকা মেয়ে !
ভালোবাসার
মানুষটিকে না খাইয়ে রাখতে
পারবো ?
মেয়ে :-লক্ষী সোনা আমার ।
ছেলে :- বিশ্বাস কর
আমি সত্যিই
পারবো না ।
মেয়ে :- কি আমার
সাথে পায়ে হাঁটতে ?
ছেলে :- না ।
মেয়ে :- ঝালমুড়ি খাওয়াতে ?
মেয়ে :-না ।
মেয়ে :- কুঁড়ে ঘরে রাখতে ?
ছেলে :- না ।
মেয়ে :- তবে কি ?
-
তোমাকে ছেড়ে একটি মুহুর্ত
কাঁটাতে!!!!!

Photos 01/11/2015

মেয়েটাঃ আমি promise করছি। আমি আর কোন দিন তোমার সাথে কথা বলবো না... ছেলেটাঃ তুমি আমার কথাটা একবার শোন... মেয়েটাঃ আমার আর কিছু শুনার নাই... ছেলেটাঃ যাও, যাও কথা না বললে না বলবে... লাইনটা কেটে গেল- মেয়েটাঃ আর কোন দিন ওর সাথে কথা বলবো না। ছেলেটাঃ জানি ও রাগের মাথায় বলেছে আমার সাথে কথা বলবে না কিন্তু আমার খুব খারাপ লাগছে। কিছুদিন পর- ছেলেটাঃ ও সত্যিই আমার সাথে আর কথা বলছে না। বোধ হয় আমাকে ভুলে গেছে। হয়তো অন্য কেউ ওর জীবনে এসেছে। হয়তো এখন আর আমার কথা ওর মনেই পড়ে না। উফ আর সহ্য হচ্ছে না.... দু চোখ ভরে টপ টপ করে পানি পড়ছে... মেয়েটাঃ উফ কেন যে এ রকম promise করতে গেলাম। আর তো পারছি না ওর সাথে কথা না বলে থাকতে। আচ্ছা ও কি আমায় ভুলে গেছে। আর কিছু ভাবতে পারছি না... চোখের পানিতে গাল ভিজে উঠেছে... মেয়েটাঃ হ্যাএএলো... কাদঁছে... ছেলেটাঃ হ্যাএএএএলো কাদঁছে... আশলে এইসব promise গুলো করাই হয়, promise গুলো না রাখার জন্য...

Photos 31/10/2015

প্রায় স্কুলের পথটি ধরে মেয়েটি
হেটে বাসায় চলে যেতো।প্রতিটা দিন
ছেলেটি আড়াল থেকে মেয়েটির চলে
যাওয়া দেখত।কখনও সামনে যেতে
পারেনি ভয়ে।মেয়েটিও ছেলেটির
এসব আচরন লক্ষ করত কিন্তু
কিছুই বলত না। একদিন স্কুলের
বিদায় অনুষ্ঠানের সময় মেয়েটির
সাথে ছেলেটি অনেক সাহস নিয়ে কথা
বলতে গেল।ছেলেটি মেয়েটিকে খুব
পছন্দ করে এবং তাকে ভালবাসার
প্রস্তাব দেয়।মেয়েটি কিছু বলে না।
চুপ করে সেখান থেকে চলে গেল।
এদিকে ছেলেটি মেয়েটার উত্তরের
অপেক্ষা করতে লাগল।একদিন হঠাত্
মেয়েটির একটি চিঠি ছেলেটির হাতে
এসে পৌছাল।সেখানে শুধু এতটুকুই
লিখা ছিল I love you. এমনি করে
তাদের মধ্যে ভালবাসা সম্পর্ক
গুলো গড়ে ওঠে।ছেলেটি মেয়েটার
জন্য অনেক কিছু করে থাকে।
মেয়েটিকে সবসময় খুশি রাখার জন্য
সে সবসময় সর্তক থাকত। ছেলেটি
খুব সাধারন ঘরের ছিল।কিন্তু মেয়েটি
ছিল একটু ধনী টাইপের।বাবা ছিল
একজন বড় ব্যবসায়ী।তারপরও
ছেলেটি মেয়েটিকে খুশি রাখার জন্য
তার সব কথা শুনত।এভাবে তাদের
সম্পর্কের প্রায় ৬মাস চলে যায়।
কিন্তু ইদানিং মেয়েটার মাঝে বেশ
কিছু পরিবর্তন দেখতে পেলো।আগে
মেয়েটার সাথে ফোনে কত কথা বলত
কিন্তু কখনও কোন সময় Waiting
পেতো না।কিন্তু এখন রাতে প্রায়
মোবাইলে Waiting পাচ্ছে।আগে
বারবার মেয়েটি নিজেই ছেলেটিকে
দেখা করার জন্য ফোন দিত কত
কথা বলত কিন্তু এখন ছেলেটি
হাজার বলার পরও তেমন দেখা
করতে চায় না।ছেলেটি বেশ চিন্তায়
ভেঙে পড়ে।এসবের কারন যখন
মেয়েটার কাছে জানতে চায় তখন
মেয়েটি তাকে অন্য কথা বলে আড়াল
করে রাখে। ছেলেটি কিছুই বুঝতে
পারে না।ছেলেটি খুব ভেঙ্গে পড়ে।
একসময় পাগলের মতো হয়ে পড়ে।
একদিন ছেলেটি রাস্তায় ঘুরছিল
হঠাত্ দেখে সেই মেয়েটি কোন এক
ছেলের সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছে।হাতে হাত
রেখে তারা ঘুরে বেড়াচ্ছে।এসব দেখে
ছেলেটা খুব কষ্ট পায়।যখন মেয়েটি
তার কাছে চলে আসে তখন খুব অবাক
হয়ে যায়।ছেলেটি মেয়েটির সামনে
গিয়ে একটি জোরে চর দিয়ে চলে
আসে।আর কখনও তার সাথে কোন
রকমের যোগাযোগ রাখে নি। সত্যি
মেয়েরা যে কি চায় তা তারা নিজেও
জানে না।কি সুখ পায় একজন কে
ভালবেসে ছলনা করে অন্য
আরেকজনের সাথে আবার ভালবাসার
বন্ধন সৃষ্টি করে।তবে একটি কথা
মনে রাখা উচিত যে কাউকে কাঁদিয়ে
নিজে কখনও সুখি হওয়া যায় না.

Photos 30/10/2015

মেয়েটি খুব ব্যস্ত ছিল ,
ছেলেটির ফোন রিসিভ
করার সময়
তার হত না একদমই ,,, !
ছেলেটি জানতে পারল যে ,
সে সত্যিই খুব ব্যস্ত ,,, !
তারপর থেকে
সে মেয়েটিকে
আর ফোন করত না ,,, !
কিন্তূ প্রতিদিনই ,
ছেলেটি মেয়েটির
ফেসবুক আইডি
চেক করত ,,, !
মেয়েটি কিন্তূ সত্যি অনলাইনে
আসত না ,,, !
ছেলেটি প্রতিদিনই ,
মেয়েটিকে ফেসবুকে একটা
করে মেসেজও করত
আর পরের দিন চেক করত
মেয়েটি দেখেছে
কিনা ,
যখন সে দেখত
মেসেজ Seen হয়নি ,
তখন
ছেলেটি ধরে নিতো ,
মেয়েটির ব্যস্ততা হয়তো
এখনো কমে নি ,,, !
এভাবে প্রতিদিনই মেয়েটির
ব্যস্ততা শেষ হবার
অপেক্ষা করত সে ,,, !
যখন একদিন ,
মেয়েটির ব্যস্ততা শেষ হল ,
তখন সে ছেলেটিকে ফোন করল ,
কিন্তূ ফোন রিসিভ করল
অন্যকেউ ,,, !
মেয়েটি ভাবল হয়তো
ছেলেটি রাগ করেছে ,
তাই সে Sorry লিখে
অনেকগুলো মেসেজ পাঠাল ,,, !
মেয়েটির বারবার ফোন করাতে ,
ছেলেটির মা ,
ফোন করে তাকে সত্যিটা বলল যে ,
সে একসপ্তাহ আগে
মারা গেছে ,,, !
ছেলেটার ব্রেনটিউমার ছিল ,
যেটা
তারা আগে বুঝতে পারে নি ,,, !
আর যখন বুঝতে পারে ,
তখন
ছেলেটির আয়ু ছিল ১ মাস ,,, !
মেয়েটি কাঁদতে লাগল ,
সে খুব মন খারাপ করে
ফেসবুকে ঢুকল ,,, !
সেখানে ছেলেটার অনেকগুলো
মেসেজ দেখল ,,, !
ধৈর্য্য নিয়ে সব মেসেজ গুলো
পরতে লাগল ,
মেসেজগুলো পরার সময়
মেয়েটি খুব কাঁদে ,,, !
তার শেষ মেসেজ ছিল ,
" খুব ইচ্ছা করছে
তোমার কোলে মাথা রেখে ঘুমাবো ,
কিন্তূ কি ভাগ্য আমার ,
তোমার কোলে
মাথা রাখা তো দূরে ,
তোমার মুখের শেষ কথাটা
পর্যন্ত শোনা হলো না ,,,,!
আর কখনো হবেও না ৷
আসলে সময় গেলে আমরা
অনেক কিছুর মূল্য বুঝি ,
কিন্তূ
সময় থাকতে ,
এদের মূল্য দেই না ,,, !!

Photos 30/10/2015

ছেলেটার নাম রাজীব। বয়স প্রায় নয়
বছর।
পায়ে ছিড়া একজোড়া জুতো।
তাও
আবার দুই রকমের দুইটা। ডাস্টবিন
থেকে
কুড়িয়ে নিয়েছে। পরনে ছিড়ে
যাওয়া
নোংরা একটা প্যান্ট আর গায়ে
মস্ত বড় এক
পাঞ্জাবি। গলায় ঝুলানো
একটা গামছা।
গামছায় বাধা একটা টিনের বাক্স,
যেটার
এককোনে পান আর অন্য
কোনে
সিগারেট। পিছন দিক দিয়ে রাজীবের
গলা
জরিয়ে ধরে ঝুলে আছে ওর
৩ বছর
বয়সের ছোট বোন। ক্ষুধার
যন্ত্রনায় থেমে
থেমে কান্না করছে।
বোনের চোখের পানিতে রাজীবের
নোংরা পাঞ্জাবি ভিজে চুপসে
যাচ্ছে।
রাজীব পাগলের মত হেঁটে চলেছে এক
প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। আর
চিৎকার করে বলছে, "এইযে ভাই,
একটা পান
নিন।"....
রাজীবের কথা শুনে কারো মনে কোন
দয়া
হচ্ছেনা। কেউ রাজীবের
থেকে পান কিনছে না। রাজীবের
বোনের
কান্না বেড়েই চলেছে।
রাজীব
আর সহ্য করতে পারছে না।
অন্যমনস্ক হয়ে
কাধের বোঝাটাকে ছুড়ে
ফেলে দিয়ে উদ্দেশ্যহীন ভাবে হেঁটে
চলল।
পরক্ষনেই মনে হল, ও
তো আমার মতই আমার মায়ের
আরেক নাড়ি
ছেঁড়া ধন। নিজের অজান্তেই
আবার
দৌড়ে গিয়ে কাধের বোঝাটাকে কাধে
তুলে নিল। আবার শুরু হয়ে গেল
পান
বিক্রি। এবার একটু অন্যভাবে। এবার
রাজীব
সবার পা ধরে ধরে বলছে,
"এইযে
ভাই, একটা পান নিন না। আমার
বোনটা না
খেয়ে মারা যাচ্ছে।"
শেষমেশ অল্প
কয়েকজন ওর থেকে পান কিনল আর
বাকি
সবাই ওর নোংরা পোশাক
দেখে নাক
ছিটকে চলে গেল।....
সারাদিনের শেষে রাজীবের আয়
মাত্র ৪০
টাকা। এবার ওদের খাবার
পালা।
হোটেলে ঢোকার সময় বোন হাত
দিয়ে
কাছের তরকারিটা দেখিয়ে
দিয়েছে।
রাজীব ওর বোনের জন্য ৩০ টাকা
দিয়ে
মাছ আর ৫ টাকা দিয়ে ভাত
কিনলো।
রাজীবের বোনটা রাজীবের সামনে
বসে
পরম তৃপ্তি নিয়ে ভাত খাচ্ছে।
আর
রাজীব তৃপ্তি নিয়ে ওর বোনের
খাওয়া
দেখছে। খাওয়া শেষে
হোটেলের
বিল মিটিয়ে রাজীবের জন্য রইল ৫
টাকা।
সারাদিন কষ্ট করার পর
খাবার হিসেবে
জুটলো একটা রুটি।....
রাত হয়ে গেছে। রাজীবের বোনটা
রাজীবের কাধে ঘুমিয়ে পরে
যাচ্ছে।
বোনকে নিয়ে থাকার জন্য একটা
জায়গার
প্রয়োজন। লাল রং করা ওই
ভবনটির নিচে
থাকবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
খোলা
জায়গাতেই বোনকে নিয়ে শুয়ে
পড়ল।
বোনটার বয়স মাত্র ৩ বছর বলে
হায়নার দল
এখন ছোবল দিতে আসছে না।
তবে
গতকাল একজন বলে দিয়েছে,
"মালটাকে বড়
কর। খেয়ে দেখতে হবে তো
টেষ্ট কেমন!" কথাটা শোনার পর
রাজীবের
মাথায় রক্ত উঠে গিয়েছিল।
ইচ্ছে
করছিল খুন করে ফেলতে। কিন্তু
বোনের
কথা চিন্তা করে পারেনি। ছোট
বেলা থেকেই বোনটাকে কাধে করে
মানুষ
করেছে। অসম্ভব রকম
ভালবাসে
বোনটাকে। প্রতিরাতে বড় বড় সব
স্বপ্ন
দেখে ওকে নিয়ে। আজকেও
স্বপ্ন
দেখতে দেখতেই ঘুমিয়ে পড়ল।....
সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখল বোনটা
ওর
পাশে নেই। একটু দুরে পরে
আছে রক্তাক্ত লাশ হয়ে। হায়নারা
লুটে
পুটে খেয়ে গিয়েছে। ৩ বছরের
মেয়েটা আজ আর রেহাই পায়নি
ওদের হাত
থেকে। ছোটবোনের
ক্ষতবিক্ষত দেহ রাজীবকে পাগল
করে
ফেলল। রাজীব এখন অনেক
হালকা।
কাধের বোঝাটা আর কাধে নেই। তবে
রাজীব নিজের অজান্তেই
কাধের
বোঝাটাকে অনুভব করার জন্য
পিঠের মধ্যে
হাত বুলায়। আর যখন দেখে
বোঝাটা নেই তখন অন্যমনস্ক হয়ে
যায়।
আজকেও রাজীব অন্যমনস্ক হয়ে
হেঁটে চলেছে। হঠাৎ একটা গাড়ি এসে
রাজীবকে চাপা দিয়ে চলে গেল।
রাজীব লুটিয়ে পড়ল মাটিতে। কালো
পিচঢালা রাস্তা লাল হয়ে গেল
রাজীবের
রক্তে। এমনিভাবে শেষ হয়ে গেল
রাজীবের জীবনের গল্প।

Want your business to be the top-listed Shop in Ranaghata?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Ranaghata