SAT GLOBAL

SAT GLOBAL

Share

27/10/2022

বাঙালিদের বারো মাসে তের পার্বণ। বিভিন্ন উৎসবের মধ্যে, ভাইফোঁটা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে বাঙালির ঘরে ঘরে অনুষ্ঠিত হয় ভাইফোঁটা। তবে অনেক বাড়িতে রয়েছে কিছু নিয়মভেদ। তাই এটি শুক্লপক্ষের প্রতিপদের দিনও উদযাপিত হয় ভাইফোঁটা। এটি ভাই-বোনের অটুট বন্ধনের কামনায় পালিত একটি পবিত্র উৎসব। ভাই- দাদার দীর্ঘায়ু কামনার উদ্দেশ্যে দিদি-বোনেরা এই রীতি অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেন।

ভাইফোঁটার দিন বোনেরা তাদের ভাই -দাদাদের কপালে চন্দন-কাজল- দইয়ের ফোঁটা পরিয়ে মন্ত্রোচ্চারণ করে তাদের মঙ্গল কামনা করেন। যুগ যুগ ধরে এই প্রথা চলে আসলেও, অনেকের অজানা এই তিন জিনিসের ফোঁটা দেওয়া হয় কেন? আসুন জানা যাক...

● বিশ্বাস অনুযায়ী, কপালে চন্দনের টিপ মাথা ঠান্ডা রাখে। সেই সঙ্গে এর রয়েছে আরও নানা গুণ। একাগ্রতা বাড়ানো, মন শান্ত করার পাশাপাশি, ধৈর্য শক্তি বাড়ায় চন্দনের টিপ। বিভিন্ন হিন্দু অনুষ্ঠানে দেখা যায়, ভক্তদের কপালে চন্দনের টিপ বা তিলক। আসলে এর ফলে ঈশ্বরের প্রতি মন নিবিষ্ট রাখা যায়। চন্দনের এই গুণের জন্যই প্রাচীনকালে মুনি- ঋষিরা কপালে তিলক আঁকতেন।

● অন্যদিকে চন্দনের মতো দইয়ের রয়েছে বহু গুণ। হিন্দু ধর্মে দইকে শুভ বলে মনে করা হয়। এজন্যে যে কোনও শুভ কাজে দই উপহার দেওয়া হয়। এজন্যেই ভাইফোঁটাতেও অনেক বাড়িতে দইয়ের ফোঁটা দেওয়ার চল রয়েছে।

● বিশ্বাস করা হয়, কাজল নজর কাটায়। তাই কু-নজর থেকে আদরের ভাইকে রক্ষা করতেই, কাজলের ফোঁটা দেওয়া হয় তার কপালে।

■ ভাইফোঁটার মন্ত্র:

ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা |
যমের দুয়ারে পড়ল কাঁটা ||
যমুনা দেয় যমকে ফোঁটা |
আমি দিই আমার ভাইকে ফোঁটা ||

◇ প্রসঙ্গত, এই উৎসব বাঙালিদের কাছে ভ্রাতৃ দ্বিতীয়া বা ভাইফোঁটা নামে পরিচিত হলেও, দেশের অন্যান্য রাজ্যে এর রয়েছে ভিন্ন নাম। গোয়া, মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকে এই পার্বণ 'ভাইবিজ' নামে পালিত হয়। ভারতের পশ্চিমাংশে এই উৎসব ‘ভাই দুজ’ নামে পালিত হয়। আবার অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং পার্বত্য অঞ্চলে ও নেপালে এই উৎসব পরিচিত ভাইটিকা নামে।

Want your business to be the top-listed Business in Ranaghat?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Culinary Team

Attire

Address


Ranaghat
Ranaghat
741201