NCC Rampurhat

NCC Rampurhat

Share

17/06/2022

ইতিহাস বিকৃতি করা যায়, মুছে ফেলা যায় না ।

মুহম্মদ বিন তুঘলক প্রথম শাসক যিনি সতীদাহ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। যে মহিলা সতী হতে চায় তাকে তার জন্য সরকারি অনুমতি সংগ্রহ করতে হবে, এমন আইন প্রণয়ন করেন তিনি। এর সাহায্যে জোর করে ও তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো মহিলাকে 'সতী'র নামে আগুনে পুড়িয়ে মারার ব্যাপারটিকে রোধ করার চেষ্টা করা হয়।
আকবর সতীদাহ প্রথা সম্পূর্ণ রোধ না করলেও তাঁর কোতোয়ালদের নির্দেশ দিয়েছিলেন যে কোনো মহিলাকে নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে যেন সতী না করা হয়। আকবর নিজে জয়মাল নামের একজন মহিলাকে সতীদাহ থেকে বাঁচিয়েছিলেন এবং তার পুত্রকে কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। কারণ সে তার মাকে জোর করে 'সতী' করতে চেয়েছিল। গভর্নর ও প্রাদেশিক শাসনকর্তাদের প্রতি আকবরের নির্দেশ ছিল 'সতী' হওয়ার আগে তারা যেন সরকারি অনুমতি চায়। গভর্নর প্রথমে তাকে সতী না হওয়ার জন্য বোঝাতেন। পরিবার সেই মহিলাকে ত্যাগ করলে তার জন্য সরকার থেকে মাসোহারার ব্যবস্থা করা হতো। এছাড়াও কোনো মহিলার ছোট বাচ্চা থাকলে তাকে সহমরণের অনুমতি দেওয়া হতো না।
জাহাঙ্গীর এবং শাহজাহান তাদের রাজত্বকালে আকবরের আইনই বহাল রেখেছিলেন।
আওরংগজেব হচ্ছেন প্রথম সম্রাট যিনি তাঁর সাম্রাজ্যে সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন ১৬৬৪ খ্রিস্টাব্দে।

সূত্র: হিন্দু মৌলবাদ। ভবানীপ্রসাদ সাহু। দীপ প্রকাশন। কলকাতা।

Photos from NCC Rampurhat's post 14/06/2022

বাংলায় লিখে IAS
একগুঁয়ে এই বাঙালির কাহিনী অনুপ্রেরণা দেবে সবাইকে। প্রথম শ্রেণীতে বি.টেক-এ প্রথম হবার পর তিনি যােগদান করেছিলেন এক গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং কনসার্নে। সেখানে চাকরি করতে করতে তাঁর মাথায় হঠাৎই খেলে যায় অল ইন্ডিয়া সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় বসার ভাবনা।
এই পর্যন্ত তাে ঠিকই আছে। বহু ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় পাশ করেছেন সসম্মানে।
কিন্তু তাঁর চিন্তাভাবনা ছিল একেবারে বৈপ্লবিক। তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে তিনি সর্বভারতীয় সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার পুরােটাই দেবেন তাঁর মাতৃভাষায় বাংলায়। তাঁর সহপাঠীরা যখন এই সিদ্ধান্ত জানতে পারেন, বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যান। তাঁকে বারংবার নিবৃত্ত করার চেষ্টাও করা হয়, কিন্তু তাঁকে দমানো যায় নি।
আসলে এই একটা ধারণা তাে আমাদের মনগহ্বরে বদ্ধমূল থাকে যে, বাংলায় লেখাপড়া করে কিছু হবে না, বাংলায় পড়াশােনা চালালে একটা ইন্টারভিউও ক্র্যাক করা যাবে না।
সেই সংকীর্ণ চিন্তনে উলটো স্রোতে দাঁড়িয়ে তিনি এই বলিষ্ঠ সিদ্ধান্ত নেন এবং সম্পূর্ণ সাফল্য অর্জন করেন।
আসলে বাংলা ভাষার প্রতি তাঁর ভালােবাসাই যে এর একমাত্র কারণ তা কিন্তু নয়, বরং ২০১০ এর ১৭ জানুয়ারি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকায় সাক্ষাতকারে জানিয়েছেন যে, তাঁর মাতৃভাষা যে কতটা সমৃদ্ধ, অন্তরসম্পদে ধনী, অন্য কোনাে ভাষার থেকে কোনাে অংশে পিছিয়ে নয়, সেটাও দেখানাে তার লক্ষ্য ছিল সর্বভারতীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে। এর জন্য তিনি পরিশ্রমও করেছেন অনেক বেশী। কারণ সমগ্র সিভিল সার্ভিস পরীক্ষাই তিনি দিয়েছেন বাংলায়। ইতিহাস এবং ভূগােল ছিল তার ঐচ্ছিক বিষয়। সমস্ত উত্তর তৈরী করে নিয়মিত বাংলায় লিখে লিখে অভ্যাস করতে হয়েছে। অবশ্যই বাবার আশীর্বাদ এবং শিক্ষকেরা তাঁকে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন সর্বক্ষণ।

২০০২ সালে যে ইচ্ছার সূচনা, ২০০৬ সালেই তাতে সিদ্ধিলাভ। ২০০৫ সালের সর্বভারতীয় সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় সসম্মানে উত্তীর্ণ হয়ে ২০০৬ সালে সর্বভারতীয় সিভিল সার্ভিসে যােগদান তার দৃঢ়চেতা সাফল্যের অসামান্য স্বীকৃতি।

তিনি হলেন তন্ময় চক্রবর্তী। আজ যখন আমাদের সমাজ বাংলায় পড়ে চাকরি পাওয়া যাবে না নামক তুচ্ছতর্কের ঘূর্ণিপাকে মত্ত, তখন তার বলিষ্ঠ সিদ্ধান্ত এবং অত্যুজ্জ্বল সাফল্যের গাথা আমাদের সামনে নির্ভীক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকুক।
অভিনন্দন তন্ময় চক্রবর্তীকে 🙏🏻🙏🏻🙏🏻

14/06/2022

|| জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল ||

বিংশ শতক শেষ হতে আর এক বছর বাকী। ১৯৯৯ সালে ‘ফিজিক্স ওয়ার্ল্ড’ (Physics World) পত্রিকার লোকজন এক সমীক্ষার কথা ভাবলেন। তখনকার সময়ের বাঘা বাঘা পদার্থবিদদের জিজ্ঞাসা করা হল, তাঁদের মতে ইতিহাসের সেরা পদার্থবিজ্ঞানী কে ছিলেন? স্বাভাবিকভাবেই নিউটন এবং আইনস্টাইনের নাম উঠে এল অধিকাংশের মুখে। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে এঁদের সাথেই এক সারিতে রয়ে গেলেন তৃতীয় একজন পদার্থবিদ, জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল। তড়িৎচুম্বকীয় তত্ত্বের প্রবক্তা এই বিজ্ঞানী মৌলিক গবেষণার বিচারে বাস্তবিকই নিউটন এবং আইনস্টাইনের সমগোত্রীয় বটে।

ম্যাক্সওয়েলের জন্ম ১৮৩১ সালে, স্কটল্যান্ডের এডিনবার্গে, এক বিত্তশালী স্কটিশ পরিবারে। ছোটবেলা থেকেই তাঁর বুদ্ধি এবং স্মৃতিশক্তি ছিল লক্ষণীয়। তাঁর প্রথম গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয় মাত্র ১৪ বছর বয়সে, সেখানে তিনি গাণিতিক লেখচিত্র প্লট (plot) করার নতুন কিছু উপায় দেখিয়েছিলেন। তিনি প্রথম দেখিয়েছিলেন সুতো এবং পেনসিল ব্যবহার করে কীভাবে উপবৃত্ত (ellipse) আঁকা যায়। ম্যাক্সওয়েলের গবেষণাপত্র রয়েল সোসাইটি অফ এডিনবার্গে (Royal Society of Edinburg) পড়া হয়েছিল, যদিও তিনি বয়সে ছোট ছিলেন বলে তাঁকে নিজের পেপার নিজেকে পড়তে দেওয়া হয়নি।

জেমস ম্যাক্সওয়েল উচ্চতর শিক্ষার জন্য পড়েছিলেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে, সেখানেও তিনি গণিত আর পদার্থবিজ্ঞানে ব্যতিক্রমী প্রতিভা দেখিয়ে পেয়েছিলেন স্মিথস প্রাইজ (Smith’s Prize)। কেমব্রিজের হস্টেলে থাকার সময়ে এক মজার কাণ্ড ঘটে। ম্যাক্সওয়েল ঘুম নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা করার জন্য সারাদিন ঘুমাতে লাগলেন। রাত দুটোর সময় উঠে আধঘণ্টা ধরে হস্টেলের বারান্দার এমাথা থেকে ওমাথায় দৌড়! সহপাঠীরা রেগে গিয়ে কাগজ এমনকি টম্যাটোও ছুঁড়ে মেরেছিলেন।

২৫ বছর বয়সে তিনি এবারডিন বিশ্ব্যবিদ্যালয়ের (University of Aberdeen) 'চেয়ার অফ ন্যাচারাল ফিলোসফি' (Chair of Natural Philosophy) হিসেবে নিযুক্ত হন। তখন পদার্থবিজ্ঞানের নাম ছিল 'ন্যাচারাল ফিলোসফি'। এর দু’বছরের মাথায় তিনি জ্যোতির্বিজ্ঞানের এক বড়সড় আবিষ্কার করে ফেললেন। প্রায় দুশো বছর ধরে এক রহস্য ছিল শনিগ্রহের চারপাশের বলয়গুলো (rings)। কেউই ঠিকঠাক ব্যাখ্যা করতে পারছিলেন না এই বলয়গুলির প্রকৃতি এবং তাঁদের উৎপত্তি। এটা যদি কয়েকটা কঠিন বলয় হয়, যেমনটা দূরবীক্ষণ যন্ত্রে দেখা যায় আর কি, তবে তো মাধ্যাকর্ষণের সূত্রানুযায়ী তাদের নিজেদের মাঝে এবং গ্রহের সাথেও সংঘর্ষ হয়ে যাবার কথা। ম্যাক্সওয়েল তখন অংক কষে দেখিয়ে দিলেন, শনিগ্রহের বলয়গুলো শুধু একটি উপায়েই স্থিতিশীল থাকতে পারে, যখন তার চারপাশের বলয়টা অনেকগুলো ক্ষুদ্র গ্রহাণুর সম্মিলনে গঠিত হয়, যেখানে প্রতিটি গ্রহাণুই শনির উপগ্রহস্বরূপ কাজ করে। তিনি বললেন, একই বলয়ের গ্রহাণুগুলো একইদিকে একই গতিতে চলে এবং এভাবেই পুরো বিষয়ে ভারসাম্য থাকে। ম্যাক্সওয়েল তখন এটাও ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে, এই বলয় আস্তে আস্তে ছড়িয়ে যেতে যেতে একসময় মিলিয়ে যাবে। এবং এখন এর প্রমাণও মিলেছে, বলয়গুলো সত্যিই আস্তে আস্তে দূরে সরে যাচ্ছে!

১৮৬০ সালে তাঁর বিশ্ববিদ্যালয় আরেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে মিলিত হয়ে যায় এবং সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের 'চেয়ার অফ ন্যাচারাল ফিলোসফি' ম্যাক্সওয়েলের পদে আসীন হন। এরপরে ম্যাক্সওয়েল লন্ডনের কিংস কলেজে (King’s College) অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন, যেখান থেকে তিনি প্রকাশ করেন তাঁর আবিষ্কৃত চারটি বিখ্যাত সমীকরণ। এই সমীকরণগুলো প্রথম গাণিতিকভাবে প্রমাণ করে যে, আলো, তড়িৎ, আর চৌম্বকত্ব আসলে একই বল (force) থেকে আসে- তড়িৎচৌম্বক বল (electromagnetic force)। আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অন্যতম উদ্দেশ্য হল প্রকৃতিতে প্রাপ্ত চারটি মৌলিক বলকে একীভূত করা, এবং এই কাজটি প্রথম ম্যাক্সওয়েল ১৮৬১ সালেই এগিয়ে দিতে পেরেছিলেন।

এখন আমরা জানি, ইলেকট্রন এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় গেলে তড়িৎ উৎপন্ন হয়, ইলেকট্রনেরা একই দিকে ঘুরলে আমরা পাই চৌম্বকত্ব আর ইলেকট্রনকে উচ্চ শক্তিস্তর থেকে নিম্ন শক্তিস্তরে নিয়ে আসলে আমরা পাই আলো বা ফোটন কণার স্রোত। এগুলির সবকিছুই আসলে একই বলের বিভিন্ন রূপ- তড়িৎচৌম্বক বল। ভাবতে অবাক লাগলেও সত্যি, এ সবকিছুই ম্যাক্সওয়েল কয়েকটি গাণিতিক সমীকরণ দিয়ে প্রকাশ করে ফেলেছিলেন অথচ ইলেকট্রন তখনও আবিষ্কারই হয়নি। এরও ৩০ বছর পরে আবিষ্কার হয় ইলেকট্রন। তিনি বিদ্যুতের উপর চুম্বকের প্রভাব আর চুম্বকের উপর বিদ্যুতের প্রভাবকে পর্যবেক্ষণ করে এগুলি বুঝেছিলেন এবং এই প্রভাবকে তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন তড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ (electromagnetic wave) দিয়ে। তিনি সেই তরঙ্গের গতিও মেপেছিলেন গাণিতিকভাবে, পেয়েছিলেন তার মান আলোর গতির সমান। যেহেতু আলোর গতিই সর্বোচ্চ গতি, তাই এখান থেকেই তিনি বলতে পারলেন, তড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ আর আলো আসলে একই জিনিস।

নিউটনীয় পদার্থবিজ্ঞানের একটা বড় সংশোধন দিল ম্যাক্সওয়েলের এই সমীকরণগুলো। দেখা গেল, শক্তি এভাবে শূন্য মাধ্যমেও ভ্রমণ করতে পারে। পরে ম্যাক্সওয়েলের এই তত্ত্বের কয়েকটি ত্রুটি নিয়ে গবেষণা করার ফলেই জন্ম নেয় কোয়ান্টাম বলবিদ্যা (Quantum Mechanics)। এমনকি আইনস্টাইনের সব কাজই এই সমীকরণগুলো ছাড়া অচল। আইনস্টাইন নিজেই বলেছিলেন, “আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্বটি (Special Theory of Relativity, STR) উদ্ভবের জন্য আমি ম্যাক্সওয়েলের সমীকরণগুলোর কাছে ঋণী।”
তিনি ছিলেন গ্যাসের গতিতত্ত্বের (Gas Kinetics) প্রবক্তা। এই গতিতত্ত্ব থেকেই পথচলা শুরু স্ট্যাটিস্টিক্যাল বলবিদ্যার (Statistical Mechanics), যেখানে সম্ভাবনা তত্ত্বের (Probabilty) সাহায্যে আণুবীক্ষণিক কণাদের গতিবিধি পরিমাপ করা হয়। তাপগতিবিদ্যাতেও তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। বৈজ্ঞানিক জীবনের শুরু থেকেই মানুষ রং কিভাবে দেখে তা নিয়ে তাঁর অনেক আকর্ষণ ছিল। ১৮৫৫ থেকে ১৮৭২, রং আসলে কি, বর্ণান্ধতা (color blindness), রং আমরা কীভাবে দেখি – এই নিয়ে একাধিক গবেষণাপত্র লিখেছিলেন, পেয়েছিলেন রামফোর্ড পদক (Rumford Medal)। তিনি বললেন, মানুষের চোখ শুধু তিনটি রংই দেখে- লাল, নীল আর সবুজ। তাই, লাল, নীল, সবুজ রঙের ঠিকঠাক ফিল্টার করা তিনটি ছবিকে একসাথে পর্দায় উপস্থাপন (project) করা গেলে, আমরা সেখানে রঙীন ছবি দেখতে পাব। সেই চিন্তা থেকে তিনি তৈরি করে ফেললেন মানবসভ্যতার ইতিহাসের প্রথম রঙীন ছবি। আমাদের টেলিভিশনের রং আনার প্রক্রিয়াটিও কিন্তু এই চিন্তারই আরেক রূপ।

ম্যাক্সওয়েল বেঁচেছিলেন মাত্র ৪৮ বছর। অ্যাবডোমিনাল ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ১৮৭৯ সালে মারা যান এই বিখ্যাত পদার্থবিদ। কিন্তু এই সময়ের মধ্যেই তিনি পদার্থবিজ্ঞানের জগতকে বদলে দিয়েছেন চিরদিনের জন্য, পরবর্তী প্রজন্মের জীবন সহজ করে দিয়ে গেছেন অনেক অনেকগুণ। পদার্থবিজ্ঞানের প্রতিটি নতুন নতুন সাফল্যেই একবার পেছন ফিরে ম্যাক্সওয়েলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হয়েছে তাঁর পরবর্তী পদার্থবিদদের। আজ আমাদের দৈনন্দিন জীবনের যত প্রযুক্তি আমরা ব্যবহার করি, তারা সবাই ১৮৬০ সালে প্রকাশিত ম্যাক্সওয়েলের গবেষণাপত্রের প্রতিটা অক্ষর মেনে চলে। আর এই কারণেই পৃথিবীর অধিকাংশ পদার্থবিজ্ঞানীদের মতে, আইনস্টাইন আর নিউটনের মতো কিংবদন্তীদের পাশেই থাকা উচিৎ তাঁর নাম।

লেখা - Soumodip Somu Adams
ডিজাইন - Arka Das

Want your school to be the top-listed School/college in Rampur Hat?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address


Rampur Hat
731202

Opening Hours

Monday 9am - 5pm
Tuesday 9am - 5pm
Wednesday 9am - 5pm
Thursday 9am - 5pm
Friday 9am - 5pm
Saturday 9am - 5pm