Islamic Line

Islamic Line

Share

24/09/2023

‎ ﷺ প্রিয় সুন্নাত
তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত-

বুযুর্গানে দীন তাঁদের অভিজ্ঞতার আলোকে বলেছেন, তিনটি এমন সুন্নাত আছে, যেগুলোর উপর আমল করতে পারলে অন্তরে নূর পয়দা হয় এবং এর দ্বারা অন্য সকল সুন্নাতের উপর আমল করা সহজ হয়ে যায় এবং অন্তরে সুন্নাতের প্রতি আমল করার স্পৃহা জাগ্রত হয়।

১. সহীহ-শুদ্ধ করে আগে আগে সালাম করা ও সর্বত্র সালামের ব্যাপক প্রসার করা।
(মুসলিম শরীফ, হাদীস নং-৫৪/ তিরমিযী, হাদীস নং-২৬৯৯)

বি.দ্র. اَلسَّلامُ (আস্‌-সালামু) এর শুরুর হামযা এবং মীমের পেশ স্পষ্ট করে উচ্চারণ করতে হবে। সালামের উত্তর শুনিয়ে দেওয়া ওয়াজিব। (আলমগিরী, ৫ : ৩২৬)

২. প্রত্যেক ভাল কাজে ও ভাল স্থানে ডান দিককে প্রাধান্য দেওয়া। যথা : মসজিদে ও ঘরে প্রবেশকালে ডান পা আগে রাখা। পোশাক পরিধানের সময় ডান হাত ও ডান পা আগে প্রবেশ করানো এবং প্রত্যেক নিম্নমানের কাজে এবং নিম্নমানের স্থানে বাম দিককে প্রাধান্য দেয়া। যথা : মসজিদ বা ঘর থেকে বের হওয়ার সময় বাম পা আগে রাখা, বাম হাতে নাক পরিষ্কার করা, পোশাক থেকে বাম হাত বা বাম পা আগে বের করা।
(বুখারী শরীফ, হাদীস নং-১৬৮/ মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-২৫০৪৩) মুস্তাদরাক, হাদীস নং-৭৯১/ মুসলিম শরীফ, হাদীস নং-২০৯৭)

৩. বেশি বেশি আল্লাহ তা‘আলার যিকির করা।
(সূরায়ে আহযাব, ৪১/ মুস্তাদরাক, হাদীস নং-১৮৩৯)

ক. উপরে ওঠার সময় আল্লাহু আকবার, নীচে নামার সময় সুবহানাল্লাহ, সমতল ভূমিতে চলার সময় লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ্‌ পড়তে থাকা।
(বুখারী শরীফ, হাদীস নং-২৯৯৩/ তিরমিযী, হাদীস নং-৩৩৮৩)

খ. প্রতিদিন কুরআনে কারীম থেকে কিছু পরিমাণ তিলাওয়াত করা বা অন্যের তিলাওয়াত শ্রবণ করা। (মুসলিম, হাদীস নং-৭৯১/ বুখারী শরীফ, হাদীস নং-৫০৩৩)

গ. পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের পর সুন্নাত থাকলে সুন্নাতের পরে নতুবা ফরযের পরে তিনবার ইস্তিগফার, একবার আয়াতুল কুরসী, একবার সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক্ব, সূরা নাস এবং তাসবীহে ফাতেমী অর্থাৎ ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ্‌, ৩৩ বার আল-হামদুলিল্লাহ এবং ৩৪ বার আল্লাহু আকবার পড়া।
(মুসলিম শরীফ, হাদীস নং-৫৯১/ ইমাম নাসায়ীর সুনানে কুবরা, হাদীস নং-৯৮৪৮/ তাবারানী কাবীর, হাদীস নং-৭৫৩২/ নাসায়ী শরীফ, হাদীস নং-১৩৩৬/ আবু দাউদ, হাদীস নং-১৫২৩/ মুসলিম শরীফ, হাদীস নং-৫৯৬)

ঘ. সকাল-বিকাল তিন তাসবীহ আদায় করা অর্থাৎ ১০০ বার কালিমায়ে সুওম অর্থাৎ সুবহানাল্লাহি ওয়াল্‌ হামদুলিল্লাহি ওয়া লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, ১০০ বার ইস্তিগফার ও ১০০ বার কোন সহীহ দরূদ শরীফ পড়া।
(মুসলিম শরীফ, হাদীস নং-২৬৯২, ২৬৯৫/ মুসলিম, হাদীস নং-২৭০২/ ইতহাফ, ৫ : ২৭৫)

ঙ. প্রত্যেক কাজে মাসনূন দু‘আ পড়া। (মুসলিম, হাদীস নং-৩৭৩/ তিরমিযী শরীফ, হাদীস নং-৩৩৮৪)

(উৎসঃ প্রিয় নবীর ﷺ প্রিয় সুন্নাত | পৃষ্ঠা-৪১
ইসলামি যিন্দেগী | কিতাবুস সুন্নাহ-পৃষ্ঠা ০৪)

24/09/2023

দান-অনুদান ফেরত নেওয়া

(২১৮১) ইবন উমার রা. ও ইবন আব্বাস রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যদি কোনো ব্যক্তি কোনো হেবা বা উপহার-অনুদান প্রদান করে তবে তা ফেরত নেওয়া তার জন্য বৈধ নয়, শুধু পিতা তার সন্তানকে যা কিছু দেয় তা ফেরত নিতে পারে।

নোট:
(আবু দাউদ। তিরমিযি, হাকিম ও ইবন হিব্বান হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন) । [সুনান আবু দাউদ, হাদীস-৩৫৩৯; সুনান তিরমিযি, হাদীস-১২৯৯; মুস্তাদরাক হাকিম, হাদীস-২২৯৮; সহীহ ইবন হিব্বান, হাদীস-৫১২৩; সুনান ইবন মাজাহ, হাদীস-২৩৭৭; সুনান নাসায়ি, হাদীস-৩৬৯০]

হাদীসের ব্যখ্যা:
গ্রন্থকার বলেন, এর অর্থ হল, বিচার বা আইন ছাড়া নিজের ইচ্ছামতো কেউ হেবা বা উপহার অনুদান ফেরত নিতে পারবে না। আর পিতার জন্য তা বৈধ হওয়ার অর্থ হল পিতা প্রয়োজনে সন্তানের সম্পদ গ্রহণ বা ভোগ করতে পারেন। একপুত্র অভিযোগ করে যে, তার পিতা তার মাল-সম্পদ ভোগ-দখল করতে চান। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, 'তুমি এবং তোমার সম্পদ তোমার পিতার নিমিত্ত'। এভাবে পিতার দেওয়া উপহার বা অনুদান সন্তানের মালিকানায় আসার পরেও পুত্রের সম্পদ হিসেবে পিতা তা ভোগ বা গ্রহণ করতে পারেন। একেই হাদীসে 'ফিরিয়ে নেওয়া' বলা হয়েছে। আল্লাহই ভালো জানেন।

—ফিকহুস সুনান, হাদীস নং ২১৮১

বর্ণনাকারী:

عن ابن عباس رضي الله عنهما مرفوعا: العائد في هبته كالكلب يقيء ثم يعود في قيئه

দান-অনুদান ফেরত নেওয়ার নিন্দা

(২১৮২) ইবন আব্বাস রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি তার দান-উপহার ফিরিয়ে নেয় সে ব্যক্তি কুকুরের মতো, যে কুকুর বমি করে এবং এরপর সেই বমি পুনরায় খেয়ে নেয়।

নোট:
(বুখারি ও মুসলিম)। [সহীহ বুখারি, হাদীস-২৫৮৯; সহীহ মুসলিম, হাদীস-১৬২২; সুনান নাসায়ি, হাদীস-৩৬৯১; সুনান আবু দাউদ, হাদীস-৩৫৩৮; সুনান তিরমিযি, হাদীস-১২৯৮]

—ফিকহুস সুনান, হাদীস নং ২১৮২

বর্ণনাকারী:

عن أبي بكر الصديق رضي الله عنه مرفوعا: لا يدخل الجنة خب ولا بخيل ولا منان

কৃপণতা ও দানের পরে খোঁটা দেওয়ার নিন্দা

(২১৮৯) আবু বাকর রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, সমাজের মানুষদের মধ্যে সুসম্পর্ক নষ্টকারী ব্যক্তি, কৃপণ ব্যক্তি এবং দান বা করুণা করার পরে তা বারংবার উল্লেখকারী বা খোঁটা প্রদানকারী ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না।

নোট:
(তিরমিযি। তিনি হাদীসটিকে হাসান বলেছেন) । [সুনান তিরমিযি, হাদীস-১৯৬৩; মুসনাদ আহমাদ, হাদীস-৩২]

—ফিকহুস সুনান, হাদীস নং ২১৮৯

24/09/2023

📗*উপদেশ মুলক কিছু কুরআন হাদিসের বাণী সবাইকে পড়ার অনুরোধ করছি📚👇🆗👇 🌹🆗🌹

*بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحَيْمِ*

👉*যারা জ্ঞানী তারাই উপদেশ গ্রহণ করে। (*সূরা বাক্বারাহ ২-২৬৯*)

👉*জ্ঞানীদের জিজ্ঞেস করো যদি তোমরা না জানো। (*সূরা নাহল ১৬-৪৩*)

👉*স্পষ্ট প্রমাণসহ জেনে নাও। (*সূরা নাহল ১৬-৪৪*)

👉*বলো, তোমরা তোমাদের প্রমাণ নিয়ে আসো, যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো। (*সূরা নমল ২৭-৬৪*)

👉*বলো, যারা জানে আর যারা জানে না তারা কি সমান? বিবেকবান লোকেরাই কেবল উপদেশ গ্রহণ করে। (*সূরা জুমার ৩৯-৯*)

👉*অতঃএব, কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে তা সে দেখতে পাবে। এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে তাও দেখতে পাবে। (সূরা যিলযালঃ ৯৯-৭.৮*)

👉*যে ভালো সুপারিশ করবে, তা থেকে তার জন্য একটি অংশ থাকবে এবং যে মন্দ সুপারিশ করবে তার জন্যও তা থেকে একটি অংশ থাকবে। আর আল্লাহ প্রতিটি বিষয়ের সংরক্ষণকারী। (সূরা নিসাঃ ৪-৮৫*)

☝*আল্লাহ যাকে ভালোবাসেন তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন। আর শয়তানকে যে ভালোবাসে সে শয়তানের কৌশল রপ্ত করে।

☝*মহান আল্লাহ বলেছেনঃ "অতঃপর আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করতে চান, তার বক্ষকে ইসলামের জন্যে উম্মুক্ত করে দেন এবং যাকে বিপথগামী করতে চান, তার বক্ষকে সংকীর্ণ অত্যাধিক সংকীর্ণ করে দেন- যেনো সে সবেগে আকাশে আরোহণ করছে। এমনি ভাবে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে না, আল্লাহ তাদের উপর আযাব বর্ষন করেন। (*সূরা আনআমঃ আয়াত: ৬: ১২৫।*)

🌺জ্ঞানের মালিক আল্লাহ, তাই এই জ্ঞান আল্লাহ যাকে চান তাকে দান করেন। মহান আল্লাহ আরো বলেছেনঃ "তিনি যাকে ইচ্ছা হিকমত দান করেন এবং যাকে হিকমত দান করা হয় তাকে প্রভূতে কল্যাণ দান করা হয় এবং কেবল বোধশক্তিসম্পন্ন লোকেরাই শিক্ষা গ্রহণ করে। ("সূরা বাকারাহ আয়াত:২:২৬৯)

💥মানুষ অজ্ঞ-মূর্খ হয়ে পৃথিবীতে আসে। মহান আল্লাহ বলেছেনঃ আমি মানুষকে শিক্ষা দিয়েছি, যা সে জানতো না। (সূরা আলাক্বঃ আয়াত: ৯৬:৫।)

📚রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, যার কল্যাণ চান তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন। (গ্রন্থ: বুখারী-হাদিস: ৭১।)

📘*‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিতো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়। আর বনী ইসরাঈলের ঘটনাবলী বর্ণনা করো। এতে কোনো দোষ নেই। কিন্তু যে কেউ ইচ্ছে করে আমার উপর মিথ্যারোপ করলো, সে যেনো জাহান্নামকেই তার ঠিকানা নির্দিষ্ট করে নিলো। (সহীহ বুখারীঃ ৩৪৬১, আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২১২,)

🌻*সৎপথে বা ভ্রান্তপথে ডাকার ফলাফল যে লোক কোনো সুন্দর নীতি অথবা মন্দ নীতি চালু করে এবং যে লোক সঠিক পথের দিকে ডাকে অথবা বিভ্রান্তের দিকে আহবান করে এই দুই লোকের ব্যাপারে

📚আবু হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতো। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক সঠিক পথের দিকে ডাকে তার জন্য সে পথের অনুসারীদের প্রতিদানের সমান প্রতিদান রয়েছে। এতে তাদের প্রতিদান হতে সামান্য ঘাটতি হবে না। আর যে লোক বিভ্রান্তির দিকে ডাকে তার উপর সে রাস্তার অনুসারীদের পাপের অনুরূপ পাপ বর্তাবে। এতে তাদের পাপরাশি সামান্য হালকা হবে না।
باب مَنْ سَنَّ سُنَّةً حَسَنَةً أَوْ سَيِّئَةً وَمَنْ دَعَا إِلَى هُدًى أَوْ ضَلاَلَةٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَابْنُ، حُجْرٍ قَالُوا حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - يَعْنُونَ ابْنَ جَعْفَرٍ - عَنِ الْعَلاَءِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ دَعَا إِلَى هُدًى كَانَ لَهُ مِنَ الأَجْرِ مِثْلُ أُجُورِ مَنْ تَبِعَهُ لاَ يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ أُجُورِهِمْ شَيْئًا وَمَنْ دَعَا إِلَى ضَلاَلَةٍ كَانَ عَلَيْهِ مِنَ الإِثْمِ مِثْلُ آثَامِ مَنْ تَبِعَهُ لاَ يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ آثَامِهِمْ شَيْئًا ‏"‏ ‏.‏

📒*সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী) অধ্যায়ঃ ৪৮। ইলম [জ্ঞান] (كتاب العلم) হাদিস নম্বরঃ ৬৬৯৭ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৬০, ইসলামিক সেন্টার ৬৬১৪)

📚রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন,
*প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর উপর জ্ঞান অর্জন করা ফরজ। *(ইবনে মাজাহ:২২৪)*

💫আসুন সবাই কোরআন-সুন্নাহর পথে চলি।🔚
🌺Dua-Mei-Yaad-Rakhna🌺📗*উপদেশ মুলক কিছু কুরআন হাদিসের বাণী সবাইকে পড়ার অনুরোধ করছি📚👇🆗👇 🌹🆗🌹

*بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحَيْمِ*

👉*যারা জ্ঞানী তারাই উপদেশ গ্রহণ করে। (*সূরা বাক্বারাহ ২-২৬৯*)

👉*জ্ঞানীদের জিজ্ঞেস করো যদি তোমরা না জানো। (*সূরা নাহল ১৬-৪৩*)

👉*স্পষ্ট প্রমাণসহ জেনে নাও। (*সূরা নাহল ১৬-৪৪*)

👉*বলো, তোমরা তোমাদের প্রমাণ নিয়ে আসো, যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো। (*সূরা নমল ২৭-৬৪*)

👉*বলো, যারা জানে আর যারা জানে না তারা কি সমান? বিবেকবান লোকেরাই কেবল উপদেশ গ্রহণ করে। (*সূরা জুমার ৩৯-৯*)

👉*অতঃএব, কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে তা সে দেখতে পাবে। এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে তাও দেখতে পাবে। (সূরা যিলযালঃ ৯৯-৭.৮*)

👉*যে ভালো সুপারিশ করবে, তা থেকে তার জন্য একটি অংশ থাকবে এবং যে মন্দ সুপারিশ করবে তার জন্যও তা থেকে একটি অংশ থাকবে। আর আল্লাহ প্রতিটি বিষয়ের সংরক্ষণকারী। (সূরা নিসাঃ ৪-৮৫*)

☝*আল্লাহ যাকে ভালোবাসেন তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন। আর শয়তানকে যে ভালোবাসে সে শয়তানের কৌশল রপ্ত করে।

☝*মহান আল্লাহ বলেছেনঃ "অতঃপর আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করতে চান, তার বক্ষকে ইসলামের জন্যে উম্মুক্ত করে দেন এবং যাকে বিপথগামী করতে চান, তার বক্ষকে সংকীর্ণ অত্যাধিক সংকীর্ণ করে দেন- যেনো সে সবেগে আকাশে আরোহণ করছে। এমনি ভাবে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে না, আল্লাহ তাদের উপর আযাব বর্ষন করেন। (*সূরা আনআমঃ আয়াত: ৬: ১২৫।*)

🌺জ্ঞানের মালিক আল্লাহ, তাই এই জ্ঞান আল্লাহ যাকে চান তাকে দান করেন। মহান আল্লাহ আরো বলেছেনঃ "তিনি যাকে ইচ্ছা হিকমত দান করেন এবং যাকে হিকমত দান করা হয় তাকে প্রভূতে কল্যাণ দান করা হয় এবং কেবল বোধশক্তিসম্পন্ন লোকেরাই শিক্ষা গ্রহণ করে। ("সূরা বাকারাহ আয়াত:২:২৬৯)

💥মানুষ অজ্ঞ-মূর্খ হয়ে পৃথিবীতে আসে। মহান আল্লাহ বলেছেনঃ আমি মানুষকে শিক্ষা দিয়েছি, যা সে জানতো না। (সূরা আলাক্বঃ আয়াত: ৯৬:৫।)

📚রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, যার কল্যাণ চান তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন। (গ্রন্থ: বুখারী-হাদিস: ৭১।)

📘*‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিতো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমার কথা পৌঁছিয়ে দাও, তা যদি এক আয়াতও হয়। আর বনী ইসরাঈলের ঘটনাবলী বর্ণনা করো। এতে কোনো দোষ নেই। কিন্তু যে কেউ ইচ্ছে করে আমার উপর মিথ্যারোপ করলো, সে যেনো জাহান্নামকেই তার ঠিকানা নির্দিষ্ট করে নিলো। (সহীহ বুখারীঃ ৩৪৬১, আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২১২,)

🌻*সৎপথে বা ভ্রান্তপথে ডাকার ফলাফল যে লোক কোনো সুন্দর নীতি অথবা মন্দ নীতি চালু করে এবং যে লোক সঠিক পথের দিকে ডাকে অথবা বিভ্রান্তের দিকে আহবান করে এই দুই লোকের ব্যাপারে

📚আবু হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতো। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক সঠিক পথের দিকে ডাকে তার জন্য সে পথের অনুসারীদের প্রতিদানের সমান প্রতিদান রয়েছে। এতে তাদের প্রতিদান হতে সামান্য ঘাটতি হবে না। আর যে লোক বিভ্রান্তির দিকে ডাকে তার উপর সে রাস্তার অনুসারীদের পাপের অনুরূপ পাপ বর্তাবে। এতে তাদের পাপরাশি সামান্য হালকা হবে না।
باب مَنْ سَنَّ سُنَّةً حَسَنَةً أَوْ سَيِّئَةً وَمَنْ دَعَا إِلَى هُدًى أَوْ ضَلاَلَةٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَابْنُ، حُجْرٍ قَالُوا حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - يَعْنُونَ ابْنَ جَعْفَرٍ - عَنِ الْعَلاَءِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ دَعَا إِلَى هُدًى كَانَ لَهُ مِنَ الأَجْرِ مِثْلُ أُجُورِ مَنْ تَبِعَهُ لاَ يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ أُجُورِهِمْ شَيْئًا وَمَنْ دَعَا إِلَى ضَلاَلَةٍ كَانَ عَلَيْهِ مِنَ الإِثْمِ مِثْلُ آثَامِ مَنْ تَبِعَهُ لاَ يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ آثَامِهِمْ شَيْئًا ‏"‏ ‏.‏

📒*সহীহ মুসলিম (হাঃ একাডেমী) অধ্যায়ঃ ৪৮। ইলম [জ্ঞান] (كتاب العلم) হাদিস নম্বরঃ ৬৬৯৭ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৬০, ইসলামিক সেন্টার ৬৬১৪)

📚রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন,
*প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর উপর জ্ঞান অর্জন করা ফরজ। *(ইবনে মাজাহ:২২৪)*

আসুন সবাই কোরআন-সুন্নাহর পথে চলি।

Want your business to be the top-listed Media Company in Malda?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Kathal Super Market, Malda Kolkata
Malda
732139