Krisho Yogi Sumit
✨ শান্ত মন = সফল জীবন ✨
আপনি কি—
❌ স্ট্রেসে ভুগছেন?
❌ ঘুম ঠিকমতো হচ্ছে না?
❌ মনোযোগ কমে যাচ্ছে?
👉 সমাধান একটাই— মেডিটেশন
🧘♂️ KRISHO-তে আপনি পাবেন:
✔️ সহজ মেডিটেশন টেকনিক
✔️ ডেইলি প্র্যাকটিস গাইড
✔️ ব্যক্তিগত মনিটরিং
🎤 স্টুডেন্ট অভিজ্ঞতা:
“মেডিটেশন আমার লাইফস্টাইলই বদলে দিয়েছে।”
📍 Anukul Mukherjee Lane, Chashapara, Krishnanagar, Nadia – 741101
📞 9933105679
🔥 আজই শুরু করুন আপনার Inner Journey
🌿 “উপবাস করুন, উপোস নয়” 🌿
আমরা দৈনন্দিন জীবনে প্রায়ই ‘উপবাস’ ও ‘উপোস’ শব্দ দুটি একই অর্থে ব্যবহার করি—অর্থাৎ না খেয়ে থাকা। কিন্তু শাস্ত্রীয়, যোগিক ও আধ্যাত্মিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই দুটি শব্দের মধ্যে রয়েছে গভীর ও সূক্ষ্ম পার্থক্য। এই পার্থক্যটি না বুঝলে উপবাসের প্রকৃত উদ্দেশ্যই অধরা থেকে যায়।
‘উপবাস’ শব্দটি সংস্কৃত “উপ” (নিকট) এবং “বাস” (অবস্থান করা) থেকে উদ্ভূত—অর্থাৎ ঈশ্বর, আত্মা বা চেতনার নিকটে অবস্থান করা।
অন্যদিকে, ‘উপোস’ বলতে বোঝায় কেবল খাদ্য ত্যাগ করে শরীরকে কষ্ট দেওয়া।
এই দুইয়ের মধ্যে পার্থক্যটি বোঝা মানেই আধ্যাত্মিক পথের একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বার উন্মুক্ত হওয়া।
---
🔸 উপোস: বাহ্যিক সংযম, অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা
উপোসে মানুষ সাধারণত খাদ্য গ্রহণ বন্ধ করে, কিন্তু মন ও ইন্দ্রিয়কে নিয়ন্ত্রণে আনে না। ফলে কী হয়?
মন বারবার খাবারের কথাই ভাবে
শরীরে দুর্বলতা আসে, মেজাজ খিটখিটে হয়
ভেতরে অহংকার জন্ম নেয়—
“আমি এতক্ষণ না খেয়ে আছি”, “আমি এত কঠিন ব্রত পালন করছি”
📌 উদাহরণ:
ধরুন কেউ সারাদিন না খেয়ে রইলেন, কিন্তু সারাক্ষণ খাবারের ভিডিও দেখছেন, বা ভাবছেন কখন উপোস ভাঙবেন। এই অবস্থায় শরীর হয়তো উপোস করছে, কিন্তু মন সম্পূর্ণভাবে আসক্তির মধ্যেই রয়েছে। এটি আধ্যাত্মিক অগ্রগতি নয়—এটি কেবল দেহকেন্দ্রিক কষ্ট।
---
🔸 উপবাস: অন্তর্মুখী সচেতনতার যাত্রা
উপবাসে মূল লক্ষ্য খাদ্য ত্যাগ নয়, বরং ইন্দ্রিয় ও মনের অস্থিরতা থেকে সরে গিয়ে আত্মার কাছে পৌঁছানো।
একজন প্রকৃত উপবাসী—
শুধু আহার কমান না, অপ্রয়োজনীয় কথা ও চিন্তাও কমান
মোবাইল, টিভি, বাহ্যিক বিভ্রান্তি থেকে দূরে থাকেন
ধ্যান, প্রার্থনা, জপ বা আত্মচিন্তায় সময় দেন
📌 উদাহরণ:
কেউ যদি নির্দিষ্ট দিনে হালকা ফল বা জল গ্রহণ করে, কিন্তু সারাদিন নীরবতা বজায় রাখে, ধ্যান করে, নিজের চিন্তা পর্যবেক্ষণ করে—তাহলে সেটি প্রকৃত উপবাস। এখানে দেহের সংযমের সঙ্গে মন ও চেতনারও পরিশুদ্ধি ঘটে।
---
🔸 উপবাসের তিনটি স্তম্ভ
১. 🧘♂️ শুদ্ধি (Purification)
উপবাসে শরীর বিশ্রাম পায়, হজমতন্ত্র হালকা হয়, এবং টক্সিন বের হতে সাহায্য করে।
কিন্তু তার থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হলো মনের শুদ্ধি—
যখন মন খাবার, লোভ, আকর্ষণ থেকে সরে এসে অন্তর্মুখী হয়, তখন অস্থিরতা কমে যায়।
---
২. 🎯 সংযম ও সচেতনতা (Awareness & Control)
আমরা বেশিরভাগ সময় ক্ষুধার জন্য নয়, অভ্যাস বা স্বাদের জন্য খাই।
উপবাস আমাদের প্রশ্ন করতে শেখায়—
👉 “আমি কি সত্যিই ক্ষুধার জন্য খাচ্ছি, নাকি শুধু অভ্যাসে?”
এই আত্ম-পর্যবেক্ষণই ধীরে ধীরে ইন্দ্রিয় নিয়ন্ত্রণের পথ খুলে দেয়।
---
৩. ⚡ শক্তির রূপান্তর (Energy Transformation)
সাধারণত আমাদের শক্তির একটি বড় অংশ হজম প্রক্রিয়ায় ব্যয় হয়।
উপবাসের সময় সেই শক্তি মুক্ত হয়ে—
মস্তিষ্কে
চেতনায়
ধ্যানে
প্রবাহিত হয়। ফলে মনোসংযোগ বাড়ে, অন্তর্দৃষ্টি জাগে।
📌 উদাহরণ:
অনেক সাধক বা যোগী নির্দিষ্ট দিনে অল্প আহার করেন, যাতে তারা দীর্ঘ সময় ধ্যানে স্থির থাকতে পারেন। কারণ খালি বা হালকা পেটে মন বেশি স্থির থাকে।
---
🔸 উপবাসের চূড়ান্ত উদ্দেশ্য
উপবাসের মূল লক্ষ্য হলো—
👉 নিজের ভেতরের নীরবতা ও ঈশ্বরীয় উপস্থিতিকে অনুভব করা।
যখন দেহের চাহিদা কিছুটা স্তিমিত হয়, তখন অন্তরের কণ্ঠস্বর স্পষ্ট হয়।
সেই নীরবতার মধ্যেই অনুভব করা যায়—
এক গভীর শান্তি
এক অদৃশ্য উপস্থিতি
এক চেতনার স্পর্শ
---
🌼 উপসংহার
সুতরাং,
👉 না খেয়ে থাকা মানেই উপবাস নয়।
যদি উপবাস আমাদের মধ্যে অহংকার, বিরক্তি বা কষ্ট বাড়ায়—তবে তা উপোস
কিন্তু যদি তা আমাদের অন্তর্মুখী করে, সচেতন করে, ঈশ্বরের নিকটে নিয়ে যায়—তবে সেটিই প্রকৃত উপবাস
সত্যিকারের উপবাসে খাদ্য ত্যাগের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো—
অহং ত্যাগ
অস্থিরতা ত্যাগ
আসক্তি ত্যাগ
এই ত্যাগের মধ্য দিয়েই মানুষ ধীরে ধীরে নিজের প্রকৃত স্বরূপের দিকে এগিয়ে যায়—
যেখানে দেহের ক্ষুধা নয়,
✨ আত্মার তৃপ্তিই হয়ে ওঠে জীবনের আসল লক্ষ্য। ✨
---
📍 KRISHO Yoga & Meditation
🏡 Anukul Mukherjee Lane, Chashapara, Krishnanagar, Nadia – 741101
📞 Call / WhatsApp: 9933105679
19/04/2026
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Chashapara
Krishnagar
741101