Master Ranjit

Master Ranjit

Share

30/07/2025

UG Admission 2025
অফিসিয়াল নোটিশ প্রকাশিত হবে ১লা আগষ্ট ইউনিভার্সিটির ওয়েবসাইটে।

29/07/2025

❤❤❤

29/07/2025

*দংশিত*
*কলমে-রনজিৎ মাঝি*
*তারিখ-25/03/25*

প্রেম নিবেদন!
সবার জীবনে আবেগ ঘটিয়ে,
চরম পরিস্থিতিতে পৌঁছে দেয়৷
যার প্রেক্ষাপট!
হিসেবে মরীচিকাই,
একমাত্র লাভের মূল কারণ৷
যা কখনো!
মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনতে
পারে না,
জীবন তখন দুর্বিশহ৷
এ যন্ত্রণা!
প্রত্যয় গতিতে প্রতিমুহূর্তে,
মরীচিকার মতো বাড়তে থাকে৷

চরম বিভীষিকা!
জ্বালিয়ে দগ্ধ করে অন্তর আত্মা,
জীবনটা নিপীড়িত হয়ে উঠে৷
অত্যাচারের মাত্রায়!
দীর্ঘশ্বাসের মধ্যে দিবারাত্রি,
অতিবাহিত হতে থাকে৷
মৃত্যু যন্ত্রণার!
এই পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে,
বিভীষিকার জ্বালা সইতে হয়৷
না পেরে!
যাত্রাপথের গতিপথ পরিবর্তন,
হতে বাধ্য হওয়ার উপক্রম৷

মরীচিকার ছায়া!
এযেন মৃত্যু যন্ত্রণার কম নয়,
স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণ অনেক ভালো৷
এ নিপীড়িত জ্বালা!
প্রতিমুহূর্তে নিজেকে,
খানখান করতে প্রস্তুত থাকে৷
কালনাগিনী!
যেভাবে দংশন করে,
তার উপক্রমের চেয়েও কম নয়৷
সর্বশক্তিমান ঈশ্বরী!
পারে জীবনের গতিপথ পরিবর্তনে,
অশান্তময় জীবনের একমাত্র ভরসা৷

দংশন হওয়া!
এ মনের হৃদয়ের হৃদপিণ্ডকে,
দাঁড়িয়ে অনুধাবন করতে পাড়া৷
শুধুই মরীচিকার!
পিছনে নিজেকে অতিবাহিত করা,
এরচেয়ে দংশিত হওয়া যন্ত্রণা কাম্য৷
পাক্ষিক মৃত্যু!
থেকে নিজেকে ফিরিয়ে আসা,
অসম্ভব হয়ে থাকে৷
পরিণামে মারাত্মক!
শেষ পরিণতি হয়তো মৃত্যু,
কিংবা দিন শেষই অগ্নিভষ্ম৷

শ্রদ্ধা ভরে!
সহস্তে যারে প্রণয়ন করিয়া,
হৃদয়ের অন্তরে অন্তরে স্থান৷
কালনাগিনী বেশে!
সেই যে দংশন করিতে পারে,
তাহার উপক্রম আজ ধরণীর বুকে৷
মরীচিকার পিছনে সে!
আবেগ ধরে যাচ্ছে প্রেমে,
প্রজ্জ্বলিত হয়ে উঠেছে টানে৷
সর্বস্বান্ত ফিরবে যবে!
বুঝবে সেদিন মরীচিকার পানে,
মায়ার বাঁধন ছাড়বে তবে৷

পিরিতের আকাঙ্ক্ষা৷
ধর্মকে ছেড়ে অধর্মের পানে,
প্রেমিক বেশে ভাসছে মনে৷
ভাটার টানে!
পিরিতি সুখ সইলো না ঘরে,
চলে যেতে হবে বাঁধন ছেড়ে৷
ফাসিয়ে দেবে!
একলা পেযে,
রইবে না কিছু থাকবেনা পড়ে৷
নিঃসঙ্গতায়!
সবই যাবে চলে,
যমরাজ তখন আসবে ঘরে৷

*সমাপ্ত*

29/07/2025

*ডিভোর্স*
*কলমের- রণজিৎ মাঝি*

সেকালের দিনের অল্প বয়সী ছেলেরা ভাবতো......! ভদ্র,ধার্মিক,চরিত্রবান হলে, বিয়ের বাজারে তার কদর যে শতগুণ বৃদ্ধি পাবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না৷ এবং তারা ভেবেই নিত যে, সুন্দর ও ফর্সা ভালো সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়েকে বিয়ে করতে পারবে৷ কিন্তু মেয়েদের পরিবারের কোন মতামত নেওয়ার প্রয়োজন বোধ করত না৷ তৎকালীন সময়ে পরিবার যার হাতে তুলে দিত, তাকেই মেনে নিয়ে আজীবন সংসার করতে হতো! পরিবারের বাবা-মায়ের কথার অমান্য কখনোই মেয়েরা হতে পারত না৷

সমাজে অনেক বিত্তশালী ও আভিজাতো সম্প্রদায়ের অনেক পরিবারের মেয়ের জন্য এমন ছেলে খুজতো। সে যতই বেকার ও দরিদ্র হোক৷ তারা জানতো একটা ভালো ছেলের হাতে দিলেই মেয়ে সুখী হবে৷ এই ধারণাই কাজ করতো, সেকালের বাবা মায়ের মনের উপর৷ এতে যদি ছেলের একটু বয়সও হয়, তাহলে তাদের সেটা যায় আসে না৷ কিন্তু তারা এটাও ভাবে না যে, বয়স যুক্ত ছেলের সাথে বিয়ে দিলে পরবর্তীতে সেই দুজন দুজনা অর্থাৎ ছেলে ও মেয়ের কি হতে পারে.....? দুজনার মধ্যে মনের মিলের অভাব, চিন্তাভাবনার অভাব, ভালোবাসার অভাব, এসব কিছুই বাবা-মায়ের মধ্যে বিরাজ করে না৷ "যেন জেদের ভার বহন করার উপক্রম মাত্র"৷

এখন ছেলেরা জানে প্রতিষ্ঠিত হলে বিয়ের বাজারে তার কদর বেশি।
সে প্রতিষ্ঠিত হবার আগে প্রেম,জ্বিনা যাই করুক।সে টাকার জোরে ভালো মেয়ে পাবেই। বর্তমান সময়ে এটার ওই প্রচলন শুরু হয়ে রয়েছে৷ একটু ভালো বাড়ি, ভালো চাকরি হলেই সুন্দরী মেয়েদের আর অভাব হয় না৷ কিন্তু এটাও ভাবে না মেয়ের বাবারা, এই একজন সরকারি চাকরি ওয়ালা ছেলে হলেই কি তার মেয়েকে সুখে রাখবে....? ভালো বাড়ি হলেই কি তার মেয়ে সুখে থাকবে...? না এর পরবর্তী সমযে অনেক সমস্যা রয়েছে, যা ধারণার বাইরে৷

সেই প্রেক্ষাপটকে কেন্দ্র করে, আজ আর ছেলেরা ভালো হবার প্রতিযোগিতা করে না। নিজের চরিত্রকে রক্ষার চেষ্টাও করে না। সমাজে ভালো খারাপ নিজেই বিচার করে বিবেচনা করে কর্মে লিপ্ত হয়৷এও সে ভালো করেই জানে.......! বিয়ের আগে সেক্স করা,ফুর্তি করা, কাউকে সঙ্গে করে নিয়ে দূরে কোথাও রাত্রি যাপন করা, ইত্যাদি বিভিন্ন প্রকারের চিন্তাভাবনাও কেয়ার করে না৷ সে একটা কথাই ভাবে, যাই করিনা ক্যান। পাবো তো সেই............!!!

বর্তমানে ছেলে ও মেয়ের উভয় ক্ষেত্রেই সমস্যাগুলি সৃষ্টি হয়েছে নিজের কথা নিজেই ভেবে অস্থির কাউকে ভাবার মতো সময় তারা দেয় না যখন যা ভালো লাগে তাই করে বসে এর জন্য প্রতিমুহূর্তে মৃত্যুর খবর বিভিন্ন প্রকারের সুইসাইডের খবর প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে তাই একটাই কথা বলা যায় ক্যারিয়ার হলে বিয়ে দুই চোখ বন্ধ করে বিয়েটা করা যায়।
তো এবার আপনারাই বিচার করুন এই সমাজের মানুষের মধ্যে ডিভোর্স হবে নাতো কী....? ডিভোর্স কী শুধুমাত্র পশু পাখির মাঝেই হবে.... প্রশ্ন রইল আপনাদের কাছে...?

*সমাপ্ত*
®️®️®️

29/07/2025

✅✅✅

29/07/2025

*কবি পরিচিতি*:-
*রনজিৎ মাঝি (শিক্ষা সাগর সম্মানপ্রাপ্ত, ন্যাশনাল এডুকেশন ফোরাম দ্বারা সম্মানপ্রাপ্ত ,কে কে এডুকেশন সোসাইটি দ্বারা সম্মানপ্রাপ্ত, এবং ২০১১ সালে বেস্ট পারফরমেন্স দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা এনএসএস সম্মান অর্জন কাটাবাড়ী আদিবাসী উচ্চ বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে*)। *পিতা ও মাতা*- প্রীয়নাথ মাঝি ও লক্ষী রানী মাঝি
*জন্মস্থান*- মল্লিকপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর
*শিক্ষা গত যোগ্যতা*- মাধ্যমিক পাস, উচ্চ মাধ্যমিক পাস, স্নাতক পাস , Bachelor of Education (B.ed) ,Diploma in Elementary Education (D.el.ed),
স্নাতকোত্তর (ভূগোল, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, এডুকেশন),কম্পিউটার ডিপ্লোম
*শিক্ষা ক্ষেত্র*- প্রথম শ্রেণী থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত মল্লিকপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠরত, পঞ্চম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত কাঁটাবাড়ী আদিবাসী উচ্চ বিদ্যালয়ে পাঠরত।
*মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক*- দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা
*স্নাতক*- গঙ্গারামপুর মহাবিদ্যালয়( দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা)
*বি এড* - কুরুক্ষেত্রম বিশ্ববিদ্যালয় ( হরিয়ানা)
*ডি. এল .এড*- বিদ্যাসাগর কলেজ অব এডুকেশন( দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা)
*স্নাতকোত্তর*- ছত্রপতি শাহজি মহারাজ বিশ্ববিদ্যালয় ( কানপুর)।
*কর্মক্ষেত্র*:- পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (কাঁটাবাড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়), স্বামী বিবেকানন্দ এডুকেশনাল ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট এর সম্পাদক ।
*সাহিত্য জগতে পদার্পণ*:- ২০০৮ সালে কাঁটাবাড়ি আদিবাসী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যাগাজিনে প্রথম প্রকাশিত কবিতা "শ্রমজীবী" এই কবিতার মাধ্যমে প্রথম অনুপ্রেরণা৷ এছাড়া জীবনে প্রথম ২০০৮ সালে ১২ই জানুয়ারি "শ্রমজীবী" কবিতাটি প্রকাশ পায়৷ এছাড়া বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পত্রিকায়,কাব্যগ্রন্থে ও লিটিল ম্যাগাজিনে প্রকাশ পেয়েছে কবিতা,নাটক,অনুগল্প।
*কবিতা*- শ্রমজীবী, বঙ্গের হাতছানি, কল্পনাতে সত্যি হয়, রবীন্দ্রনাথের প্রতি, মৃত্যু যন্ত্রণা, স্বপ্ন, বঙ্গের কহুতান, তোমায় নিয়ে, অপূর্ন স্বপ্ন, পথ শিশু, বোঝো ঠেলা, নীরবতা, আমার আবেগ তুমি, মৃত্যু, রাজনীতি, সে, ভালোবাসার গল্প, তৃষ্ণার্ত, শুধু তুমি, তোমার জন্য আমি, তুমি সুখী হও, প্রেম নিবেদন, চরম বিভীষিকা, দংশন,শ্রদ্ধা ভরে, জোয়ার ভাটা।
*অনুগল্প*- শেষ ঠিকানা, মৃত্যু ঘনিয়ে আসছে, বৃদ্ধাশ্রম, ডিভোর্স, জ্যেষ্ঠ পুত্র, কঠোর পরিশ্রম
*নাটক*- গ্যারাকল ( রাজবংশী ভাষায় রচিত), মেরা ভারত মহান। এছাড়া শিক্ষকতার পাশাপাশি বিভিন্ন পত্রিকায় লেখালেখি ও স্বামী বিবেকানন্দ এডুকেশনাল ফাউন্ডেশন ক্লাসের বিভিন্ন জনকল্যাণমুখী প্রকল্প জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়াস অনবরত করে থাকা ৷

___
____
______ *সমাপ্ত*

29/07/2025

Life will be change today

27/07/2025

🍁নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয় এ ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি(শুধুমাত্র ছাত্রদের জন্য)🍁
🟡১। শ্রেণি এবং মাধ্যমঃ
-----------------------------------
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এবং পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ অনুমোদিত এই বিদ্যালয় সম্পূর্ণ আবাসিক। আগামী শিক্ষাবর্ষে শুধু পঞ্চম শ্রেণিতে বাংলা এবং ইংরাজি উভয় মাধ্যমের জন্য ছাত্র ভর্তি নেওয়া হবে। একজন ছাত্র কেবল একটি মাধ্যমের জন্য আবেদন করতে পারবে, একই সঙ্গে উভয় মাধ্যমে আবেদন করলে সেই আবেদনপত্র বাতিল করা হবে। লিখিত এবং মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে ছাত্রদের ভর্তি করা হয়।
🟡২। যোগ্যতাঃ
----------------------
যে সমস্ত ছাত্র এখন চতুর্থ অথবা পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ছে এবং যাদের বয়স আগামী ১লা জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ১০ বছর থেকে ১১ বছর সময়সীমার মধ্যে অথবা যাদের জন্মতারিখ ০২.০১.২০১৫ এবং ০১.০১.২০১৬-এর মধ্যে তারাই পঞ্চম শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষায় বসতে পারবে।
👉 বাংলা ও ইংরাজি মাধ্যমে ভর্তি হতে ইচ্ছুক সাধারণ জাতির (General Caste) ছাত্রদের শেষ বাৎসরিক/শেষ অর্দ্ধ- বাৎসরিক পরীক্ষায় বাংলা/হিন্দী, ইংরাজি ও অংকে যথাক্রমে ৬০, ৬০ ও ৭০ শতাংশ বা তার বেশি নম্বর থাকতে হবে এবং তপশিলী জাতি/উপজাতির (Schedule Caste/Tribe) ও অন্যান্য পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের (OBC) ছাত্রদের শেষ বাৎসরিক/শেষ অর্দ্ধ-বাৎসরিক পরীক্ষায় বাংলা/হিন্দী, ইংরাজি এবং অংকে যথাক্রমে ৫৫, ৫৫ ও ৬৫ শতাংশ বা তার বেশি নম্বর থাকতে হবে। গ্রেড বা মূল্যায়ন পদ্ধতির ক্ষেত্রেও বাংলা অথবা হিন্দি, ইংরাজি এবং অংকে সমতুল নম্বর পেতে হবে।
👉যাদের প্রগতিপত্রে (mark-sheet) গ্রেড দেওয়া আছে, সেক্ষেত্রে কোন গ্রেড কত শতাংশ নম্বর বোঝাচ্ছে, তা যেন প্রগতিপত্রে (mark-sheet) উল্লিখিত থাকে।
🟡৩। আবেদনপত্রঃ
----------------------------
বিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে শুধুমাত্র অনলাইনে আবেদনপত্র জমা করা যাবে। বিদ্যালয় থেকে হাতে হাতে/সরাসরি কোনো আবেদনপত্র দেওয়া বা জমা নেওয়া হবে না।
👉১০ জুলাই, ২০২৫ সকাল ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন করা যাবে।
👉ডাকযোগে আবেদন পত্র পাঠানো যাবে না।
👉অনলাইনে আবেদন করার এবং টাকা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫ বিকাল ৫টা।
👉অনলাইনে টাকা জমা দেওয়া সফলভাবে সম্পূর্ণ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি হওয়া অ্যাডমিট কার্ড ২০.১০.২০২৫ থেকে ২৩.১০.২০২৫ এর মধ্যে ডাউনলোড করা যাবে।
👉রঙিন অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড করতে হবে। অ্যাডমিট কার্ড ছাড়া পরীক্ষা কক্ষে ঢুকতে দেওয়া হবে না।
👉অনলাইনে আবেদনপত্রের মূল্য ছাত্র প্রতি নিম্নলিখিতঃ-
📌নরেন্দ্রপুর পরীক্ষা কেন্দ্রের জন্যঃ-৮৫৫/- টাকা
📌মালদা পরীক্ষা কেন্দ্রের জন্যঃ-১২৫৫/- টাকা
📌শিলিগুড়ি পরীক্ষা কেন্দ্রের জন্যঃ-১২৫৫/- টাকা
📌চাপড়া, বিহার পরীক্ষা কেন্দ্রের জন্যঃ-১২৫৫/- টাকা এবং
📌মণিপুর পরীক্ষা কেন্দ্রের জন্যঃ-১,৭৫৫/- টাকা।
👉👉👉👉যে সকল শিক্ষক/শিক্ষিকা আমার ফেসবুক প্রোফাইলে প্রকাশিত বিদ্যালয় এবং শিক্ষক/শিক্ষিকা সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্যের আপডেট পেতে ইচ্ছুক,

15/06/2025

✅মিঠুন চক্রবর্তী-ডিস্কো ড্যান্সার।42 বছর আগে মিঠুন চক্রবর্তী দিয়েছিলেন বলিউডে প্রথম১০০ কোটি টাকার আয়ের সিনেমা। 💰💰

🏃‍♂️তিনি ছিলেন প্রথম সিক্স-প্যাক অ্যাবস হিরো। 🏃‍♂️

📌মিঠুন আরও অনেক অভিনেতাকে ফিটনেস বজায় রাখতে অনুপ্রাণিত করেছিলেন। নায়ক হিসেবে এক বছরে সর্বাধিক সিনেমা মুক্তির রেকর্ডও রয়েছে মিঠুন চক্রবর্তীর ঝুলিতে। ১৯৮৯ সালে মিঠুন চক্রবর্তী অভিনীত ১৯টি সিনেমা মুক্তি পেয়েছিল।

📌📌মিঠুন এক সময় হেলেনের সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন।।

📌📌জিমি ঝিনচ্যাক বলে একটি কমিক বুক প্রকাশিত হয়েছিল মিঠুন চক্রবর্তীর জনপ্রিয়তাকে অবলম্বন করে। খেয়াল করে দেখুন তো এরকম আর কতজন নায়ককে খুঁজে পাবেন,
যাঁদের নিয়ে কমিক বুক প্রকাশিত হয়েছে।👑👑

🟢🟢তাঁর অগণিত অনুরাগী ছড়িয়ে রয়েছে গোটা বিশ্বজুড়ে। তবে, এদেশের পরই মিঠুন চক্রবর্তী সবথেকে জনপ্রিয় রাশিয়াতে। সেখানে তাঁকে ডান্সিং স্টারের তকমা দেওয়া হয়।👑👑🍁

💥💥💥ডিস্কো ড্যান্সার (১৯৮২-এর চলচ্চিত্র
আয়👉 ₹১০০.৭৪ কোটি।
📌এটি প্রথম ভারতীয় চলচ্চিত্র ছিল যার বিশ্বব্যাপী আয় ₹১০০ কোটি টাকা অতিক্রম করে।।

📌📌💥এই চলচ্চিত্রটি বিশ্বব্যাপী সাফল্য পেয়েছিল, যার জনপ্রিয়তা👉
🍁 দক্ষিণ / মধ্য / পূর্ব এশিয়া
🍁সোভিয়েত ইউনিয়ন,
🍁পূর্ব ইউরোপ
🍁মধ্যপ্রাচ্য,
🍁তুরস্ক এবং পূর্ব
🍁পশ্চিম আফ্রিকা
জুড়ে বিস্তৃত।।

👑👑₹100 crore in 1982 would be worth approximately ₹1,983.94 crore in 2025, based on cumulative inflation of around 1,883.94% over that period.
এটা উল্লেখ করুন তা হলে সকলের কাছে পরিষ্কার হবে আজ অবধি সর্বচ্চ্ ইনকাম , উল্লেখ‍্য সে সময় সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে এতো ধরনের রেভিনিউ আয় করবার উপায় ছিলো না , সিনেমা হলে টিকিট বিক্রি ছিল প্রধান আয়ের উৎস ।( সেরা মন্তব্য👉Adv.Koushik kr Roy)
📌📌

🛑🛑এটি সোভিয়েত ইউনিয়নের সবচেয়ে সফল চলচ্চিত্রগুলির মধ্যে একটি, যেখানে এটি ৬০.৯ মিলিয়ন দর্শকদের একটি

বক্স অফিসে শ্রোতাদের আকর্ষণ করেছিল।।📌(ফিল্মি stories)🏃‍♂️🏃‍♂️

15/06/2025

আমার সঙ্গে কাজ করতে চাইলে মেইল করো নিজের ক্রিয়েটিভ কাজ সহ..

15/06/2025

ইরান বনাম ইজরায়েল: কার কত সামরিক শক্তি?

Photos from Master Ranjit's post 15/06/2025

অবশেষে বৃষ্টি বৃষ্টি ভাব দেখা যাচ্ছে
❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤
💭💭💭💭💭💭💭💭💭💭💭
🌧🌧🌧🌧🌧🌧🌧🌧🌧🌧🌧

Want your business to be the top-listed Media Company in KOLKATA?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Gangarampur
Kolkata
733121