Howrah PDSF

Howrah PDSF

Share

Photos from Howrah PDSF's post 14/01/2022

রাজ্যে আপাতত "উৎসব" এর মরশুম একদিকে পুরসভা ভোট আরেকদিকে বড়দিন নিউইয়ার পেরিয়ে এখন গঙ্গাসাগর মেলা র আমেজ।সাথে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা র দাপট।আবার একটি নুতন ঢেউ তাই জনদরদী রাষ্ট্র র কপালে ভাঁজ পড়েছে।ফল স্বরূপ লকডাউন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আর গণপরিবহন আবার রাষ্ট্রের নেকনজরে, আবার মানুষের পেটে লাথি মারার সব বন্দোবস্ত পাকা।সস্তায় শিশুশ্রমিক বানিয়ে নেওয়ার যন্ত্র কেও রীতিমত প্রস্তুত করে ফেলা হয়েছে বাকি শুধু মগজধোলাই তারপর রাজনেতা রা মঞ্চ থেকে বলবেন "আজ থেকে পাঠশালা বন্ধ ওরা যত বেশি জানে তত কম মানে" একের পর এক সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কফিনে পেরেক পোঁতার পাশাপাশি বড় বড় কোম্পানি গুলোকে বড় মাপের মুনাফা তুলে দিতে ব্যস্ত রাষ্ট্রব্যবস্থা।
স্বপ্ন দেখানো হচ্ছে ঝাঁ চকচকে ক্লাসরুম ওয়াইফাই স্পেশাল পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন এর চক ব্ল্যাকবোর্ড ডাস্টার কাঠের বেঞ্চ এসব এখন ডিজিটাল ইন্ডিয়ায় বিদ্যুৎহীন পানীয় জলহীন ভারতবর্ষের মতো নিষ্প্রভ।ও বুলেট ট্রেন এর ইন্ডিয়ায় পরিযায়ী শ্রমিক দের মতোই ব্রাত্য।
তাই গঙ্গাসাগর মেলা বা পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে বারবার আলোচনা নানাবিধ পদক্ষেপ এর রোডম্যাপ তৈরি হলেও কথা ওঠে না স্বাস্থ্য নিয়ে কথা ওঠে না শিক্ষা নিয়ে।গঙ্গার ঢেউ এ লাশ গুনতে ব্যস্ত থাকা রাষ্ট্রের সময় হয় না স্বাস্থ্য ব্যবস্থা কে চাঙ্গা করার তাই ঢেউ আসে ঢেউ যায় সরকার বদলায় শুধু বদলায় না রাষ্ট্রচরিত্র আর প্রতি ঢেউ এর ছারখার হয়ে যায় আরো হাজার টা পরিবার।রাম মন্দির এর চুড়ো কত কিলো সোনায় বাঁধানো হবে প্রাইম টাইমে এই আলোচনা য় চাপা পড়ে যায় হাজারটা উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ।কারন সরকারী শিক্ষা স্বাস্থ্য গণপরিবহন সাবসিডি তে চলে।যখন সরকার রেভিনিউ খুঁজতে ব্যস্ত কখনো আদানি র হাতে বিমান রেল জল জঙ্গল জমিন তুলে দিতে ব্যস্ত।
তাই রাষ্ট্রের তৈরি করা কমিশন এর গুরুগম্ভীর আলোচনায় জায়গা পায় না শিক্ষা স্বাস্থ্যের অধিকার।ডিজিটাল ইন্ডিয়ার নাটুকে প্রচারে ঢাকা পড়ে যায় কিছু তথ্য যে শহরাঞ্চলে মাত্র ২৪ শতাংশ ছাত্রছাত্রী প্রতিদিনের পড়াশোনা র জন্য ইন্টারনেট এর ব্যবহার করতে সক্ষম আর গ্রামাঞ্চলে সংখ্যাটা প্রায় ৮ শতাংশ।গ্রামাঞ্চলে অনলাইন স্কুল শিক্ষা থেকে প্রতি বছর বঞ্চিত হচ্ছে স্কুলের প্রায় ৩৭% ছাত্রছাত্রী।এবং স্কুলছুট এর সংখ্যা সরকারী হিসেবে বেড়েছে প্রায় ১৭%।
বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার মতে গোটা ভারতে প্রায় ১ কোটি ছাত্রী শুধুমাত্র অনলাইন শিক্ষার কারনে শিক্ষাক্ষেত্র থেকে ছিটকে গেছে এই গত দু বছরে।পশ্চিমবঙ্গ এও সংখ্যাটা প্রায় সাড়ে সাত লাখ এর মতো।
এর ফল হিসেবে আমরা দেখেছি একের পর এক সরকারী স্কুল ছাত্রছাত্রীদের অভাবে বন্ধ হয়ে যেতে।দেখেছি সিমেন্ট কারখানা ইটভাটা য় নাবালক শ্রমিক দের ভিড়।অথচ সংবিধান এর এখনো পড়ানো হয় আমাদের দেশে নাবালক দের হ্যাজর্ডাস ইন্ডাস্ট্রি তে কাজ করানো অবৈধ।অবশ্য সংবিধান কে আজকাল যখন মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট গুরুত্ব দেন না সেখানে মালিকশ্রেণী র কাছে এই মহানুভবতা আশা আমরাই বা করি কিকরে।আর দিনের শেষে সাধারণ মানুষ নিঃস্ব হয়ে যান একের পর এক সরকারী স্কুল এ ছাত্রছাত্রী রা চলে যায় পাশের এমাজন বা ফ্লিপকার্ট বা সুইগি র কাজে।সস্তার শ্রমিক বানানোর কাজ পুরোদমে চলতে থাকে।একের পর ছাত্রী র কম বয়সে বিয়ে হয় যায়।হাজার হাজার নাম চাপা পড়ে যায় "কন্যাশ্রী" "বেটি বাঁচাও" এর প্রচারের ঝকঝকে আলোয়।একের পর এক সরকারী স্কুল ছাত্রছাত্রী র অভাবে বন্ধ হয়ে যায়।ওদিকে মল পানশালা র জৌলুস বাড়তে থাকে রাষ্ট্রের মদতে।আর কেনই বা থাকবে না রাজ্যের রেভিনিউ একটা বড় উৎস পানশালা আর বিলাসবহুল মল।ওদিকে সরকারী শিক্ষা স্বাস্থ্যে পরিবহন শুধু "অপচয়" "আয়" কিছু নেই।তাকে "বাঁচিয়ে রাখার কিসের দায়?" সে যতই মৌলিক অধিকার হোক না কেন।
কিন্তু বিরুদ্ধ জনমত ও উঠছে রাষ্ট্রের স্বৈরাচারীতা র বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করার জন্য বিক্ষোভ হয়েছে ট্রেন রাত ১০ টা পর্যন্ত চালু করতে বাধ্য হয়েছে সরকার।
ইতিমধ্যে নানা হকার ইউনিয়ন বা নানা বাজার সংগঠন থেকে লকডাউন বিরোধী স্বর জোরদার হচ্ছে।নানা ছাত্রছাত্রী সংগঠন স্কুল কলেজ খোলার দাবীতে সোচ্চার হয়েছে
রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রের দালাল এখনো ডিএম এক্ট দিয়ে সাধারণ ছাত্রছাত্রী মানবিক নাগরিক সমাজ এর কন্ঠরোধ করতে চাইছে
আমরা রাষ্ট্র কে সতর্ক করে দিতে চাই রাষ্ট্রের লাঠি চোখ রাঙানি না জেল এর গারদ কোনো গণআন্দোলন কে আগেও আটকাতে পারেনি ভবিষ্যতে ও পারবে না

কোভিড বিধি মেনে স্কুল কলেজ খোলার দাবীতে গণপরিবহন স্বাভাবিক করার দাবীতে লড়াই চলছে শেষতক চলবে।
ইনকিলাব জিন্দাবাদ

Photos from Howrah PDSF's post 04/01/2022

সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গায়ের জোরে পড়াশোনা বন্ধ করে দেওয়ার বিরুদ্ধে আজ PDSF এর পোষ্টারিং কলেজস্ট্রীট এবং হাওড়ায়।
অবিলম্বে স্কুল-কলেজ খুলতে হবে। বাতিল করতে হবে নয়া জাতীয় শিক্ষানীতি। শিক্ষার অধিকার রক্ষার্থে আগামীদিনে লড়াকু ছাত্রছাত্রী আন্দোলন গড়ে তুলতে আমরা বদ্ধপরিকর।

Photos from Howrah PDSF's post 08/12/2021

"হয়তো বা হাঁস হবো – কিশোরীর – ঘুঙুর রহিবে লাল পায়
সারাদিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধভরা জলে ভেসে ভেসে।
আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে"
হয়তো জীবনানন্দ ফিরে এলেও তাঁর বাংলা কে তিনি চিনতে পারতেন কি সন্দেহ।
কারন উন্নয়নের প্রগতির গুঁতোয় বাংলা দশকের পর দশক জুড়ে আড্ডা খেলা র নিশ্চিন্ত স্থান। বাংলার সবুজ মাঠ গুলো আজ নিয়ন ও তীব্র ফ্লাডলাইট এ ধূসর।যেটুকু বেঁচে আছে তার উপর প্রমোটার ও পুঁজিপতিদের শ্যেন দৃষ্টি সর্বক্ষণের।হাওড়া র ডুমুরজলা যা হাওড়া র ফুসফুস নামে পরিচিত তা এই সবুজ নিধন যজ্ঞের নবতম সংযোজন।নবতম বলা টা হয়তো ঠিক নয়।ডুমুরজলা এলাকায় গত তিন দশক ধরেই চেষ্টা চলেছে এই জাতীয় উন্নয়ন যজ্ঞের।তিন দশক আগে ডুমুরজলায় আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম তৈরি করার পরিকল্পনা করে তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকার। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসাবেই মাঠের একটা অংশে গড়ে ওঠে হাওড়া ইন্ডোর স্টেডিয়াম, উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু। কিন্তু কোনো আন্তর্জাতিক খেলার আয়োজন দেখা যায়নি কোনো সময়েই। এর সাথে আন্তর্জাতিক মানের কোনো ক্রিকেট বা ফুটবল স্টেডিয়ামও গড়ে ওঠেনি। একই সঙ্গে ধীরে ধীরে কমে এসেছে এই অঞ্চলের সবুজ।

সরকার পরিবর্তন হলে ২০১৩ সালে হাওড়া উন্নয়ন সংস্থা এইচআইটির থেকে জমি চলে যায় আর্বান ডেভলপমেন্ট করপোরেশনের হাতে। তারপর শেষমেশ এই জমি তুলে দেওয়া হয় পশ্চিমবঙ্গ হাউজিং ইনফ্রাসট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট করপোরেশান বা হিডকোর হাতে।

মাঝে ২০১৫ সালে রাজ্যের তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী মদন মিত্র দফায় দফায় ডুমুরজলায় এসে এলাকা পরিদর্শন করেন এবং এখানে আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম গড়ে তোলার বিষয়ে আগ্রহী হন। সেই অনুযায়ী মাস্টার প্ল্যানও তৈরি হয়। মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী ঠিক হয় ওই ৫৫ একর জমিতে পাব্লিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ বা পিপিপি মোডে ২০০ কোটি টাকার প্রকল্প হবে। সেখানে স্টেডিয়াম তৈরির পাশাপাশি আয়ের জন্য জন্য গড়ে তোলা হবে বহুতল আবাসন ও শপিং মল।
গত তিন দশকে গঙ্গায় পলি জমেছে যেমন,তার চেয়েও বেশি দ্রুত হারে কমেছে হাওড়া থেকে সবুজ এর সমারোহ।একের পর এক মাঠ-জলায় উঠেছে বড় বড় হাউসিং কমপ্লেক্স।হাওড়া হয়ে ওঠে ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চল।নির্বিচারে উন্নয়নের নামে গাছ কাটা চলতে থাকে।২০১৫ সালে সরকারের এই পরিকল্পনার বিরুদ্ধে আওয়াজ ওঠে এবং সরকার পরিকল্পনা স্থগিত রাখে।কিন্তু ডুমুরজলা আবার শিরোনামে আসে যখন ২০১৯ সালে কোনো আলোচনা ছাড়াই মুখ্যমন্ত্রী ও অন্যান্য হেভিওয়েট নেতাদের যাতায়াত শুরু হয় তখন থেকে।এর জন্য মাঠের উত্তর দিকে তৈরি হয় হেলিপ্যাড।বন্ধ হয়ে যায় ওই স্থানে হওয়া এথলেটিক্স প্র্যাকটিস এবং নিরাপত্তা র অজুহাত দেখিয়ে মাঠ থেকে মানুষকে বের করে দেওয়ার ঘটনাও নতুন নয়।সরকারী সূত্র অনুযায়ী ২০১৫র পিপিপি মডেলে গড়ে তোলা হবে খেলনগরী অর্থাৎ পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ, তাতে পাবলিক এর মর্জি কতখানি থাকবে?যারা গত কয়েক দশক ধরে ভারত উপমহাদেশের নানা পিপিপি মডেল এর প্রজেক্ট পর্যবেক্ষণ করেছেন তাদের নতুন করে বলার নেই।সরকারী মতে এখানে ক্রিকেট ফুটবল হকি খেলার স্টেডিয়াম এর পাশাপাশি ৬০ তলার শপিং কমপ্লেক্স,হাউসিং কমপ্লেক্স,পার্কিং প্লট,ওয়াটার বডি সুইমিংপুল তৈরি করা হবে।ইতিমধ্যেই সিএবি অর্থাৎ ক্রিকেট এসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল কে ১৪ একর জমি পাইয়ে দেওয়ার বরাত দেওয়া হয়েছে।
আবার সরকার পরিকল্পনা নিয়েছে বা বলা ভালো সরকার এর মাথায় বসে থাকা সংস্থা রা পরিকল্পনা নিয়েছে হাওড়া ডুমুরজলা কে খেলনগরী করে তোলার।
হাওড়া ভৌগলিক ভাবেই একটি নিচু জলাভূমি অঞ্চল যা গাঙ্গেয় অববাহিকায় পলি পড়ে তৈরি।এবং প্রাকৃতিক কারণেই এখানে বিভিন্ন গাছ ও পাখির বৈচিত্র লক্ষ করা যায়।এখানে যেমন আছে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ, তেমনই আছে জীববৈচিত্র্যে ভরপুর বাস্তুতন্ত্র। পরিযায়ী পাখিদের মধ্যে সাইবেরিয়ান পাখি তাইগা ফ্লাই ক্যাচার বিশেষ উল্লেখ্য। এছাড়াও বেনে বৌ, শিকরা বাজ, কূবো, ঘুঘু, মাছরাঙা, টিয়া, বক, জাকাণা ইত্যাদি বিভিন্ন প্রজাতির পাখি; সাপ, বেজি, বিভিন্ন প্রজাতির কীটপতঙ্গ, প্রজাপতি — এদের সবার অবাধ বিচরণক্ষেত্র এই অঞ্চল। এমনকি বিখ্যাত পরিযায়ী পাখি অ্যামর ফ্যালকম অবধি দেখা যাচ্ছে ডুমুরজলায়। এমনটা বলা বাড়াবাড়ি হবে না যে সাঁতরাগাছি ঝিলের পরে ডুমুরজলাই হতে চলেছিল হাওড়ার পরবর্তী পরিযায়ী পাখিদের জায়গা, ইকোলজিকাল হটস্পট।
এবং হাওড়া জেলায় ছোট্ট সবুজ বাটির মতো এই মাঠ কে নগরায়ন করে যে পরিবেশ ও জীব বৈচিত্রের শুধু বারোটা বাজানো হবে তাই নয় খেল নগরী হলে হাফ প্যান্ট, জার্সি গায়ে অবাধ যাতায়াত করা ছেলেমেয়েরা আর এখানে আসতে পারবে না। পারবে না ফুটবল, ক্রিকেট বা বাস্কেটবল খেলতে। কারণ ডুমুরজলা মাঠটাই আর থাকবে না। এর সঙ্গে হারিয়ে যাবে সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠা, শরীরচর্চার অভ্যাস। বিভিন্ন বয়সের মানুষের প্রাতঃভ্রমণ, সান্ধ্যভ্রমণ, আড্ডা বন্ধ হয়ে যাবে। একাধিক ছোট ব্যবসায়ী কর্মসংস্থান হারাবেন, স্পোর্টস ক্লাবগুলি বন্ধ হয়ে যাবে।এবং আমরা বারবার শুনছি বিশ্বউষ্ণায়ন বিষয়ে রাজনৈতিক নেতা তথা দেশ ও রাজ্যের তাবৎ নেতা মন্ত্রী দের "সুচিন্তিত" মত!
কিন্তু যেখানে গাঙ্গেয় সমভূমি তে এই গত কয়েক বছরে কয়েক লক্ষ মানুষ নিজেদের সর্বস্ব হারিয়েছেন বারবার আসা ঘূর্ণিঝড়ে ও অকাল বর্ষণ এর জন্য বন্যায় সেখানে বছর এর পর বছর ধরে একের পর এক জলাভূমি বুজিয়ে লাখে লাখে গাছ কেটে নগরায়ন এর দায় সাধারণ মানুষকে আর কতদিন ভুগতে হবে।বারবার বর্ষায় হাওড়া র বিস্তীর্ণ অঞ্চল জলের তলায় চলে যাওয়া স্বত্বেও সরকার এর টনক নড়ে না কারন হেলিকপ্টার থেকে দেখে আর নবান্নে মিটিং করে আর যাই হোক মানুষের দুর্ভোগ অনুভব করা যায় না।এবং ত্রাণের নামে রাজনীতি না করে বাংলার নানা অঞ্চলে জলাভূমি মাঠ কে রাতারাতি হাউসিং কমপ্লেক্স বানানো বন্ধ করা হোক।সেরকমই ডুমুরজলা।ডুমুরজলা র জমি নেওয়া হয়েছিলো শুধু খেলার জন্য সেখানে খেলার নামে কংক্রিট এর জঙ্গল এর বিরোধিতায় ইতিমধ্যে পথে নেমেছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। লড়াইয়ের জন্য তৈরি করা হয়েছে ‘সেভ ডুমুরজলা জয়েন্ট ফোরাম’। ফেসবুকে তৈরি হয়েছে ‘সেভ ডুমুরজলা’ নামের একটি গ্রুপ। নিয়মিত প্রচার, পদযাত্রা, কনভেনশনের মাধ্যমে সচেতনতা গড়ে তোলার প্রক্রিয়া নিয়েছেন ফোরামের সদস্যরা। আইনীভাবে এই প্রোজেক্ট বন্ধ করার জন্যও নেওয়া হচ্ছে উদ্যোগ।"ডুমুরজলা থাক ডুমুরজলাতেই"স্লোগান এর গুরুত্ব বুঝুক সরকার।আমরা প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক ছাত্র ছাত্রী ফেডারেশন ডুমুরজলা বাঁচানোর লড়াই এ থেকেছি ভবিষ্যৎ এও থাকবো।আমাদের মাঠ নিয়ে ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না সরকারকে।সেটা সরকার যত তাড়াতাড়ি বুঝবেন তত ভালো সরকারের উচিত শীঘ্র সেভ ডুমুরজলা জয়েন্ট ফোরামের সাথে আলোচনায় বসা এবং খেল নগরী প্রোজেক্ট বন্ধ করে স্থায়ী পরিবেশবান্ধব ডুমুরজলা প্ল্যানের দিকে যাওয়া। যদি কংক্রিটের জঙ্গলে বসবাস করে পোকামাকড়ের মত জীবন কাটাতে না চান, যদি খোলা হাওয়ায় বুক ভরে শান্তির শ্বাস নিতে চান, যদি ভবিষ্যত প্রজন্মকে সুস্থ স্বাভাবিক জীবন দিতে চান তাহলে উন্নয়নের ভেকধারী রাষ্ট্র-ব্যাবস্থা ও পুঁজিবাদী সমাজের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যোগদান করুন।

Want your organization to be the top-listed Government Service in Howrah?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Howrah