Dr Rafikul Homoeo Clinic
Infertility. পুরুষ বন্ধ্যাত্ব।
Azoospermia
আজ একটি পুরুষ বন্ধ্যাত্বের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা আপনাদের সামনে তুলে ধরছি। আমার এই পোস্টগুলো সাধারণ মানুষকে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সম্বন্ধে অবহিত করার উদ্যেশ্যে।
একটি কেস বিবরণী
৩১ বছরের যুবক।
৭ বছর আগে বিয়ে হয়েছে।
বিয়ের ১ বছর পর থেকেই বাচ্চা নেওয়ার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কিন্তু দূর্ভাগ্যবশত কোন পজিটিভ রেজাল্ট আসে নি। তাই ডাক্তার দেখাতে শুরু করেন। ডাক্তারবাবুরা সমস্ত রিপোর্ট করিয়ে বলেন Azoospermia. কোনো আশা নেই।
দম্পতিদ্বয় হতাশ হয়ে আরও কয়েকজন ডাক্তারবাবুকে দেখান। সকলেই একই কথা বলেন,
এবং IVF এর পরামর্শ দেন। এই কথা শুনে আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন।
তারপর ফেসবুকে আমাদের এখানে হোমিওপ্যাথির সন্ধান পেয়ে সোজা চলে আসেন, একবার শেষ চেষ্টা করে দেখার জন্য।
আমি রোগীর পুরো কেস টেকিং করে চিকিৎসা শুরু করি। এবং হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার পর পজিটিভ রেজাল্ট আসে। রেজাল্ট পজিটিভ দেখে দম্পতিদ্বয় তো অবাক, যেখানে এত বড় বড় ডাক্তারবাবুরা সোজা কথায় জবাব দিয়ে দিয়েছেন, সেখানে তারা........।
তাই আরও কনফার্ম হওয়ার জন্য একজন গাইনোকলোজিষ্ট এর কাছে যান। উনি USG করাতে বলেন।
২ টো রিপোর্ট দেখে ডাক্তারবাবু তো আরও অবাক। বলেন এ তো অসম্ভব ব্যাপার সম্ভব হয়ে গেছে।
সত্যিই ঠিকমতো চিকিৎসা হলে অনেক অসম্ভব কেসও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার দ্বারা সম্ভব হয়। এই ধরনের কেসগুলো তারই প্রমান।
বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় (স্ত্রী ও পুরুষ) বর্তমানে বহু দম্পতি শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক দুশ্চিন্তার মধ্যে ভোগেন। সন্তান ধারণে দীর্ঘদিন অসুবিধা হলে সেটিকে বন্ধ্যাত্ব বা Infertility বলা হয়। সাধারণত এক বছর নিয়মিত দাম্পত্য জীবনের পরও সন্তান না এলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন হয়।
নারী ও পুরুষ— উভয়ের কারণেই এই সমস্যা হতে পারে। মহিলাদের ক্ষেত্রে মাসিকের অনিয়ম, ডিম্বাণু তৈরিতে সমস্যা, থাইরয়েড, পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS), জরায়ু বা ফ্যালোপিয়ান টিউবের সমস্যা ইত্যাদি কারণ দেখা যায়। পুরুষদের ক্ষেত্রে শুক্রাণুর সংখ্যা কম হওয়া, দুর্বলতা, হরমোনের সমস্যা, ধূমপান বা অতিরিক্ত মানসিক চাপও গুরুত্বপূর্ণ কারণ হতে পারে।
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় রোগীর সম্পূর্ণ শারীরিক ও মানসিক অবস্থা বিচার করে চিকিৎসা করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা, মাসিকের অনিয়ম কমানো, শারীরিক দুর্বলতা হ্রাস এবং প্রজনন ক্ষমতা উন্নত করার লক্ষ্যে চিকিৎসা দেওয়া হয়। নারী ও পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই রোগের কারণ অনুযায়ী ওষুধ নির্বাচন করা হয়।
বিশ্বস্ত হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় অনেক রোগী ধীরে ধীরে উপকার পেয়ে থাকেন। বিশেষ করে দীর্ঘদিনের দুর্বলতা, অনিয়মিত মাসিক, মানসিক চাপ, শারীরিক ক্লান্তি ইত্যাদি সমস্যার ক্ষেত্রে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে চিকিৎসা চালানো হয়। তবে সব ক্ষেত্রে সমান ফল পাওয়া যায় না, এবং গুরুতর শারীরিক কারণ থাকলে আধুনিক চিকিৎসা পরীক্ষাও জরুরি।
চিকিৎসার পাশাপাশি কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মেনে চলা প্রয়োজনঃ
সুষম খাদ্য গ্রহণ
পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম
ধূমপান ও মাদক এড়িয়ে চলা
অতিরিক্ত মানসিক চাপ কমানো
নিয়মিত ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন
বন্ধ্যাত্ব একটি সংবেদনশীল স্বাস্থ্যসমস্যা। তাই সঠিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণ করা উচিত। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা ও সচেতনতার মাধ্যমে অনেক দম্পতি আশার আলো খুঁজে পান।
Dr Rafikul Islam
হোমিওপ্যাথিষ্ট
প্রয়োজনে রাত্রি ৯ টায় ফোন করবেন।
বর্ধমান- 9732027370
মলদ্বারে ব্যথা, জ্বালা, ফিস্টুলা ও অর্শ রোগ বর্তমানে বহু মানুষের একটি সাধারণ কিন্তু কষ্টদায়ক সমস্যা। দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিন্য, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত ঝাল-মশলাযুক্ত খাবার, দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করা কিংবা শরীরের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন সমস্যার কারণে এই রোগগুলি দেখা দিতে পারে। অনেকেই লজ্জা বা ভয়ের কারণে প্রথমদিকে চিকিৎসা করান না, ফলে সমস্যা ধীরে ধীরে জটিল আকার ধারণ করে।
Fistula বা ফিস্টুলা রোগে মলদ্বারের পাশে ছোট ছিদ্র, পুঁজ বা রক্ত পড়া, তীব্র ব্যথা, ফোলা ও জ্বালাভাব দেখা যায়। বসতে বা চলাফেরা করতেও অসুবিধা হয়। অন্যদিকে Hemorrhoids বা অর্শ রোগে মলত্যাগের সময় ব্যথা, রক্তপাত, জ্বালা ও অস্বস্তি অনুভূত হয়। অনেক ক্ষেত্রে রোগীরা দীর্ঘদিন ভোগান্তির শিকার হন।
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় রোগীর শারীরিক গঠন, উপসর্গের প্রকৃতি ও রোগের কারণ বিশ্লেষণ করে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। এই চিকিৎসা পদ্ধতিতে ব্যথা, জ্বালা, রক্তপাত, পুঁজ নির্গমন ও প্রদাহ কমানোর দিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। নিয়মিত ও সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে অনেক রোগী ধীরে ধীরে সুস্থতা অনুভব করেন এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সক্ষম হন।
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার কিছু সম্ভাব্য উপকারিতা:
মলদ্বারের ব্যথা ও জ্বালা উপশমে সহায়ক
রক্তপাত ও ফোলা কমাতে সাহায্য করতে পারে
দীর্ঘদিনের অস্বস্তি ও প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
রোগের পুনরাবৃত্তির প্রবণতা কমানোর চেষ্টা করা হয়
অস্ত্রোপচারের ভয় ছাড়াই চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ
তবে মনে রাখতে হবে, ফিস্টুলা বা অর্শের জটিল অবস্থা হলে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। অতিরিক্ত রক্তপাত, জ্বর, তীব্র ব্যথা বা পুঁজ হলে দেরি না করে চিকিৎসা করানো উচিত।
সুস্থ থাকার জন্য কিছু নিয়ম মানা প্রয়োজন:
পর্যাপ্ত জল পান করা
আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া
কোষ্ঠকাঠিন্য এড়িয়ে চলা
অতিরিক্ত ঝাল ও ভাজাপোড়া কম খাওয়া
নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করা
সঠিক সময়ে সচেতনতা ও নিয়মিত চিকিৎসার মাধ্যমে মলদ্বারের বিভিন্ন রোগ থেকে আরাম ও সুস্থতা লাভ করা সম্ভব।
Dr Rafikul Islam
হোমিওপ্যাথিষ্ট
প্রয়োজনে রাত্রি ৯ টায় ফোন করবেন।
বর্ধমান- 9732027370
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Galsi Station Road (choumatha)
Burdwan
713406