Store Bazaar
Wish You a Very Happy New Year 2025
17/12/2024
শীতের সবজি 'বিট' খাওয়ার অসাধারণ কিছু উপকারিতা অবশ্যই জানা দরকার
বাজারে গিয়ে নানান সবজি কিনলেও একটি শীতকলীন সবজি যার নাম বিট তাকে আমরা প্রায়ই এড়িয়ে চলি। এর রয়েছে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সহ চমকে যাওয়ার মতো কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা। চলুন জেনে নিই বিট খাওয়ার কিছু চমৎকার উপকারিতা সম্পর্কে।
আমরা বাজারে গেলে নানান ধরনের সবজি কিনলেও একটি সবজি প্রায়ই এড়িয়ে চলি যার নাম বিট। এটি একটি উপকারি শীতকালীন সবজি যার উপকারিতা অনেকেরই অজানা।এর রয়েছে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সহ চমকে যাওয়ার মতো অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা। চলুন জেনে নিই বিট খাওয়ার কিছু চমৎকার কিছু উপকারিতা সম্পর্কে।
বিটের বিভিন্ন পুষ্টি গুনাগুণ : -
বিটে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, জিঙ্ক,ক্লোরিন, আয়রন ও সোডিয়াম সহ নানা উপকারি উপাদান। এতে কোন কোলেস্টেরল নেই। প্রতি একশ গ্রাম বিটে ৪৩ ক্যালোরি শক্তি পাওয়া যায়। নিম্নে এর পুষ্টি গুনাগুণ দেওয়া হলো-
প্রতি 100 গ্রাম বিটে রয়েছে
পলিসেচুরেটেড ফ্যাট – 0.2 গ্রাম
সোডিয়াম 78 মিলিগ্রাম
পটাসিয়াম 325 মিলিগ্রাম
কার্বোহাইড্রেট 10 গ্রাম (আঁশ 2.8 গ্রাম ও চিনি 7 গ্রাম)
প্রোটিন 1.6 গ্রাম
ভিটামিন সি 8%
ভিটামিন বি ৬ 5%
আয়রন 4%
ম্যাগনেসিয়াম 5%
বিটের বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা : -
বিটে ডায়াবেটিস হতে আরম্ভ করে অ্যানিমিয়া, উচ্চ রক্তচাপ ও থাইরয়েডের মত সমস্যার ক্ষেত্রে অনেক উপকারি। তাই শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য বিভিন্ন উপাদান সমৃদ্ধ শীতের সবজি বিট খাদ্যতালিকায় রাখাই যায়। নিম্নে এর বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা বর্ণনা করা হলো।
> অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ -
রক্তাল্পতাজনিত সমস্যা যাদের রয়েছে তারা বিট খেলে অনেক উপকার পেতে পারেন কারন এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। নিয়মিত বিট খেলে তা শরীরে প্রয়োজনীয় রক্তের যোগান দিয়ে রক্তাল্পতার সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে। এছাড়া মহিলাদের মধ্যে যাদের অনিয়মিত তাদের এই পিরিয়ডের সমস্যা উত্তরনে কিংবা যাদের খুব কম পিরিয়ড হয় তারাও এটি থেকে উপকার পেতে পারেন। এছাড়া বিট শরীরে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধিতেও কার্যকরী।
> উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ -
উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নেই এমন পরিবার খুঁজে পাওয়া মুশকিল।কিন্তু শীতের মৌসুমে হাতের কাছে থাকা সহজলভ্য বিট উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের ক্ষেত্রে দারুন উপকার বয়ে আনতে পারে। গবেষণা করে দেখা গেছে যারা বেশি করে বিট খায় বা বিটের রস পান করে তাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা কম। নাইট্রেট নামক উপাদান থাকা এটি ওষুধের থেকেও ভালো কাজ করে। এটি শরীরের রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রেখে আমাদের স্ট্রোকের হাত থেকে বাঁচাতে সহায়তা করতে পারে।
> লিভারের ফাংশনকে ভালো রাখা -
নিয়মিত ফাস্ট ফুড খাওয়ায় অভস্ত্য আমাদের লিভারের অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে যাচ্ছে।বিট আমাদের হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করতে সাহায্য করে। এছাড়া এটি বদহজম ও অন্যান্য পেটের অন্যান্য রোগ যেমন জন্ডিস, ডায়রিয়া, প্রভৃতি রোগের ক্ষেত্রেও অনেক উপকারি। ফ্যাটি লিভারের সমস্যা নিয়ন্ত্রণেও কাজ করে লিভারের ফাংশনকে ভালো রাখে।
> দেহের শক্তি বৃদ্ধি -
দেহকে সুন্দর ও ফিট রাখতে রোজ জিমের পাশাপাশি বিট খেলে তা পেশীর শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়া বিটের রস খুব তাড়াতাড়ি এনার্জির যোগান দেয় বলে জিমের পর খুব ক্লান্ত লাগলে খেয়ে নিতে পারেন একগ্লাস বিটের রস খেলে আপনি মুহূর্তেই হারানো এনার্জি ফিরে পেতে পারেন।
> হাড় মজবুত রাখা -
বিট হাড়ের জন্যও অনেক উপকারী কারণ এটি হাড়কে মজবুত রাখতে সহায়তা করে। তাই প্রতিদিন বেশি করে খান বিট খাওয়া উচিত। এর শরীরে ক্যালসিয়াম ধরে রাখতে সাহায্য করে বলে হাড়ের যেকোনো সমস্যা রোধে এটি অনেক উপকারি। তাই যারা নিয়মিত বিট খায় তারা বৃদ্ধ হলে তাদের হাড়ের সমস্যায় ভুগতে হয়না।
> ডিপ্রেশন দূর করতে -
ডিপ্রেশন দূর করতে বিটের বিটের মত উপকারি উপাদান নেই বললেই চলে। এতে থাকা বিটেইন ও ট্রিপটোফোন নামক উপাদান মন ভালো রাখতে সাহায্য করে। তাই মন ভালো না থাকলে খেতে পারেন বিটের সরবত।
>ত্বক ভালো রাখতে -
বিটের রয়েছে অ্যান্টি-এজিং গুনাগুণ তাই এটি ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে বেশ সহায়ক। এছাড়া বিট ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ও অন্যান্য সমস্যা যেমন ব্রন, বলিরেখা দূর কাজ করে। উজ্জ্বল ত্বক লাভ করতে তাই প্রতিদিন একগ্লাস বিটের সরবত খেতে পারেন।
> ক্যান্সার প্রতিরোধ -
বিটে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা ক্যান্সার প্রতিরোধে খুবই কার্যকরী।এছাড়া এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীর থেকে ক্ষতিকারক টক্সিন বের করে আনতে ও দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে।
শুধু বর্তমানে নয় প্রাচীন সময় থেকেই বিটের অনেক কদর রয়েছে। এতক্ষণ আমরা জেনে নিলাম বিটের নানা স্বাস্থ্য উপকারিতার কথা এখন মানার পালা। যাঁরা এই শীতের মৌসুমেও সতেজ ত্বক চান তাঁদের জন্য সেরা শীতের সবজি এই বিট। তাই নিজেকে সুন্দর ও হেলদি রাখতে তথা শরীর ফিট বা ঠিক রাখতে চাইলে আজ থেকেই খাদ্যতালিকায় অবশ্যই বিট যোগ করুন ।
🎯 We deliver Grocery, Vegetables, Fruits items & Non-veg at your Door Steps. Fresh Every Day.
Best Price, Best Products
🚛 FREE Home Delivery
Download Our App 👇👇
https://play.google.com/store/apps/details?id=storebazaaar.aggp
Minimum Order ₹ 200
Payment - Online / Cash On Delivery
Whapp - 9836 480048
16/12/2024
ধনেপাতার অজানা কিছু স্বাস্থ্য গুনাগুন যেগুলো আমাদের অবশ্যই জানা দরকার
শীতের আগমনে বাজারে এখন ধনেপাতার ব্যাপক সমাগম শুরু হয়েছে। এন্টি–অক্সিডেন্ট, এসেনশিয়াল অয়েল, ভিটামিন, খনিজ সমৃদ্ধ সবজিটিতে আমাদের জন্য অনেক উপকারী উপাদান রয়েছে। চলুন ধনেপাতার এসব উপকারী গুনাগুন সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জেনে নিই।
শীতের আবির্ভাবের সাথে সাথে বাজারে ধনেপাতার সমাগম শুরু করেছে। মৌসুমের প্রারম্ভে দাম কিছুটা বাড়তি হলেও ক্রেতাদের কাছে এর অনেক কদর রয়েছে। অ্যান্টি–অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ সবজি ও সালাদে স্বাদ বাড়াতে এর জুড়ি নাই। এতে অন্তত 11 প্রকারের এসেনশিয়াল অয়েল বা তেল),ছয় ধরনের অ্যাসিড ছাড়াও প্রচুর ভিটামিন, খনিজ ও অন্যান্য উপকারী উপাদান রয়েছে। চলুন জেনে নিই ধনেপাতার এসব অজানা উপকারী গুনাগুন বিষয়ে বিস্তারিত।
ধনেপাতার পুষ্টিগুণ : -
খনিজের অন্যতম উৎস ধনেপাতায় বিভিন্ন উপকারী উপাদান যেমন- পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম আয়রন ও ম্যাংগানিজ ইত্যাদি রয়েছে। প্রতি 100 গ্রাম ধনেপাতায় রয়েছ 86.3 গ্রাম জলীয় অংশ। এছাড়া খনিজ পদার্থ 2.3 গ্রাম,আশঁ 1.2 গ্রাম, খাদ্যশক্তি 44 কিলোক্যালোরি, আমিষ 3.3 গ্রাম, চর্বি 0.6 গ্রাম, শকরা 6.3 গ্রাম, ক্যালসিয়াম 184 মিলিগ্রাম, আয়রণ 18.5 মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ 6918 মাইক্রোগ্রাম, ভিটামিন বি 10.05 মিলিগ্রাম ও ভিটামিন সি 135 মিলিগ্রাম ।
ধনেপাতার বিভিন্ন উপকারী গুনাগুন : -
1. রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ -
আয়রনের অন্যতম উৎস হচ্ছে ধনেপাতা। এতে উচ্চ মাত্রায় আয়রন উপাদান থাকায় শরীরে রক্তস্বল্পতা হতে বাধা দেয়। এর ফলে শ্বাসকষ্ট, বুক ধড়ফড় করা,অত্যন্ত ক্লান্তি অনুভব ইত্যাদি কমাতে সাহায্য করে। তাছাড়া আমাদের শরীরের হাড় মজবুত ও সুস্থ রাখতে আয়রন সমৃদ্ধ ধনেপাতার বিকল্প নেই।
2. দৃষ্টিশক্তি উন্নত করা -
ধনেপাতায় রয়েছে প্রচুর ভিটামিন এ যা আমাদের দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে। ভিটামিন এ চোখের রেটিনার সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত সহ রাতে্র অন্ধকারে ভালো দেখতে সাহায্য করে। এছাড়া এতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান থাকায় বয়সের সাথে সাথে চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে আসার সমস্যা আংশিকভাবে রোধ করতেও এর অবদান রয়েছে।
3. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ -
নিয়মিত ধনেপাতা খেলে তা শরীরের এন্ডোক্রাইন গ্রন্থিকে উদ্দীপিত করে এবং এতে অগ্ন্যাশয়ে ইনসুলিন নিঃসরণ বেড়ে যায়। এর ফলে আমাদের রক্তে শর্করার পর্যাপ্ত শোষণ নিশ্চিত হয়। এছাড়া ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীরা যদি নিয়মিত ধনেপাতা খান তাহলে তাদের শরীরে শর্করার পরিমাণ হ্রাস পেয়ে বিপাক সঞ্চালন সঠিক থাকে যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে খুবই সহায়ক।
4. শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি -
ধনেপাতায় প্রচুর ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি রয়েছে যা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে খুবই কাজ করে। আমাদের শ্বাসনালী সহ চোখ, নাক, মুখ, গলা্য় ভাইরাসের ইনফেকশন হতে বাধা দেয় ধনেপাতায় থাকা ভিটামিন এ। এছাড়া এতে থাকা ভিটামিন সি আমাদের রক্তে সাদা রক্ত কোষের কার্যকারিতা বাড়িয়ে দেয় যার ফলে শরীরে কোনো ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত সমস্যা প্রতিরোধ স্বাভাবিকের চেয়ে আরও দ্রুত হয়। তাই চাইলেই আমরা সালাদে আধামুষ্টি পরিমাণ ধনেপাতা যোগ করতে পারি যা শুধু সালাদের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি একটু বেশি সুস্বাস্থ্যও নিশ্চিত করবে।
5. উচ্চ রক্তচাপ হ্রাস -
ধনেপাতায় উচ্চ মাত্রায় কোলিনার্জিক যৌগ এবং ক্যালসিয়াম অ্যান্টাগোনিস্টস থাকায় তা উচ্চ রক্তচাপ হ্রাস ও নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তাছাড়া এই পাতায় শক্তিশালী তেজস্ক্রিয়তা রয়েছে, যা খুব স্বাভাবিক উপায়ে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আনে।
6. রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ -
রক্তে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল হার্টের অসুখ যেমন স্ট্রোক এবং ডায়াবেটিসের মতো ক্রনিক রোগ সৃষ্টিতে অনেক দায়ী। ধনেপাতায় সোডিয়াম ও পটাশিয়াম থাকায় এটি রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সক্ষম। এছাড়া ধনেপাতায় বিভিন্ন অ্যাসিড, যেমন- লিনোল্যাট অ্যাসিড, ওলিঅ্যাট অ্যাসিড, পমিট্যাট অ্যাসিড ও স্টিয়ার্যাট এসিড রয়েছে যা রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মতো প্রাণনাশক সমস্যাগুলোর জন্য দায়ী খারাপ কোলেস্টেরলও নিয়ন্ত্রণ করে এসব উপাদান।
7. হজমে সহায়তা -
ধনেপাতার আরও একটি বড় উপকারিতা হচ্ছে এটি খেলে শরীরে অনেক বেশিমাত্রায় হজমে সাহায্যকারী এনজাইম উৎপন্ন হয় ফলে খাবার দ্রুত হজম হয়। শুধু তাই নয় বমিভাব এবং বদহজম দূর করতেও এর জুড়ি নেই। এছাড়া এর দারুণ সুগন্ধ খাবারের রুচিও বৃদ্ধিতে ভুমিকা রাখে।
8. ক্যান্সার প্রতিরোধ -
ধনেপাতায় রয়েছে অ্যান্টি-ক্যান্সার উপাদান যা শরীরের সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্য উপকার সাধন করে। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্টমূহের মধ্যে রয়েছে বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন ই, ক্যাফিক অ্যাসিড, ফেরুলিক, কুয়ারসেটিন ও ক্যাম্পারফোল্ড উপাদান যেগুলো ক্যান্সার নির্মূলের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী।
প্রচুর পরিমাণে রাসায়নিক উপাদান থাকায় স্বাভাবিক পরিমাণে ধনেপাতা খেলে তা শরীরের জন্য যেমন উপকার বয়ে আনে তেমন অতিরিক্ত ধনেপাতা খেলে তা যকৃতের সমস্যা সহ ডায়রিয়া কিংবা অ্যালার্জির সমস্যা হতে পারে। এছাড়া অনেকের ক্ষেত্রে আবার সূর্যরশ্মির সংবেদনশীলতা দেখা দিতে পারে। তাই অবশ্যই পরিমাণমতো ধনেপাতা খাওয়া উচিত।
🎯 We deliver Grocery, Vegetables, Fruits items & Non-veg at your Door Steps. Fresh Every Day.
Best Price, Best Products
🚛 FREE Home Delivery
Download Our App 👇👇
https://play.google.com/store/apps/details?id=storebazaaar.aggp
Minimum Order ₹ 200
Payment - Online / Cash On Delivery
Whapp - 9836 480048
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Talbagan Road
Barrackpore
700122