The Freethinking Humanists -Adra
29/06/2026
আজ ২৯ শে জুন (১৮৭৩), মাইকেল মধুসূদন দত্তের মৃত্যু দিন। সেই বাংলা সাহিত্যের পিতৃপুরুষ যিনি নিজেই নিজের "এপিটাফ" বা সমাধি লিপি লিখে গিয়েছিলেন।
মাত্র ৪৯ বছর বয়সে তিনি মারা যান ।জীবনের শেষের দিকটা চরম অনাদরে ,অবহেলা এবং নিঃসঙ্গতা কেটে ছিল এই বঙ্গ সন্তানের ।
"দাঁড়াও পথিকবর,
জন্ম যদি তব বঙ্গে! তিষ্ঠ ক্ষণকাল! এ সমাধিস্থলে
(জননীর কোলে শিশু লভয়ে যেমতি বিরাম)মহীর পদে মহানিদ্রাবৃত
দত্ত কুলোদ্ভব কবি শ্রীমধুসূদন!
যশোরে সাগরদাঁড়ী কপোতাক্ষ তীরে
জন্মভূমি,জন্মদাতা দত্ত মহামতি
রাজনারায়ণ নামে,জননী জাহ্নবী!"
27/06/2026
তুমি কি জানো, এই দেশে এখনও এমন মানুষ আছেন — যিনি ক্ষমতা পেয়ে নিজের জন্য ব্যবহার করেননি, বরং সেই ক্ষমতাকে ঢাল বানিয়েছেন অন্যদের বাঁচানোর জন্য?
মহারাষ্ট্রের ভুসাওয়াল। কান্দেশ অঞ্চলের ছোট্ট এক রেলশহর। এখানকার রেলকর্মীরা দিনরাত এক করে কাজ করেন — যাতে দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ ট্রেনে নিরাপদে যেতে পারেন। কিন্তু এই কর্মীদের নিজেদের কথা কেউ ভাবে না।
ভুসাওয়াল বিভাগ মানে ১,০৫৩ কিলোমিটার রেলপথ, নয়টি জেলা, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা হাজারো স্টেশন। এর মধ্যে অনেক স্টেশন এতটাই প্রত্যন্ত যে সেখানে পৌঁছাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লেগে যায়। সেই স্টেশনগুলোতে কর্মরত রেলকর্মীরা — তাঁদের স্ত্রী, সন্তান, বৃদ্ধ বাবা-মা — হঠাৎ অসুস্থ হলে কোথায় যাবেন? ভুসাওয়ালের সরকারি হাসপাতালে যেতে মানে একদিনের পথ। অনেক সময় সেই পথ পেরোনোর আগেই অনেক কিছু হয়ে যায়।
এই যন্ত্রণার কথা জানতেন ইটি পান্ডে।
তিনি ভুসাওয়াল বিভাগের Divisional Railway Manager — এই বিভাগের ইতিহাসে প্রথম মহিলা DRM। মনোবিজ্ঞানে স্বর্ণপদকজয়ী, ২৬ বছরেরও বেশি ভারতীয় রেলের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই অফিসার একদিন ভাবলেন — যদি কর্মীদের কাছে হাসপাতাল না যেতে পারে, তাহলে হাসপাতালকেই কর্মীদের কাছে নিয়ে যাওয়া যাক।
কিন্তু কীভাবে?
উত্তর লুকিয়ে ছিল একটি পুরনো, ফেলে দেওয়া ৩-AC ট্রেনের কামরায়।
সেই কামরা মুম্বাইয়ের মাতুঙ্গা ওয়ার্কশপ থেকে আনা হলো ভুসাওয়ালে। এরপর শুরু হলো কাজ। কামরার ভেতরটা সম্পূর্ণ ভেঙে নতুন করে গড়া হলো — পার্টিশন দেওয়া হলো, মেঝেতে নতুন ফ্লোরিং, দেওয়ালে প্যানেলিং। একে একে বসানো হলো ECG মেশিন, রক্ত পরীক্ষার ল্যাব, সাধারণ চিকিৎসা কক্ষ, এবং মহিলাদের জন্য গাইনোকোলজি পরীক্ষার বিশেষ ব্যবস্থা। বাইরে সাদা রঙ করা হলো, ফুল দিয়ে সাজানো হলো। আর নাম রাখা হলো — **"রুদ্র"।**
এককথায়, একটা চলন্ত হাসপাতাল।
সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো — এই পুরো কাজে সরকারের কাছ থেকে একটি পয়সাও বাড়তি বরাদ্দ নেওয়া হয়নি। ইটি পান্ডে নিজেই বলেছেন — "আমরা যা আছে তাই দিয়ে কাজ করেছি। পুরনো কামরা, আর হাসপাতালের বরাদ্দ টাকা। ব্যস, এটুকুই।"
২০২৫ সালের ১৮ জানুয়ারি। রুদ্র প্রথমবার থামল চালিশগাঁও স্টেশনে।
সেদিন একদিনেই ২৫৯ জন মানুষ বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন — ১৫৯ জন কর্মী, ৭২ জন পরিবারের সদস্য, আর ২৫ জন অবসরপ্রাপ্ত রেলকর্মী। অনেকে প্রথমবার জানতে পারলেন তাঁদের রক্তে শর্করা বেড়ে গেছে, বা রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন।
চালিশগাঁওয়ের স্টেশন ম্যানেজার নরেশ বাদগুজার বছরের পর বছর ধরে উচ্চ রক্তচাপে কষ্ট পাচ্ছিলেন। ভুসাওয়ালে গিয়ে চিকিৎসা করানো তাঁর পক্ষে সম্ভব হচ্ছিল না। রুদ্র যেদিন তাঁর স্টেশনে এলো, তিনি চেকআপ করালেন। ডাক্তারের পরামর্শ পেলেন। ওষুধ পেলেন। সেদিন তিনি বললেন — "রুদ্র নিজেই চলে এলো আমার কাছে। আমি কৃতজ্ঞ।"
তাঁর স্ত্রী ভিমল বাদগুজারও সেদিন চেকআপ করালেন। পরে বললেন — "ডাক্তার পরীক্ষা করে ওষুধ দিলেন। DRM ম্যাডামকে আর ডাক্তারদের মন থেকে ধন্যবাদ জানাই।"
প্রতি পনেরো দিনে একবার রুদ্র বেরিয়ে পড়ে রেলপথে। থামে একেকটি প্রত্যন্ত স্টেশনে। গর্ভবতী মা, ছোট শিশু, বৃদ্ধ অবসরপ্রাপ্ত কর্মী — সবার জন্য দরজা খোলা। প্রতিটি রোগীকে দেওয়া হয় একটি ইউনিক আইডি — যাতে পরের বার রুদ্র এলে বা ভুসাওয়ালে গেলে আগের ইতিহাস দেখেই চিকিৎসা শুরু করা যায়।
ইটি পান্ডে বলেছেন — "আমাদের রেলকর্মীরা চব্বিশ ঘণ্টা এই দেশের চাকা সচল রাখেন। রুদ্র আমাদের প্রতিশ্রুতি — তাঁদের আমরা ভুলিনি।"
আর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা? আরেকটি কামরা তৈরি হচ্ছে — এবারে থাকবে চোখের চিকিৎসা, দাঁতের চিকিৎসা, এমনকি ছোট অস্ত্রোপচারের সুবিধাও।
একটা ফেলে দেওয়া কামরা। একজন মানুষের ইচ্ছা। আর হাজার হাজার মানুষের নতুন জীবন।
এটাই রুদ্র। এটাই ভারত।
তোমার মনে কি এমন কোনো মানুষের কথা আসছে — যিনি নিজের সাধ্যের মধ্যে থেকেও অন্যের জন্য অসাধ্য কিছু করে ফেলেছেন? কমেন্টে জানাও, বন্ধু।
এই গল্পটা শুধু একটা রেলের কামরার গল্প নয় — এটা মানবতার গল্প। এটা ছড়িয়ে দাও, যাতে আরও মানুষ জানতে পারে এই দেশে এখনও এমন মানুষ আছেন।
📌তথ্যসূত্র:
১.The Better India, February & September 2025
২.Asianet Newsable, September 2025
25/06/2026
হাক্সলির সবচেয়ে ভয়ঙ্কর উপলব্ধি এই নয় যে মানুষকে ধ্বংস করা যায় — এই উপলব্ধি যে মানুষকে ধ্বংস করতে আর কোনো শত্রুর দরকার নেই। সে নিজেই নিজেকে ধ্বংস করবে, এবং সারাক্ষণ হাসতে হাসতে করবে। এই বাক্যটি পড়তে সহজ, কিন্তু এর ভেতরের অর্থ যত গভীরে যাওয়া যায়, তত শীতল একটা অনুভূতি জেগে ওঠে — কারণ এটি কোনো দূরের ভবিষ্যতের কথা বলছে না। এটি এখনকার কথা। এই মুহূর্তের কথা।
ইতিহাসে যত অত্যাচার হয়েছে, যত স্বৈরশাসক এসেছে, যত সাম্রাজ্য মানুষকে দাসত্বে বেঁধেছে — সেখানে একটা অদ্ভুত সততা ছিল। অন্তত শিকার জানত সে শিকার। রোমান দাস জানত সে দাস। নাৎসি বন্দিশিবিরের মানুষ জানত তার উপর অন্যায় হচ্ছে। সোভিয়েত গুলাগে যাকে পাঠানো হতো, সে বুঝত এটা শাস্তি। এই জানাটা, এই বোঝাটা — এটাই ছিল বিদ্রোহের বীজ। যতক্ষণ মানুষ জানে সে বন্দি, ততক্ষণ মুক্তির স্বপ্ন থাকে। হাক্সলি যা কল্পনা করেছিলেন তা এর চেয়ে অনেক বেশি পরিশীলিত এবং অনেক বেশি নিষ্ঠুর।
তিনি এমন এক জগতের কথা বললেন যেখানে খাঁচার দরজা খোলাই থাকে — কিন্তু পাখি উড়তে চায় না। কারণ খাঁচার ভেতরে এত আলো, এত খাবার, এত উষ্ণতা যে বাইরের অন্ধকার আকাশ তার কাছে অর্থহীন মনে হয়।
Brave New World-এ Soma নামে একটি ওষুধের কথা আছে। যখনই কষ্ট আসে, যখনই চিন্তা আসে, যখনই অস্বস্তি জাগে — একটি বড়ি খাও। সব মিলিয়ে যায়। কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই, কোনো হ্যাংওভার নেই, শুধু মসৃণ, উষ্ণ, নিরাপদ সুখ। হাক্সলি এটা কল্পনা করেছিলেন ১৯৩২ সালে। নব্বই বছর পরে আমরা তাকিয়ে দেখি — Soma তৈরি হয়ে গেছে, শুধু একটি নয়, অনেকগুলো রূপে। স্মার্টফোনের স্ক্রিন Soma। অবিরাম streaming Soma। সোশ্যাল মিডিয়ার অফুরন্ত scroll Soma। প্রতিটি notification একটি ছোট্ট dopamine-এর ঢেউ, প্রতিটি like একটি ক্ষণিক উষ্ণতা। মস্তিষ্ক পুরস্কারের প্রত্যাশায় বারবার ফিরে যায়, ঠিক যেভাবে ক্যাসিনোর slot machine-এর সামনে বসা মানুষ জানে সে হারছে, তবু টান দিতে থাকে। কারণ হয়তো এবার। হয়তো এই একবার।
কিন্তু এই Soma-র সবচেয়ে ভয়ঙ্কর দিক এটা নয় যে এটা আসক্তি তৈরি করে। ভয়ঙ্কর দিক হলো এটা প্রশ্ন করার ক্ষমতা ধীরে ধীরে গ্রাস করে নেয়। একজন মানুষ যখন সবসময় বিনোদিত, যখন প্রতিটি অস্বস্তির মুহূর্তে তার হাতে একটি স্ক্রিন আছে যা তাকে অন্য কোথাও নিয়ে যেতে পারে — সে কখনো নিজের সাথে বসতে শেখে না। এবং নিজের সাথে না বসলে, নিজেকে না জানলে, প্রশ্ন জন্মায় না। আর প্রশ্ন না জন্মালে উত্তর খোঁজার দরকার পড়ে না। এই শূন্যতাটাই শাসকের সবচেয়ে বড় উপহার।
রোমান সম্রাটরা একটি নীতি জানতেন — Bread and Circuses। জনগণকে খাবার দাও, তামাশা দাও। তারা কখনো সিনেটের দিকে চোখ তুলবে না। আজকে এই নীতি অনেক বেশি পরিশীলিত। IPL চলছে, World Cup চলছে, reality show চলছে, celebrity scandal চলছে — এর মাঝে কোথাও গুরুত্বপূর্ণ আইন পাস হয়ে যায়, নীতি পরিবর্তন হয়, ক্ষমতা হাতবদল হয়। কিন্তু কেউ টের পায় না। কেউ টের পেতে চায়ও না, কারণ টের পেলে অস্বস্তি লাগবে, এবং অস্বস্তি লাগলে Soma খেতে হবে — মানে আরেকটি episode দেখতে হবে।
হাক্সলি আরেকটি জিনিস দেখেছিলেন যা আমরা প্রায়ই এড়িয়ে যাই। তিনি দেখেছিলেন ভাষার সংকোচন। জর্জ অরওয়েল বলেছিলেন Newspeak-এর কথা — ইচ্ছাকৃতভাবে ভাষা ছোট করো, মানুষের চিন্তা ছোট হয়ে যাবে। কারণ আমরা যে ভাষায় কথা বলি, সেই ভাষায়ই ভাবি। যদি বিপ্লবের কথা বলার শব্দ না থাকে, তাহলে বিপ্লবের চিন্তাও আসে না। আজকে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে ভাষা ছোট করছে না — কিন্তু ভাষা ছোট হয়ে যাচ্ছে নিজে থেকেই। ২৮০ character-এ মত প্রকাশ, meme-এ জটিল রাজনীতি বোঝানো, "vibe" আর "slay" দিয়ে অনুভূতি প্রকাশ — এই ভাষায় দস্তয়েভস্কি লেখা যায় না, রবীন্দ্রনাথ লেখা যায় না, এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ — এই ভাষায় ক্ষমতার বিরুদ্ধে দীর্ঘ, যুক্তিনির্ভর প্রতিরোধও গড়া যায় না।
যেমন বাংলাদেশে প্রমিত ভাষাকে বাতিল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ধর্মভিত্তিক ও আঞ্চলিক উচ্চারণযুক্ত একটি খিচুড়ি ভাষা প্রচলনের উদ্যোগ রয়েছে। এভাবে আমরা আমাদের সমৃদ্ধ ভাষা সম্পদ হারাতে বসেছি। আমাদের ভাবনার জগতটাও ছোট হয়ে যাচ্ছে। মৌলবাদের দাসে পরিণত করানো হচ্ছে।
এর সাথে যুক্ত হয়েছে একাকীত্বের এক অদ্ভুত মহামারি। হাক্সলির সমাজে গভীর সম্পর্ক নিষিদ্ধ ছিল, কারণ গভীর সম্পর্ক মানুষকে জাগিয়ে দেয়। দুজন মানুষ যখন সত্যিকারের কাছাকাছি আসে, তখন তারা একে অপরকে প্রশ্ন করতে শেখায়, ভাবতে শেখায়, অনুভব করতে শেখায়। আজকে সম্পর্ক নিষিদ্ধ নয় — কিন্তু গভীরতা অসম্ভব হয়ে যাচ্ছে। হাজার follower আছে কিন্তু রাত তিনটেয় ফোন করার মানুষ নেই। প্রতিদিন content দেখছ কিন্তু কেউ তোমাকে সত্যিকারের জানে না। এই একা একা থাকাটা যদি বেদনাদায়ক হতো, তাহলে মানুষ হয়তো বেরিয়ে আসত। কিন্তু হাক্সলির Soma এখানেও কাজ করছে — একাকীত্বের বেদনাটুকুও screen দিয়ে ভরাট হয়ে যায়। ফলে একা মানুষ প্রশ্ন করার বদলে scroll করে।
Noam Chomsky এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে বলেছেন Manufactured Consent — তৈরি করা সম্মতি। সবচেয়ে কার্যকর শাসন সেটা নয় যেখানে মানুষকে বাধ্য করা হয়, বরং সেটা যেখানে মানুষ স্বেচ্ছায় সম্মতি দেয়। এবং সে মনে করে এটা তার নিজের সিদ্ধান্ত। তুমি কোন দলকে সমর্থন করছ, কোন পণ্য কিনছ, কোন মানুষকে ভালোবাসছ, কোন স্বপ্ন দেখছ — কতটুকু সত্যিই তোমার, আর কতটুকু তোমার মধ্যে বিজ্ঞাপন, অ্যালগরিদম, সামাজিক চাপ ঢেলে দিয়েছে? এই প্রশ্নটি অস্বস্তিকর। এবং ঠিক সেই কারণেই বেশিরভাগ মানুষ এই প্রশ্নটি করে না।
হাক্সলি কিন্তু নিরাশাবাদী ছিলেন না। তিনি বিশ্বাস করতেন মুক্তির প্রথম পদক্ষেপ হলো সচেতনতা। "আমাকে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে" — এটা বোঝার মুহূর্তেই শৃঙ্খলে প্রথম ফাটল ধরে। এরপর আসে নীরবতার সাধনা। Noise থেকে সরে এসে নিজের সাথে বসা — এটা আজকের পৃথিবীতে বিপ্লবী কাজ। গভীর একটি বই পড়া, একটি সম্পর্ককে সময় দেওয়া, অস্বস্তিকে পালিয়ে না গিয়ে মুখোমুখি বসা — এগুলো ছোট মনে হয়, কিন্তু এগুলোই Soma-র বিরুদ্ধে প্রতিরোধ।
হাক্সলির সবচেয়ে গভীর কথা তাই এটা নয় যে সভ্যতা ধ্বংস হবে। তাঁর সবচেয়ে গভীর কথা হলো — সভ্যতা ধ্বংস হতে পারে হাসিমুখে, উৎসবের আলোয়, স্বেচ্ছায়। এবং যে মানুষ সত্যিকারের জেগে থাকে, সে সবসময় একটু বেমানান হয়। একটু অস্বস্তিকর। একটু কম "fun"। কিন্তু এই বেমানান মানুষগুলোই — যারা screen বন্ধ করে জানালার বাইরে তাকায়, যারা প্রশ্ন করে, যারা গভীরতা খোঁজে — তারাই সভ্যতার শেষ আশা।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the organization
Telephone
Website
Address
24 Khuli
Adra
723121