Recette Avec Kabir
শেখ হাসিনাকে অনেকে “স্বৈরাচার” বলার পেছনে প্রধানত তাঁর ২০০৯–২০২৪ সালের টানা শাসনামলে ঘটে যাওয়া কয়েকটি বিতর্কিত প্রবণতাকে কারণ হিসেবে দেখানো হয়। সংক্ষেপে মূল অভিযোগগুলো হলো:
১. নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন • ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন: বিএনপিসহ প্রধান বিরোধী দল ভোট বর্জন করে। ২০১৪ সালে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়, ২০১৮ সালের ভোটকে “মধ্যরাতের নির্বাচন” বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা কারচুপির অভিযোগ তোলেন। ২০২৪ সালের নির্বাচনও বিরোধী দলের বয়কট ও ভীতি প্রদর্শনের মধ্যে হয়। • তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল: ২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়, যাকে অনেকে গণতান্ত্রিক ঐকমত্য ভাঙার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে দেখেন। ২. বিরোধী দল ও ভিন্নমত দমন • নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার: বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকে দুর্নীতির মামলায় কারাদণ্ড, হাজার হাজার বিরোধী নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেপ্তারকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলা হয়। • বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুম: Human Rights Watch-সহ মানবাধিকার সংস্থাগুলো RAB-এর মাধ্যমে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ তুলেছে। ৩. গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকোচন • ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন/সাইবার নিরাপত্তা আইন: এই আইনগুলো ব্যবহার করে সাংবাদিক, কার্টুনিস্ট, অ্যাক্টিভিস্টদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ২০২১ সালে Reporters Without Borders হাসিনাকে “press freedom predator” তালিকায় রাখে। • সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা: ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে ৮৩টি মামলা, সাংবাদিক শফিক রেহমানকে গ্রেপ্তার ও ৭ বছরের কারাদণ্ড। • স্ব-সেন্সরশিপ: মূলধারার মিডিয়া ক্রমে আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মালিকানায় চলে যায়, ফলে সরকারের সমালোচনা সীমিত হয়ে পড়ে। ৪. রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের দলীয়করণ • সংসদ, বিচার বিভাগ, পুলিশ: সমালোচকদের মতে সংসদ ও বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগের অধীন করা হয়, পুলিশ-প্রশাসনের রাজনীতিকীকরণ হয়। ফলে “চেক অ্যান্ড ব্যালান্স” ভেঙে পড়ে। • রাষ্ট্র ও দলের মিশ্রণ: আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাষ্ট্রযন্ত্রের মিশে যাওয়া, গণমাধ্যম-আদালতের ওপর নিয়ন্ত্রণকে “competitive authoritarianism” বলা হয়েছে। ৫. ব্যক্তিপূজা ও পারিবারিকীকরণের অভিযোগ
সমালোচকরা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ব্যক্তিপূজাকে ব্যবহার করে ভিন্নমত দমন ও গণতান্ত্রিক পশ্চাদপসরণকে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। সরকারি প্রকল্পে শেখ পরিবারের নাম ব্যবহার করে দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হয় বলে অভিযোগ আছে।
৬. ২০২৪ সালের পতন ও পরবর্তী ঘটনা
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র আন্দোলনের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন। তাঁকে “wiliest autocrat” হিসেবে বর্ণনা করে *The Economist*। ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাঁকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে।
উল্টো যুক্তি: হাসিনার সমর্থকরা বলেন, তিনি জঙ্গিবাদ দমন, যুদ্ধাপরাধের বিচার, নারী শিক্ষা, পদ্মা সেতুসহ অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ৭% গড় প্রবৃদ্ধি এনেছেন। “উন্নয়নের জন্য কম গণতন্ত্র” মডেলের কথাও অনেকে বলেন।
সংক্ষেপে: নির্বাচনে অনিয়ম, বিরোধী দমন, গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ, বিচারবহির্ভূত হত্যা-গুম, এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণের অভিযোগগুলোর কারণে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো শেখ হাসিনার শাসনকে “স্বৈরাচারী” বা “authoritarian” বলে বর্ণনা করে।
29/04/2026
Un grand merci à mes nouveaux followers ! Faysal Hossen, Ali Ahmed, Amdad Hossain, Uddin Jashim Uddin, কয়দী সাগর, Tuhin Ahmed, Viral Updates, Mohammed Mamun, Jilal Ahmed, Md Ruman Miah, Jemlo Dorimon
24/04/2026
Un grand merci à mes nouveaux followers ! Kazi Habib, Zobaidul Hoque, Mohammed Ziaur Rahman, Md Nazmul Hasan, Md Rahat Biswas, Nurul Amin, Talukdar Tufayel, Ziaur Rahman, N Nahar Shahin, Shamima Akther, Haidar Khan, KibRia Chowdhury Titu, SK Yeasin, Mbr Rider, মোঃআসিফ আন্সারি, Sier Amadadi, উড়ন্ত পাখির দুরন্ত ডানা, Hasan Molla, Shorif Ahmod, Kajal Akhtar, Hardik Pande Hardik, Shanjida Ahmed
ফলো টু ফলো
Messi
Messi
Follow to follow
Cliquez ici pour réclamer votre Listage Commercial.
Contacter l'entreprise
Téléphone
Site Web
Adresse
Paris
75020