Eng.video creator
সব দেশ এগিয়ে যাচ্ছে তাদের প্রযুক্তি কে কাজে লাগিয়ে ,তাদের দেশের ছাত্রদের কে বিজ্ঞান শিখাচ্ছে। আর আমাদের দেশে সমকামি নিয়ে পরে আছে, আমাদের শিক্ষার পিছনে লেজ লাগিয়ে দিয়ে শিক্ষাচ্ছে গরুর চারটি পা ও একটি লেজ আছে । এই রচনা মুখস্ত করতে বলা হচ্ছে আসলে যা ছাত্ররা জন্মের পর তা জেনে যাবে এমনেই, কারণ আমাদের সমাজে গরু কোন চিরিয়াখানার প্রাণী না যা শিখতে চিড়িয়াখানা যেতে হবে , মেয়েদের মাসিক কবে হবে ছেলেদের কে বলতে হবে ,এটা শুকুর কে মাংসের গ্রান দেয়ার মতো নয়কি?একজন মেয়ের কবে মাসিক হবে তা সময়ের সাথেই সে শিখে যাই, যা আজ অব্দি তাই হচ্ছে ,যে বয়সে আমি আমার বোন কে ভুল পথে যাবার বারন করবো তারা স্কুলে গিয়ে তাই শিখছে ।আইনে আছে ১৮ বছরের নিচে মেয়েদের বিয়ে দিলে নাবালিকা বলে মামলা কররে , পরিবার কে জেলে দিবে অথচ ১২ বছরের প্রেম করতে বলা হচ্ছে এসো বন্দু হয়, এর পর কি হবে ,...হাহাহ ছাড়া আরকি,শিয়াল কে পাসে রেখে মুরগি কে ছেরে দেয়ার মতো। আমাদের সমাজ কে নস্ট করছে ,শিক্ষা কে নস্ট করছে, অর্থনিতি নষ্ট করছে, ভোটের অধিকার নস্ট করছে দাদাদের কে পেট মুটা করতে নিজের দেশের পুস্তুক ইন্ডিয়া হতে ছাপা কজ করে নিয়ে আসে এর কারণ আমাদের কি শিখা হবে তারা যাচাই করে সিদ্বান্ত নেয়, ইসলামি কি শিখা হবে তারাই নির্ধারিত করে দিচ্ছে। ধর্ম কে তারাই নিয়ন্ত্রন করে , ইন্ডিয়া সমকামি কে লিগ্যাল করছে পরক্রিয়া কে লিগ্যাল করছে মদ কে লিগ্যাল করছে এমন কোন খারাপ কাজ নেয় যা তারা সমাজের কে নস্ট করার জন্য প্রমট করেনি, তা বাংলাদেশেও বাধ্য করতেছে, তবে গত ১৫ বছরে একটা জাতি কে প্রতিবন্দি করে দিছি, কিছু অশিক্ষিত মানুষ সাময়ীক লাভবান হতে শয়তানদের সাথে হাত মিলিয়ে দেশের ১২টা বাজাচ্ছেন ,আমাদের সুশিল্রা ঘুমিয়ে পার করছে তাদের ছেলে মেয়েদের কে বিদেশে পড়াতে দিয়ে নিজেদের কে দায় মুক্তি করে নিচ্ছে একদিন ঘুম ভাংবে জেগে দেখবে দেশ অন্যের কাছে চলে গেছে ,আমার কথা হলো পাকিস্তানের কাছে পরাধীনছিলাম ইন্ডায়া হেল্প করছে তাই আজকে স্বাধীন যখন ইন্ডিয়া নিয়ে যাবে তখন কে হেল্প করবে প্রশ্ন থাকবে।মনে রাখতে হবে গাছ যে জাতের রুপন করবেন ফল তাই দিবে আম গাছে কাঁঠাল হবেনা।ভালো দেশ প্রেমিক যদি না রেখে যান নিজের মা মেয়ের নিরাপত্তার জন্য হায় হায় করবেন কেউ আসবেনা, আগে বুজতে হবে উন্নয়ন কি , উন্নয়ন বলতে ইমুতে ফিল্যান্সি করে টাকা রুজি করা না , উন্নয়ন মানে সমাজ এবং জাতিকে সুশিখা অর্থনীতি সুসমবন্ঠন নিরাপত্তা ও বটে,
নীরব
মাঝে মাঝে কিছু ব্যাপার ছেড়ে দিতে হয়
কিছু দুঃখ চোখ বুজে সহ্য করে যেতে হয়
কিছু আঘাত দাঁতে দাঁত কামড়ে সবর করে যেতে হয়
কিছু ব্যাপার ইগ্নোর করতে হয়
কিছু সময় চুপ থাকতে হয়
কিছু অতীত ভুলে যেতে হয় -
শুধুমাত্র এই আশায় যে একদিন আমার রব সব কিছুর প্রতিদান দিবেন। আর এত এত নিঁখুত আর পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দিবেন যে আজকের ক্ষণিকের পাওয়া এই কষ্ট সেদিন আনন্দ অশ্রু হয়ে চোখ বেয়ে পড়বে, বিইযনিল্লাহ।
আর এটা তো সবারই জানা- আমাদের রব ছাড় দেন, কিন্তু কখনো তিনি ছেড়ে দেন না।
Cliquez ici pour réclamer votre Listage Commercial.
Téléphone
Site Web
Adresse
Paris