Thinking Lady
বিপ্লব পরবর্তী সরকারের এই সময়ে দেদারসে মাজার ভাঙ্গা হচ্ছে। এখন যেভাবে মাজার ভাঙছে,শেখ হাসিনার আমলে হলে বলত ধর্ম অবমাননা। অথচ এখন চুপ কারন কার ঘাড়ে দোষ চাপাবে?
এসবই তাদের আদর্শ, চেতনা; এসব তারা করবে তা তো তারা প্রকাশ্যেই সব সময় বলেছে।এবং শেখ হাসিনা ক্ষমতাসীন থাকার সময়েও কিছু কিছু করেছে। শেখ হাসিনা কি তখন এসব করার অপরাধে তাদের কোনো বিচার করেছিলেন? বাউলদের উপর হামলা, রীতা দেওয়ানে জেল দেওয়া, কাদিয়ানীদের মসজিদে হামলা করা হয়েছে। একটা ঘটার পরে পরবর্তীতে অমন যেনো আর না ঘটে সে জন্য শেখ হাসিনা কি কোনো ব্যবস্থা নিয়েছলেন? তিনি শুধু চিরস্থায়ীভাবে ক্ষমতায় থাকার ইচ্ছায় এদের সাথে আপস করে প্রশ্রয় দিয়েছেন৷ এখন এরা ক্ষমতায় আছে, সুতরাং এরা এদের চেতনা বাস্তবায়ন করবে সেটাইতো স্বাভাবিক।
গণতন্ত্রের লেবেলে স্বৈরতন্ত্র চর্চা করলে বিষবৃক্ষের বীজ অঙ্কুরিত হয়ে শেকড় মজবুত করে ডালপালা বিস্তার করে। সৌদির মতো রাজতন্ত্র বা চায়নার মতো একদলীয় শাসন থাকলে তা সম্ভব নয়। গণতন্ত্রের লেবেলে স্বৈরাচার থাকলেই গণতন্ত্রবিরোধীরা গণতান্ত্রিক অধিকার ভোগ করে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শক্তিসঞ্চয় করে যে গণতন্ত্রের সুবিধা নিয়ে নিজেরা প্রতিষ্ঠিত হয়, ক্ষমতা হারানোর ভয়ে সেই গণতন্ত্রই নিষিদ্ধ করে।
শেখ হাসিনা বিষবৃক্ষের তলে শুধু ছায়া চেয়েছিলেন। আজ সেই বিষবৃক্ষ বিষাক্ত বায়ু ত্যাগ ও বিষাক্ত ফল দিতে শুরু করেছে। গতকাল ৪৮ নাগরিকের "মুক্তিযুদ্ধ, সংবিধানের মূলনীতি ও জাতীয় সংগীতকে কটাক্ষ করার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি"র প্রতিবাদে তাজ হাশমী আজ একটা ভিডিয়ো আপলোড করেছেন। তিনি জাতির পিতা ও জাতীয় সংগীত বিষয়ে গণভোটের দাবী করেছেন। কারণ তিনি খুব ভালোভাবেই জানেন গণভোটে অংশ নেবে এমন জনগণের অধিকাংশই বর্তমানে এই দাবী সমর্থন করে।
ওয়াজবাজ আলেমরা ইসলামী চেতনা উজ্জীবিত করার আড়ালে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত শয়তানী কুমতলবী ওয়াজের মাধ্যমে দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে এতোটাই ইসলামপ্রেমী, মুসলিমপ্রেমী, হিন্দুবিদ্বেষী, ইন্ডিয়াবিদ্বেষী করে তুলেছে যে, জাতির পিতা, জাতীয় সংগীত পরিবর্তন করতে পারলেই তারা বাংলাদেশ ও পাকিস্তান একত্রিকরণ করার দাবীতে গণভোট দাবী করবে।
আইনজীবীর বক্তব্য,
"90% মুসলমানদের দেশে মঙ্গল শোভাযাত্রা চলতে পারে না। কারণ এগুলি সরাসরি মুসলিমদের ধর্ম অবমাননার সামিল"।
কিন্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের দেশে গরুর মাংস খাওয়ার অধিকার চাই। রাস্তা বন্ধ করে,নামাজ পরার অধিকার চাই। মাইকে আযান দিতেই হবে।
ইরানে হিজাব না পরলে , তাদের কি অবস্থা হয় ,
তা সবাই দেখেছেন পত্র পত্রিকায় ।
অথচ আমেরিকায় আপনি হিজাব পরেন অথবা শাড়ি পরেন , কেউ আপনাকে নিষেধ করবে না।
তারপরও সব সময়ই শুনতে থাকি সারা বিশ্বে মুসলিমরা নির্যাতিত। ইসলাম ফোবিয়া, ব্লা ব্লা ব্লা
এরা যে কতোটা হিপোক্রিট সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেই বুঝা যায়।
সব ধর্মেই ধর্মান্ধ আছে, ছিল, থাকবে।
তবে এদের মত আর কোন দেশে নেই ।
বাংলাদেশর থেকেও পাকিস্তান এখনও অনেক এগিয়ে আছে অনেক বিষয়ে। শুধুমাত্র অর্থনৈতিক অবস্থা ছাড়া ।
© Sajol Raj
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Jasper, AB