HAMD
মুখে প্রতীবাদ করার ভাষা ছিল না; ছিলোনা নিজের বাকস্বাধীনতা কিভাবে সবার সামনে উপস্থাপন করতে হয়; নিজের ভেতরের মানুষটাকে কিভাবে উপলব্ধি করতে হয় সেই সাহসিকতা !
একটা মানুষ শিখিয়ে গেছে কিভাবে ইনসাফ কায়েম করতে হয় ! কিভাবে চোখে চোখ রেখে প্রতিবাদের ভাষা ব্যক্ত করতে হয় !
হ্যাঁ শিখিয়ে গেছে আমাদের বিপ্লবী শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি!!
আমাদের শিখিয়ে গেছে অন্ধকারে পরে থাকা দেশ ও সমাজ বেবস্থাকে কি ভাবে রক্ষা করতে হয়।
আমি চাই প্রতিটা ঘরে একটা করে হাদির জন্ম হক যুগ থেকে যুগান্তর ধরে। যখনি কালো ঘন অন্ধকার আমাদের নিমজ্জিত করতে আসবে তখনই আমারা প্রত্যেকটা একটা করে হাদি হয়ে যাবো।
ইনকিলাব জিন্দাবাদ!!
সালাউদ্দিন সাহেব গতকাল ৭১ নিয়ে অনেক বড় বড় কথা বললেন। কেও না শুনে থাকলে তার বক্তব্য শুনে নিয়েন।
আমি তার কথার ছোট করে উত্তর দিচ্ছি! কেন সে এই কথাগুলা বলছে সেটাও জানি। এই কথাগুলা না বললে শহীদ জিয়াউর রহমানকে ছোট করা হবে এবং তার অবদানকে অস্বীকার করা হবে তাই পরবর্তীতে শেখ মুজিবের মতো তাদেরর স্লোগানে যেন স্বৈরাচারী ট্যাগ লাগাতে পারে এর জন্য এতো কথা।
কিন্তু আমি তার কথার যুক্তি সহকারে উত্তর দিয়ে যাই। ৭১ এ নামের একটা বাংলাদেশ তৈরি হয়েছিলো কিন্তু একটা সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র গঠন হয় নাই তার কোন অকট্য প্রমান বাংলার ইতিহাসে পাওয়া যাবে না যদি হইতো ৭২ এর সংবিধান ভারত পরিচালিত হইতো না। এর জন্য বাংলার কিংবদন্তি মহীয়সী নাড়ী বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন যেদিন জনতার রাষ্ট্র গঠন হবে ঐ দিন এই সংবিধান ছুড়ে ফেলে দেওয়া হবে।
৭১ হয়েছিলো পাকিস্তানকে খন্ড বিখন্ড করার জন্য আর খন্ডিত পূর্ব পাকিস্তানকে ভারতের আগ্রাসনের কাছে তুলে দেওয়ার জন্য যার খলনায়ক হিসেবে মুজিবকে ব্যবহার করা হয়েছিল।
২৪ এর গনঅভ্যুত্থান হলো ভারতের আগ্রাসনকে বৃদ্ধাআঙ্গুলি দেখিয়ে নিজের সার্বভৌমত্বকে নিজের করে বুঝে নেয়া। কিন্তু সেটা আর হলো না আপনাদের মতো ক্ষমতালোভী মানুষদের কারনে। আর হলোনা নতুন কোন সংবিধান যেটা শুধুই বাংলাদেশের আপামর মানুষদের জন্যই হতো। হলোনা আপনাদের মতো "চোর পালালে নিজেদের রাজা মনে হয়" লোকদের কারনে।
ইনকিলাব জিন্দাবাদ!!
ইনকিলাব জিন্দাবাদ
বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল বিএনপি তার একটাই স্বার্থ ছিলো কিভাবে ক্ষমতায় বসা যাবে; তারা আজকে সাকসেস সফলতা পেয়ে গেছে। জুলাই এখন একটা হাস্যকর মাসের নাম। এই জুলাইকেই ইউজ করে তারা সফলতার দারপ্রান্তে নিজেদের দার করায়ছে। জুলাইয়ে কে শহীদ হলো কে হাত পা হারিয়ে পঙ্গুত্বকে আলিঙ্গন করে নিলো এই গুলা তাদের এখন দেখার সময় আর নাই। বাংলাদেশকে ভালোবেসে যে ছোট ছোট বাচ্চারা মৃত্যুকে পরওয়া না করে দেশের শত্রু স্বৈরাচারকে নিপাত করলো আজ তারা মূল্যহীন। আর তাদের এই ত্যাগের কারনেই আয়নাঘর থেকে অন্ধকার কারাগার থেকে যে সব নেতারা আলো উজ্জল দিন দেখতে পেলো তারাই আজ মুখ ফিরিয়ে নিলো। আসলে দিন শেষে আমরা বাংলাদেশীরা বনের গাধাই রয়ে গেলাম। আর যারা একটু চালাক তারাই এই গাধার পেছনে ভারি বোঝা চাপিয়ে দেয়।
ভাই আমার চৌদ্দ গুষ্টি কিন্তু আমরা বিএনপি করি। বিএনপি করা সত্যেও নিজের দলের সমালোচনা করতে পিছু পা হই না।....বিপ্লবী শাহরিয়ার।
৭১ যদি ভারতের প্ল্যানের মাধ্যমে সংগঠিত হয় তবে ৭১ কে আমি কে গু/য়া/ মারি। আর যদি মুক্তিকামী বাংলাদেশের মানুষের জন্য সংগঠিত হয় তবে ৭১ কে আমি মাথায় রাখি। বাংলাদেশের মানুষ গোলামী না আাজাদিকে সমর্থন করে। ২৪ হলো গোলামীকে লাথি মেরে আজাদীকে বাংলাদেশের মানুষের সামনে বহিঃপ্রকাশ করা।
মনে রাখতে হবে বাংলাদেশের মানুষ গোলামীর জন্য জন্ম হয় নাই। আমার ১৪ গুষ্টির জন্মভূমি পূর্ব পাকিস্তান ছিলো আর আমার জন্মস্থান ঠিক হই জায়গাতেই আছে শুধু কালের পরিবর্তে পূর্ব পাকিস্তানকে বাংলাদেশ নামে পরিবর্তন করা হয়ছে। তাই আমি আমার জন্মভূমিকে আমার প্রানের চেয়ে বেশি ভালোবাসি। তাই জন্মভূমি নিয়ে কোন তাল-বাহানা চলবে না।.... বিপ্লবী শাহরিয়ার খান।
আমরা বিপ্লবী ! আমাদের জন্মই হয়েছে সত্য কথা বলার জন্য তাই আমাদের মুখের ভাষাতেই থাকে সবসময় প্রতিবাদের চিহ্ন ।
আমরা যে দলে থাকি তারও সমালোচনা করতে পিছু পা হই না কারন তেল বাজদের আমরা পায়ের তলায় পিষে রাখি।
আমরাই কাজী নজরুল ইসলাম আমরাই শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি !!
২০১৫ সালে চালের মূল্য ছিল ১৬ থেকে ১৮ টাকার মধ্যে আর এখন সেই চাল ৬৫ টাকা কেজি করে কিনতে হয় । সরকারি বেতন বৃদ্ধির কথা শুনলে সবার গা জ্বলে কেন???? রিকসা ভারা তো ১০ টাকার যায়গায় ৩০ টাকা ঠিকিই নেন আর এক মুঠি সবজির দামতো ৫ টাকার যায়গায় ২০ টাকাই নেন আর আমাদের বেতন বৃদ্ধি করতে চাইলেই গলায় কাঁটা বিঁধে???
21/01/2026
হাদিরা মরার জন্য জন্ম নেয় না ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে নাম লেখার জন্য তাদের জন্ম হয়।
হ্যাঁ আমি টাংগাইল পৌরসভা বলতেছি ,
এখন পর্যন্ত আমি আমাকে সুন্দর দৃষ্টান্ত মূলক পৌরসভা করে গড়ে তুলতে পারি নাই অথচ টাংগাইল জেলার প্রধান শহরটাই আমার ভেতরে ধারণ করে আছি। আমি এখন পর্যন্ত আমার পৌরসভাতে মানে আমার শহরের কাছের এলাকাতেই ড্রেইন ব্যবস্থা করতে পারি নাই ! গ্যাস শহরের প্রাণকেন্দ্র ব্যবস্থা করছি কিন্তু আশেপাশের এলাকাতে আমার সামর্থ্য হয় নাই। সবচেয়ে বড় এবং ব্যর্থতার উদাহারন আমার পৌরসভার প্রাণকেন্দ্রের কাছের বা নিকট গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ড গুলাতে এখনো ড্রেন বা গ্যাসের ব্যবস্থা করতে পারি নাই। আর রাস্তা ঘাটের কথা কি বলবো ?? আমি ভীষণ লজ্জিত তবুও গ্রামের বা চরের লোকের বেশির ভাগ আহার জুটে আমার রাস্তায় অটো চালিয়ে। গ্রামের বা চরের যত মাতাব্বর কৃষক শ্রমিক বিদেশ ফেরত ভাইয়েরা আমার এই পৌরসভা মারিয়েই তাদের বেশির ভাগ আহার ও বস্ত্র জুটায়।
তবুও আমি পৌরসভা হয়ে ব্যর্থ! আমার বুকে যারা বিভিন্ন জায়গা থেকে উইড়া এসে জুইরা বসে বসবাস করে বিভিন্ন ক্ষমতাধর রাজনৈতিক দলের এর এমপি মন্ত্রী মেয়র মেম্বার হয়ে ক্ষমতা খাটায় কিন্তু দিন শেষে আমাকে পাড়িয়ে মাড়িয়ে চলে যায়। আর উন্নয়নের যদি কিছুটা মন মানুশিকতা আশে তাহলে তারা ছুটে যায় চড় বা গ্রামে। আসলে যার যেখানে অবস্থান সেখানেই তো তার টান থাকবেই এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু আমাকে ইউজ করে কলার ছোলার মতো ফেলে দেওয়া কি ঠিক?
গ্রাম ও চড়ের মানুষের অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে উঠে আমাকে দিয়ে কিন্তু আমিই দিন শেষে অবহেলিত। আমার বুকে একটা নামধারী মেডিকেল কলেজ আছে যেখানে চিকিৎসার নামে হয় ফাজলামো। ভাই আমার প্রশ্ন হল সদর হাসপাতাল ঠিক মতো চিকিৎসা দেয়া না কিন্তু একটা মেডিকেল কলেজ থাকতে আমি কেন চিকিৎসা পাবো না? আমাকে কেন ঢাকা রেফার্ড করা হবে তাহলে এই মেডিকেল কলেজে কি শিক্ষা প্রদান করা হয় যারা নতুন ডাক্তার হবে ? আমি ভীষণ সন্ধিহান !
এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ কাজ সমাধান না করে সবাই চলে যায় চড় এলাকার উন্নয়ন সাধনে।
আমার ভেতরে আরও অনেক লুকানো কষ্ট আছে যা বলে শেষ করা যাবে না। আমি দুঃখিত আমার স্থায়ী শহরবাসীর কাছে আমি পৌরসভা হয়ে তোমাদের জন্য কিছুই করতে পারলাম না... আমাকে মাফ করে দিয়ো।
ইতি ,
টাংগাইল পৌরসভা।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Tangail Sadar
Tangail
1900