Ain Sheba
Although ongoing political unrest hampered investment and export activity throughout 2015, Bangladesh is gradually becoming a popular destination for foreign and local investors alike, a trend which has increased demand for transactional and regulatory advice in a global context from across the legal market. The agricultural, pharmaceutical and energy sectors saw significant activity throughout 20
দণ্ডবিধি ১৮৬০ (গুরুত্বপূর্ণ ধারাসমূহ)
# জজ (ধারা- ১৯)
#সাধারণ অভিপ্রায়( ধারা-৩৪)
# শাস্তির প্রকারভেদ(ধারা-৫৩)
#মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ( ধারা-৫৪)
#যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাসকরণ(ধারা- ৫৫)
#রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকার( ধারা- ৫৫ক)
#দণ্ডের মেয়াদসমূহের ভগ্নাংশ শমুহ(ধারা -৫৭)
#কারাদণ্ড সশ্রম বা বিনাশ্রম হতে পারে ( ধারা -৬০)
#অর্থদণ্ডের পরিমান(ধারা-৬৩)
# অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড( ধারা-৬৪)
#শুধুমাত্র অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হলে( ধারা-৬৭)
#নির্জন কারাবাস( ধারা -৭৩)
#নির্জন কারাবাসের সীমা (ধারা -৭৪)
#ব্যাক্তিগত প্রতিরক্ষা(ধারা ৯৬)
#শরীর ও শম্পত্তির ব্যাক্তিগত অধিকার(ধারা ৯৭)
#যেসকল ব্যাক্তির বিষয়ে আত্মরক্ষা করা যায় (ধারা৯৮)
#ব্যাতিক্রম( ধারা ৯৯)
#যে ক্ষেত্রে দেহ রক্ষা করতে গিয়ে মৃত্যু ঘটানো জায়(ধারা ১০০)
#অপরাধে সহায়তা( ধারা ১০৭)
# দুষ্কর্মে সহায়তাকারী( ধারা ১০৮)
# প্ররোচনার শাস্তি(ধারা শাস্তি ১০৯)
# অপরাধ্মুলক ষড়যন্ত্রের সংজ্ঞা ( ধারা ১২০ক)
#অপরাধ্মুলক ষড়যন্ত্রের সাস্তি(ধারা ১২০ খ)
#রাষ্ট্রদোহী তা( ধারা ১২৪ ক)
#বেআইনি সমাবেশ( ধারা ১৪১)
# বেআইনি সমাবেশের শাস্তি( ধারা ১৪৩)
#দাঙ্গা ( ধারা ১৪৬)
# দাঙ্গার সাস্তি(ধারা ১৪৭)
#মারামারি( ধারা ১৫৯)
#মারামারির শাস্তি( ধারা ১৬০)
#মিথ্যা সাক্ষ্যদান( ধারা ১৯১)
#মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করে( ধারা ১৯২)
#নিন্দনীয় নরহত্যা( ধারা ২৯৯)
# খুন( ধারা ৩০০)
# খুনের শাস্তি( ধারা ৩০২)
# যাবজ্জীবন দণ্ডিত ব্যাক্তি দ্বারা খুনের শাস্তি( ধারা ৩০৩)
#নিন্দনীয় নরহত্যার শাস্তি( ধারা ৩০৪)
#অবহেলার কারনে মৃত্যু( ধারা ৩০৪ ক)
# বেপরোয়া জান চালানোর মাধ্যমে মৃত্যু( ধারা ৩০৪খ)
#আত্মহত্যায় সহায়তা( ধারা ৩০৬)
# খুনের চেষ্টা( ধারা ৩০৭)
# আত্মহত্যার চেষ্টা( ধারা ৩০৯)
#আঘাত (ধারা ৩১৯)
# গুরুতর আঘাত( ধারা ৩২০)
#আঘাতের শাস্তি ( ধারা ৩২৩)
#গুরুতর আঘাতের শাস্তি (ধারা ৩২৬)
#অবৈধ বাধা (ধারা ৩৩৯)
# অবৈধ বাধাদানের শাস্তি( ধারা ৩৪১)
# অবৈধ আটক( ধারা ৩৪০)
# অবৈধ আটকের শাস্তি( ধারা ৩৪২)
# অপহরণ( ধারা ৩৫৯)
# বাংলাদেশ থেকে অপহরণ( ধারা ৩৬০)
# আইনানুগ অভিভাবক হতে অপহরণ( ধারা ৩৬১)
# আপবাহন ( ধারা ৩৬২)
#লোক অপহরনের শাস্তি( ধারা ৩৬৩)
#ধর্ষণ ( ধারা ৩৭৫)
# ধর্ষণের শাস্তি( ধারা ৩৭৬)
#চুরি( ধারা ৩৭৮)
# চুরির শাস্তি( ধারা ৩৭৯)
#বাসগৃহ হইতে চুরি( ধারা ৩৮০)
# কেরানি বা চাকর হইতে চুরি( ধারা ৩৮১)
# বলপূর্বক গ্রহন( ধারা ৩৮৩)
# বলপূর্বক গ্রহনের শাস্তি( ধারা ৩৮৪)
#দস্যুতা( ধারা ৩৯০)
# দস্যুতার শাস্তি( ধারা ৩৯২)
# ডাকাতি( ধারা ৩৯১)
# ডাকাতির শাস্তি( ৩৯৫)
# খুনসহ ডাকাতি( ধারা ৩৯৬)
# অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ( ধারা ৪০৩)
#অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ( ধারা ৪০৫)
# অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের শাস্তি( ধারা ৪০৬)
# প্রতারনা( ধারা ৪১৫)
# প্রতারনার শাস্তি( ধারা ৪১৭)
#অনিষ্ট( ধারা ৪২৫)
#অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ( ধারা ৪৪১)
#মানহানি( ধারা ৪৯৯)
# মানহানির শাস্তি( ধারা ৫০০)
collected.
আদালতের এখতিয়ারঃ
বাংলাদেশের প্রতিটি আদালতের বিচারিক ক্ষমতা সংবিধান অথবা রাষ্ট্র কর্তৃক পাশ কৃত আইন দ্বারা সীমাবদ্ধ। সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত এবং তৎক্রমনিম্নভাবে জেলা পর্যায়ে দেওয়ানি আদালত এবং ফৌজদারি আদালত রয়েছে। এছাড়াও বিশেষ মামলাসমূহের জন্য রয়েছে বিশেষ আদালত ও ট্রাইব্যুনাল। বাংলাদেশের বিভিন্ন আদালতের বিচারিক ক্ষমতা নিম্নে আলোচনা করা হলো-
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট-
বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত হবে সুপ্রীম কোর্ট যা দুটি ভাগে বিভক্ত-
ক) আপীল বিভাগ, এবং
খ) হাইকোর্ট বিভাগ।
আপীল বিভাগের ক্ষমতা-
১) হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রি, আদেশ বা সাজার বিরুদ্ধে আপীল শুনানীর ও নিষ্পত্তির ক্ষমতা রয়েছে আপীল বিভাগের।
২) হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রি, আদেশ বা সাজার বিরুদ্ধে আপীল বিভাগের নিকট অধিকারবলে আপীল করা যাবে যেক্ষেত্রে
ক) হাইকোর্ট বিভাগ এই মর্মে সার্টিফিকেট প্রদান করেন যে, মামলাটির সাথে আইনের গুরুত্বপুর্ণ প্রশ্ন জড়িত রয়েছে, অথবা
খ) কোন ব্যাক্তিকে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে, অথবা
গ) উক্ত বিভাগের অবমাননার জন্য কোন ব্যক্তিকে দন্ডদান করা হয়েছে এবং জাতীয় সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের মাধ্যমে অন্যান্য ক্ষেত্রে,
৩) হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে যে মামলায় এই অনুচ্ছেদের (২) দফা প্রযোজ্য নয় কেবল আপীল বিভাগের অনুমতিসাপেক্ষে উক্ত মামলায় আপীল চলবে।
(৪) সংসদ আইনের দ্বারা ঘোষণা করতে পারবে যে, এই অনুচ্ছেদের বিধানসমূহ হাইকোর্ট বিভাগের প্রসঙ্গে যেরূপ প্রযোজ্য, অন্য কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রেও তাহা সেইরূপ প্রযোজ্য।
হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ারঃ
বাংলাদেশ সংবিধান এবং অন্য কোন আইনের দ্বারা হাইকোর্ট বিভাগের উপর আদি, আপীল ও অন্য প্রকার এখতিয়ার, ক্ষমতা ও দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে-
ক) আদি এখতিয়ার- রীট, কোম্পানী এডমিরালটি ইত্যাদি সংক্রান্ত বিষয়াদি,
খ) আপীল ও রিভিশনালএখতিয়ার- জেলা ও দায়রা জজ আদালত,অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, বিশেষ জজ, অর্থঋণ আদালত, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ইত্যাদি আদালতের রায় ও আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আপীল অথবা বিভিশন দায়ের করা যায়।
গ) আদালত অবমাননা সংক্রান্ত বিষয়াদি
অধস্তন আদালতঃ
দেওয়ানী আদালতঃ
ক) জেলা জজ আদালত
খ) অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
গ) যুগ্ম জেলা জজ আদালত
ঘ) সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
ঙ) সহকারী জজ আদালত
দেওয়ানী আদালতের এখতিয়ারঃ
ক) জেলা জজ আদালত- রিভিশন এখতিয়ার, দেওয়ানী বিষয়বস্তুর আপীল যার মূল্যমান সর্বোচ্চ পাচ কোটি টাকা , প্রবেট সংক্রান্ত বিষয়াদি ইত্যাদি।
খ) অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত- জেলা জজ কর্তৃক প্রেরিত সকল মামলাসমূহের বিচার অত্র আদালত কর্তৃক সম্পন্ন হয়ে থাকে।
গ) যুগ্ম জেলা জজ- ১) সকল প্রকার দেওয়ানী মামলা যার মূল্যমান পচিশ লক্ষ টাকা থেকে অসীম,
২) উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিষয়াদি,
৩) রিভিশন- জেলা জজ কর্তৃক প্রেরিত মামলাসমূহ,
৪) আপীল- জেলা জজ কর্তৃক প্রেরিত মামলাসমূহ,
ঘ) সিনিয়র সহকারী জজ- দেওয়ানী প্রকৃতির মামলার বিচার যার মূল্যমান পনের লক্ষ টাকা থেকে পচিশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত,
ঙ) সহকারী জজ- দেওয়ানী প্রকৃতির মামলার বিচার যার মূল্যমান সর্বোচ্চ পনের লক্ষ টাকা।
চ) স্মল কজেস কোর্ট- স্মল কজেস আদালত ক্ষুদ্র মামলা নিস্পত্তি করে থাকে যার মূল্যমান সর্বোচ্চ পচিশ হাজার টাকা।
ছ) পারিবারিক আদালত- পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ,১৯৮৫ অনুযায়ী অত্র আইনের অধীনে দায়েরকৃত পারিবারিক বিষয়াদি সংক্রান্ত বিষয়াদি যথাক্রমে- তালাক, দেনমোহর, ভরনপোষন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার এবং নাবালকের অভিভাকত্ব সংক্রান্ত বিষয়াদির মামলার বিচার অত্র আদালতে সম্পন্ন হয়ে থাকে।
ফৌজদারী আদালতঃ
ক) দায়রা আদালতঃ প্রত্যেক বিভাগে নিম্নবর্ণিত দায়রা আদালত থাকবে-
১) দায়রা জজ আদালত
২) অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত
৩)সহকারী দায়রা জজ আদালত
মেট্রোপলিটন এলাকার জন্যঃ ১) মহানগর দায়রা জজ আদালত
২) অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত
৩) যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত
খ) ম্যাজিস্ট্রেট আদালতঃ
১) চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত,
২) অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত,
৩) প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
৪) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
৫) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
মেট্রোপলিটন এলাকার জন্যঃ ১) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
২) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
৩) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ফৌজদারী আদালতের এখতিয়ার-
১) দায়রা জজ আদালত এবং অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত- আইনে উল্লেখিত সকল প্রকারের দন্ড প্রদানে অত্র আদালত সক্ষম তবে মৃত্যুদন্ড প্রদান করলে উক্ত রায় হাইকোর্ট কর্তৃক অনুমোদিত হতে হয়।
২) যুগ্ম দায়রা জজ আদালত- অত্র আদালত মৃত্যুদন্ড,যাবজ্জীবন কারাদন্ড অথবা দশ বছরের অধিক কারাদন্ড ব্যতীত আইনে উল্লেখিত সকল প্রকার সাজা প্রদানে সক্ষম।
৩) প্রথম শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত/ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত - অত্র আদালত পাচ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদন্ড এবং দশ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা প্রদানে সক্ষম।
৪) দ্বিতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত- অত্র আদালত তিন বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদন্ড এবং পাচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা প্রদানে সক্ষম।
৫) তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত- অত্র আদালত দুই বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদন্ড এবং দুই হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা প্রদানে সক্ষম।
ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ আদালতসমূহঃ
ক) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এ উল্লেখিত অপরাধসমূহের বিচার অত্র ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক সম্পাদিত হয়।
খ) দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল- দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আইন,২০০২ এর অধীনে সুনির্দিষ্ট কিছু অপরাধের বিচার অত্র আদালত কর্তৃক সম্পাদিত হয়।
গ) দ্রুত বিচার আদালত- অত্র আদালত কর্তৃক আইন, শৃংখলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এ উল্লেখিত অপরাধসমূহের বিচার সম্পন্ন হয়।
ঘ) বিশেষ আদালত- বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর অধীনে দায়েরকৃত অপরাধসমূহের বিচার অত্র আদালত কর্তৃক সম্পন্ন হয়।
ঙ) প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল-- কোন সরকারী কর্মচারীর তার চাকুরীর শর্তাবলী সংক্রান্ত ক্ষুব্ধ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে পারেন।
চ) প্রশাসনিক আপীলেট ট্রাইব্যুনাল- প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক আপীলেট ট্রাইব্যুনালে আপীল দায়ের করা হয়ে থাকে।
ছ) শ্রম আদালত- বাণিজ্যিক কারনে এবং কল-কারখানা হতে উদ্ভত বিরোধের নিস্পত্তি শ্রম আদালতে করা হয়ে থাকে।
জ) শ্রম আপীল ট্রাইব্যুনাল- শ্রম আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে আপীল দায়ের করা হয়ে থাকে।
ঝ) ট্যাক্সেস আপীলেট ট্রাইব্যুনাল- যদি কোন করদাতা যুগ্ম আপীল কমিশনার অথবা কমিশনার (আপীল) প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয় তবে তিনি ট্যাক্সেস আপীলেট ট্রাইব্যুনালে আপীল দায়ের করতে পারেন।
ঞ) কাস্টমস, এক্সাইজ এবং ভ্যাট আপীলেট ট্রাইব্যুনাল- যদি কোন ব্যাক্তি কমিশনার অথবা কমিশনার (আপীল) কর্তৃক প্রদত্ত সিদ্ধান্ত অথবা আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হন তবে তিনি কাস্টমস, এক্সাইজ এবং ভ্যাট আপীলেট ট্রাইব্যুনালে আপীল দায়ের করতে পারেন।
ট) অর্থঋন আদালত- ব্যাংক অথবা অন্যান্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত ব্যাংক ঋণের টাকা আদায়ের নিমিত্তে অর্থঋণ আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।
ঠ) বিশেষ জজ আদালত- দুর্নীতি দমন আইন,১৯৫৭ এবং অপরাধ আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮ এর মামলাসমূহ অত্র আদালত কর্তৃক পরিচালিত হয়।
ড) ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল- ষ্টেট একুইজিশন এন্ড টেনেন্সী এক্ট, ১৯৫০ এর ধারা ১৪৫ক এর বিধান অনুযায়ী ভূমি জরীপ সংক্রান্ত বিরোধ অনুযায়ী ভূমি জরীপ সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির নিমিত্ত অত্র আদালত স্থাপিত হয়েছে।
ঢ) মেরিন আদালত- অত্র আদালত নৌ দুর্ঘটনা, নৌযান ত্রূটি সংক্রান্ত মামলাসমূহ বিচার করে থাকে।
ণ) কোর্ট অব সেটেলমেন্ট- অত্র আদালত পরিত্যাক্ত ভবন (সম্পূরক অনুবিধি) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৫ অনুযায়ী স্থাপিত হয়েছে যে আদালত পরিত্যক্ত ভবন নিয়ে বিচার কার্য সম্পন্ন করে এবং দেওয়ানী আদালতের সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করে। অত্র আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল দায়েরের কোন সুযোগ নেই।
ত) সাইবার ট্রাইব্যুনাল- সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত মামলাসমূহের বিচার অত্র ট্রাইব্যুনালে হয়ে থাকে।
থ) পরিবেশ আদালত- পরিবেশ সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে অত্র আদালতে মামলা করা হয়ে থাকে।
দ) পরিবেশ আপীল আদালত- পরিবেশ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি পরিবেশ আপীল আদালতে আপীল দায়ের করতে পারে।
ধ) স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল, সিকিউরিটি এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন- সিকিউরিটি এবং এক্সচেঞ্জ সম্পর্কিত বিষয়াদি সংক্রান্ত বিরোধ দেখা দিলে অত্র ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়ে থাকে।
ন) বন আদালত- বন আইন, ১৯২৭ অনুযায়ী বনের ভেতরে সংঘটিত সকল অপরাধের বিচার বন আদালতে সম্পন্ন হয়ে থাকে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল- অত্র আদালত নিমোক্ত অপরাধের বিচার সম্পন্ন করে থাকে-
১) মানবাধিকারের বিরুদ্ধে অপরাধ,
২) শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,
৩) গণহত্যা,
৪) যুদ্ধসংক্রান্ত অপরাধ,
৫) জেনেভা কনভেনশন, ১৯৪৯ এ উল্লেখিত মানবাধিকার ভংগকারী অপরাধ,
৬) আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে সংঘটিত অন্য যে কোন অপরাধ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the practice
Telephone
Website
Address
Akur Takur Taltola
Tangail
1900