Message Of Islam

Message Of Islam

Share

25/06/2020

আলহামদুলিল্লাহ্! আল্লাহর ইচ্ছায় আজ থেকেই আমাদের আকিদা সিরিজ শুরু হতে যাচ্ছে!
▬▬▬▬▬▬▬◄❖►▬▬▬▬▬▬▬
সর্বশেষ জান্নাতি ব্যক্তিটি আনন্দে আত্মহারা হয়ে যাবে। কারণ ইতোমধ্যে সে আগুনে পুড়তে পুড়তে প্রায় কয়লা হয়ে যাবে। আল্লাহ্ তাকে ধুয়ে-মুছে সাফ করে দেবেন। সে ভাববে, তার চেয়ে বেশি নিয়ামত জান্নাতে আর কাউকে দেওয়া হয়নি। কারণ, যখন তাকে বলা হবে, দুনিয়ার সমান বিশাল জান্নাত তার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে, তখন সে আল্লাহকে বলবে, ‘আপনি বাদশাহ হয়ে আমার সাথে ঠাট্টা করছেন?’ এটি বলার সময় রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবারা হাসতেন। সর্বশেষ তার জন্য এই দুনিয়া এবং আরো দশগুণ (দশ দুনিয়ার সমান) দেওয়া হবে। [সহিহ বুখারি: ৬৫৭৪, সহিহ মুসলিম: ৪৮০]
এটি হলো সর্বশেষ জান্নাতি ব্যক্তির ঘটনা। ঈমান এমনই মূল্যবান সম্পদ—যদি এটি কারও কাছে থাকে, তবে সে পাপের প্রায়শ্চিত্য ভোগ করে হলেও একদিন অনাবিল সুখের স্থান জান্নাতে যাবে। তবে, এই ঈমান বা বিশ্বাসটা হতে হবে নিখাদ—এতে কোনো ভেজাল থাকবে না; শির্ক থাকবে না; কুফর থাকবে না।
ঈমান তথা সঠিক ইসলামি আকিদা-বিশ্বাস মুমিন জীবনের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। কারণ এই ঈমানের চেতনা দিয়েই তার পুরো জীবন পরিচালিত হয় এবং এই ঈমান দিয়েই তার জান্নাত নির্ধারিত হয়। সুতরাং শির্কমুক্ত বিশুদ্ধ ঈমান সম্পর্কে জানা প্রত্যেকের উপর ফরজ। আমরা ধারাবাহিকভাবে আমাদের নতুন এই ‘ঈমান সিরিজ’ কন্টিনিউ করবো ইনশাআল্লাহ্।
বিষয়টি খুব বেশি চটকদার নয়, তাই অনেকে আগ্রহবোধ করেন না। অথচ এই ঈমানের বিশুদ্ধতা না থাকলে দুনিয়া এবং আখিরাত বরবাদ হয়ে যাবে। তাই, সবার প্রতি অনুরোধ থাকবে, আপনারা আমাদের ঈমান সিরিজের প্রতিটি লেখা শেয়ার করবেন অথবা কপি করবেন। অসংখ্য মানুষ নামেমাত্র মুসলিম হিসেবে জীবনযাপন করছে, অথচ তার ঈমান-আকিদা বিশুদ্ধ নয়। আপনার একটি শেয়ার বা কপির মাধ্যমে একজন মানুষও যদি সঠিক পথের দিশা পায়, তবে আপনি মহাসৌভাগ্যের অধিকারী হয়ে যাবেন।
আল্লাহ্ চাইলে সকল গুনাহ্ ক্ষমা করবেন, কিন্তু শির্কের গুনাহ্ ক্ষমা করবেন না। শির্ক হলো, আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কাউকে ইবাদতের যোগ্য মনে করা, অন্য কাউকে সৃষ্টিজগতের প্রতিপালনকারী মনে করা, অন্য কাউকে আল্লাহর সমকক্ষ স্থির করা।
শির্কের আরও অনেক ধরণ আছে, যা আমরা জানি না। কারণ শির্কের বিষয়গুলো খুবই সূক্ষ্ম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “এই উম্মতের শির্ক রাতের আঁধারে কালো পাথরের উপর কালো পিঁপড়ার পদচারণার চেয়েও সূক্ষ্ম বা গুপ্ত।” [সহিহুল জামি’: ৩/২৩৩, হাদিসটি সহিহ]
সুতরাং, শির্ক সম্পর্কে আমাদের জানতে হবে, যদি আমরা জাহান্নাম থেকে বাঁচতে চাই এবং জান্নাতে যেতে চাই। পাশাপাশি তাওহিদ তথা আল্লাহর বিশুদ্ধ একত্ববাদ সম্পর্কেও জানতে হবে। কারণ তাওহিদে বিশ্বাসী প্রতিটি ব্যক্তি জান্নাতে যাবে। সর্বশেষ জান্নাতি ব্যক্তি তাওহিদের কারণেই জান্নাতের অধিকারী হবে। সুতরাং এ বিষয়েও জানা জরুরি। আমরা ধীরে ধীরে সবই আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ্।
#সহিহ_আকিদা
#বিশুদ্ধ_ঈমান (প্রথম পর্ব)
বাকি পর্বগুলো পরবর্তীতে দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।

17/06/2020

জীবনে অনেক মানুষকে ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় আপনার ক্ষমা করতেই হবে। সুতরাং ক্ষমা করার সুন্দর পদ্ধতিটি জানা থাকা জরুরি। প্রথমে নিচের হাদিসটি মনোযোগ দিয়ে পড়ি।
আয়িশা (রা.) বলেন, ‘নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো মন্দের জবাব মন্দ দিয়ে দিতেন না, বরং ক্ষমা করে দিতেন। পরবর্তীতে তা কখনো আলোচনাও করতেন না।’ [আহমাদ: ২৫৪৫৬, সহিহ ইবনু হিব্বান: ৬৪৪৩]
এই হাদিসে কাউকে ক্ষমা করার কয়েকটি ধাপ বর্ণিত হয়েছে।
১. মন্দ আচরণের জবাবে মন্দ আচরণ না করা।
২. খারাপ কথার জবাবে খারাপ কিছু না বলা।
৩. মন্দ আচরণটির জবাব উত্তম কোনো উপায়ে দেওয়া।
৪. তাকে ক্ষমা করে দেওয়া।
৫. ক্ষমার কথাটি কখনো আলোচনাও না করা।
আমরা কী করি? প্রথমে একবার ঝগড়া করি। এরপর হয় বিরক্ত হয়ে, না হয় বাধ্য হয়ে তাকে ক্ষমা করি—তাও ভেতরে ক্ষোভের আগুন জ্বালিয়ে রেখে। আবার, তাকে ক্ষমা করার বিষয়টি মাথায় নিয়ে ভাবি—তার প্রতি বিরাট এহসান (অনুগ্রহ) করেছি। কারণে-অকারণে এই ব্যাপারটি নিয়ে কথাও বলি। অথচ নবীজির আচরণ ছিলো সম্পূর্ণ ভিন্ন।
আমাদের হজমশক্তি কম। আমরা সামান্য ভালো কিছু করলেও সেটিকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে প্রচার করতে ভালবাসি—ইচ্ছায় হোক বা আনমনে। তবে, এটি ভালো কোনো স্বভাব নয়। ক্ষমাকারীদের ব্যাপারে কুরআন হাদিসে অসাধারণ মর্যাদার কথা এসেছে। সুতরাং আমরা কাউকে ক্ষমা করলে যেন নেকি পাওয়ার উদ্দেশ্যেই করি, এতে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনই যেন আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য হয়। আর সেটি দিয়ে ভবিষ্যতে তাকে যেন ছোট না করি, খোঁটা না দেই। কারণ খোঁটা দেওয়া মুমিনের সিফাত (গুণ) নয়।
আর আপনি যদি কাউকে উপরে উল্লিখিত নববী আদর্শের আলোকে ক্ষমা করতে পারেন, তবে সে যদি আপনার শত্রুও হয়ে থাকে, তবুও সে আপনার বন্ধুতে পরিণত হবে। যেমনটি কুরআনে এসেছে, “ভাল ও মন্দ সমান হতে পারে না। মন্দ ও যুলুমকে উৎকৃষ্ট পন্থায় প্রতিহত কর। (যুলুমের পরিবর্তে অনুগ্রহ কর)। এরূপ করলে যে ব্যক্তি ও তোমার মধ্যে শক্ৰতা আছে, সে তোমার অন্তরঙ্গ বন্ধু হয়ে যাবে।” [সূরা ফুসসিলাত, আয়াত: ৩৪]
আর হ্যাঁ, আমরা তাই দেখেছি নবীজির জীবনে। তাই, জীবনকে সুন্দর করতে উত্তম পদ্ধতিতে ক্ষমা করার প্র্যাকটিস করতে হবে।
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

15/06/2020

সবচেয়ে বড় রিমাইন্ডার কি?? দুনিয়ায় হাজারো রিমাইন্ডার দেয় মানুষ কেউ সালাতের, কেউ পড়াশোনার, কেউ আমল করার, কেউ ভালো কাজ করার। কিন্তু এই রিমাইন্ডার গুলো একটা আসল সত্যের কাছে ম্লান হয়ে যায়। কি সেই সত্য, কি সেই রিমাইন্ডার??
কেউ যদি হৃদয়ের গহীন থেকে এই রিমাইন্ডার গ্রহণ করে তাহলে দুনিয়ার সকল ছোট রিমাইন্ডার গুলোকে তুচ্ছ মনে হবে, ব্যক্তি এভাবেই সত্যের পথে ফিরে আসবে, তখন আর দুনিয়ায় পিছু পিছু ছুটবে না। হারামের পথে দেখেও সুখ খুঁজে বেড়াবে না।
সেই রিমাইন্ডার আর কিছু নয়, তাহলো মৃত্যু। এই মৃত্যুর চিন্তাই পারে ব্যক্তিকে ভালো কাজে উদ্ভুত করতে, দুনিয়াবিমুখ হয়ে আখিরাতের আমলে নিজেকে এগিয়ে নিতে।

Want your place of worship to be the top-listed Place Of Worship in Tangail?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Ghatail
Tangail
001