Study Computer Solution
09/06/2023
প্রসঙ্গ নির্বাচন....
🥲🥲🥲
আমরা ভোটাররা ভোট দেওয়ার সময়
ঘুষখোর, দূর্নীতিবাজ, বিত্তবান, পয়সাওয়ালা ইত্যাদি দেখে ভোট দেই, ভোট শেষে যখন নির্বাচিত প্রতিনিধি নিজ পাশের বাড়ির বাসিন্দা, ওয়ার্ডের বাসিন্দার কথা বেমালুম ভুলে, নিজের চাহিদা, বড়ত্ব, নেতৃত্ব ইত্যাদি নিয়া ব্যস্ত থাকে তখন আমরা যারা ভোট দিয়া আমাদের পক্ষে কথা বলার জন্যে প্রতিনিধি নির্বাচিত করেছিলাম তারাই বলে উঠি
চোর, বাটপার, দূর্নীতিবাজ সব টেন্ডার খেয়ে ফেলল, আমাদের কোন কাজেই আসলো না😭😭😭
অথচ সমাজে একটা মধ্যবিত্ত, শিক্ষিত, খেটে খাওয়া মানুষ যখন তার মতো জনগণের দুঃখ, দূর্দশা লাঘব করার জন্য, ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্যে নির্বাচনে প্রার্থী হয়,
#আমরা ভোটাররা হেলায় ফেলে এসব প্রকৃত গরীব, দুঃখী, মেহনতি সর্ব স্তরের জনগণের পাশে এসে যে দাড়াবে তাকে নিয়ে-------🤭🤭🤭
#তিরস্কার আর অবজ্ঞা করে নিজের ভোট নামক আমানত অর্থ, প্রাচুর্য আর প্রভাবশালীদের টাকা আর ক্ষমতার নিকট ভোট নামক আমানত নষ্ট করে ফেলি।।
আসুন নেতাগিরি বাদ দিয়ে যারা শোষিত জনগণের পাশে এসে দাড়াতে পারবে, তাদেরকেই ভোট নামক আমানত এর যৌক্তিক ব্যবহার করি।
#পরে যেন আফসোস করতে না হয়, নিজের আমানতের জন্য অনুতপ্ত না হতে হয়।
আমার ভোট আমি দেব,
যোগ্য দেখে পক্ষ নেব,
ন্যায্য অধিকার আদায়ে সোচ্চার হবো।
চোখে, কান খোলা রেখে ন্যায় বিচারে শরীক হবো।
"Heat Wave" আসিতেছে?
----------------------------------
তাই সাবধান হোন।
সম্ভবতঃ ৪০°-৫০° সে.।
--------------------------------
স্বভাবিক পানি পান করুন।
ধীরে ধীরে।
ঠান্ডা পানি পান পরিহার করুন।
বরফ/বরফ পানি পুরোপুরিই পরিহার করুন।
বর্তমানে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুরে এই HEAT WAVE চলছে।
করণীয় ও পরিত্যজ্য--------
১) যখন তাপমাত্রা ৪০°সে-এ পৌঁছে তখন খুব ঠান্ডা পানি পান করতে নিষেধ করেন চিকিৎসকগণ। কারণ এতে রক্তনালী হঠাৎই সঙ্কুচিত হয়ে
হঠাৎই স্ট্রোক হতে পারে।
২) যখন বাহিরের তাপমাত্রা ৩৮°সে অতিক্রম করে তখন ঘরে চলে আসুন বা ছায়ায় অবস্থান করুন। ঠান্ডা পানি পান করবেন না। স্বভাবিক তাপের পানি পান করুন বা ঈষৎ গরম পানি।
তাও ধীরে ধীরে।
৩)ঘরে এসেই হাত-পা-মুখ ধুবেন না।হাত-মুখ ধোয়ার আগে একটু অপেক্ষা করুন। দেহকে ঘরের তাপের সাথে খাপ খেতে দিন।
অন্ততঃ আধা ঘন্টা অপেক্ষা করুন হাত-মুখ ধোযার আগে বা গোসলের আগে।
৪) অল্প অল্প করে বারে বারে স্বাভাবিক পানি পান করুন।জ্যুস বা এজাতীয় পানিয় পরিহার করুন। স্বাভাবিক শরবত,ডাব বা লবণ পানির শরবত পান করতে পারেন যদি তা আপনার জন্য অন্য কারণে নিষিদ্ধ না হয়ে থাকে।তবে তাও স্বল্প পরিমানে।
★★প্রচন্ড গরমে বা যদি আপনি খুবই ক্লান্ত থাকেন তবে ভুলেও বরফ মিশ্রিত পানি বা ফ্রিজের পানি পান করবেন না,যদিও ওইসময় ঠান্ডা পানি খুব ভালো লাগে।এটা শরীরে প্রশান্তি ভাব এনে দেয়।কিন্তু এতে হঠাৎই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
নিজে জানুন।
অন্যকে জানান।
18/05/2023
বিনীত অনুরোধ,
এখন দেশীয় ফল আম, লিচু, কাঁঠাল, জাম খাবার মৌসুম।
তাই অনুরোধ আম, লিচু, কাঁঠাল, জাম খাবার পর তার বীজ/আঁটি/বিচি/দানা/seeds গুলোকে ফেলে দেবেন না। সেগুলো ভালো করে পানিতে ধুয়ে, শুকিয়ে একটা কাগজে মুড়ে রেখে দিন। যদি কখনও কোথাও গাড়িতে করে দূরে ঘুরতে যান তবে সেই বীজগুলো অবশ্যই রাস্তার ধারের ফাঁকা জমিতে একে একে ছড়িয়ে দিন। আসছে বর্ষার মৌসুমে সেই বীজ থেকে নতুন চারাগাছ জন্ম নেবে। যদি এদের মধ্যে একটা গাছও বেঁচে থাকে তবে সেটাই হবে এই পৃথিবীকে আপনার দেওয়া সবথেকে বড় উপহার।
ফলের_গাছ শুধু পরিবেশকে অক্সিজেন দিয়ে সতেজই রাখেনা, ফল খাবার লোভে অনেক পাখি আসে গাছে গাছে। যার ফলে পরিবেশের হারিয়ে যাওয়া ভারসাম্য রক্ষা হয়। পৃথিবীর অনেক দেশই এই ভাবে গাছ লাগিয়ে পরিবেশ বাঁচানোর কাজে এগিয়ে এসেছে।
তাই আসুন আমরাও সাধ্য মতো চেষ্টা করি এই প্রকৃতিকে ভালো রাখার, আসুন গাছ লাগাই, পুকুরগুলোকে পরিস্কার রাখি,বন অধিদপ্তর/সরকারের উপর সব দায় না চাপিয়ে নিজেরা সচেতন হই, প্রকৃতিকে ভালোবাসি।
ভুলে যাবেন না গাছ আল্লাহ প্রদত্ত প্রাকৃতিক অক্সিজেনের অসীম নেয়ামত।
(সংগৃহীত)
03/11/2022
মানুষ যদি কখনও অটোপসি(পোস্টমর্টেম) কিভাবে করা হয় তা দেখতো তাহলে কখনই হয়তো সুইসাইডের কথা চিন্তাও করতো না।
আজকে দ্বিতীয়বার অটোপসি দেখার সুযোগ হয়।অনেক এক্সাইমেন্ট নিয়ে দেখতে গিয়েছিলাম।
তিনটা লাশ (কেস) ছিলো তখন।
একজন ২৩ বছর বয়সি মেয়ের ফাসি দিয়ে আত্মহত্যার কেস।
আরেকজন ৩০ বছর বয়সি মহিলার বিষ খেয়ে আত্মহত্যার কেস।
এবং আরেকজন ৩০-৩২ বছর বয়সি পুরুষকে দা দিয়ে কুপিয়ে মার্ডার কেস।
প্রথমেই ডোম মামা গায়ের সব জামা কাপর কেটে খুলে ফেলে ২৩ বছর বয়সি মেয়েটার।আহা...আজ সেই পর্দা,লজ্জা,সম্ভ্রম সবই যেন অসহায়। তারপরেই গলা থেকে নাভির নিচ পর্যন্ত একটানে দুইভাগ করে দেয়।হয়তো আমরা কুরবানির সময়ও গরুকে অনেক কেয়ার করে কাটি।বাট এখানে দুইপাশে টেনে চামড়া ছিলে ফেল্লো।পাজরের কার্টিলেজ টা নাইফের একটানে কেটে ভেতরের সব অর্গান দেখা হলো।পেটে বাচ্চা ছিলো কিনা চেক করলো।
মাথার পেছনে একটা ইনসিশন দিয়ে নারিকেলের ছোবড়া ছোলার মত টেনে মাথার চামড়া টা কপাল পর্যন্ত ছোলে খুলিটা কুপিয়ে ভাঙ্গছিলো।কেমন যেনো গরুর হাড্ডি কুপানোর কথা মনে পরে যাচ্ছিলো🙂
এমন ভাবেই পয়সনিং এর মহিলাটারও এভাবেই কেটে স্টমাক,লিভার,কিডনি,ব্রেন বের করে ফেরিনসিক এর জন্য পাঠিয়ে দিলো।
মার্ডার কেসটা তো চোখের দেখাতেই মার্ডার কেস।তাও কাটাকাটি করতেই হলো।
সব শেষে আবার বস্তা সেলাইয়ের এর মত নিচ থেকে উপরে সেলাই করে লাশ খালাস।
বাথরুমে নাকি আরেকটা নতুন লাশ আসছে।সেটাকে আনতে চলে গেলো মামারা।
কোথায় গেলো এত সম্ভ্রম এত দাম্ভিকতা?
বার বার একটা কথাই মনে হচ্ছিলো...মরে গেলে শরীরটার যেন আর একপয়সার ও দাম নেই।
বেচে থাকতে হয়তো ওই দুইটা মহিলার দিকে কেউ তাকানোর সাহস ও পেত না।বাট এখন মরার পরে নিথর দেহ পরে আছে।বিবস্র অবস্থায় লাশ ঘরে ধারালো ছুড়ি আর কড়াতের ধারে মাথার খুলি আলাধা হওয়ার অপেক্ষায়।
আত্মহত্যার পরে তার শরীরটার সাথে কি করা হয় যদি কেউ কখনও দেখতো তাহলে হয়তো দেশে আত্মহত্যার পরিমান অনেকটা কমে যেতো।
অবশ্য মানুষের বডির মূল্য আর কত?!
মারা গেলে পশুরাও খায় না।এখন মনে হচ্ছে আখেরাতটাই আসল।এই দুনিয়ায় আমরা শুধু ব্যাটারি লাগানো একটা শরীর।
আত্মা ছাড়া শরীরের কোনো দাম নাই।আর বাপদাদার টাকা না থাকলে ডেডবডিটার ও কোনো সম্মান নাই। 🙂
MD Shabbir Bin Enam এর লেখা
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Islampur, Majortila
Sylhet
3100