Naderbd.com
অন্তঃসত্বা অবস্থায় যেসকল খাবার খাবেন না।
১. কফি অথবা ক্যাফেইন যুক্ত পানীয়ঃ পরীক্ষায় প্রমানিত অতিরিক্ত
পরিমান ক্যাফেইন গ্রহন করলে গর্ভধারনের প্রাথমিক পর্যায়ে ভ্রুন
মারা যেতে পারে।
২. মদঃ গর্ভকালীন সময়ে মদ্যপান করলে গর্ভের সন্তানের স্বাভাবিক
বিকাশ ব্যহত হওয়া সহ সমুহ বিপদের সম্ভাবনা থাকে।
৩. কিছু গভীর সমুদ্রের মাছঃ টুনা ফিশ, শার্ক সহ অনেক নোনা পানির
মাছে মাত্রাতিরিক্ত পারদ জাতীয় রাসায়নিক পদার্থ বিদ্যমান থাকে যার
বিষক্রিয়ায় গর্ভস্থ ভ্রুন নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
৪. কাঁচা মাংস, কাঁচা ডিম, কেক বাটার, বারবিকিউ, সুশী (জাপানী খাবার),
মেইওনাস, কাঁচা ডিম দিয়ে তৈরি মিষ্টন্ন জাতীয় খাবারঃ এ সব
খাবরে সালমোনিল্লা নামক রাসায়নিক উপাদান এবং ক্ষতিকারক
ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে যা গর্ভের সন্তানের জন্য মঙ্গলকর নয়।
৫. অল্প রান্না করা মাংস অথবা সিদ্ধ
করা মাংসঃ ভালভাবে রান্না না করলে মাংসে ক্ষতিকর 'ই-
কোলী ব্যাকটেরিয়া' নষ্ট হয়না, যা গর্ভের ভ্রুনের জন্য বিপদজনক।
পুদিনা পাতার চা ব্যথা সারাতে ওস্তাদ!
পুদিনা চা তৈরি করতে পুদিনা পাতাগুলো পানিতে আধঘণ্টা ধরে সেদ্ধ করুন।
এরপর পাতা নিঃসৃত পানি ঠান্ডা করে চা হিসেবে পান করুন।
পুদিনা পাতা মুখের স্বাদ বাড়াতেও কার্যকর। এর
তাজা পাতা পিষে মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন, মুখের তৈলাক্ত ভাব
দূর হয়ে যাবে। ব্রণ ওঠাও বন্ধ হবে।
পুদিনার পাতা পিষে রস করে তার ভেতর দু'তিন ফোঁটা লেবুর রস
দিয়ে তা পান করলে ক্লান্তিভাবও দূর হয়। কেউ অজ্ঞান হয়ে পড়লে তার
নাকের কাছে তাজা পুদিনা পাতা ধরুন। জ্ঞান ফিরে আসবে। পুদিনার
পাতা ভালো করে পিষে তার রস ভালো করে মাথায় ব্যবহার করলে চুলের
উকুন দূর হয়।
---------------------------------------------
------------------------------
আপনার সুস্থতাই আমাদের কাম্য
৲৲ প্রতিদিন ১ চামচ মধু খাওয়ার ১২টি স্বাস্থ্য উপকারিতা ৲৲৲
মধু তার অসাধারণ ঔষধি গুনের কারনে প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
মধুর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, আয়োডিন, জিংক ও
কপার সহ অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান
যা আমাদের শুধুমাত্র দেহের বাহ্যিক দিকের জন্যই নয়, দেহের অভ্যন্তরীণ
অঙ্গ প্রত্যঙ্গের সুরক্ষায় কাজ করে।
সর্বগুন সম্পন্ন এই মধুর গুনের কথা বলে শেষ করা যাবে না। স্বাস্থ্য
সুরক্ষা, চিকিৎসা, সৌন্দর্য চর্চা- কোথায় নেই মধুর ব্যবহার? আসুন
দেখে নেয়া যাক মাত্র এক চামচ মধু কি কি অসাধারণ
উপকারে লাগতে পারে আপনার।
১)মধু হিউম্যাকটেন্ট যৌগে সমৃদ্ধ। এই যৌগটি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার
কাজ করে এবং ত্বকের উপরিভাগের ইলাস্টিসিটি বজায় রাখে। হিউম্যাকটেন্ট
যৌগটি ত্বককে নমনীয় করতেও সাহায্য করে। ফলে ত্বক থাকে দীর্ঘদিন
বার্ধক্যের ছাপ মুক্ত। প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু রঙ চা কিংবা দুধের
সাথে খেতে পারেন। সেই সাথে আপনার রোজকার ফেস প্যাকেও ব্যবহার
করতে পারেন মাত্র এক চামচ মধু। মধু ত্বকের উপরিভাগের মৃত কোষ দূর
করে ও মুখের ত্বকে ভাঁজ পড়া রোধ করে।
২)মধু শরীরের ক্ষত, পোড়া ও কাটা জায়গার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়।
মধুতে মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা ক্ষত, পোড়া ও
কাটা জায়গায় ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে। কোথাও পুরে,
কেটে গেলে ক্ষত স্থানে মধুর একটি পাতলা প্রলেপ দিয়ে দিন। ব্যথা কমবে ও
দ্রুত নিরাময় হবে। মধুতে আছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান যা ক্ষত
পরিষ্কার হতে সাহায্য করে ও ব্যথা, ঘ্রাণ, পূঁজ ইত্যাদি হ্রাস করে দ্রুত
ক্ষত নিরাময় করে।
৩)মধুতে রয়েছে অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান যা ছত্রাক ও অন্যান্য
কারনে ক্ষতিগ্রস্থ ত্বককে ঠিক করতে সাহায্য করে ও নতুন ত্বক
গঠনে ভূমিকা রাখে। চর্মরোগ হলে নিয়মিত আক্রান্ত স্থানে মধু লাগান।
এক চামচ মধুর সাথে অল্প পানি মিশিয়ে ব্যবহার করুন।
৪)মধুতে আছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহ যা সূর্যের
অতিবেগুনি রশ্মির বিরুদ্ধে কাজ করে শরীরের চামড়াকে ক্ষতির হাত
থেকে রক্ষা করে। অনেকটা প্রাকৃতিক সানস্ক্রিনের কাজ করে মধু।
রোদে পোড়া ত্বককে স্বাভাবিক করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এক চামচ
মধুর সাথে পানি মিশিয়ে প্রতিদিন মুখে ফেস প্যাকের মতন লাগান।
রোদে পোড়া জনিত কালো দাগ দূর হয়ে চেহারা হবে ঝলমলে।
৫)মধুতে বিদ্যমান গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ এবং শর্করা শরীরে শক্তি সবরাহের
কাজ করে। প্রতিদিন সকালে ১ চামচ মধু সারাদিনের জন্য দেহের পেশীর
ক্লান্তি দূর করতে সহায়তা করে ও আপনাকে রাখে এনার্জিতে ভরপুর।
৬)প্রতিদিন ১ গ্লাস পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে মধুতে বিদ্যমান
ক্যালসিয়াম রক্তে প্রবেশ করে। এবং রক্তে হিমোগ্লোবিনের ভারসাম্য
বজায় রাখে। এভাবে মধু রক্তস্বল্পতা রোগকে প্রতিরোধ করে।
৭)মধু ঠোঁটের ওপরের শুষ্ক ত্বক ও কালচে ভাব দূর করে ঠোঁটকে নরম ও
গোলাপি করে তুলতে সহায়তা করে। রাতে ঘুমের পূর্বে নিয়মিত ঠোঁটে মধু
লাগান। ঠোঁট হয়ে উঠবে নজর কাড়া সুন্দর।
৮)মধুর ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, সি কপার , আয়োডিন ও জিংক
দেহে এইচডিএল (ভালো) কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে এবং খারাপ
কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। ফলে মধু কোলেস্টেরল সংক্রান্ত রোগ
থকে দেহকে মুক্ত রাখে। দিনে অন্তত এক চামচ মধু
খেয়ে নিন,যেভাবে আপনার ভালো লাগে।
৯)সাইনাসের কিংবা শ্বাসপ্রশ্বাসের যে কোন সমস্যা থেকে মধুর প্রাকৃতিক
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহ দেহকে মুক্ত রাখে। চা কিংবা উষ্ণ পানির সাথে মধু
মিশিয়ে প্রতিদিন পান করলে উপকার পাওয়া যাবে।
১০)প্রতিদিন মধু খাওয়া হলে দেহের ইমিউন সিস্টেমের উন্নতি হয়।
ফলে আমাদের দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। সহজে অসুখ বিসুখ ও
জীবাণুর সংক্রমণ হয় না।
১১)মধু ওজন কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে ১ গ্লাস কুসুম গরম
পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে আমাদের হজম শক্তি বাড়ে ও
ফলে খাবারের ক্যালোরি দ্রুত ক্ষয় হয়। এতে ওজন কমে যায়। চিনির
বদলে মধুর ব্যবহার মুটিয়ে যাওয়ার হাত থেকেও রক্ষা করে।
১২)যাদের খুসখুসে কাশির সমস্যা আছে, তারা প্রতিদিন এক চামচ আদার
রসের সাথে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন। দ্রুত আরোগ্য হবে।
লাইক ও শেয়ার করে আমাদের সাথে থাকুন।
I love you" কথাটা অনেকেই জীবনে বলেছেন, অনেকে হয়তো বলার জন্য
আকুল হয়ে আছেন, কিন্তু বলার মানুষ পাচ্ছেন না।
কেন ভাই, আপনি কি আপনার স্রষ্টাকে একবার প্রাণভরে বলতে পারেন
না-"O Allah !! I love you !!" পারেন না?
যে প্রভু আপনাকে সৃষ্টি করলেন, আপনাকে অনন্ত নিয়ামতের
সাগরে ডুবিয়ে রাখলেন, তাঁর এত এত নিয়ামত প্রতিনিয়ত ভোগ করে একটিবার
তাঁরই দেওয়া বিবেককে কাজে লাগিয়ে, তাঁরই দেওয়া চক্ষু আর হৃদয়কে সিক্ত
করে ডাকতে পারেন না?
পরম ভালোবাসায় বলতে পারেন না-"Ya my Lord !! I am just for you,
just for you, just for You. I love you more than anything in
the universe."
আপনি কোন মানুষকে হৃদয়ের সবটুকু উজাড় করে দিয়ে ভালোবাসলেও
সে আপনাকে তার প্রতিদানে হয়তো কেবল কষ্টই দিয়ে যাবে।
হতে পারে সে আপনার ভালোবাসা বুঝতেই পারে না। কিন্তু আল্লাহ??
বান্দা একবার তাঁকে ডাকলে সাথে সাথে তিনি সাড়া দিয়ে বলেন-“হে আমার
বান্দা !! আমি হাজির !! বল তুমি কী চাও আমার কাছে !!” সুবহানআল্লাহ !!
এই তো স্রষ্টা আর সৃষ্টির পার্থক্য !! আল্লাহকে ডাকতে দেরি আছে কিন্তু
আল্লাহ্র সাড়া দিতে দেরি নেই !! তিনি তৈরি হয়েই আছেন বান্দা কখন
আমাকে ডাকবে, আর আমি সাথে সাথে সাড়া দেব !! এই তো আমার
পরওয়ারদিগার !! এই তো আমার আল্লাহ !!
এই আল্লাহকে একটাবার ডেকে দেখেছেন কি? আল্লাহ্র সাথে বান্দার
সম্পর্ক এতটাই গাঢ় যার তুল্য কোন সম্পর্ক দুনিয়ায় নেই। আর সেই
সম্পর্কের স্বাদ পেতে হলে আল্লাহ্র দেখানো পথে চলতে হবে।
আল্লাহকে অনুভব করার চেষ্টা করতে হবে। সমস্ত কিছু আল্লাহরই
হাতে সঁপে দিয়ে তাঁর কাছে চাইতে হবে। এই সম্পর্কের স্বাদ যে একবার
পেয়েছে, তার কাছে দুনিয়ার সমস্ত সম্পর্কের বেড়াজাল নিতান্ত তুচ্ছ
হয়ে যায়। বেশ রাত হয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যে হয়তো অনেকে ঘুমিয়ে পড়বেন।
অনেকে আবার গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ডের সাথে আলাপ করে রাত
কাটিয়ে দেবে। সেখানে বহু বার বলা হবে- I love you.
বলা হবে না কেবল আল্লাহকে, সেই সত্ত্বাকে, যার হাতে আমার- আপনার
জীবন ও মরণ।
প্রেমিক- প্রেমিকার জন্য মন কাঁদবে, কতবার চোখে জল আসবে।
আসবে না কেবল আল্লাহ্র জন্য, তাঁর জন্য থাকবে না কোন
ভালোবাসা বরাদ্দ।
রাতের পর রাত কেটে যাবে প্রেমালাপে, কেবল রাতের কিছু সময় তাহাজ্জুদের
নামাজে দাঁড়িয়ে ক্রন্দন করা হবে না।
সত্যিই, আমরা কতই না মূর্খ আর অকৃতজ্ঞ।
>>>>>> 2014 সালের
সেরা পোস্ট
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Khadim Para, Sylhet
Sylhet