Hello Daktar
14/09/2024
কিডনি বা লিভারজনিত সমস্যা হলেও দিনের বেলায় মাত্রাতিরিক্ত ঘুমের ভাব হতে পারে। মস্তিষ্কের কিছু রোগের কারণেও হতে পারে এই সমস্যা। হার্টের কিছু রোগ, এমনকি ক্যানসার থেকেও হতে পারে অতিরিক্ত ঘুম ঘুম ভাব। আরেকটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ কারণ হচ্ছে স্লিপ অ্যাপনিয়া সিনড্রোম।
বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের টিকেট নিতে রেজিষ্ট্রেশন করুন www.hellodaktar.com
যোগাযোগ : ০১৯৫৮০৮৯৮৮০
০১৯৫৮০৮৯৮৮২( whats app)
Welcome to Hello Daktar বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের টিকেট করার পূর্বে অবশ্যই যোগাযোগ করুন ০১৯৫৮০৮৯৮৮০(ওয়াটসএপ)
12/09/2024
আমাদের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর টিকেট নিতে রেজিষ্ট্রেশন করুন www.hellodaktar.com
যোগাযোগ :০১৯৫৮০৮৯৮৮০
(whats app)
Welcome to Hello Daktar বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের টিকেট করার পূর্বে অবশ্যই যোগাযোগ করুন ০১৯৫৮০৮৯৮৮০(ওয়াটসএপ)
09/09/2024
পেটের পীড়া
পেটব্যথা, পেটফাঁপা, পায়খানার সঙ্গে আম যাওয়া, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমন্বয় ইত্যাদি। কোনো রোগীকে আইবিএস হিসেবে শনাক্ত করতে হলে এ লক্ষণগুলোতে অন্তত দুটি লক্ষণ তিন মাস পর্যন্ত উপস্থিত থাকতে হবে। এছাড়া অন্য যেসব লক্ষণ থাকতে পারে, সেগুলো হল- পেটে অত্যধিক গ্যাস, পেটে অত্যধিক শব্দ, বুক জ্বালা, বদহজম, পায়খানা সম্পূর্ণ না হওয়া, পেটে ব্যথা হলে টয়লেটে যাওয়ার খুব তাড়া, পেটব্যথা হলে পাতলা পায়খানা হওয়া, শারীরিক অবসাদ ও দুর্বলতা, মাথাব্যথা, পিঠে ব্যথা, কোমরে ব্যথা, ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ, নারীদের ক্ষেত্রে মাসিক চলাকালীন কিংবা মিলনের সময় ব্যথা। কিন্তু যদি পায়খানার সঙ্গে রক্ত পড়ে, শরীরের ওজন কমে যায় এবং হঠাৎ পায়খানার ঘনত্বের পরিমাণ কমে যায়, এগুলো অন্য কোনো রোগের এমনকি কোলোরেকটাল ক্যান্সারের উপসর্গও নির্দেশ করে। এ অবস্থায় অতিসত্বর কোনো গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টের শরণাপন্ন হতে হবে।
রোগ নির্ণয়
এ রোগ সাধারণত উপসর্গের ওপর ভিত্তি করে নির্ণয় করা হয়। রোগীর বয়স ও সুনির্দিষ্ট লক্ষণের ওপর নির্ভর করে এক বা একাধিক পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। ৪০ বছরের কম বয়সী রোগীদের ক্ষেত্রে লক্ষণের ওপর নির্ভর করে রোগ শনাক্ত করা যায়। বয়স ৪০ বছরের ওপরে হলে কিছু পরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে। তবে আইবিএস রোগীর ক্ষেত্রে এসব পরীক্ষার ফলাফল স্বাভাবিক থাকবে। পরীক্ষাগুলো হল-
* রক্ত পরীক্ষা
* মল পরীক্ষা
* পেটের এক্স-রে
* বেরিয়াম এনেমা
* প্রক্টোসিগময়ডোস্কপি/ কোলোনোস্কপি
চিকিৎসা
আইবিএস ঝুঁকিপূর্ণ রোগ নয়, সংক্রামক রোগও নয়, এমনকি বংশগত রোগও নয়। এ রোগ অন্ত্রের ক্যান্সার কিংবা অন্য কোনো ক্যান্সারের কারণ নয়, এ কথাগুলো রোগীর চিকিৎসা শুরুর আগে রোগীকে ভালো করে বুঝতে হবে। প্রথমেই রোগী ও চিকিৎসকের মধ্যে একটা সম্পর্ক গড়ে নিতে হবে। তাহলেই এ রোগের চিকিৎসায় ভালো ফল পাওয়া যাবে। রোগীর উপসর্গ কমে না বলে রোগী ঘন ঘন চিকিৎসক পরিবর্তন করেন। ঘন ঘন চিকিৎসক পরিবর্তন করলেই ভালো ফল লাভ করা যাবে না, এ কথা রোগীকে বুঝাতে হবে। বিদেশী সমীক্ষায় দেখা গেছে, আইবিএস রোগীদের মধ্যে ১০ শতাংশ চিকিৎসকের কাছে যান। অধিকাংশ রোগী সামান্য ব্যবস্থায়ই উপশম লাভ করেন। কিন্তু তাদের ২৫ শতাংশ রোগীর উপসর্গের কোনো পরিবর্তন হয় না। এমনকি তাদের অবস্থা আগের চেয়েও খারাপ হতে পারে।
বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর টিকেট নিতে রেজিষ্ট্রেশন করুন
www.hellodaktar.com
যোগাযোগ : ০১৯৫৮০৮৯৮৮০
০১৯৫৮০৮৯৮৮২
08/09/2024
ডায়রিয়ার লক্ষণ
নিচের লক্ষণ এবং উপসর্গগুলি দেখা গেলে ধরে নেওয়া হয় একজন ব্যক্তি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন।
পেট ফেঁপে থাকা।
পেটে খিঁচুনি বা ব্যথা অনুভূত হওয়া
বমি বমি ভাব।
বমি হওয়া।
জ্বর হওয়া।
তরল জলের মত মল।কখনো কখনো ফ্যানা সৃষ্টি হয়।
মল আঁশটে দূর্গন্ধযুক্ত হয়ে থাকে।
মলে অনেকসময় রক্ত দেখা যায়।
মলে শ্লেষ্মা বের হয়ে আসা।
ঘন ঘন মলত্যাগ।
ডায়রিয়ার জন্য ঘরোয়া প্রতিকার
ডায়ারিয়ার সবথকে বড় পথ্য হল ওআরএস- এর জল।দুপুরে ভাতের সঙ্গে পাতলা ডালের জল,পাতলা লিকার চা খেতে পারেন। আসলে ডায়েরিয়ায় দেহ থেকে প্রচুর জল বেরিয়ে যায় তাই জলের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য ঘন ঘন ওআরএস- এর জল খাওয়া দরকার।রাতের দিকে হালকা খাবার খাওয়া উচিত।
ডায়রিয়ায় কি খাবেন
ডায়রিয়া হলে জলের পরিমাণ বেশি আছে এ ধরনের খাবার বেশি খাওয়া দরকার। তরল জাতীয় খাবার যেমন ঝোল,জুস ইত্যাদি খান অবশ্যই প্রচুর জলপান করুন।আপনার মল স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসাতে শুরু করলে ধীরে ধীরে সেমিসলিড এবং কম ফাইবারযুক্ত খাবার আহারে যোগ করুন।
বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর টিকেট নিতে রেজিষ্ট্রেশন করুন www.hellodaktar.com
যোগাযোগ :০১৯৫৮০৮৯৮৮০
০১৯৫৮০৮৯৮৮২
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the practice
Telephone
Website
Address
Sylhet
3100