Legal Exhort
ট্রাফিক আইনে কোন অপরাধে কত জরিমানা
===============================
‘ট্রাফিক আইন মেনে চলুন’- এ কথা কয়টি আমাদের দেশে বিভিন্ন জায়গায় বহুল ব্যবহৃত। সারাদেশে যেভাবে মোটরগাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সড়ক দূর্ঘটনা। মোটরগাড়ি চালানোর আইন-কানুন না জানা কিংবা আইন-কানুনকে তোয়াক্কা না করার প্রবণতাই এসব দূর্ঘটনার মূল কারণ।
তবে বাংলাদেশে মোটরগাড়ির জন্য আছে বিশেষ আইন যা অমান্য করলে জরিমানা কিংবা মামলা হতে পারে। অতএব রাস্তায় গাড়ি নিয়ে নামার আগে জানতে হবে এর সাথে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি সমূহ। সেটি জানাতে ১৯৮৩ সালের ‘মোটরযান আইন’ অনুযায়ী কোন অপরাধে কি শাস্তির বিধান আছে তা সংক্ষেপে তুলে ধরা হলঃ-
১) নিষিদ্ধ হর্ণ/হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহারঃ জরিমানা ১০০ টাকা (ধারাঃ ১৩৯)
২) আদেশ অমান্য বাধা সৃষ্টি ও তথ্য প্রদানে অস্বীকৃতিঃ জরিমানা ৪০০ টাকা {ধারা ১৪০(১)}
৩) ওয়ানওয়ে সড়কে বিপরীত দিকে গাড়ি চালানোঃ জরিমানা ২০০ টাকা {ধারাঃ ১৪০(২)}
৪) অতিরিক্ত গতি বা নির্ধারিত গতির চেয়ে দ্রুত গতিতে গাড়ি চালানোঃ জরিমানা ৩০০ টাকা, অপরাধের পুনরাবৃত্তি করলেঃ জরিমানা ৫০০ টাকা (ধারাঃ ১৪২)
৫) দূর্ঘটনা সংক্রান্ত যে সকল অপরাধ থানায় ব্যবস্থা নেওয়া হয় নাইঃ জরিমানা ৫০০ টাকা, অপরাধের পুনরাবৃত্তি করলেঃ জরিমানা ১০০০ টাকা (ধারাঃ ১৪৬)
৬) নিরাপত্তা বিহীন অবস্থায় গাড়ি চালানোঃ জরিমানা ২৫০ থেকে ১০০০ টাকা (ধারাঃ ১৪৯)
৭) কালো বা অতিরিক্ত ধোঁয়া বের হওয়া মোটরযান ব্যবহারঃ জরিমানা ২০০ টাকা (ধারাঃ ১৫০)
৮) মোটরযান আইনের সাথে সঙ্গতিবিহীন অবস্থায় গাড়ি বিক্রয় বা ব্যবহার, গাড়ির পরিবর্তন সাধনঃ জরিমানা ২০০০ টাকা (ধারাঃ ১৫১)
৯) রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট বা ফিটনেস সার্টিফিকেট অথবা রুট পারমিট ব্যতীত মোটরযান ব্যবহারঃ জরিমানা ১৫০০ টাকা, অপরাধের পুনরাবৃত্তি করলেঃ জরিমানা ২৫০০ (ধারাঃ ১৫২)
১০) অনুমোদন বিহীন এজেন্ট বা ক্যানভাসার নিয়োগঃ জরিমানা ৫০০ টাকা, অপরাধের পুনরাবৃত্তি করলেঃ জরিমানা ১০০০ টাকা (ধারাঃ ১৫৩)
১১) অতিরিক্ত মাল বা অনুমোদিত ওজন অতিক্রম পূর্বক গাড়ি চালনাঃ জরিমানা
১০০০ টাকা, অপরাধের পুনরাবৃত্তি করলেঃ জরিমানা ২০০০ টাকা (ধারাঃ ১৫৪)
১২) বীমা ব্যতীত গাড়ি চালানোঃ জরিমানা ৭৫০ টাকা (ধারাঃ ১৫৫)
১৩) অনুমতি ব্যতীত গাড়ি চালানোঃ জরিমানা ৭৫০ টাকা (ধারাঃ ১৫৬)
১৪) প্রকাশ্য সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিঃ জরিমানা ৫০০ টাকা (ধারাঃ ১৫৭)
১৫) গাড়ীর ব্রেক কিংবা কোন যন্ত্র অথবা গাড়ির বডি কিংবা স্পিড গর্ভণর সীল বা ট্যাক্সি মিটারের উপর অন্যায় হস্তক্ষেপ করাঃ জরিমানা ৫০০ টাকা (ধারাঃ ১৫৮)
১৬) যদি কোন ব্যক্তি ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ী চালায়,গাড়ীতে মেটালিক নাম্বার প্লেট ব্যবহার করে,ট্যাক্স টোকেনের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়, নাম্বার প্লেট অস্পষ্ট, বাম্পার দ্বারা নাম্বার প্লেট আবৃত থাকে এবং রং পার্কিং করে; তাহলে উক্ত দ্বারা মোতাবেক ড্রাইভার বা মালিকের ২০০/-টাকা জরিমানা হবে।
যে সকল অপরাধের জন্য মোটরযান আইনে সুনির্দিষ্ট কোন শাস্তির ব্যবস্থা নেইঃ জরিমানা ২০০ টাকা, অপরাধের পুনরাবৃত্তি করলেঃ জরিমানা ৪০০ টাকা (ধারাঃ ১৩৭)।
ট্রাফিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করুন।
১০-০৫-২০২১ ইং
ঘটনাস্থল :- থানা-ছাতক, জেলা- সুনামগঞ্জ।
বিষয়বস্তু :- একজন মহিলাকে ইভটিজিং, ইমোশনাল ব্লাকমেইল, তার পরিবারকে থ্রেট ও বিয়ে করার জন্য চাপ।
সংক্ষেপে বিস্তারিত :- অভিযোগকারী বাংলাদেশের একজন প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক। লিঙ্গ- মহিলা এবং পেষা- শিক্ষার্থী। তার অভিযোগ, তাদের পাশ্ববর্তী গ্রামের একটি ছেলে বছর ছয়এক আগে তাকে রাস্থায় বিরক্ত করতো এবং বিভিন্ন কুপ্রস্তাব দিত। এক সময় ছলেটা দেশের বাইরে চলেযায়। যাওয়ার পর বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ফেইসবুক আইডি, ওয়াটসেপ ও ইমো থেকে মহিলার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করত। যোগাযোগ না করলে বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি দেখাতো। অভিযোগকারীর জন্য অনেক যায়গা থেকে বিয়ের প্রস্তাব আসত, সেই প্রস্তাবগুলো অভিযোক্ত এবং তার পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন কৌশলে ভেঙ্গে দিত। এইরূপ পরিস্থিতিতে অভিযোগকারী ও অভিযোক্তের মধ্যে একটা পেমের সম্পর্ক হয়। কিন্ত কিছুদিন পরে অভিযোগকারী বুঝতে পারেন অভিযোক্তের স্বভাবচরিত্র ভালোনা এবং সে বিকৃত মস্তিষ্কের অধিকারি। তাই তিনি উক্ত সম্পর্ক ছিন্ন করে দেন। কিন্তু পরবর্তীতে অভিযোক্ত ব্যাক্তি শুরু করেন এক নাটকিয় খেলা, তিনি মহিলা এবং তার পরিবারকে ভয়ভিতি দেখান, নিজে আত্বহত্তা করবেন বলে হুমকি দেন, তাদের পরিচিতদের কাছে তাদের সম্পর্কে নানা মিথ্যা কিচ্ছা রটাতে থাকেন, সে অন্য যায়গায় বিয়ে করলে সংসার করতে দিবেনা ইত্যাদি। এক সময় তার পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্যরাও এরুপ কার্যকলাপ শুরু করেন।
ফলাফল:- আমরা উভয় পক্ষের সাথে যোগাযোগ করি তাদের বক্তব্য শুনি। একটা ভার্চুয়াল কাউন্সিলিং এ-র আয়োজন করি। যার মাদ্যমে তাদের বুঝাতে সক্ষম হই প্রেমের কোনো সামাজিক, ধর্মিয় বা আইনি মর্জাদা নাই। আপনি এটার জন্য আদালতে কোনো প্রকার রেমেডি চাইতে পারবেননা। কিন্তু অভিযোক্তরা যে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তা সম্পুর্ন বে - আইনী ও দণ্ডনীয় অপরাধ এবং তার জন্য আপনাদের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে। অবশেষে উক্ত কাউন্সিলিন্নন্নং-এর মাধ্যমেই ঘটনার মিমাংসা হয় এবং ১০-০৫-২০২ইং তারিকে উক্ত মহিলার পারিবারিক ভাবে অন্যত্র বিয়ে হয়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the practice
Telephone
Website
Address
Sadar
Sylhet
3100