Md Rajib Hasan

Md Rajib Hasan

Share

11/07/2023

“হার্নান জর্জ ক্রেসপো” সংক্ষেপে হার্নান ক্রেসপো। ১৯৭৫ সালের আজকের দিনে (৫ জুলাই) আর্জেন্টিনায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯ বছরের ফুটবল ক্যারিয়ারের হার্নান ক্রেসপো ৩০০ গোলের মালিক ছিলেন এবং তিনি আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের হয়ে ৩৫ গোল করেন । তিনি আর্জেন্টিনা তথা ফুটবল ইতিহাসেরই অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। তৎকালীন ক্লাব পর্যায়ে ক্রেসপো ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়, যখন ২০০০ সালে পারমা থেকে লাজিও তাকে €৫৬ মিলিয়ন (£৩৫.৫ মিলিয়ন) দিয়ে কিনেছিল। ২০০৪ সালে ফিফা কর্তৃক ফুটবল ইতিহাসের সেরা ১০০ জীবিত ফুটবলারের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয় হার্নান ক্রেসপোর নাম।

১৯৯৩-১৯৯৪ মৌসুমে রিভার প্লেটের হয়ে ক্লাব ফুটবলে অভিষেক করেন “হার্নান জর্জ ক্রেসপো”। ক্লাবের হয়ে তিনি ২৫ ম্যাচ খেলে ১৩টি গোল করেন এবং অ্যাপারচার লীগের শিরোপা জিতেন। ১৯৯৬ সালে রিভার প্লেটকে কোপা লিবার্তাদোরেসের শিরোপা জেতাতে হার্নান জর্জ ক্রেসপো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

ক্রেসপো ১৯৯৬ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে আর্জেন্টিনার হয়ে রৌপ্য পদক জিতেছেন এবং অলিম্পিকে ছয়টি গোল দিয়ে শীর্ষ গোলদাতার কৃতিত্ব অর্জন করেন। এর পরপরই তিনি রিভার প্লেট ছেড়ে ১৯৯৬ সালে ইতলিয়ান ক্লাব পারমায় যোগ দেন। তৎকালীন পারমা ক্লাবের প্রধান কোচ ছিলেন ডন কার্লো আনচেলত্তি...

এরপর ক্রেসপো লাজিও তে (২০০০-২০০২), ইন্টার মিলানে (২০০২-২০০৩), চেলসি তে (২০০৩-২০০৪), এসি মিলানে (২০০৪-২০০৫) এ খেলেন। ক্রেসপো ০৪-০৫ মৌসুমে ক্লাব মিলানের হয়ে ১০টি গোল করেন, এবং উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে লিভারপুলের বিপক্ষে ২টি গোল করেন। যদিও ৩-০ গোলের লিডে থেকেও মিলান (৩-৩) পেনাল্টি শ্যুট-আউটে লিভারপুলের কাছে হেরে যায়...

চেলসির তৎকালীন কোচ হোসে মরিনহো ক্রেসপো কে ২০০৪-০৫ মৌসুমে বিক্রি করে দিয়ে, ০৫-০৬ মৌসুমে আবার চেলসি তে ফিরিয়ে আনে এবং ক্রেসপোর দারুন ফর্মের কারণে ২০০৫-২০০৬ মৌসুমে ক্লাব চেলসি লীগ শিরোপা ঘরে তোলে।

এরপর ০৬-০৭ মৌসুমে ক্রেসপো আবারো ইটালিয়ান সিরি-এ তে খেলার ইচ্ছা পোষণ করে এবং ইন্টার মিলান তাকে ২ সিজনের জন্যে লোনে নেয় এবং ক্লাব ইন্টার মিলানের আগ্রহের কারণেই ক্রেসপো এক বছরের জন্য ক্লাব ইন্টার মিলানের সাথে চুক্তিবদ্ধ হন।

এরপর জেনোয়া তে (২০০৯-২০১০), এবং পারমা তে ২০১০ এ যোগ দিয়ে ২০১২ সালের নভেম্বর মাসে তিনি তার দীর্ঘ ফুটবল ক্যারিয়ারের ইতি টানেন। ১০ বছর পর নিজের ক্লাব পারমা তে এসেই তিনি আবারো সিজনে পারমার হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা হন।
১৯ বছরের দীর্ঘ ফুটবল ক্যারিয়ারে হার্নান জর্জ ক্রেসপো কখনো লাল কার্ড দেখেননি।

১৯৯৫ সালে বুলগেরিয়ার বিপক্ষে একটি ফ্রেন্ডলি ম্যাচে আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের হয়ে হার্নান ক্রেসপোর অভিষেক ঘটে এবং ম্যাচটিতে আর্জেন্টিনা বুলগেরিয়ার বিপক্ষে জয় পায়। ক্রেসপো ১৯৯৫ সালে আর্জেন্টিনার হয়ে “কিং ফাহাদ কাপ” খেলেছিলেন, এবং আর্জেন্টিনা রানার্স আপ হয়েছিলো।আর্জেন্টিনার জার্সিতে তিনি ৩৫ গোল করেছেন এবং মেসি, বাতিস্তুতা, আগুয়েরোর পরে তিনি আর্জেন্টিনার চতুর্থ সর্বোচ্চ গোলদাতা।

তিনি তিনটি ফিফা বিশ্বকাপে খেলেছেন: ১৯৯৮, ২০০২, ২০০৬। ১৯৯৮ এ ক্রেসপো ভালো ফর্মে থাকার পরেও গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতা তখন ছিলেন দলের প্রধান স্ট্রাইকার। তাই ক্রেসপোকে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে রাখা হয়েছিলো... ২০০২ সালের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বোচ্চ গোল করেন ক্রেসপো। দলের হয়ে তিনি ৯টি গোল করেন। আর্জেন্টিনা ঐ বিশ্বকাপে তারকাপূর্ণ দল এনেও গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পড়েন। পরে বাতিস্তুতা অবসর নিলে ৯ নং জার্সিটি ক্রেসপো পান এবং জাতীয়দলের হয়ে তিনি তার সামর্থ্যের প্রমাণ দেন।

শুভ জন্মদিন হার্নান ক্রেসপো। আর্জেন্টাইন ফুটবল ভক্তরা আপনাকে মনে রাখবেন আজীবন। ❤️🙌

04/04/2023

ক্বাবা চত্বরে হাজ্বিদের সেজদারত এই ছবি টুইটারে সাড়া ফেলেছে ❤
ফটোগ্রাফি : আব্দুর রহমান আল সাহলি
সুবহানাল্লাহ ❤️

#ℝ𝕒𝕞𝕒𝕕𝕒𝕟

Photos from Md Rajib Hasan's post 12/01/2023

Sanabil Foundation always stands by the welfare of people and humanitarian work. ✌️

Want your business to be the top-listed Media Company in Sylhet?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Sylhet
3300