TAJKIYA

TAJKIYA

Share

Photos from TAJKIYA's post 08/05/2026

জীবন কত সংক্ষিপ্ত!

একটা সকাল হঠাৎ করে শুরু হয়, আর চোখের পলকে সন্ধ্যা নেমে আসে, মাঝখানে কত কাজ, কত কথা, কত দৌড়,সবই শেষমেশ একই নীরবতায় মিশে যায়......🕊️

আমরা ভাবি সময় অনেক আছে হাতে, কিন্তু দিনগুলো ধীরে ধীরে ফুরিয়ে যায়। যে টা “পরে করবো” বলে ফেলে রাখি, সে ‘পরেটা’ আর কখনো আসে না।

একটা মুহূর্তেই বদলে যায় সব হিসাব। জীবন তখন শুধু দ্রুত ফুরানো একটি গল্প.........🌸🍂

Photos from TAJKIYA's post 27/12/2025

🌿 লালাখাল, সিলেট
______________________

মেঘালয় পাহাড়ঘেঁষা সিলেট জেলার লালাখাল দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠা একটি পর্যটন এলাকা। চারপাশে পাহাড়, চা-বাগান, ঘন বনভূমি ও নদী–সব মিলিয়ে লালাখাল যেন প্রকৃতির এক অপূর্ব নীল স্বর্গ। এখানকার প্রধান আকর্ষণ হলো শারি নদী, যার স্বচ্ছ নীল-সবুজ পানির সৌন্দর্য যে কাউকে মুগ্ধ করে।

🚤 শারি নদীতে নৌকা ভ্রমণ
লালাখালে এলে শারি নদীতে নৌকা ভ্রমণ অবশ্যই করা উচিত। নদীর পানির রঙ এতটাই স্বচ্ছ যে নিচের পাথর পর্যন্ত দেখা যায়। নদীর দু’পাশে ছোট ছোট সবুজ টিলা ও পাহাড়ি দৃশ্য নৌকা ভ্রমণকে করে তোলে আরও রোমাঞ্চকর ও শান্তিময়।

🌱 লালাখাল চা বাগান ভ্রমণ
নদীর অপর পাড়েই অবস্থিত লালাখাল চা বাগান, যা দেশেaর অন্যতম প্রাচীন ও মনোরম চা বাগান হিসেবে পরিচিত। সারি সারি চা গাছ, পাহাড়ি পরিবেশ ও নির্মল বাতাস মনকে এনে দেয় প্রশান্তি।
নদীর পাশে ছোট ছোট চায়ের দোকানে বসে গরম চা পান করতে করতে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করা এক ভিন্নরকম অভিজ্ঞতা।

🌤️ লালাখাল ভ্রমণের উপযুক্ত সময়
লালাখাল ভ্রমণের জন্য শীতকালই সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। এ সময় নদীতে পানির প্রবাহ কম থাকে, ফলে শারি নদীর পানি থাকে শান্ত, স্বচ্ছ ও নীল-সবুজ রঙের। এছাড়াও শীতকালে এখানে বিভিন্ন প্রজাতির পরিযায়ী পাখি দেখা যায়, যা প্রকৃতি প্রেমীদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ।

🚗 কীভাবে যাবেন লালাখাল
লালাখাল সিলেট শহর থেকে প্রায় ৪৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। সিলেট থেকে বিভিন্নভাবে লালাখালে যাওয়া যায়।
সিলেট থেকে গাড়ি বা মাইক্রোবাস ভাড়া: ২৫০০–৩৫০০ টাকা (দিনপ্রতি)
সময় লাগে: ৬০–৯০ মিনিট
আরামদায়ক ও পরিবারসহ ভ্রমণের জন্য এটি সবচেয়ে ভালো উপায়।
ভাড়া: প্রায় ১০০০–১৫০০ টাকা
খুব কম খরচে পাবলিক পরিবহনেও লালাখালে যাওয়া যায়—
সিলেট শহরের সুবানিঘাট পয়েন্ট বা ওসমানী শিশু পার্ক থেকে
বাস ভাড়া: ৪৫ টাকা, লেগুনা ভাড়া: ৩৩ টাকা। সময় লাগে: ১.৫–২ ঘণ্টা।
এসব যানবাহন আপনাকে পৌঁছে দেবে শারীঘাটে। শারীঘাট থেকে লালাখাল প্রায় ৪ কিলোমিটার দূরে। লোকাল অটোরিকশা ভাড়া: ৫০–৮০ টাকা
পর্যটকরা চাইলে নৌকা বা স্পিডবোটেও লালাখালে যেতে পারেন।
এই নৌযাত্রা অত্যন্ত রোমাঞ্চকর, কারণ পথে শারি নদীর সবুজ-নীল পানির সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। নৌকা ভাড়া: প্রায় ৫০০–৭০০ টাকা স্পিডবোট ভাড়া: প্রায় ১৫০০–২০০০ টাকা

🌿 নাজিমগড় উইল্ডারনেস রিসোর্ট (Nazimgarh Wilderness)
লালাখালের অন্যতম সুন্দর ও অভিজাত রিসোর্ট হলো নাজিমগড় উইল্ডারনেস। প্রাকৃতিক পরিবেশের মাঝে অবস্থিত এই রিসোর্টে থাকার অভিজ্ঞতা অত্যন্ত আরামদায়ক ও বিলাসবহুল।
প্রতিরাতের খরচ: প্রায় ১২,৫০০ থেকে ৪৪,০০০ টাকা
কক্ষসংখ্যা সীমিত হওয়ায় আগে থেকেই রুম বুকিং করা উত্তম, কারণ দ্রুতই সব কক্ষ পূর্ণ হয়ে যায়।

⛺ টেন্ট ক্যাম্প লালাখাল
অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমী পর্যটকদের জন্য শারি নদীর পাড়ে রয়েছে টেন্ট ক্যাম্প লালাখাল। নদীর ধারে তাঁবুতে রাত কাটানো এক অনন্য ও রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা, যেখানে প্রকৃতির খুব কাছ থেকে সময় কাটানোর সুযোগ পাওয়া যায়।

🍽️ লালাখালে খাবারের জায়গা
রিভার কুইন রেস্টুরেন্ট (The River Queen Restaurant):
শারি নদীর তীরে অবস্থিত রিভার কুইন রেস্টুরেন্ট লালাখালের অন্যতম জনপ্রিয় খাবারের স্থান। এখানে সুস্বাদু খাবারের পাশাপাশি নদীর মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যায়। এই রেস্টুরেন্ট থেকে প্রায় ৩০ মিনিটের শান্ত নৌকা ভ্রমণের সুবিধাও রয়েছে, যা ভ্রমণকে আরও উপভোগ্য করে তোলে।

Photos from TAJKIYA's post 16/12/2025

শীতের সকাল আর এক টুকরো প্রশান্তি!!!❤️☕❤️

Photos from TAJKIYA's post 09/08/2025

সবুজ ছোয়া......

Photos from TAJKIYA's post 03/08/2025

🌿 সীতারানী লেক – চা-বাগানের মাঝে এক স্বপ্নিল জলাভূমি

হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলা—যেখানে প্রকৃতি যেন নিজের হাতে এঁকে রেখেছে সৌন্দর্যের অপূর্ব এক ক্যানভাস। এই চা-বাগানঘেরা অঞ্চলের মাঝে হঠাৎ করেই ভাইরাল হয়ে উঠেছে একটি অপার সৌন্দর্যে ভরা লেক—সীতারানী লেক। স্থানীয়ভাবে অনেকে একে সীতা রাণী লেক বা সীতার হাওর লেক বলেও ডেকে থাকেন।

সীতারানী লেকটি অবস্থিত চুনারুঘাট উপজেলার নাসিমাবাদ চা-বাগানের পাশে। এই লেকটি মূলত একটি প্রাকৃতিক জলাশয়, তবে সৌন্দর্য, শান্ত পরিবেশ এবং বিস্তৃত জলরাশির কারণে এটি দ্রুতই স্থানীয়দের ও পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।

সীতারানী লেক এখনো তেমন জনসমাগমে ভরা নয়, তাই প্রকৃতির আসল রূপ দেখতে চাইলে এটি হতে পারে আপনার পরবর্তী ভ্রমণের গন্তব্য। শোরগোলহীন পরিবেশ, সবুজের মাঝে শান্ত জলরাশি—সব মিলিয়ে এক পরিপূর্ণ নিঃশ্বাস ফেলার জায়গা।

আপনি যদি প্রকৃতি ভালোবাসেন, ভ্রমণে শান্তি খুঁজে পান, তাহলে একবার ঘুরে আসুন সীতারানী লেক থেকে।

🧭 কিভাবে যাবেন?

হবিগঞ্জ জেলা শহর থেকে চুনারুঘাট উপজেলায় যাওয়া যায় বাস বা সিএনজি অটোরিকশায়। চুনারুঘাট বাজার থেকে বরজুস বাজার, কালিঙ্গা রোড হয়েও যাওয়া যায় আবার রানীগাও রাস্তা দিয়েও সহজেই পৌঁছানো যায় নাসিমাবাদ চা-বাগানের ভিতরে এই লেকটির কাছে। সবথেকে ভালো হয় বাইক, বা সি এন জি রিজার্ভ নিয়ে নিলে চুনারুঘাট থেকে।

29/07/2025

যদি কেউ একদিন এসে জিজ্ঞেস করে,
What's the one thing you have done the most in life?
আমি একটুও না ভেবে বলব-

I waited...

আমি অপেক্ষা করেছি...
একটা better time এর জন্য, একটু সুখের জন্য, একটু শান্তির জন্য, অথবা কোনো একটা miracle moment এর-যা বদলে দিত সবকিছু।

আমি অপেক্ষা করেছি..
কারো বলা কথা সত্যি হওয়ার জন্য।

Funny thing is
I never stopped waiting,
because somewhere deep inside…And I still believe it’s not over yet.

Photos from TAJKIYA's post 10/07/2025

🏛 বালিয়াটি জমিদার বাড়ি — সময়ের পটে আঁকা এক স্থাপত্য–সম্রাজ্য!

ঢাকা থেকে মাত্র ৩৫–৪০ কিলোমিটার দূরে, মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি গ্রামে দাঁড়িয়ে আছে ইতিহাসের এক নীরব সাক্ষী—বালিয়াটি জমিদার বাড়ি। এটি শুধুমাত্র একটি জমিদার বাড়ি নয়, বরং একটি যুগের প্রতীক, যেখানে রাজকীয়তা, ঐতিহ্য, শিল্প ও স্থাপত্য—সব মিলে গাঁথা এক অমর কাব্য। বাড়িটির সামনেই বিশাল খোলা মাঠ, সবুজ গাছগাছালি আর নীল আকাশ—সব মিলিয়ে এখানে যেন ইতিহাস ও প্রকৃতি পাশাপাশি বসবাস করছে। দীঘির পাড়ে বসে আপনি অতীতকে কল্পনায় ছুঁয়ে দেখতে পারেন। ভেতরের ঘরগুলোয় দাঁড়িয়ে চোখ বুজলে যেন শোনা যায়—নওয়াবদের পায়ের শব্দ, আনারকলির ঘুঙুর, কিংবা জমিদারদের বিচার সভার গম্ভীর সুর।

১৮শ শতাব্দীতে নির্মিত এই জমিদার বাড়ির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন জমিদার গোবিন্দরাম সাহা, যিনি মূলত লবণের ব্যবসার মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হন। পরবর্তীতে তার উত্তরসূরিদের হাত ধরে গড়ে ওঠে বিশাল এই প্রাসাদ–সমূহ। বাড়িটি মোট ৭টি প্রাসাদ নিয়ে গঠিত, যার মধ্যে ৫টি এখনো দৃশ্যমান ও সংরক্ষিত। পাশ দিয়ে বয়ে গেছে একটি দীঘি, যা বাড়িটির সৌন্দর্যে যোগ করেছে এক অনন্য ব্যঞ্জনা। দেয়ালে ভিক্টোরিয়ান ও মোঘল স্থাপত্যের প্রভাব, উঁচু স্তম্ভ, ধাতব বারান্দা, কারুকাজময় দরজা–জানালা—সব মিলে এটি যেন এক স্থাপত্যজগতের জাদুকরী সৃষ্টি।

এই বাড়ি শুধু রাজকীয় জীবনের সাক্ষীই নয়, ব্রিটিশ আমলে জমিদারদের ক্ষমতা, সংস্কৃতি, প্রশাসন, এবং বিলাসিতার বহিঃপ্রকাশও এখানে প্রতিফলিত। ভারত বিভাগের সময় অনেক জমিদার পরিবার দেশ ছেড়ে চলে যায়—তাদের স্মৃতির সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে এই বাড়ি।

📌 কীভাবে যাবেন:
ঢাকা থেকে: গাবতলী বা সায়েদাবাদ থেকে মানিকগঞ্জগামী বাসে চেপে সাটুরিয়া। সেখান থেকে সিএনজি বা রিকশা করে বালিয়াটি গ্রাম।
ব্যক্তিগত গাড়ি থাকলে ঢাকা–মনোহরদী সড়ক ধরে মাত্র ১.৫–২ ঘণ্টায় পৌঁছানো যায়।

Photos from TAJKIYA's post 03/07/2025

🏛️ মহেরা জমিদার বাড়ি
(মির্জাপুর, টাঙ্গাইল)

যেখানে ইতিহাস নিঃশব্দে কথা বলে,
যেখানে স্থাপত্যের ছায়ায় দাঁড়িয়ে থাকা দেয়ালগুলো আজও অতীতের গল্প ফিসফিস করে— একটি নিঃশব্দ রাজ্য, যাকে ছুঁয়ে গেছে সময়, স্পর্শ করেছে ইতিহাস, আর বরণ করেছে সৌন্দর্য।

১৯ শতকের শেষদিকে এই জমিদার বাড়িটি প্রতিষ্ঠা করেন বসু রায় চৌধুরী পরিবার। জমিদারি, কৃষি ও ব্যবসার মাধ্যমে ধনী হয়ে ওঠা এই পরিবার তাদের রাজকীয়তা, সংস্কৃতি ও সমাজসেবার জন্য পরিচিত ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় এই জমিদার বাড়ি হয়েছিল পাকবাহিনীর ঘাঁটি। পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধারা তা দখল করে নেয় এবং অনেক করুণ ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে এই বাড়ি।

মহেড়া জমিদার বাড়িটি পুরোপুরি ইউরোপীয় ক্লাসিকাল স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত, যা বাংলাদেশে খুবই বিরল। বিশাল খোলা উঠান, কারুকাজখচিত প্রাসাদ, উঁচু স্তম্ভ আর সাদা-লাল রঙের রাজকীয় রঙে রাঙানো প্রতিটি ভবন যেন নিঃশব্দে জানান দেয় তাদের গৌরবময় অতীত।

🔹 প্রধান ভবনগুলোর নাম: আনারকলি, চৌধুরী লজ, কালীচরণ লজ ও বিশ্রামঘর। প্রতিটি লজ আলাদা ডিজাইনের, আলাদা গল্পের।

এটি বর্তমানে পুলিশ ট্রেইনিং সেন্টার পাশাপাশি পর্যটক কেন্দ্র

📍 লোকেশন ও যাতায়াত:

অবস্থান: মহেড়া ইউনিয়ন, মির্জাপুর উপজেলা, টাঙ্গাইল
ঢাকা থেকে দূরত্ব: প্রায় ৮০ কিলোমিটার (২–২.৫ ঘণ্টা গাড়ি পথে)
যেভাবে যাবেন: ঢাকা থেকে বাসে বা ব্যক্তিগত গাড়িতে এলেঙ্গা বাইপাস হয়ে মির্জাপুর, সেখান থেকে অটো বা সিএনজি।

#মহেড়া_জমিদার_বাড়ি #ভ্রমণবাংলা #ইতিহাসেরপথে

Photos from TAJKIYA's post 26/06/2025

চাঁদপুর: ইলিশের রাজ্য ও মোহনার গল্প

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দর চাঁদপুর, যাকে ভালোবাসার আরেক নাম বলা হয়— "ইলিশের রাজ্য"। পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া—এই তিন নদীর মোহনায় গড়ে ওঠা চাঁদপুর জেলাটি শুধুমাত্র প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যই নয়, বরং স্বাদে-ঘ্রাণে অতুলনীয় ইলিশ মাছের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।

চাঁদপুরের মোহনা হলো এমন এক জায়গা যেখানে পদ্মা ও মেঘনা নদীর জল একত্রিত হয়। এই বিশাল জলরাশি যেখানে মিলেছে, সেখানে জালের স্পর্শেই ধরা পড়ে রূপালি ইলিশ।
নদীর এই মিলনস্থলে বিশেষ ধরনের জলপ্রবাহ ও পরিবেশ সৃষ্টি হয়, যা ইলিশের প্রজনন ও বিচরণের জন্য আদর্শ। তাই প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে হাজার হাজার ইলিশ ধরা পড়ে এখানকার নদীতে।

✅ যোগাযোগ ও যাতায়াত

ঢাকা থেকে চাঁদপুর যেতে বাস, ট্রেন বা লঞ্চ—সব মাধ্যমেই যাওয়া যায়। ট্রেনে প্রায় ৩ ঘণ্টার পথ। নদীপথে গেলে সময় একটু বেশি লাগে, তবে যাত্রাটা হয় অনেক আনন্দদায়ক।

Photos from TAJKIYA's post 21/06/2025

আলিকদমের আলিগুহায় এক ভয়ংকর সুন্দর অভিজ্ঞতা।
যাকে বলে যমের সাথে সাক্ষাত!!! দুই পাশে খাড়া পাথুরে দেয়াল, উপরে সবুজ লতাপাতা, আর নিচে স্যাঁতসেঁতে পথ। দেয়ালের উপর সবুজ শ্যাওলা ও ঝরে পড়া পাতাগুলো যেন প্রকৃতির আদিমতার নিদর্শন।

এই গুহায় প্রবেশের জন্য লোহার তৈরি অত্যন্ত সরু, খাঁড়া ও পিচ্ছিল মই ব্যবহার করতে হয় — যা ভয় ও রোমাঞ্চের এক অনন্য অনুভূতি দেয়। কোনোরকম হাত ফসকে গেলে সোজা উপরে! 🤨

যারা ট্রেকিং ও অ্যাডভেঞ্চার ভালোবাসেন, তাদের জন্য এটি একবারে ‘must visit’ স্পট।

Want your business to be the top-listed Photography Service in Sunamganj?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Sunamganj