Hasib Live Bd

Hasib Live Bd

Share

17/06/2026

👇👇আমাকে ছেড়ে দাও ধর্ষণকালে বিমানবাহিনী কর্মকর্তার স্ত্রীর আর্তনাদে ভারী হয়ে উঠেছিল আকাশ বাতাস।

মহারাষ্ট্রের নাগপুরে এক ভয়াবহ ঘটনায় ভারতীয় বিমানবাহিনীর এক কর্মকর্তার স্ত্রী তার পুরোনো সহপাঠী ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, ব্ল্যাকমেইল, কালো জাদু ও জোরপূর্বক ধর্মান্তরের অভিযোগ এনেছেন। পুলিশ এ মামলায় মূল অভিযুক্ত আয়াজ মাদারে (২৬) ও তার সহযোগী আমিন শেখকে গ্রেপ্তার করেছে। ধর্মান্তর প্রক্রিয়ায় জড়িত মধ্যপ্রদেশের এক মওলানাকে ধরতে একটি দল পাঠানো হয়েছে।

এফআইআরের বরাতে জানা গেছে, গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি নাগপুরের একটি হোটেলে মিটিংয়ের সময় আয়াজ ২৪ বছর বয়সি ওই নারীর পানীয়তে নেশাদ্রব্য মিশিয়ে দেন। জ্ঞান ফেরার পর ওই নারী দেখতে পান, অভিযুক্ত তার আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও রেকর্ড করে রেখেছে। এরপর থেকেই ওই ছবি ও ভিডিও তার স্বামীর কাছে পাঠানো এবং সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেইল শুরু করে আয়াজ। ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, তাকে বারবার যৌন নির্যাতন করা হয়েছে এবং এ পর্যন্ত তার কাছ থেকে প্রায় ৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এই মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হয়ে উঠেছে একটি ভাইরাল ভিডিও। সেখানে দেখা যায়, ২৪ বছর বয়সী ওই নারী কাঁদছেন এবং ‘আমাকে ছেড়ে দাও’ বলে আকুতি জানাচ্ছেন। অন্যদিকে আয়াজ জোর করে তার হাত ধরে কিছু ধর্মীয় বাণী জপ করছে এবং বারবার তার ওপর ফুঁ দিচ্ছে।

ওই নারীর অভিযোগ, এরপরই তাকে ‘ধর্মান্তরিত’ বলে ঘোষণা করা হয় এবং ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। এফআইআরে আরও বলা হয়েছে, আয়াজ প্রায়ই একটি প্লাস্টিকের বোতলে কিছু তরল এনে তাকে খেতে বাধ্য করত এবং ‘সম্মোহন ও কালো জাদুর’ দাবি করে উর্দুতে কিছু জপ করে তার মুখে ফুঁ দিত।

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ আছে, গত ৩১ মে মাদারে ও তার সহযোগী ওই নারীকে জোরপূর্বক কালমেশ্বরে নিয়ে যায়। সেখানে মধ্যপ্রদেশের ছিন্দওয়ারা জেলার তামিয়া গ্রামের হযরত মওলানা নামের এক ব্যক্তি ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে তাকে জোর করে ‘কবুল হ্যায়’ বলান। ওই নারী অভিযোগ করেন, এটি সম্পূর্ণরূপে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে করা হয়। পরে ওই মওলানা ঘোষণা করেন, নারী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং আয়াজের সঙ্গে তার ‘নিকাহ’ সম্পন্ন হয়েছে। জোর করে তাকে মাংস খাওয়ানো ও কলমা পড়ানো হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। এরপর ওই দল তাকে একটি হোটেলে নিয়ে গেলে আয়াজ আবারও তাকে ধর্ষণ করে।

17/06/2026

উনার পোশাক নিয়ে দরবেশ এমপি মনিরুলের আপত্তি নাই।
আপত্তি হিজাব পরে মুখ ডেকে থাকা শুধুমাত্র বিরোধী দলের নারী সংসদ সদস্যদের নিয়ে।

16/06/2026

দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম দৃষ্টিনন্দন সড়ক পূর্বাচল ৩০০ ফিট এক্সপ্রেসওয়ে।

16/06/2026

জীবনে প্রথম কোনো ধর্ষিতা দেখলাম যে নিজের ধর্ষনের বর্ননা দিতে গিয়ে ফ্যাল ফ্যাল করে হাসতেছে।

15/06/2026

নাটোর বনপাড়ায় জার্মান ভক্ত তৈরি করেছেন জার্মান বাড়ি

15/06/2026

কি নির্মমতা! মেয়েরা কার কাছে যাবে? কই থাকবে?,
নিজ বউ অনলাইন জু*য়া খেলতে বাধা দেওয়ায় গ*লা টি*পে মে*রে ফেলার চেষ্টা করে। এইদিকে জানালা দিয়ে প্রতিবেশী ভিডিও করছে আর বলছে সবুজ মা*রিস না, সবুজ ছাইড়া দে, ম*ইরা যাইবো।
দুয়েকজন প্রতিবেশী দরজা ভাঙ্গার চেষ্টা করছে যার শব্দও শোনা যাচ্ছে। একপর্যায়ে মেয়েটি নি*স্তেজ হয়ে গেলে মা*রা গেছে ভেবে ছেড়ে দেয়। কিন্তু তখনও জীবিত আছে বলে মনে হয়।
ঘটনাটি নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের। জু*য়া কোন পর্যায়ে গেলে এমন করতে পারে একবার চিন্তা করেন।
সমাজে ছোট বেলা থেকে নৈতিকতার শিক্ষা দিতে হবে। জু*য়াকে যাতে এভেইলেভল করা না যাই সেই ব্যবস্থা করতে হবে।

15/06/2026

একটা মা নিজের জীবনের সোনালী ২০টি বছর উৎসর্গ করে দিলেন শুধু সন্তানের মুখের হাসির জন্য। নিজের সব ইচ্ছে, সব স্বপ্ন, সব একাকীত্বকে মাটি চাপা দিয়ে রাত-দিন এক করে লড়াই করলেন। আর আজ সেই সন্তান যখন মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে বলে—'আম্মু, এবার তোমার নিজের জন্য বাঁচার পালা'—তখন পৃথিবীর সমস্ত ত্যাগ যেন এক পরম পূর্ণতা পায়!"—সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক সন্তানের কলিজা নিংড়ানো এই পোস্টটি আজ প্রতিটি মানুষের হৃদয়কে একদম আবেগপ্লুত করে তুলেছে।👈

​পোস্টটিতে সেই সন্তান কোনো লোকলজ্জা বা সমাজের বাঁকা চাহনিকে তোয়াক্কা না করে অত্যন্ত গর্বের সাথে লিখেছেন—"আজ আমার মা নতুন করে জীবন শুরু করলেন। তিনি বিয়ে করেছেন।" দীর্ঘ দুই দশক ধরে একজন সিঙ্গেল মাদার হিসেবে তিল তিল করে কষ্ট সয়ে সন্তানকে বড় করেছেন এই মা। সন্তান আজ কৃতজ্ঞতাভরে স্মরণ করছেন তাঁর সেই সৌভাগ্যবান পরিবারকে, যারা কোনোদিন এই মাকে একা ফিল করতে দেয়নি; বরং সবসময় ভালোবেসেছে, সম্মান করেছে এবং তাঁর প্রতিটি সাহসী সিদ্ধান্তের পাশে পরম ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে।👈

​আজকের দিনটি সত্যিই বড্ড আবেগের, বড্ড ভারী অনুভূতির, আবার একই সঙ্গে এক নতুন ও সুন্দর ভোরের সূচনা। মাকে নিজের জীবনের জন্য একটি সুন্দর সিদ্ধান্ত নিতে দেখে, নতুন করে সাহস সঞ্চয় করতে দেখে সন্তানের চোখ আজ আনন্দের অশ্রুতে ভেজা। সন্তান তাঁর চিরকালের প্রিয় মাকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন—"এই অসাধারণ নারী জীবনের সব সুখ, ভালোবাসা আর সম্মান পাওয়ার যোগ্য। জীবনের এই নতুন অধ্যায়ের জন্য তোমার প্রতি রইল অফুরন্ত ভালোবাসা আর অসীম শুভকামনা। তুমি সবসময়ই আমার সবচেয়ে প্রিয় মানুষ।"👈

15/06/2026

সেনাবাহিনীর ইমাম ওখতিব আল্লামা ওয়াকারুজ্জামান..🫣

14/06/2026

তরুণী'কে নিয়ে একটি প'রি'ত্য'ক্ত বাড়িতে গিয়ে এক যু'বক অ'নৈ'তিক কাজ করতে চাইলে ওই ত'রুণ তাকে আগে ১ হাজার টাকার একটা নো'ট দেয় এবং অ'নৈ'তি'ক কাজে লি"প্ত হতে চায়।
ওই তরু'ণী জানায় ১ হাজার টাকায় হবে না টাকার বেশি দিতে হবে জানিয়ে তাদের মধ্যে চলে বা'ঘ বি'তা'ন্ডা, একপ'র্যায়ে তরু'ণী সেখান থেকে চলে যায় ওই যু'বক রা'গ করে সেই ভি'ডিও সো'শ্যাল মি'ডিয়ায় ছেড়ে দেয় যা ছ'ড়িয়ে পড়তে মু'হূ'র্তে'র মধ্যে হয় ভা'ই'রা'ল।
নে'ট না'গরিকরা বলছে যু'বককে আ'ইনের আ'না উ'চিত।

14/06/2026

ভুক্তভোগী লিজা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার মেয়ে হওয়ার পর আমি আমার স্বামীর পকেটে এই হলফনামাটি পাই। একটি মেয়ের জীবনে সবচেয়ে বেশি যখন স্বামীর প্রয়োজন হয়, ঠিক সেই সময় তিনি অন্য এক নারীর সঙ্গে সংসার করছিলেন। আমাকে সেই অবস্থায় রেখে, যখন আমার সন্তান জন্মের ৪০ দিনও পূর্ণ হয়নি, তখন তিনি ওই মেয়েকে বিয়ে করেন।

তিনি বলেন, এখন আমি বুঝতে পারি মানুষ কেন আত্মহত্যা করে। যখন একজন মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে যায়, তখন হয়তো সে এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়। তবে আমি বাঁচতে চাই। আমি আমার সন্তানদের নিয়ে বাঁচতে চাই। আমার এবং আমার সন্তানদের যে অধিকার নষ্ট হয়েছে, আমি চাই না অন্য কোনো নারী ও তার সন্তানদের সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটুক।

লিজা জানান, তিনি যখন আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন, তখন তার স্বামী নিজের বন্ধুর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। পরে আর্থিক সমস্যার কথা বলে তাকে বোনের বাসায় পাঠিয়ে দেন। স্বামীর কষ্টের কথা ভেবে তিনি তখন সব মেনে নিয়েছিলেন। কিন্তু পরে জানতে পারেন, তার স্বামী ওই নারীর সঙ্গে অবৈধভাবে একসঙ্গে বসবাস করছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ওই নারীও জানতেন যে তিনি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন, তবুও জেনে-শুনে এই সম্পর্কে জড়িয়েছেন।

তিনি বলেন, অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় একজন নারীর সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয় তার স্বামীকে। কিন্তু সেই সময় তিনি স্বামীকে পাশে পাননি। প্রয়োজনের সময় ফোন করলেও কল ধরতেন না, আর ধরলেও গালিগালাজ করতেন। এমনকি সন্তান জন্মের সময়ও তিনি পাশে ছিলেন না। খবর পেয়ে ক্লিনিকে এলেও কিছুক্ষণ পর আবার ওই নারীর কাছে চলে যান। নিজের নবজাতক মেয়ের মুখটাও ভালোভাবে দেখেননি।

লিজা আরও বলেন, ডেলিভারির সময় তার অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন ছিল। তিনি সবসময় স্বামীর আর্থিক চাপের কথাই ভেবেছেন, কিন্তু তার স্বামী তখন অন্য জীবন নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। আল্লাহর রহমত এবং পরিবারের দোয়ায় তিনি ও তার সন্তান সুস্থ আছেন।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, তার ছেলে এখন পড়াশোনা করতে পারছে না। ছেলেকে কুরআনের হাফেজ বানানোর স্বপ্ন থাকলেও আর্থিক সংকটের কারণে স্কুলে ভর্তি করাতে পারেননি। সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো, তার ছেলে এখন সব বুঝতে শিখেছে। সে জানে তার বাবা কী করছেন, কিন্তু নিজের কষ্ট কাউকে বলতে পারে না।

লিজা বলেন, যখন তিনি দেখেন অন্য শিশুরা বাবার হাত ধরে স্কুলে যায়, তখন তার বুক ভেঙে যায়। তার সন্তানরা বাবার স্নেহ-ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, আর এই হারানো শৈশব তারা আর কখনো ফিরে পাবে না।

ভবিষ্যতে সন্তানরা যখন জানতে চাইবে কেন তাদের বাবা অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন, তখন কী জবাব দেবেন—এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, তার কাছে কোনো ভাষা নেই। তিনি কখনো কল্পনাও করেননি যে তার স্বামী এভাবে তার সঙ্গে এত বড় প্রতারণা করবেন।ঘটনাটি চট্টগ্রামের অলঙ্কার এলাকার।

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Singra?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Singra