SCM
07/09/2022
জেনে নিন ব্লাড প্রেশারের স্বাভাবিক মাত্রা...
একজন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের রক্তচাপ থাকে ১২০/৮০ মিলিমিটার মার্কারি।
কারও ব্লাড প্রেশার রিডিং যদি ১৪০/৯০ বা এর চেয়েও বেশি হয়, তখন বুঝতে হবে তার উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা আছে।
অন্যদিকে রক্তচাপ যদি ৯০/৬০ বা এর আশেপাশে থাকে, তাহলে তাকে লো ব্লাড প্রেশার হিসেবে ধরা হয়।
যদিও বয়স নির্বিশেষে রক্তচাপ খানিকটা বেশি বা কম হতে পারে।
26/08/2022
শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান হলো ভিটামিন ই।শরীরে ভিটামিন ই এর ঘাটতি হলে অনেক ধরনের সমস্যা হতে পারে।
চলুন জেনে নিই ভিটামিন ই এর অভাবে কি কি সমস্যা হতে পারে।
১.পেশি দুর্বল হয়ে যাওয়া
ভিটামিন ই এর অভাবে পেশি দুর্বল হয়ে যায়।তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ভিটামিন ই যুক্ত খাবার রাখা উচিৎ।
২.চুলের ঘনত্ব কমে যাওয়া
ভিটামিন ই এর অভাবে চুল পরে যায়।তাই চুল পরা রোধ করতে এবং চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধি করতে ভিটামিন ই যুক্ত খাবার খেতে হবে।
৩.ত্বকের সুস্থতায়
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ভিটামিন ‘ই’ থাকলে ত্বক ভালো থাকে। ভিটামিন ই ত্বককে তারুণ্যদীপ্ত ও স্বাস্থ্যকর রাখতে সাহায্য করে।
৪.চোখে ঝাপসা দেখা
ভিটামিন ই এর অভাবে চোখে ঝাপসা দেখতে পারেন।এবং কখনো কখনো রক্তশূন্যতাও হতে পারে।
তাই সুস্বাস্থ্য ও সুস্থতার জন্য নিয়মিত ভিটামিন ই যুক্ত খাবার খেতে হবে।
ডা মোঃ ফেরদৌস রায়হান
স্পাইন ও অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ ও জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট সার্জন।
26/08/2022
✅নরমাল ডেলিভারির জন্য প্রস্তুতি:
# প্রথমত: একটি স্বাস্থ্যকর লাইফস্টাইল মেইনন্টেন করতে হবে- যাতে শরীরের ওজন(BMI) স্বাভাবিক থাকে। ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে কম বা বেশি হলে নরমাল ডেলিভারি সম্ভাবনা কমে যায় এবং ডেলিভারির সময় বিভিন্ন ধরনের জটিলতা হতে পারে।
# যাদের প্রেগনেন্সির পূর্ব থেকেই বিভিন্ন ধরনের মেডিকেল সমস্যা যেমন প্রেসার বা ডায়াবেটিস আছে তাদের কে নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শে চলতে হবে, যাতে প্রেগনেন্সি কালীন সময় এ সমস্যাগুলো নিয়ন্ত্রণে থাকে।
# যাদের একবার সিজার হয়েছে তারাও পরবর্তীতে নরমাল ডেলিভারির চেষ্টা করতে পারেন। তবে এটি ডিপেন্ড করবে পূর্ববর্তী সিজার কি কারণে হয়েছিল এবং আরো কিছু ফ্যাক্টর এর উপর। যারা সিজারের পর নরমাল ডেলিভারি করতে চান তাদের উচিত হবে প্রথম থেকেই ই ব্যাপারে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শে থাকা।
# যে মায়েদের ডেলিভারি পেইন এর ভয়ে নরমালে অনিহা রয়েছে তারা সহজেই পেইন-লেস ডেলিভারি চেষ্টা করতে পারবেন। বাংলাদেশের অনেক হসপিটালে এখন এটি সম্ভব।
# প্রেগনেন্সির প্রথম থেকেই মায়েদের উচিত নরমাল কাজ-কর্ম/এক্টিভিটি চালিয়ে যাওয়া। কিছু কিছু প্রেগন্যান্ট মায়েরা(প্লাসেন্টা প্রিভিয়া, প্রিটার্ম ডেলিভারির হিস্ট্রি ইত্যাদি) ছাড়া অন্য সবাই এসময় হালকা থেকে মাঝারি মানের ব্যায়াম এবং সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন 20 মিনিট হাঁটাহাঁটি করতে পারবেন। অনেকে প্রেগনেন্ট হলেই ভাবেন এখন তাকে রেস্টে থাকতে হবে, যার ফলে ডায়াবেটিস, প্রেসার, ওজন-বৃদ্ধি সহ বিভিন্ন মেডিকেল ডিজঅর্ডার হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায় এবং নরমাল ডেলিভারির সম্ভাবনা কমে যায়।
# মানসিক প্রস্তুতি এখানে একটি বড় ভূমিকা রাখে। সব মায়েদেরই মনে রাখতে হবে নরমাল ডেলিভারি একটি কষ্টকর প্রক্রিয়া হলেও মা এবং বাচ্চা উভয়ের জন্যই এর সুফল রয়েছে। আর ডেলিভারি পেইন সহ্য করার মত মানসিক প্রস্তুতি শুধু মাকে নিলেই চলবে না, পরিবারের অন্যান্যদের উৎসাহ এবং সাপোর্ট এক্ষেত্রে অতি জরুরী।
# ডেলিভারি পেইন উঠানোর জন্য নিজে নিজে কোন ধরনের ওষুধ খাবেন না, এটি একটি আল্লাহ প্রদত্ত একটি প্রক্রিয়া যা স্বাভাবিক নিয়মে হয়। একটি নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষার পরও ডেলিভারি পেইন না উঠলে ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে ইন্ডাকশন এর মাধ্যমে ডেলিভারি পেইন উঠানো সম্ভব। এজন্য অধিক টেনশন বা দুশ্চিন্তা না করে একজন গাইনোকোলজিস্টের পরামর্শে থাকবেন।
সবশেষে আরেকটি বিষয় মনে রাখতে হবে, সবরকম মানসিক প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও কিছু কিছু জটিলতা দেখা দিতে পারে যখন নরমাল ডেলিভারি চেষ্টা করলে মা ও বাচ্চা উভয়ের ক্ষতি হতে পারে, এ সময় সিজারের সিদ্ধান্ত নিতে দেরি না করাই ভালো। সর্বক্ষেত্রেই আল্লাহর উপর ভরসা করে একটি সুস্থ বাচ্চা আশা করা উচিত।
ডা: নুসরাত জাহান।
26/08/2022
অ্যাপেন্ডিসাইটিস কীভাবে বুঝবেনঃ
অ্যাপেন্ডিসাইটিস রোগের প্রথম ও প্রধান লক্ষণ হলো পেট ব্যথা। এই ব্যথা সাধারণ পেট ব্যথার তুলনায় বেশ আলাদা। এটা শুরু হলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথায় শল্যচিকিৎসা নিতে হয়। অনেক সময় এ ব্যথাকে আমল না দিয়ে নানা রকম ব্যথানাশক বা অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খেয়ে ধামাচাপা দেওয়া হয়। এতে পরবর্তী সময়ে রোগীর শরীরে মারাত্মক জটিলতা তৈরি হয়।
মানুষের বৃহদন্ত্রের সঙ্গে লাগানো কনিষ্ঠ আঙুলের মতো একটি সরু থলের নাম অ্যাপেন্ডিক্স। লম্বায় এটি ২ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে। থাকে তলপেটের ডান দিকে। এর সঠিক কাজ যে কী, তা এখনো অস্পষ্ট। কিন্তু এই ছোট্ট থলেতে আকস্মিক প্রদাহ হলে দেখা দেয় অসহনীয় ব্যথা। এর নাম অ্যাপেন্ডিসাইটিস।
কেমন এই ব্যথাঃ
অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা সাধারণত নাভির চারপাশে বা নাভির একটু ওপর থেকে শুরু হয়। কয়েক ঘণ্টা পর তলপেটের ডান দিকের অংশে ব্যথাটা স্থায়ী হয়। থেমে থেমে ব্যথা ওঠে সেটা তীব্র ও হালকা—দুই রকমেরই হতে পারে। এ ছাড়া বমি বমি ভাব বা দু-একবার বমি হতে পারে। সঙ্গে হালকা জ্বরও থাকতে পারে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। ব্যথা তীব্র হলে রোগী হাসপাতালে আসতে বাধ্য হয়। তবে হালকা ব্যথা হলেও সতর্ক হতে হবে। কেননা, পরবর্তী সময়ে রোগীর অ্যাপেন্ডিক্সের চারদিকে বিভিন্ন উপাদান জমা হয়ে পেটে একটি চাকা বা ফোঁড়া তৈরি হতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না হলে অ্যাপেন্ডিক্স ছিদ্র হয়ে খাদ্যনালির ভেতরের বিভিন্ন উপাদান, পরিপাক হয়ে যাওয়া খাবারের অংশ ও মল বেরিয়ে পুরো পেটে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফলে পেটের ভেতরে, এমনকি রক্তেও ছড়িয়ে পড়তে পারে গুরুতর সংক্রমণ। এ ধরনের ঘটনায় রোগীর জীবনের আশঙ্কাও দেখা দেয়।
চিকিৎসা কীঃ
অ্যাপেন্ডিসাইটিসের চিকিৎসা হলো আক্রান্ত অংশ বা অ্যাপেন্ডিক্স যত দ্রুত সম্ভব অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কেটে ফেলে দেওয়া। অস্ত্রোপচারের ভয়ে অনেকে হাসপাতালে যেতে চান না। অনেক সময় শিশু বা বেশি বয়স্করা ব্যথার সঠিক বর্ণনাও দিতে পারে না। কিন্তু জটিলতা এড়াতে পেটে ব্যথা তীব্র ও স্থায়ী অথবা থেকে থেকে হলে রোগীকে শক্ত খাবার দেওয়া থেকে বিরত থাকুন বা মুখে খাবার দেওয়া বন্ধ রাখুন এবং দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Rangpur
5400