BoierAlo.com
23/02/2022
খুব শীঘ্রই বইয়ের আলো পাঠশালার এন্ড্রোয়েড অফিশিয়াল এপ রিলিজ হবে ইনশাআল্লাহ্, যেখান থেকে খুব সহজেই বইয়ের আলো পাঠশালার প্রত্যেক সদস্য যেকোনো বই রংপুর সদরের যেকোনো স্থান থেকে নতুন বই ইস্যু করে ধার নিয়ে পড়তে পারবে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে পড়া শেষ না হলে সেখান থেকেই রি-ইস্যু করে পূর্ণরায় নিতে পারবে। বই পৌঁছে দিবে পূর্বের নিয়মেই বইভাই।
এপের আংশিক কাজ শেষ, ২ হাজারের অধিক বই এন্ট্রিতেই যা সময় লাগবে, কোডিং-এ আংশিক কাজ এখনো বাকি।
ইনশাআল্লাহ্ ২৬ মার্চ মধ্যরাতে রিলিজ হবে।
যারা যারা বইপাঠক, কিন্তু বইয়ের আলো পাঠশালার সদস্য না, তারা তারা সদস্য হতে পারেন। শুধুমাত্র জামানত জমা দিতে হয় বই সেফটির জন্য, তা ব্যাতিত কোনো ফী নেই।
- প্রতিষ্ঠাতা (বইয়ের আলো পাঠশালা)
খুব শীঘ্রই রংপুর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে আত্মপ্রকাশ করবে বইয়ের আলো পাঠশালা।
ইনশা'আল্লাহ।
#বইয়ের_আলো_পাঠশালা_ও_পেপাররাইম_ডট_কম_অণুগল্প_প্রতিযোগিতা_২০২০
গল্পঃ মরীচিকা
কলমেঃ হাতিম আল আমীন চৌধুরী
চাচা কিংবা মামার অভাবজনিত কারণে বড় চাকরি হতে বঞ্চিত মাস্টার্স পাস শফিউদ্দিন। হাসপাতালে ভর্তি স্বীয় অসুস্থ কন্যার অন্তিম নিঃশ্বাস ফুঁড়ানোর প্রতীক্ষায় অবিরত প্রহর গোণে চলেছে গারদের অন্তরালে। অকষ্মাৎ খুলে যায় ফটকের তালা। কোনো এক কর্কশ কন্ঠে আওয়াজ বিস্ফোরিত হচ্ছে, “রুটি দুটো খেয়ে ঘুমিয়ে পর। বেটা পকেটমার! তোদের জন্যই আজ দেশের এহেন দুর্গতি!” পলকহীন তাকিয়ে রয় রক্তবর্ণ ধারণকৃত নয়নযুগল।
শব্দসংখ্যাঃ ৫৮
#বইয়ের_আলো_পাঠশালা_ও_পেপাররাইম_ডট_কম_অণুগল্প_প্রতিযোগিতা_২০২০
গল্প: ছিন্ন মস্তিষ্ক
লেখা: মার্জিয়া রহমান
শব্দ সংখ্যা: ২৯৫
-------------------------
কাঠের দরজায় প্রচণ্ড করাঘাতে ঘুম ভেঙে গেছে মেহেরের। টেবিল হাতড়িয়ে মোমবাতি জ্বালালো সে। এত রাতে কে আসতে পারে ভাবতেই, দ্বিতীয়বার টোকা পড়লো দরজায়। একটু সময় নিয়ে ধীর পায়ে দরজার দিকে এগোলো মেহের।
রাতের শেষ প্রহর। মধ্য আকাশের চাঁদটাও হেলে পড়েছে পশ্চিমে। চারদিকে শুনশান নিরবতা ও গাঢ় নিস্তব্দতায় রাতজাগা পাখিটাও জুবুথুবু হয়ে আছে কোথাও। সেই থমথমে পরিবেশে একটা উটকো গন্ধ নাকে এসে লাগলো তার। চাঁদের আলোয় চারপাশটা একদম ঝকঝকে পরিষ্কার। ছিঁড়ে ফেলা পঁচা,গোলা দুর্গন্ধ ছড়ানো আধখাওয়া মস্তিষ্কের অংশটুকু হাতে নিয়ে সুরু পথ দিয়ে হেঁটে চলেছে কেউ। অবয়বটির সারা শরীর কালো চাদরে আবৃত। মেহেরের সমস্ত অনুভূতি যেন লোপ পেয়েছে,অবাক কিংবা ভয় কোনোটিই তাকে ছুঁতে পারেনি। তার কেবলই মনে হচ্ছে,কে সে? কেনই বা এই বিভৎস খেলায় মত্ত সে? সে কি মানুষ না কি অন্যকিছু? এইসব ভাবনার মাঝেই আগন্তুকটি যেন হাওয়ায় নিরুদ্দেশ, অগোচরে চলে গেল মেহেরের চোখের পলকেই।
ঊষার আলো ফুটতেই প্রকৃতিকে জেঁকে ধরেছে মাকড়সার জালের মতো ধোঁয়াটে কুয়াশা। পরের রাতেও ঠিক একই ঘটনা ঘটলো। কিন্তু তৃতীয় রাতে বটগাছের নিচে সেই অবয়বটিকে বসে থাকতে দেখলো মেহের। ভীত পায়ে সেদিকেই আগালো সে। আগন্তুকটি চাদরটা সরাতেই মেহেরের পুরো পৃথিবীটা যেন থমকে গেল, বাকরুদ্ধ সে। এ কাকে দেখছে মেহের!
এ তো তার স্বামী অনীল। যে গত তিন বছর ধরে নিখোঁজ। কিন্তু তার সারা শরীরে ছোপ ছোপ রক্তের দাগ,চেহারাটা কেমন বরফ সাদা। সে মেহেরকে হাতের ইশারায় বসতে বললো। তারপর হিমশীতল গলায় বলতে শুরু করলো,
-- পরীকে নিয়ে তোমার কাছে ফিরছিলাম। কিন্তু পরীকে ওরা! বাঁচাতে পারিনি আমার বোনকে। আমাকেও খাদে ফেলে দিয়েছিল।
বিস্ময়ের চরম পর্যায়ে সে,নির্বাক ও অপলক চাহনি মেহেরের।
-- আমি এসেছিলাম,তোমার বিশ্বাসের মূল্য রাখতে আর বোনের হত্যার প্রতিশোধ নিতে। ছিন্ন করেছি ওদের মস্কক। আমার কাজ শেষ।
চোখের জলে ভেসে যাচ্ছে মেহেরের কপোল।
-- আমার আত্মার মুক্তির সময় হয়েছে। ভালো থেকো আর ক্ষমা করে দিও আমাকে!
নিঃশব্দে উঠে চলে গেল অনীল,মিলিয়ে গেল রাতের আঁধারে।
[ ভুল ক্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন,এই ধরনের গল্প প্রথম লিখেছি। ]
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Khat Khatia Sadar
Rangpur
5400