Health Tips

Health Tips

Share

02/04/2026

বাচ্চাদের ডায়রিয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হলো রোটাভাইরাসের ইনফেকশন।

‎এই রোটাভাইরাস প্রতিরোধ করার জন্য বাচ্চাকে রোটা ভ্যাক্সিন দেওয়া হয়।


‎রোটা ভ্যাক্সিনের ডোজঃ
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
‎এ ভ্যাক্সিনের দুটি ডোজ নিতে হয়।

* প্রথম ডোজঃ বাচ্চার বয়স ৬ সপ্তাহ বা দেড় মাস হলে 1ml পরিমান Rotarix মুখে খাওয়াতে হবে।

* দ্বিতীয় ডোজঃ প্রথম ডোজের ৪ সপ্তাহ পর তবে এটি বাচ্চার বয়স ৬ মাস পুর্ণ হওয়ার আগ পর্যন্ত নেওয়া যাবে।

11/02/2024

চুল পড়ার কারণ ও সমাধানঃ পর্ব -১

চুল পড়ার সমাধান নিয়ে কথা বলার আগে চুল কি? কিভাবে গঠিত হয়? কিভাবে পড়ে সেই দিকের কনসেপ্ট টা একটু ক্লিয়ার করে আসি। সেক্ষেত্রে আপনাদের বুঝতে সুবিধা হবে।

গঠন চিন্তা করলে চুল হলো প্রোটিন (ক্যারাটিন)। ত্বকের ডার্মিস স্তরের হেয়ার ফলিকল থেকে চুল তৈরী হয়। ডার্মিসের রক্তনালিকা থেকে হেয়ার ফলিকল পুষ্টি আর গ্রোথ ফ্যাক্টর লাভ করে। স্ক্যাল্পের রক্তপ্রবাহ তাই যত ভালো হবে, হেয়ার ফলিকলও তত বেশি গ্রোথফ্যাক্টর পাবে আর চুলও বাড়বে।

চুল চক্রের ৪ টা ধাপ-
(১) এনাজেন।
(২) ক্যাটাজেন।
(৩) টেলোজেন।
(৪) এক্সোজেন।

আপনার চুলের দৈর্ঘ্য #এনাজেন ধাপের স্থায়িত্বকালের উপর নির্ভর করে।

আমি চুলে তেল দিই, নিয়মিত শ্যাম্পু করি, চুল আঁচড়াই, পুষ্টিকর খাবার খাই, তাও আমার চুল কেন কাঁধ ছাড়ায় না? কারণ আপনার এনাজেন ধাপের স্থায়িত্ব কম।

এনাজেন কত দীর্ঘ হবে সেটা কিছুটা #হেরিডিটারি ।

একটা আপাত রেঞ্জ বলতে বললে ৩-৬ বছর বলা যায়।

ধরে নিই, আপনার এনাজেন ধাপ ৩ বছর আর আপনার চুল প্রতিদিন ০.৪৪ মিমি করে বাড়ে। তাহলে চুলের দৈর্ঘ্য দাঁড়ালো ৪৮.১৮ সেমি। এনাজেন ধাপ ৬ বছর ধরলে সেটা হয় ৯৬.৩৬ সেমি।

বুঝলেন তো “এক সপ্তাহে এক ইঞ্চির” বিজ্ঞাপন কেন বিশ্বাস করা যাবে না এখন থেকে? কারণ একেক জনের বৃদ্ধি আর এনাজেনের স্থায়িত্ব একেক রকম।

#এনাজেনের শেষে শুরু হয় #ক্যাটাজেন। এটা রেস্টিং ধাপ।

এরপর #টেলোজেন।

এই সময় হেয়ার শ্যাফট, ফলিকল থেকে আলাদা হতে শুরু করে। ব্লাড সাপ্লাই কমতে থাকে। এক্সোজেন ধাপে চুল সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। যেটাকে আমরা চুলপড়া বলি।

একটা ভালো কথা হচ্ছে, সব চুল কখনো একসাথে একই ধাপে থাকে না। নাহলে দেখা যাবে, শীতকালে গাছের পাতার মত আপনার মাথার সব চুলও পড়ে গিয়েছে।
দিনে ১০০ টার কাছাকাছি চুল পড়া স্বাভাবিক।

বসে বসে একটা একটা করে চুল গুণতে শুরু করে দিয়েন না এখন।

১০০ টার বেশি হলে “হায় হায় আমার চুল চলে যাচ্ছে, আমার কি হবে?”-ভেবে দুশ্চিন্তাও করবেন না।

কারণ, স্ট্রেস চুলপড়ার একটা গুরুত্বপূর্ণ কারণ।

স্ট্রেস কি তার উদাহরণ নিচে দিচ্ছি। তার আগে মেকানিজম ব্যাখ্যা করি।

আমাদের শরীর মেন্টাল স্ট্রেসকে ফিজিক্যাল স্ট্রেসের সাথে গুলিয়ে ফেলে।

আপনি চুলপড়া নিয়ে দুশ্চিন্তা করবেন, আপনার স্ট্রেস হরমোন রিলিজ হবে, শরীর ভাববে আপনাকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।

সে রক্তপ্রবাহকে হৃৎপিন্ড, কিডনীর দিকে নিয়ে যাবে। আর এদিকে স্ক্যাল্পের রক্তপ্রবাহ আরো কমবে। গ্রোথ সিগ্ন্যাল কমবে। চুলের বৃদ্ধিও কমবে। চুল অকালে পড়বে।

স্ট্রেসের কারণে চুলপড়ার এই অবস্থাকে মেডিকেলের ভাষায় বলা হয়।

তো কি বুঝা গেলো?

আর যাই করেন, চুলপড়া নিয়ে দুশ্চিন্তা করা যাবেনা।

বর্তমান বিশ্বে অকালে চুলপড়ার একটা অন্যতম কারণ এই স্ট্রেস।

👉একাডেমিক জীবনে হাইয়েস্ট নাম্বার পাওয়ার স্ট্রেস।
👉 কর্মজীবনে হাইয়েস্ট স্যালারী পাওয়ার স্ট্রেস।
👉 গুলশান, ধানমন্ডিতে ফ্ল্যাট কেনার স্ট্রেস।
👉বিয়েতে এলাহি কান্ড করার স্ট্রেস।
👉হানিমুনে সুইজারল্যান্ড যাওয়ার স্ট্রেস।
👉 ছেলেমেয়েকে মানুষ করার স্ট্রেস।
..................…চলমান।

স্ট্রেসের শেষ নেই।

এটা এতো বৃহৎ যে ক্রোনিক স্ট্রেস নিয়ে আলাদা আর্টিকেল লিখা যাবে। 😑😑

চুলপড়ার ধরন নারী পুরুষে আলাদা।

ছেলেদের যে টাক হয় তাকে বলা হয়
অথবা .

মেয়েদের চুল পড়াকে বলা হয়
.

Male pattern Baldness জেনেটিক্সের সাথে জড়িত।

কারো পরিবারে টাক এর হিস্ট্রি থাকলে তার মধ্যেও এই প্যাটার্ন লক্ষ্য করা যায়। এই প্যাটার্নের বৈশিষ্ট্য হলোঃ-

👉কপালের পাশ থেকে চুল কমে যাওয়া।
👉M শেপড হেয়ারলাইন।
👉হেয়ারলাইন ক্রমশ পিছনে চলে যাওয়া।

ছেলেদের টাক এর প্যাথলজী অনেকটাই ক্লিয়ার। এর জন্য দায়ী করা হয় DHT (dyhydrotestosterone) কে।

👉অপরিমিত ঘুম,
👉অতিরিক্ত মদ্যপান,
👉ক্রমাগত দুশ্চিন্তা,
👉অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস আর অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রার প্রভাবে টেস্টোস্টেরনের উৎপাদন কমে যায়।

স্বাভাবিকভাবে টেস্টোস্টেরন হেয়ার ফলিকলের রিসেপ্টরে যুক্ত হয়ে চুলবৃদ্ধি করে।

কিন্তু যখন টেস্টোস্টেরন কমে যায় শরীর তখন এর অধিক পটেন্ট ফর্ম DHT তৈরি করে ফাইভ আলফা রিডাক্টেজের মাধ্যমে।

DHT এনাজেন ধাপকে সংক্ষিপ্ত করে টারমিনাল হেয়ারকে ভেলাস হেয়ার এ পরিণত করে। ফলে অকালে চুল পড়ে আর টাক সৃষ্টি হয়।

Female pattern hairloss এর প্যাথলজী সম্বন্ধে এখনো স্পষ্ট কারণ জানা যায়নি। মেয়েদের ক্ষেত্রে হেয়ারলাইন অপরিবর্তিত থাকে। তবে তালুর দিকে চুল পাতলা হয়ে যায়।

এছাড়াও বিভিন্ন মেডিকেল কন্ডিশনের কারণে চুল পড়ে।
যেমনঃ - এনিমিয়া (রক্তস্বল্পতা)। এখানে স্ক্যাল্প পর্যাপ্ত পুষ্টি পাচ্ছেনা। সুতরাং বৃদ্ধিও ভালো হবে না।

এছাড়া ডায়রিয়াজনিত রোগের পর বা এন্টিবায়োটিক সেবনের পর অধিক হারে চুল পড়তে দেখা যায়। এর কারণ #বায়োটিন_ডেফিসিয়েন্সি।

বায়োটিন তৈরি হয় গাটের ব্যাকটেরিয়া থেকে। ক্রনিক ডায়রিয়া বা এন্টিবায়োটিকে বায়োটিন উৎপাদন কমে যায় বলেই চুল পড়া বৃদ্ধি পায়।

এই হলো পুরুষ নারীদের চুল ও চুল পড়ার মুটামুটি একটা ইতিবৃত্ত।

পরবর্তী পর্বে এর সমাধান নিয়ে আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ। পর্ব ২ পাওয়ার জন্য পড়াশেষে Done লিখুন..

লিখেছেন,
Dr. HM Rukon
Collected From 20 Minute Medical Skill Development

27/11/2023

👉 মাড়ি থেকে রক্ত পড়লে বুঝতে হবে মাড়িতে জিনজিভাইটিস বা মাড়ির প্রদাহ হয়েছে। যদি আপনার মাড়ি থেকে সহজেই রক্ত পড়ে কিংবা দাঁত ব্রাশের সময় রক্ত পড়ে, তা হলে শুরুতেই ডেন্টিস্টের কাছে যান। জিনজিভাইটিস নিরাময়যোগ্য ও সহজে প্রতিকার করা যায়।

🦷 রক্ত পড়ার কারণ :

১. মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ার প্রধান ও অন্যতম কারণই হচ্ছে নিয়মিত দাঁত ব্রাশ না করা।

২. ক্যালকুলাস দাঁত ও মাড়ির মাঝখানে অবস্থান করে এবং প্রতিনিয়ত নরম মাড়ির সঙ্গে ক্যালকুলাসের ঘর্ষণের কারণে খুব সহজেই মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ে। মাড়ির ফোলা এবং প্রদাহের কারণও এ ক্যালকুলাস। এটিকে বলা হয় জিনজিভাইটিস।

৩. ক্রমশই জিনজিভাইটিস বেড়ে গিয়ে যখন প্রকট আকার ধারণ করে, তখন একে বলা হয় পেরিওডন্টাইটিস। এ অবস্থায় দাঁতটা ধীরে ধীরে মাড়ি থেকে সরে যায় এবং নড়তে থাকে।

👉 এ সমস্যা প্রাথমিক যত্নের মাধ্যমে সারিয়ে তোলা সম্ভব। তবে অনেক সময় যদি ভালো না হয় তা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

📌 প্রতিদিন সঠিক নিয়মে সকালে ঘুম থেকে জেগে ও রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে দুবার দাঁত ব্রাশ করতে হবে।

📌 ভালো মানের পেস্ট ও ব্রাশ ব্যবহার করতে হবে। দীর্ঘদিন এক টুথপেস্ট ব্যবহার করবেন না।

📌 ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহারের মাধ্যমে দুই দাঁতের মাঝখানে লেগে থাকা খাদ্যকণা দূর করতে হবে। নিয়মিত ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। যেমন- আমলকী, কমলালেবু, বাতাবিলেবু, আমড়া ইত্যাদি।

📌 এ ছাড়া কুসুম গরমপানিতে লবণ দিয়ে কুলকুচি করতে হবে।

📌 ছয় মাস পর পর ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন।

23/11/2023

গর্ভাবস্থায় পা ফোলা কমাতে কি করবেন?

গর্ভাবস্থায় পা ফূলে যাওয়া একটি।সাধারণ ঘটনা।
সাধারণত এটি হয়ে থাকে গর্ভাবস্থার শেষ কয়েক মাসে।
পা এবং পায়ের পাতা ফুলে যাওয়া কমানোর কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে। চলুন জেনে নেয়া যাকঃ

✅ পা ঝুলিয়ে বসবেন না। পা ভাজ করেও বসবেন না। পা সামনের দিকে ছড়িয়ে দিয়ে বসুন।

✅ একটানা দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে বসে না থেকে কিছুক্ষণ পর পর উঠে একটু হাঁটুন।

✅ আরামদায়ক এবং সঠিকমাপের জুতা পড়ুন। হিল জুতা এড়িয়ে চলুন।

✅ নিয়মিত যোগব্যায়াম, হাঁটাচলা ও সাঁতার কাটতে পারেন। তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে এসব করুন।

✅ স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা মেনে চলুন। অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলুন।

✅ যখন ঘুমাবেন বা বিশ্রাম নিবেন তখন পায়ের তলায় একটি বালিশ রাখবেন।

ডাঃ ইসরাত শারমিন।
স্ত্রী ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন
কনসালটেন্ট ( গাইনী এন্ড অবস)

23/11/2023

🛡আপনি কি জানেন ?

🔰ভিটামিন ডি এর অভাবে দাঁত নড়ে যায়, এমন কি দাঁত পড়ে যেতেও পারে।

🔰ভিটামিন ডি এর অভাবে মুখে ডেন্টাল ক্যারিজ হতে পারে

🔰একটি গবেষণায় দেখা গেছে যাদের শরীরে ভিটামিন ডি এর ঘার্তি রয়েছে তাদের মুখে ডেন্টাল ক্যারিজ বেশি

🔰নিচের খাবারগুলো ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ এবং দাঁতের জন্য উপকারী
১) চীজ
২) মাশরুম
৩) সামুদ্রিক মাছ
৪) দুধ
৫) ডিম

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Rangpur?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Rangpur