E Tech Computers

E Tech Computers

Share

06/12/2016

গুপ্তধন পেয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের মানুষ ও সরকার। মাটি খুড়লেই ডলার। ফ্রীল্যান্সিং শুরুর আগে আমাদের ভাবনা এমন এটা গুপ্তধন শুরু করলেই টাকা। অথচ আপনাকে ভাবতে হবে টাকা ইনকাম করা পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজ।
আপনাকে দক্ষ হতে হবে। জ্ঞানী হতে হবে। পড়তে হবে। ২৭ বছর লেখাপড়া করার পর বুয়েট থেকে বের হয়ে চাকরী করতে হয় ২৫-৩০ হাজার টাকার আবার এম বি বি এস পাস করার পর হতে হয় ৫০ টাকার আউট ডোরের ডাক্তার। অথচ ইন্টাস পাস করেই আমরা লাখ টাকার স্বপ্ন দেখি।
স্বপ্ন দেখা ভুল না তবে দুঃস্বপ্ন দেখা ভুল।
আপনার দক্ষতা থাকলে আপনি ইনকাম করতে পারবেনই। ধরুন আপনি দর্জী কাজ পারেন। কোন দোকানে আপনাকে নিলো না। বাসায় বসে অথবা নিজেই একটা দোকান নিয়ে বসতে পারেন। ফ্রীল্যান্সিং এমনি। আগে কাজ জানতে হবে।
কোচিং সেন্টারের প্রতারণার গল্পই আমরা বলি অথচ আমাদের গল্প কেউ শুনে না , বলে ও না।
১০ হাজার টাকার বেতনের জন্য ৫ লাখ টাকা ঘুষ দিতে রাজি অথচ ক্যারিয়ার গঠনের জন্য ২০ হাজার টাকা খরচ করতে রাজি না। আমরা চাই সহজ উপায়। বিনা পুঁজির ব্যবসা। গুপ্তধন।
আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইনার হবেন, ওয়েব ডেভেলপার হবেন। মাসে লাখ টাকা ইনকাম করবেন অথচ শিখতে চান ফ্রী। মগের মুল্লুক।
হা আপনি যদি একা একা পারেন ভালো। ২০০৯-১০ এর দিকের ম্যাক্সিমাম ফ্রীল্যান্সাররা নিজে শিখেছেন। তারা ভালো ইনকাম ও করেন। আপনি পারলে সেটা ভালো।
আমাকে একজন বললেন ভাই শিখান। আমি বলেছিলাম ১ লাখ টাকা আর ৬ মাস সময় লাগবে। রাজি থাকলে চলে আসেন। উনি আর যোগাযোগ করেন নাই।
পরে উনাকে অফার দিয়েছিলাম ভাই ১০ লাখ টাকা দিলে ব্যাংকে চাকরীর লাইন আছে করবেন?
তার পর থেকে আমাকে প্রায় কল করেন।
ফ্রীল্যান্সিং গুপ্তধন। ফ্রীতে মাটি খুড়লেই পাওয়া যায় ডলার। আসুন সবাই মিলে খুড়ি। সরকার প্রজেক্ট হাতে নিয়েছে। ফ্রীতে শিখতে পারবেন। দুই দিন ক্লাস করেই আইডি খুলবেন। এপ্লাই করবেন। ১ হাজার ডলারের কাজ ৫০ ডলারে। মাংনা ও করে দিতে চাইবেন। দিতে চাইবেন না কেনো আপনি তো কাজের ভ্যাল্যুই জানেন না।
আসলে আমরা ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবি না। টাকা নিয়ে ভাবি। আপনার যোগ্যতা তৈরী হলে আপনাকে খুজবে। আপনার কাউকে খুজা লাগবে না।
আমাদের দেশে চাকরীর অভাব না। অভাব যোগ্য লোকের। কথাটা আমি ১০০% বিশ্বাস করি। কেউ বছরে বছরে চাকরী পালটায় আর কেউ পায় না।
সো আইডি এপ্রুভ হচ্ছে না এমন হতাশায় না থেকে আপনি নিজে আগে এপ্রুভ হন। কথা দিলাম আপনাকেই খুজবে টাকা। টাকার পিছে ছুটা লাগবে না।

29/11/2016

ডিজিটাল মার্কেটিং

আজকাল আমরা একটি শব্দ শুনে থাকি আর তা হচ্ছে “ডিজিটাল মার্কেটিং” প্রথমেই আমদের জানা দরকার এই ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে আমরা কি বুঝি। সরল ভাষায়, ডিজিটাল মার্কেটিং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার এক বা একাধিক ফর্ম মাধ্যমে পণ্য বা ব্র্যান্ডের প্রচার করার কে বুঝায়। টিভি,রেডিও,মোবাইল এবং ইন্টারনেট - এ সকল মাধ্যমে আমরা “ডিজিটাল মার্কেটিং” করে থাকি।ডিজিটাল মিডিয়া বলতে আমরা প্রথানত ই-মেইল, মোবাইল অ্যাপ, ওয়েব সাইট ও সামাজিক মিডিয়া (social media) কে বুঝায়। যদিও টিভি ও রেডিও ডিজিটাল মিডিয়া খুবই জনপ্রিয় মাধ্যম।

কেন ডিজিটাল মার্কেটিং গুরুত্বপূর্ণ ?

ডিজিটাল মিডিয়া বলতে আমরা প্রথানত ই-মেইল, মোবাইল অ্যাপ, ওয়েব সাইট ও সামাজিক মিডিয়া (social media) কে বুঝায় যা আগেই বলা হয়েছে।

এখন আমরা কিছু তথ্য নেই, যার মাধ্যমে আমরা খুব সহজে বুজতে পারবো, কেন ডিজিটাল মার্কেটিং গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে পৃথিবীতে ইন্টারনেট ব্যাবহার করে প্রায় ২ বিলিয়ন মানুস,ফেসবুক বেবহার করে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন মানুষ আর টুইটার ব্যাবহার করে ২৩২ মিলিয়ন মানুষ। অপরদিকে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের সংখ্যা বিশ্বব্যাপী মোট 1.75 বিলিয়ন যা প্রতিনিয়তও বাড়ছে।

উপরোক্ত তথ্য বিশ্লেষণ করলে আমরা খুব সহজে বুজতে পাড়ি ডিজিটাল মার্কেটিং গুরুত্ব। কোন পণ্য বা সেবার তথ্য আমরা খুব সহজেই আমাদের নির্ধারিত গ্রেহকে খুব সহতে জানাতে পাড়ি কেবল ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে।

আপর দিকে ডিজিটাল মার্কেটিং গুরুত্বপূর্ণ, কারন আমরা জানি ই-কমার্স খুবই জনপ্রিয় মাধ্যমে পরিণীত হয়েছে। আর এখন আমরা জেনেনাই ই-কমার্স বলতে আমরা কি বুঝি। সাধারণত ই-কমার্স বা ইকমার্স হিসাবে পরিচিত 'ইলেক্ট্রনিক কমার্স, যেমন ইন্টারনেট হিসাবে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে পণ্য বা পরিষেবা ট্রেডিং. ইলেকট্রনিক কমার্স যেমন মোবাইল কমার্স, ইলেকট্রনিক তহবিল স্থানান্তর, সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট, ইন্টারনেট বিপণন, অনলাইন লেনদেনের প্রক্রিয়াকরণ, বৈদ্যুতিন তথ্য বিনিময় (EDI), ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, এবং স্বয়ংক্রিয় তথ্য সংগ্রহ সিস্টেম হিসাবে প্রযুক্তির উপর স্বপক্ষে. এটি যেমন ই-মেইল হিসাবে অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারে, যদিও আধুনিক ইলেকট্রনিক কমার্স সাধারণত, লেনদেন জীবন চক্র অন্তত এক অংশ জন্য ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ব্যবহার করে।

এ ছাড়া আর একটা মাধমে ইন্টারনেট বিপণন হয়ে থাকে যাকে আমরা সামাজিক কমার্স বলে থাকি । যার মাধ্যমেও পণ্য ও সেবা অনলাইন ক্রয় এবং বিক্রয় কারা হয়ে থাকে।
এতক্ষণ আমরা যা আলোচনা করলাম , তার প্রতিটি ক্ষেত্রে ডিজিটাল মার্কেটিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

26/11/2016

গ্রাফিক্স ডিজাইনার কি? কেন? কোথায় চাকরি পাবেন?

আঁকা ঝোঁকাতে ঝোক বেশি! ক্রিয়েটিভ কিছু করতে মন চায়? সময় পেলেই কম্পিউটারের পেইন্ট টুলস, ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর নিয়ে গাছ, পাখি, ফুল, ফল, বাড়ির দৃশ্য বা কারো নাম বা ছবি নিয়ে কাজ শুরু করে দেন? পার্ট-টাইম বা ফুল টাইম কাজ খুঁজছেন? অথবা অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে অপেক্ষাকৃত বেশি আয় করতে চান? তাহলে ভেবে চিন্তে নেমে পড়–ন গ্রাফিক্স ডিজাইনে। অন্যান্য সব চাকরির থেকে গ্রাফিক্স ডিজাইন পেশাটি সবচেয়ে নিরাপদ ও ঝামেলা বিহীন। নিরাপদ ও ঝামেলাবিহীন বলার কারণ হলো অন্যান্য সব পেশার বিপরীতে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কোনো কাজের অভাব হয় না। এটা একটি সন্মানজনক পেশাও। তবে অনেকেই এ পেশাটি নিয়ে চিন্তিত থাকেন। কিভাবে এগিয়ে যাবেন, শিক্ষাগত যোগ্যতা কি প্রয়োজন বা একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের বেতন-ই বা কতো? তাদের জন্য এ লেখা। লেখাটির মাধ্যমে ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে চাইলে যে বিষয়টি আগে জানতে হবে সেটি জানানো চেষ্টা করেছি।

গ্রাফিক্স ডিজাইনার কে?
আমরা প্রথমেই জেনে নিই গ্রাফিক্স ডিজাইনার কে বা তার কাজ কি। তার আগে বলি, গ্রাফিক্স ডিজাইন হলো আর্ট বা কলা’র এ মাধ্যম। ডিজাইনার তার কাজের মাধ্যমে এন্ড ইউজার অর্থ্যাৎ সর্বশেষ ব্যবহারকারীর মধ্যে একটি ভালো প্রভাব ফেলতে পারেন। যেটি সেই ব্যবহারকারীর ব্রেইন এ একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। তাই গ্রাফিক্স ডিজাইনার হলেন তিনি, যিনি গ্রাহকের চাহিদানুযায়ী বেশ কিছু কালার, টাইপফেস, ইমেজ এবং অ্যানিমেশন ব্যবহারের মাধ্যমে তার চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হন। এটার আউটপুট ডিজিটাল বা প্রিন্ট উভয়ই হতে পারে। আর বর্তমান সময়ে সচরাচর পাওয়া বিভিন্ন টুলস ও লেআউট ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাফিক্স ডিজাইনার তার কাজকে আরো বেশি ক্রিয়েটিভ ও গ্রাহকের চাহিদা পূরণ করে বাড়তি তৃপ্তি দিতে পারছেন

গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে যেখানে চাকরি পাবেন ?

একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের দায়িত্ব হলো তার কাজ, পণ্য বা সেবার ওভারঅল লুক ও ভাবমূর্তি ভালোভাবে ফুটিয়ে তোলা। কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছাড়া ডিজাইন করা যতোই ভালো পণ্য হোক না কেনো সেটি প্রথমেই ব্যার্থ হবে। তাই একটি নিদ্দিষ্ট পরিকল্পনা ও ক্রিয়েটিভিটি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের মানকে উন্নত করে। তাই নিজেকে ভালোভাবে তৈরি করতে পারলে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের অভাব হয় না! সবচেয়ে বড় বিষয় হলো সম্প্রতি দেয়া তথ্যমতে, বর্তমানে প্রায় ৩৫ শতাংশ গ্রাফিক্স ডিজাইনার আত্বনির্ভরশীল ও স্বাবলম্বী।

একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের ক্ষেত্র কোথায় হতে পারে তার একটি তালিকা দেওয়া হলো-

→ ইন্টার‌্যাক্টিভ মিডিয়া:
কয়জন গ্রাফিক্স ডিজাইনার তার কাজের সঠিক মূল্যায়ন ও ভাগ্যকে পরিবর্তন করার যে ক্ষেত্রটি পান সেটি হলো ইন্টার‌্যাক্টিভ মিডিয়া। এখানে বিশেষত টেক্সট, গ্রাফিক্স, ভিডিও, অ্যানিমেশন, অডিওসহ যেকেনো কিছু এবং এ সম্পর্কিত সব কিছুই নিয়ে কাজ হয়। আমার মতে ইন্টার‌্যাক্টিভ মিডিয়া হলো তেমনই একটি ভালো নিশ যেখানে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার তার কাজকে প্রস্ফুটিত করতে পারেন।

→ প্রমোশনাল ডিসপ্লে:
সাধারণত যারা বড় ধরনের বা বড় আকারের কাজ করতে চান বা কঠোর পরিশ্রম করতে পারবেন তাদের জন্য এটি একটি ভালো মাধ্যম। এ কাজগুলো মূলত বিভিণœ অ্যাডমিডিয়াতে পাওয়া যায়। এখানে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারকে বিভিন্ন ধরণের বিলবোর্ড ডিজাইন এবং একই ধরণের প্রোমোশনার ডিসপ্লে ডিজাইন নিয়ে কাজ করতে হয়।

→ জার্নাল:
বিভিন্ন ধরণের জার্নালগুলো (বিষয়ভিত্তিক বা ব্যাঙ্গাত্বক) ক্রিয়েটিভ গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের গুরুত্ব দিয়ে থাকে। এখানে সাধারণত পাঠককে আকৃষ্ট করার কাজটি করতে হয়। এখানে আপনাকে ছোটখাটো লোগো, ইমোটিকন থেকে শুরু করে কমপ্লিট কাভার ডিজাইন করতে হতে পারে।

→ কর্পোরেট রিপোর্টস:
এটি রেগুলার জব না হলেও কম নয়! একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার বিভিন্ন কোম্পানির কর্পোরেট রিপোর্ট তৈরি করে ভালোমানের আয় করতে পারেন। এটা অনেকটাই প্রফেশনাল কিন্তু মোটেই বোরিং কাজ নয়। কাজের মধ্যে অনেক স্বাচ্ছদ্য বোধ করা যায়।

→ মার্কেটিং ব্রোশিউর:
এটিও অনেকটাই প্রোমোশনাল ডিসপ্লের কাজের মতো। এখানে আপনাকে বিভিন্ন কোম্পানির পণ্য বা সেবা নিয়ে ডিজাইনের কাজটি করতে হবে। একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার ছাড়া যেহেতু কাজটি সম্ভব নয়, তাই এখানেও আপনার কাজের ক্ষেত্রটি হতে পারে।

→ সংবাদপত্র:
গ্রাফিক্স ডিজাইনার ছাড়া সংবাদপত্র! মোটেই সম্ভব নয়। একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার একটি সংবাদপত্রকে ঠিকই সংবাদপত্রেরই মতো করে তোলেন। ফাইনাল লেআউট দেওয়ার জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইনার অবশ্যই জরুরী। এখানে আপনার পেশার সন্মানটাও বেশি। তাই সংবাদপত্র একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের জন্য একটি সাফল্যজনক কাজের ক্ষেত্র।

→ ম্যাগাজিন:
এটাও মূলত সংবাদপত্র ও জার্নালের মতো। তবে ম্যাগাজিনে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের পরিমান অপেক্ষাকৃত অনেক বেশি। কারণ ম্যাগাজিনে ভিজ্যুয়াল লেআউট বেশি থাকে। তাই ম্যাগাজিনের প্রত্যেকটা প্রকাশনার জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইনার, অবশ্যই আবশ্যক। এটাও আপনার যথোপযুক্ত কাজের ক্ষেত্র হতে পারে।

→ লোগো ডিজাইন:
একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় কাজ হলো লোগো ডিজাইন। এক্ষেত্রে একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ শুরু করতে বেশি সময় লাগে না। আপনার ক্রিয়েটিভিই হলো লোগো ডিজাইনের মূল কথা। প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই তার প্রতিষ্ঠানের লোগো তৈরির জন্য একজন ফ্রিল্যান্স লোগো ডিজাইনার অর্থাৎ গ্রাফিক্স ডিজাইনারে খোঁজ করেন। তাই আপনি সহজেই কাজ পাবেন এবং ভালো করতে পারলে তাদেরকেই আপনার রেগুলার বায়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন।

→ ওয়েবসাইট ডিজাইন:
সবশেষে বললেও একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের জন্য সবচেয়ে বেশি কাজের ক্ষেত্র ওয়েবসাইট ডিজাইন। লোকাল মার্কেট বা অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেটাই বলি না কেনো প্রতিনিয়ত ওয়েব ডিজাইনের কাজের পরিমাণ বাড়ছে। তাই ওয়েবসাইট ডিজাইন করেও আপনা গ্রাফিক্স ডিজাইনার পেশাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন নিদ্দিষ্ট লক্ষ্যে।

→ স্মার্টফোন ডিজাইন:
বর্তমান বিশ্বে ডিজাইনিং এর প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বাড়ছে। সর্বাধুনিক স্মার্টফোন গুলোতে ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইনিং ব্যাবহার করার ফলে হঠাৎ’ করে একটি বড় মার্কেট সৃষ্টি হয়েছে ডিজাইনিং এ। কম্পিউটার প্রফেশনাল অনেকেই কোডিং এর চেয়ে ডিজাইনিংকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন এর জনপ্রিয়তার জন্য। ডিজাইনিং এর আরেকটি প্রধান সুবিধা হল এর মাধ্যমে গ্রাহকের মনের অনুভুতিকে জাগানো সম্ভব হয় যার মাধ্যমে ডিজাইনার সৃষ্টি র আনন্দ পেতে পারেন। বর্তমানে এডোবি ফটোশপ,ইলাস্ট্রেটর, আরও কিছু সফটওয়্যার দ্বারা ডিজাইনিং শেখা যায়। প্রফেসিওনাল মানের ডিজাইনিং একই সাথে আর্থিক সাফল্য ও মানসিক তৃপ্তি দুটোরই ভাল পদ্ধতি হতে পারে।

Photos 15/01/2016

অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং/আউটসোর্সিং অথবা অনলাইনে ব্যাবসা করতে চাচ্ছেন? তাহলে "BASIS OUTSOURCING AWARD 2014" পুরষ্কারজয়ীর সাথে কেন নয়??
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: http://etech-computers.blogspot.com/p/outsourcing-training.html

Want your school to be the top-listed School/college in Rangamati?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Culinary Team

Attire

Telephone

Address


10 Aziz Super Market, Happy Moore
Rangamati
4500