BooksWorld.com.bd
22/08/2022
বই পড়তে গিয়ে ভালোই জ্যোতিষশাস্ত্র শিখলাম খানিক।
এক লেখকের স্মৃতিকথায় পড়লাম, লেখক তাঁর কৈশোরে এক তীর্থস্থানে গিয়েছেন। গত শতকের মহামন্দার সময়ের কথা এটা। সেই তীর্থস্থানে নামকরা এক জ্যোতিষি থাকেন। এক ভদ্র দম্পতি তাদের কিশোরী মেয়েকে নিয়ে জ্যোতিষির কাছে আসছে। মেয়ের ভবিষ্যৎ জানতে বাবা মা দু'জনেরই খুব আগ্রহ। জ্যোতিষিকে বললেন তাদের মেয়ের হাত দেখার জন্য।
জ্যোতিষি যেইমাত্র হাত দেখতে যাবে তখন মেয়েটি বলে উঠলো, আমি হাত দেখে প্রেডিকশনে বিশ্বাস করি না। মেয়েটির বাবা-মা আর জ্যোতিষি তিনজনই তিনজনের মুখ চাওয়াচাওয়ি করলো কিছুক্ষণ।
জ্যোতিষি চালাক মানুষ। সে খপ করে মেয়েটির হাত ধরে হাতের রেখায় পলক ফেলার আগেই মেয়েটির দিকে তাকিয়ে বলে উঠলো, জ্বী আপনার হাতেও তাই লেখা।
- কী লেখা?
- ওই যে, আপনি হাত দেখায় বিশ্বাস করেন না। সেটাও আপনার হাতে লেখা আছে।
আরেকদিন পাঠক সমাবেশে আরেকটা বই পড়লাম। বইতে বিখ্যাত কয়েকজন লেখকের সাক্ষাৎকার ছেপেছে। শেষে ছেপেছে ভারতের প্রখ্যাত লেখক খুশবন্ত সিং-এর সাক্ষাৎকার।
যিনি সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন তিনি লেখককে হটাৎ প্রশ্ন করলেন,
- আপনার অমুক(পত্রিকাটার নাম ভুলে গেছি) পত্রিকাটা সম্পর্কে কিছু বলুন।
- পত্রিকা সম্পর্কে বলতে হলে পত্রিকাটার রাশিফলের পাতাটা নিয়ে কিছু বলি শুনুন।
- ঠিক আছে বলুন।
- আমার পত্রিকাটা সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠলো রাশিফলের পাতাটার জন্য। একজন জ্যোতিষি আমার পত্রিকাটার সেই রাশিফল লিখতেন। হটাৎ একদিন তিনি ভারতের অন্য একটা প্রদেশে চলে গেলেন। কিন্তু রাশিফলের পাতাটার জন্য পত্রিকার কাটতি তখন খুব ভালো। জ্যোতিষি চলে যাওয়ার পরের তিন মাস পত্রিকার রাশিফলের পাতাটা আমি চালিয়েছিলাম।
- ধরা পড়লেন না?
- কে ধরবে? জ্যোতিষি রাশিফল লিখতো কাঠখোট্টা ভাষায়। আর আমি একজন সাহিত্যিক মানুষ, আমি রাশিফল লিখতাম মনের মাধুরি মিশিয়ে, ইচ্ছে মতো রঙ চড়িয়ে।
15/08/2022
১৯৯৭ সালে ৫০০ টাকা দিয়ে আমরা কি কি কিনতে পারতাম। এখন কি কিনতে পারি? ডলার ছিলো-৪২ টাকা।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the school
Telephone
Website
Address
Ramna