TechTicsBD
‘টেকনোলজি’, ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’, ‘রোবোটিক্স’ শব্দগুলো শুনলেই চোখের সামনে যা ভেসে উঠে তা ব্যখ্যা করা যায় একটি শব্দ দিয়েই, ‘বিস্ময়’। বিজ্ঞানের এই বিস্ময়কর শাখাগুলো আমাদের কল্পনাকে করেছে বাস্তব, স্বপ্নকে করেছে সত্যি। ইঞ্জিনিয়ারিং আর টেকনোলজির কল্যানে কোনও দূরত্বই আজ আর দূরত্ব নয় তেমনি কোনও দূর্গমও আজ আর দূর্গম নেই। আজ থেকে এক যুগ আগেও যা ছিলো অকল্পনীয়, সাইন্স ফিকশনের পাতায় পাতায় লেখকের লেখনীতে উঠে আসা যেস
16/12/2017
তিরিশ লক্ষ শহীদের বিনিময়ে প্রাপ্ত এই পতাকা। চিরদিন বুকে থাক সবার। TechTicsBD র পক্ষ থেকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।
বিশ্বের সবচেয়ে ব্যায়বহুল ১০টি বস্তু :
মানুষের কৌতুহল ও চাহিদার শেষ নেই। কিছু তারা বানায় প্রয়োজনে, কিছু বানায় কৌতুহলে, গবেষনা করার জন্য। এর জন্য প্রচুর ব্যয় তো আছেই। এই লেখাতে দেওয়া হয়েছে বিশ্বের সর্বোচ্চ ব্যায়বহুল দশটি বস্তুর তালিকা। এখানে মুল্যমান বিলিয়ন ডলারে দেওয়া আছে। এক বিলিয়ন ডলার হল ১০০ কোটি ডলার যা কিনা বাংলাদেশের প্রায় ৭৭০০ কোটি টাকার সমান।
১০। ওরসান্ড সেতু (Oresund Bridge) - ৬ বিলিয়ন ডলারঃ এটাকে ব্রিজ বা সেতু বলা হলেও এটা আসলে আংশিক টানেল অর্থাৎ মাটির নীচ দিয়ে সুড়ঙ্গ। এই ব্রিজটি সুইডেন ও ডেনমার্ক দেশ দুটিকে যুক্ত করেছে। এতে আছে দুই লাইনের রেলওয়ে লাইন ও চার লাইনের মহাসড়ক। এটা ইউরোপের সবচেয়ে লম্বা এই ব্রিজটি প্রায় ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ২৩ মিটার (৭৭ ফুট) চওড়া। ২০০০ সালে এটার নির্মান কাজ শেষ হয়। খরচ হয়েছে ৬ বিলিয়ন ডলার।
৯। লার্জ হারডন কোলাইডার (Large Hadron Collider) - ৬ বিলিয়ন ডলারঃ এটাকে সংক্ষেপে LHC বলা হয়। এটা মুলত একটি গবেষনাগার। এটা বিশ্বের সর্বোচ্চ এনার্জি এক্সালেটর (world’s largest and highest-energy particle accelerator) বিজ্ঞানীদের ধারনা ের থেকে পদার্থবিদ্যা ও প্রকৃতির মূল বিষয়ের অনেক প্রশ্নের উত্তর মিলবে। ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ড এর বর্ডারে, জেনেভার কাছে, মাটির ১৭৫ মিটার (৫৭৪ ফুট) গভীরে, ২৭ কিলোমিটার লম্বা একটা চক্রাকার টানেল বা সুড়ঙ্গ এটি। নির্মান কাজ শেষ হয়েছে ২০০৮ সালে। খরচ হয়েছে ৬ বিলিয়ন ডলার।
৮। ফিউসন রয়েক্টরের গবেষনা (Experimental Fusion Reactor ) - ৬.৫ বিলিয়ন ডলারঃ এটাকে সংক্ষেপে বলা হয় ITER ( International Thermonuclear Experimental Reactor) এটিও গবেষনার বস্তু। এর নির্মান কাজ শেষ হতে আরো এক বছর লাগবে (২০১৬ সাল) । বলা চলে, বিশ্বের সব গবেষক দেশগুলি যৌথভাবে এই কাজে হাত লাগিয়ে ৬.৫ বিলিয়ন ডলারের এই রিয়াক্টর বানানো কাজ করছে। কোন দেশ আছে এই কাজে? আমেরিকা, রাশিয়া, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, জাপান, চায়না, দক্ষিন কোরিয়া এমনকি ভারতও।
৭। ওলকিলুওতো পারমানবিক শক্তি কেন্দ্র ( Olkiluoto Nuclear Power Plant) - ৭.২ বিলিয়ন ডলারঃ ফিনল্যনাডের একটি দ্বীপ, ওলকিলুওতো । এখানেই আছে এই পারমানবিক শক্তি কেন্দ্র। ফিনল্যান্ডের দুটি পারমানবিক শক্তি কেন্দ্রের মধ্যে এটি একটি। এটার কাজ শেষ হবার কথা ছিল ২০১২ সালে । যদিও এর কিছু অংশের কাজ এখনো বাকী আছে।
৬। আলাস্কা পাইপ লাইন (Alaska Pipeline) - ৮ বিলিয়ন ডলারঃ যুক্তরাস্ট্রের আলাস্কা অংরাজ্যটি মুল ভুমি থেকে আলাদা। ওটা কানাডার ওইপাশে। ১২২ সেন্টিমিটার (৪৮ ইঞ্চি) ব্যাসের এই পাইপ লাইন ১২৮৮ কিলোমিটার দীর্ঘ। একটি বেসরকারী এই পাইপ লাইনের মালিক। অনেকের হয়ত জানা আছে যে বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল উতপাদনকারী দেশ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ১৯৭৩ সালে তেলের দুস্প্রাপ্যতার কারনে দেশটিতে যখন তেলের উচ্চমুল্য হয়ে গিয়েছিল তখন এই পাইপ লাইনের কাজ শুরু হয়। পাইপলাইন বানানো শেষ হয় ১৯৭৭ সালে।
৫। বিমান বহনকারী নৌযান (CVN-78 Class Aircraft Carrier ) - ৮.১ বিলিয়ন ডলারঃ এমন যুদ্ধবিমান বহনকারী জাহাজ আরো আছে। কিন্তু এটি নতুন ডিজাইন ও অনেক আধুনিক ব্যাবস্থা থাকবে এতে। এতে থাকবে তড়িতচুম্বকীয় পদ্ধতীতে বিমান প্রক্ষেপন ব্যাবস্থা (Electromagnetic Aircraft Launch System) আরো থাকবে আকর্ষনীয় ডিজাইন যাতে বেশী বিমান রাখা যায় ও কম লোকবল লাগে। বলাবাহুল্য, এটি যুক্তরাস্ট্রের প্রজেক্ট। এ বছরেই (২০১৫ সালে) এর কাজ শেষ হবার কথা আছে।
৪। জেমস বে প্রোজেক্ট (James Bay Projec) - ১৩.৮ বিলিয়ন ডলারঃ এটি কানাডার কুইবেকে অবস্থিত, একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প (hydroelectric power stations)। এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ প্রকল্প। এই প্রকল্পটি এত বড় যে, এটি যতখানি জায়গা দখল করে রেখেছে তা প্রায় বাংলাদেশের সমান। ১৩ বিলিয়ন ডলারের এই প্রকল্পের কাজ শেষ হয় ১৯৭২ সালে।
৩। তিন জর্জ বাধ (Three Gorges Dam) - ২৫ বিলিয়ন ডলারঃ এই বাঁধটি রয়েছে চীনের হুবেই প্রদেশের সান্ডোপিং শহরে। এই বাধটি জলবিদ্যুৎ উতপন্ন করে। বিশ্বের যে কোন ধরনের বিদ্যুৎ উতপাদন কেন্দ্রের মধ্যে এটাই সবচেয়ে বড়। বাধটির মুল কাঠামো বানানো শেষ হয়য় ২০০৬ সালে। এর পরে শিপ লিফটিং, বিদ্যুৎ উতপাদন ইত্যাদি সবকিছু বানিয়ে শেষ করতে ২০১১ গড়িয়ে যায়।
২। ইতাইপু বাঁধ (Itaipu Dam) - ২৭ বিলিয়নঃ এটিও একটি জলবিদ্যুৎ উতপন্নকারী বাঁধ। ব্রাজিল ও প্যারাগুয়ে এর বর্ডারে পারানা নদীর উপরের এই বাঁধ। ওখানে ইতাইপু নামে একটি দিপ আছে যা থেক এই নামটি আসে। চাছাড়া ওখানকার ভাষায় ইতাইপু অর্থ - পাথরের শব্দ। ব্রাজিলের বিদ্যুৎ চাহিদার ১৯% ও প্যারাগুয়ের বিদ্যুৎ চাহিদার ৯০% মেটায় এই ইতাইপু বাঁধ। এই পর্যন্ত দুনিয়ার বুকে বানানো সবচেয়ে ব্যায়বহুল (২৭ বিলিয়ন ডলার) এই স্থাপনাটি বানানো শেষ হয় ১৯৮৪ সালে।
১। আন্তঃজাতিক মহাকাশ কেন্দ্র ( International Space Station) - ১৫৭ বিলিয়ন ডলারঃ উপরে যে সব স্থাপনার কথা বলেছি সেগুলো সব যোগ করলেও মোট ১১০ বিলিয়ন ডলারের বেশী হয় না। ওদিকে এই স্পেস স্টেশন বানাতে খরচ হয়েছে ১৫৭ বিলিয়ন ডলার। এটা এত বিশাল ব্যয় যে এই টাকা খরচ করলে ইউরোপ থেকে আমেরিকা পর্যন্ত, আটলান্টিক মহাসাগরের নীচ দিয়ে টানেল (সড়ক ও রেল সহ) বানানো যাবে। এটা মহাকাশের একটি স্টেশন যেখানে বিভিন্ন দেশের গবেষকেরা গিয়ে কিছুদিন থেকে গবেষনা করে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মিলে এই স্থাপনাটির অর্থের যোগান দিয়েছে। ১৯৯৮ সালে কাজ শুরু হয় এবং ২০০০ সালে এটা সম্পুর্ন ব্যাবহারের উপযোগী হয়। এই স্টেশনটি ২০২০ সাল পর্যন্ত ব্যাবহার উপযোগী থাকবে বলে বিজ্ঞানীদের ধারনা।
উল্লেখ্য যে এর আগেও (১৯৭৩ সালে ) ১০০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে এমনই একটি মহাশুন্য স্টেশন বানানো হয়েছিল যার যার নাম ছিল স্কাইল্যাব (skylab)। ১৯৭৯ সালে বৈদুতিক গোলযোগের কারনে আগুন ধরে ধংশ হয়ে পৃথিবীতে আছড়ে পরে এই স্কাইল্যাব। মানব ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যায়বহুল ওই দুর্ঘটনাটিতে ৯ জন মহাকাশচারী নিহত হয়।
সংগৃহীত।
03/12/2017
৬ ডিসেম্বর ঢাকায় বেশ ব্যস্ততার মধ্যেই দিন কাটবে নাগরিকত্ব পাওয়া বিশ্বের প্রথম রোবট সোফিয়ার। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) খাতের বড় বড় প্রদর্শনী ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭’ উপলক্ষে ঢাকায় আসছে সোফিয়া। ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড মেলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে ঢাকায় সোফিয়ার সম্ভাব্য দিনলিপিও জানা গেছে। সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবে সোফিয়া। অনুষ্ঠানে অতিথিদের সঙ্গে কথা বলবে সে।
মেলা উদ্বোধনের পর একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেবে সোফিয়া। এতে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলবে এবং প্রশ্নের উত্তরও দেবে। সোফিয়ার সঙ্গে ঢাকায় আসছেন এই রোবটের ডিজাইনার ডেভিড হ্যানসন। তিনি সোফিয়াকে নিয়ে একটি কারিগরি অধিবেশনে বক্তৃতা করবেন। সেখানে সোফিয়ার কারিগরি দিক ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কথা বলবেন। সেদিনই সোফিয়া ঢাকা ত্যাগ করবে। রোবট সোফিয়া ঢাকায় আনার ব্যাপারে পৃষ্ঠপোষকতা করছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড।
হলিউড কিংবদন্তি অড্রে হেপবার্নের চেহারার আদলে তৈরি সোফিয়ার নির্মাতা হংকংয়ের রোবট বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিকস। সোফিয়া রোবটটি মানুষের ব্যবহারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারে। তার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি এমনভাবে বানানো হয়েছে, যাতে মানুষের আচার-আচরণের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে। মানুষের কাজ দেখে শিখে রোবটটি তা নিজেই করতে পারে। সোফিয়া ইংরেজিতে কথা বলে। এটি সক্রিয় হয় ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল।
গত ২৫ অক্টোবর সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ সম্মলনে সোফিয়াকে দেখানো হয়। সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীরা সোফিয়ার কথাবার্তায় এতটাই মুগ্ধ হন যে সেখানেই সোফিয়াকে সৌদি আরবের নাগরিকত্ব প্রদান করার কথা বলা হয়। ফলে সোফিয়াই প্রথম রোবট, যে কোনো দেশের নাগরিকত্ব লাভ করল।
সোফিয়া নানা বিষয়ে অসংখ্য প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে। ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিশাল তথ্যভান্ডারে যুক্ত থাকে সে। সেখান থেকে ‘মেশিন লার্নিং’ পদ্ধতিতে প্রশ্নের জবাব দেয় সোফিয়া। রোবটটি তথ্যপ্রক্রিয়াজাত পারে। মানুষের মুখ শনাক্ত করতে পারে। মানুষের অঙ্গভঙ্গি ও মুখের অভিব্যক্তি নকল করতে পারে।
সোফিয়া মানুষের সঙ্গী হিসেবেও কাজ করে। তার মালিকের সঙ্গে কথোপকথন কিংবা কোনো বড় অনুষ্ঠান বা পার্কে ভিড়ের মধ্যে সহযোগিতা করতে পারে। হ্যানসন রোবটিকসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধীরে ধীরে সোফিয়া মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করার মতো পর্যাপ্ত সামাজিক দক্ষতা অর্জন করবে।
সংগৃহীত।
03/08/2017
#সুপারকম্পিউটার
কার্যক্ষমতার (হিসাব-নিকাষের ও নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্পাদন করার গতি) ভিত্তিতে পৃথিবীর সেরা কম্পিউটারগুলোকে সুপার কম্পিউটার বলা হয়। এগুলো আকার-আকৃতিতে যেমন সাধারন কম্পিউটারের তুলনায় সুবিশাল হয় তেমনি কাজের প্রকৃতিও অনেকটাই আলাদা। ১৯৬০ সালের দিকে কন্ট্রোল ড্যাটা কর্পোরেশন (সিডিসি) এর সেইমার ক্রে সর্বপ্রথম প্রাথমিক ভাবে সুপার কম্পিউটারের একটি ডিজাইন তৈরি করেন এবং তা পৃথিবার কাছে তুলে ধরেন। তাকেই সুপারকম্পিউটারের জনক বলা হয়। সত্তরের দশকের সুপার কম্পিউটারগুলোতে অল্প কিছু প্রসেসর ব্যবহার করা হয়ে থাকলেও নব্বইয়ের দশকের দিকে এসে সুপার কম্পিউটারগুলোতে কয়েক হাজার পর্যন্ত প্রসেসর ব্যবহার হতো। বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে সুপার কম্পিউটারে প্রসেসরের এ সংখ্যা লক্ষ ছাড়িয়ে যায়।
সুপারকম্পিউটারের কার্যক্ষমতার একক হচ্ছে ফ্লপস (FLOPS – Floating Point Operations per Second). সাম্প্রতিক সময়ে তৈরী সুপারকম্পিউটারগুলো পেটাফ্লপস (PetaFLOPS) গতির হয়ে থাকে। উল্লেখ্য, পেটাফ্লপস বলতে মূলত এক কোয়াড্রিলিয়ন (১ কোয়াড্রিলিয়ন=১০০০ট্রিলিয়ন) ফ্লপ বোঝানো হয়। যদিও এর চেয়েও এক হাজার গুন অর্থাৎ টেরাফ্লপস গতির সুপারকম্পিউটারও ইতিমধ্যে তৈরী হয়েছে।
সুপার কম্পিউটারগুলোতে অসংখ্য প্রসেসর নিয়ে কাজ করার জন্য সাধারণত দুটি পদ্ধতির একটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ১ম পদ্ধতির নাম গ্রীড কম্পিউটিং এবং ২য় পদ্ধতির নাম ক্লাস্টার কম্পিউটিং। গ্রীড কম্পিউটিং পদ্ধতিতে বিশাল সংখ্যক কম্পিউটারের প্রসেসিং ক্ষমতা সুষ্ঠভাবে বন্টিত অবস্থায় থাকে এবং প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটারগুলোকে বৈচিত্রময় প্রশাসনিক কিছু উপায় মেনে পুনরায় আবার কাজে লাগিয়ে দেয়া হয়। অপরদিকে ক্লাস্টার কম্পিউটিংয়ের ক্ষেত্রে একে অপরের সাথে খুবই নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত বিশাল সংখ্যক প্রসেসর একত্রে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রনাধীন অসংখ্য মাল্টি-কোর প্রসেসর সংযুক্ত করার মাধ্যমে চালিত উক্ত পদ্ধতিটির জনপ্রিয়তা ক্রমশ বাড়ছে।
সুপারকম্পিউটারের তথ্য সংরক্ষনকারী ওয়েবসাইট top500 এর তথ্য অনুযায়ী বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশীল সুপার কম্পিউটার চীনের Sunway Taihulight। এর গতি ৩.০৬ টেরাফ্লপস এবং একে সচল রাখতে প্রায় ১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দরকার হয়। এছাড়া আরও উল্লেখযোগ্য কিছু সুপারকম্পিউটার হচ্ছে, Titan, IBM Mira, IBM Sequoia, Tianhe-1, Tianhe-2, Super MUC ইত্যাদি। ইতিমধ্যেই অগ্রদূত যুক্তরাষ্ট্রকে পিছনে ফেলে সুপারকম্পিউটারের সংখ্যা ও গতি উভয়ক্ষেত্রেই শীর্ষস্থামে উঠে এসেছে চীন।
কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যা, আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেয়া, জলবায়ু গবেষণা, তেল ও গ্যাসের উৎস চিহ্নিত করতে, আণবিক মডেল পর্যবেক্ষণ যেমন কোন কেমিকেল কম্পাউন্ড, বায়োলজিক্যাল ম্যাক্রোমলিকিউল, পলিমার এবং ক্রিস্টালের গঠন ও বৈশিষ্ট্য পর্যবেক্ষনের ক্ষেত্রে এবং বাহ্যিক সি্ম্যুলেসন যেমন এয়ারপ্লেন সিম্যুলেসন, নিয়ক্লিয় বোমা বিস্ফোরণ সিম্যুলেসন এবং নিউক্লিয়ার ফিউশন গবেষণার ক্ষত্রে সুপার কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
#উইকিপিডিয়া থেকে অনুদিত এবং সংশোধিত
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Rajshahi
6204