mithaai blocks
20/03/2024
---মায়ের মৃত্যু টা হলে খুব ভালো হতো
কর্ণ---
---ঠিক বলেছিস কর্ণ? কারন এই ভাবে চিকিৎসা করতে করতে আমরা ফকির হবো। কর্ণ: শোন মাকে ৪/৫ টা ঘুমের ওষুধ এক সাথে খাওয়াবো। এতে মৃত্যু ও হতে পারে।
কেষ্ট : ঠিক আছে তাই করবো আজ রাতে?
---দুই ভাইয়ের কথাটি শেষ হতে না হতেই সেখানে ওদের মা উপস্থিত হয়।
কেষ্ট : মা তুমি এখানে বুজলাম না।
মা : আমার রুমে ভালো লাগতে ছিলো না তাই তোদের রুমে একটু আসলাম। কিন্তু এসেই যা শুনলাম?
কেষ্ট : হ্যা যা শুনেছো সব সত্যি শুনেছো। তোমার কারনে আমাদের অনেক সমস্যা হচ্ছে। তুমি ম'রতে পারো না।
মা : শোন তার আগে তোদের একটি গল্প শুনাই। তার পরে না হয় আমি চলে যাবো এখানে থেকে।
কর্ণ: ঠিক আছে যা বলার তারা তারি বলো।
মা : আচ্ছা শোন তবে। আজ থেকে ২৬ বছর আগে তোদের দুজনের জন্ম হয় এক সঙ্গে। তোদের যখন বয়স ৫/৬ মাস হয় তখন হঠাৎ করেই একদিন তোর বাবা একজন মহিলাকে বিয়ে করে কাউকে না জানিয়ে। এর পরে আমাদের অনেক ঝগরা হয়। এক পর্যায় তোর বাবা আমাকে ডিভোর্স দেয়। ডিভোর্সের পরে খুব কষ্টে আমার দিন কাটতে লাগলো। এরে মাঝে আবার তোরা দুই ভাই ১৬/১৭ দিন পর পর অসুস্থ হয়ে পরিশ। তখন ডাক্তার দেখাইতে অনেক টাকা লাগতো কিন্তু কেউ দিতো না। এক সময় ভাবলাম এত কষ্টে থাকার বদল নিজের জীবনটা নিজেই শেষ করে দেই। কিন্তু তোদের মুখের দিকে তাকিয়ে সব ভূলে যেতাম। ভাবতাম আমি মারা গেলে আমার সন্তানের কি হবে। কে দেখাশুনা করবে। এই ভাবে দিন যেতে লাগলো একটিন হঠাৎ তোদের দুজনের ভিশন জ্বর আসে। কিন্তু আমার কাছে তখন কোন টাকা ছিলো না। কী করবো বুজতেছিলাম না। এমন সময় তোর বাবা কাছে চলে যাই। গিয়ে কিছু টাকা চাই যেনো তোদের চিকিৎসা করাতে পারি। জানিস তোদের বাবা কি বলেছিলো। বলছিলো পতিতালয়ে গিয়ে নিজের দেহ বিক্রি করে যেনো তোদের চিকিৎসা করি।
---এর পরে কোন উপায় না পেয়ে আমি সেই খারপ কাজ করতে বাধ্য হই শুধুমাত্র তোদের চিকিৎসার জন্যে। ছোট থাকায় দুই ভাই ঝগরা করতি আমাকে নিয়ে। হাসিব বলতো মা আমার নাইম বলতো না মা আমার। এই নিয়ে তোদের দুই ভায়ের সব সময় ঝগরা লেগেই থাকতো।
---মায়ের মুখে এই সব কথা শুনে হাসিবের ও নাইমের চোখে অঝরে পানি পরতে থাকে।
মা : এই পাগলেরা কান্না করতেছিস কেনো।
কেষ্ট : মা আমাকে প্লিজ মাপ করে দাও। আমরা খুব বর একটি ভূল করতে যাচ্ছিলাম। কর্ণ : হুমম মা আমাদের মাপ করে দাও। আমরা ভূল করে ফেলেছি।
কেষ্ট : আর কখনো এমন ভূল করবো না।
মা : আমার পাগল ছেলে। হুমম মাপ করে দিয়েছি। এখন ত একটু হাস তোরা। তদের হাসি মুখটা না দেখলে যে আমার ভালো লাগে না বাবা?
"সত্যি মা তুমি অসীম ❤ তোমার কোন তুলনা হয়না?
#গল্পি কাল্পনিক বাস্তবে কেউ ভাবিয়েন না। তবে আমাদের সামাজে অনেক এমন হচ্ছে।
গল্পটি ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক বাটনে একটা টুকা দিয়ে যাবেন 👉
অ্যালকেমিস্টের বিরুদ্ধে ইডির প্রেস রিলিজে খোদ মুখ্যমন্ত্রীর নাম!
অ্যালকেমিস্টের বিরুদ্ধে অর্থ তছরুপ মামলায় ইডির প্রেস রিলিজে খোদ মুখ্যমন্ত্রীর নাম! ২০১৪-র ভোটে তৃণমূলের যে তারকা প্রচারকরা হেলিকপ্টারে ঘুরেছিলেন, তা অ্যালকেমিস্টের টাকায়, তদন্তে জানতে পেরেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। আর খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামোল্লেখ করে বিস্ফোরক তথ্য ইডির প্রেস রিলিজে।
07/03/2024
স্কুল পিকনিক থেকে মেয়েকে নিয়ে ফিরে বুঝতে পারলাম স্ত্রী পালিয়েছে।আলমারির টাকা,গহনা সব সাথে নিয়ে গেছে।
মেয়ের বয়স ৮।সৎ মা যদি কষ্ট দেয়!এই ভেবে দ্বিতীয় বিয়ে করলাম না।
সময় কাটতে লাগলো।মেয়ের বয়স ১৭।আশেপাশে অনেক কিছুই পরিবর্তন হলো,সঙ্গে স্ত্রীর মন ও।সে ফিরে আসতে চায়।বিষয়টা নিয়ে একরাতে মেয়ের ঘরে গেলাম।
" বাবা, এখনো ঘুমাওনি? "
" একটু কথা ছিলো "
" ওই মহিলা ফিরে আসতে চায়,সে ব্যাপারে? "
" কি করবো বুঝতে পারছি না "
" না মানে না।কক্ষনো না।ওই মহিলাকে আনলে আমি এই বাড়িতে থাকবো না "
" মানুষ তো ভুল করেই,তাই না!একটা সুযোগ যদি পেতো,বোধহয় শুধরে যেত "
মেয়ে রেগে বললো " এ কেমন ভালোবাসা! ওনার প্রতি তোমার রাগ হয় না?অন্য জনার সাথে ভেগে গেলো,এখন ফিরে আসতে চাচ্ছে তুমিও মাফ করে দিবা? "
আর কথা বাড়ালাম না।বেড়িয়ে আসলাম।মেয়ে ঘর থেকে চেঁচিয়ে বললো " যা ইচ্ছে করো।একটা কথা আছে না,প্রেমের ম"রা জলে ডুবে না।তোমার হইছে সে অবস্থা।আমার কথা কেন শুনবা,আমি তে এ বাড়ির তো কেউ না।আর বাড়িটাও আমার না "
জানি উচিত না।তবুও, মন তো মানে না।ভালোবাসলে যে কোনো দোষই চোখে পড়তে চায় না।তবে মেয়ের শেষ কথাটায় ভিষণ আ"হত হলাম।কে বলেছে এই বাড়ি ওর না?
পরেরদিনই বাড়ির সামনে নেমপ্লেটে লিখে দিলাম " মেয়ের বাড়ি "।বিয়ে হলেও এই বাড়িটা মেয়েরই থাকবে।একান্ত আশ্রয়স্থল।
একদিন মেয়ে আমার হাত ধরে বললো " আমি সারাদিন কলেজ প্রাইভেট নিয়ে ব্যস্ত থাকি।তোমার একজন সঙ্গী প্রয়োজন।তুমি চাইলে বিয়ে করতে পারো,যাকে ভালোবাসতে তাকেও করতে পারো।মানা করবো না "
বুঝলাম,মেয়েও কারো প্রেমে পড়েছে, ভালোবাসে।তাইতো ভালোবাসার মানুষটাকে হারানোর কষ্ট,সাথে ফেরত পাওয়ার খুশিটাও বুঝতে শিখেছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Rajshahi Division