SEO & Outsourcing

SEO & Outsourcing

Share

15/05/2015

ওডেস্ক এর নতুন (আপওয়ার্ক)

মুক্ত পেশাজীবীদের (ফ্রিল্যান্সার) জন্য ইন্টারনেটে কাজ দেওয়া-নেওয়ার জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ওডেস্ক-ইল্যান্সের নাম বদলে গেছে।
এখন এর নাম হয়েছে আপওয়ার্ক (www.upwork.com)।

শুধু নামই নয়, সম্পূর্ণ নতুন ধরন নিয়ে এসেছে আপওয়ার্ক। ব্যাপক পরিবর্তনও আনা হয়েছে নতুন এ নেটওয়ার্কে। 5/5/15 আনুষ্ঠানিকভাবে নাম পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে ইল্যান্স-ওডেস্ক কর্তৃপক্ষ। আপওয়ার্কের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেফান কারসিয়েল জানিয়েছেন, ফ্রিল্যান্সিং জগতে নতুন একটি অধ্যায় সূচনা করতেই নতুনভাবে কাজ শুরু করতে যাচ্ছে আপওয়ার্ক। নতুন নানা ধরনের সুবিধা যুক্ত হয়েছে এতে, যাতে মেধাবী ও দক্ষ পেশাজীবীরা বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে আরও সহজে কাজ করতে পারবেন। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোও দক্ষ কর্মী নিয়োগ দিতে পারবে।

ইতিমধ্যে ইল্যান্স-ওডেস্ক থেকে বছরে ১০০ কোটি ডলারের বেশি উপার্জন করেছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ফ্রিল্যান্সাররা। আগামী ছয় বছরের মধ্যে আপওয়ার্কের মাধ্যমে এই আয় এক হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এক পরিসংখ্যানে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন দেশের কাজদাতারা ইতিমধ্যেই ইল্যান্স-ওডেস্ক ব্যবহার করে বছরে প্রায় ৩০ লাখের বেশি কাজের ফরমায়েশ দিয়েছেন। এ ছাড়া নির্দিষ্ট কাজের ক্ষেত্রে কর্মী নিয়োগের জন্য এই ওয়েবসাইটে কর্মী খুঁজেছেন ১০ কোটি বারেরও বেশি।

নতুন নামকরণকে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা বলে উল্লেখ করেছেন স্টেফান। তাঁর মতে, এখন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য নতুন কাজের সুযোগ বাড়বে। আপওয়ার্কের মাধ্যমে নতুন উদ্ভাবন ও নতুনত্ব আনার মাধ্যমে অনলাইনে কাজের বাজার আরও প্রসারিত করার ব্যাপারে কাজ করে যাবে আপওয়ার্ক।
আপওয়ার্কে কর্মী নিয়োগের পদ্ধতিটি সহজ করা হচ্ছে। পাশাপাশি দ্রুত যোগাযোগ-সুবিধা ও আপওয়ার্কের নতুন ‘রিয়াল-টাইম কমিউনিকেশন’ বৈশিষ্ট্য নির্দিষ্ট কাজকে দ্রুত সম্পন্ন করার সুযোগও দিচ্ছে।

এ ছাড়া আপওয়ার্কের নতুন মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সাইটের অনেক কাজ খুব সহজেই করে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করবে। থাকছে সরাসরি গ্রুপভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা। আপওয়ার্ক ব্যবহারকারী না হলেও যোগাযোগের জন্য বিশেষ ‘চ্যাট টুলটি’ সবাই ব্যবহার করতে পারবেন।

14/05/2015

পর্ব-০১ চলুন ফ্রীল্যান্সিং করি, এবং নিজেই নিজের ক্যারিয়ার গড়ি (গোঁড়ার কথা)

চলুন ফ্রীল্যান্সিং করি এর প্রথম পর্বে সবাইকে স্বাগতম। ফ্রীল্যান্সিং নিয়ে মানুষের মাঝে উৎকণ্ঠার শেষ নেই। দিন দিন যেন এর চাহিদা বেড়েই চলছে। কিন্তু নতুন অবস্থায় যারা আছেন সঠিক গাইডলাইন না পেলে হয়ত ফ্রীল্যান্সার হওয়ার স্বপ্ন শুরুতেই ভেঙ্গে যেতে পারে। আর আপনাদের এই অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে দেশে চলছে প্রতারণার রমরমা ব্যাবসা। সঠিক তথ্য জানা না থাকলে আপনিও পা দিতে পারেন এই ফাদে। তাই চলুন ফ্রীল্যান্সিং সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানি এবং এরপর ফ্রীল্যান্সিং করার সিদ্ধান্ত নেই।

আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করব অনলাইনে আয়ের বিভিন্ন উপায় নিয়ে এবং কেন আপনি সেগুলোর মধ্য থেকে ফ্রীল্যান্সিংকে বেছে নিবেন সেটার উপর
প্রথমেই চলুন জেনে নিই অনলাইনে আয়ের বিভিন্ন উপায়ঃ
ফ্রীল্যান্সিং বা আউটসোরসিংঃ ফ্রীল্যান্সিং হচ্ছে একটি স্বাধীন পেশা। এখানে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের কাজ। ডাটা এন্ট্রি এর মত সহজ কাজ থেকে শুরু করে অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট এর মত বড় ধরনের কাজ রয়েছে এখানে। আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে এখানে কাজ করতে গেলে আপনাকে কোন টাকা ইনভেস্ট করতে হবে না। সম্পূর্ণ ফ্রীতেই আপনি আয় করতে পারবেন। শুধু আপনাকে জানতে হবে কাজ। কাজ জানা থাকলে আর ভাল দক্ষতা থাকলে আপনিও ফ্রীল্যান্সিং করে আয় করতে পারেন। এটা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব ২য় পর্বে।
ব্লগিং করে আয়ঃ ব্লগিং করে আয়ের কথা অনেকেই শুনেছেন, কিন্তু হয়ত অনেকেই জানেন না কিভাবে আয় করা যায়। ব্লগিং হচ্ছে আপনার মতামত/আইডিয়া/নলেজ শেয়ারের অন্যতম মাধ্যম। একটি ব্লগ খুলে আপনি যদি বেশ ভাল সংখ্যক ভিজিটর আনতে পারেন তাহলে আপনি ব্লগিং করেও বেশ ভাল অর্থ আয় করতে পারেন। এখানে, ভিজিটর হচ্ছে যারা আপনার ব্লগ পড়বে অর্থাৎ আপনার ব্লগের পাঠক। যখন আপনার ব্লগের পাঠক সংখ্যা বেশ ভাল হবে তখন আপনি গুগল এ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করবেন। যদি অ্যাকাউন্ট পেয়ে যান তাহলে তাদের বিজ্ঞাপন আপনার ব্লগে প্রদর্শন করাতে পারবেন। এবং যখন আপনার কোন পাঠক এই বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে তখন আপনি টাকা পাবেন। এটাই হচ্ছে অ্যাডসেন্স এর সিস্টেম।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংঃ অনেক সময় দেখে থাকবেন যে, আপনার ডাক্তার আপনাকে কোন টেস্ট করতে দিলে বলে দেয় অমুক যায়গা থেকে টেস্ট করাবেন। কিন্তু কেন এমন বলে? কারন অমুক যায়গা থেকে টেস্ট করালে ওই ডাক্তার ওই টেস্ট করাতে যত টাকা খরচ হয়েছে তার কিছু কমিশন পাবে। এই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ও ঠিক একই রকম। আপনি যদি অনলাইন থেকে কারো পন্য বিক্রি করে দিতে পারেন তাহলে আপনিও সেই পন্য থেকে কিছু টাকা কমিশন পাবেন। এটাই হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। তবে এক্ষেত্রে আপনাকে একজন দক্ষ মার্কেটার হতে হবে।
এই গুলোই হচ্ছে মোটামুটি আমাদের সবার চেনাজানা অনলাইন আরনিং সিস্টেম।

তবে এখন দেখুন, ফ্রীল্যান্সিং কেন করবেন?
যদি আপনি সিদ্ধান্ত নিয়েই থাকেন অনলাইনে থেকে আয় করবেন তাহলে ফ্রীল্যান্সিং ই হবে সেরা উপায়। কেন? হ্যাঁ, ফ্রীল্যান্সিং হচ্ছে কাজ করার একটি উন্মুক্ত প্লাটফর্ম। এখানে রয়েছে ২০০টিরও বেশি ক্যাটাগরির কাজ। এখানে আপনি বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে পারবেন।
ফেসবুক এ অ্যাকাউন্ট খুলে দেয়া থেকে শুরু করে অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট এর মত কাজ পাবেন এখানে। আপনি অনলাইনের যেই অংশেই দক্ষ হোন না কেন, সকল সেক্টরের কাজই রয়েছে এখানে। তবে এখানকার চেনাজানা কিছু কাজ হচ্ছে- ডাটা এন্ট্রি, এসইও, ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, পার্সোনাল হেল্প, গ্রাফিক্স ডিজাইন, গেমস ডেভলপমেন্ট, অ্যান্ড্রয়েড, উইন্ডোজ, আইফোন অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি। এই গুলো হচ্ছে কাজ করার মোস্ট কমন ক্যাটাগরি।
তবে এই সকল ক্যাটাগরির মধ্যে সবচেয়ে সহজ হচ্ছে ডাটা এন্ট্রি এর কাজ। সহজ হওয়ার কারনে সবাই ই চায় ডাটা এন্ট্রি দিয়ে কাজ শুরু করতে। এই জন্য এই সেক্টরে ওয়ার্কার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। যেহেতু এই সেক্টরে ওয়ার্কার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি তাই এই সেক্টরে কাজের রেট সবচেয়ে কম।
হ্যাঁ, আপনি যেখানে কাজ করবেন সেখানকার সিস্টেম জানা অবশ্যই জরুরি। তাহলে চলুন প্রথম থেকে শুরু করা যাক-
কিভাবে আপনি টাকা পাবেন এবং কেন কাজ করবেনঃ
অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে আপনি কাজ করতে পারবেন। এই রকম কিছু সাইট হচ্ছে-

http://odesk.com

http://freelancer.com

http://elance.com

http://guru.com

এই সকল সাইট গুলোকে বলা হয় ফ্রীল্যান্স মার্কেটপ্লেস। এই সকল সাইটে দুই ধরনের অ্যাকাউন্ট খোলা যায়:
এক, ক্লাইন্ট বা বায়ার এর অ্যাকাউন্ট
দুই, ফ্রীল্যান্সার বা ওয়ার্কার অ্যাকাউন্ট
বায়ার বা ক্লাইন্ট হচ্ছে ওই সকল ব্যাক্তি যারা আপনাকে কাজ দিবে। এমন অনেক লোক আছেন যারা তাদের কাজ গুলো কাউকে দিয়ে করিয়ে নিতে চান। এরা এই সকল সাইটে বায়ারের অ্যাকাউন্ট খোলেন এবং জব পোস্ট করেন। এবং আপনি বা আমার মত যারা ওয়ার্কার আছেন তারা ওই সকল জবে বিড করি। এই ভাবে একটি কাজে গড়ে ৩০-৫০ জন বিড করে থাকে। ক্লাইন্ট এই সকল লোকদের মধ্যে থেকে একজনকে বেছে নেন তার কাজটি করানোর জন্য। এবং ওই ওয়ার্কার যখন কাজটি কমপ্লিট করে দেন তখন তাকে পেমেন্ট দিয়ে দেন। এই পেমেন্ট এর ১০% ওই ফ্রীল্যান্স মার্কেটপ্লেস কেটে রেখে দেয়। অর্থাৎ ফ্রীল্যান্স মার্কেটপ্লেস গুলো হচ্ছে এখানে একটি থার্ডপার্টি। এরা শুধু আপনাকে বায়ার এবং বায়ারকে আপনাকে খুজে পেতে সাহায্য করে। বিনিময়ে যখন কোন কাজ করানো হয় তখন তারা ১০% ফি কেটে নেয়। আশা করি বুঝতে পেরে গেছেন।
তো এখন আপনার কাজ কি?
অনেক কিছুই তো বলে ফেললাম, এখন বলব ফ্রীল্যান্সিং সাইটে কাজ করতে গেলে আপনাকে কি করতে হবে?
উপরে উল্লেখিত কাজের বিভিন্ন ক্যাটাগরি থেকে যে কোন এক বা একাধিক বিষয়ে আপনি কাজ শিখতে পারেন এবং নিজেকে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন। কাজ শেখার পর কাজ করার জন্য আপনাকে বিভিন্ন ফ্রীল্যান্স সাইটগুলোতে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এবং অ্যাকাউন্ট খোলার পর আপনার প্রোফাইল ১০০ ভাগ পূর্ণ করতে হবে। প্রোফাইল পূর্ণ করার পর আপনি যে কাজ শিখেছেন সেই সকল কাজে বিড করতে হবে। বিড করার অর্থ হচ্ছে কাজে আবেদন করা। একটা কাজে অনেকেই বিড করে থাকেন এবং সেখানে থেকে একজন বা একের অধিক জনকে সিলেক্ট করা হয় কাজটি করার জন্য এবং সেই ব্যক্তি যদি কাজটি সফলভাবে করে দিতে পারেন তাহলে তাকে টাকা পরিশোধ করেন।
মোট কথা, আপনাকে কাজ শিখতে হবে, ফীল্যান্সিং সাইটে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে, আপনি যেই কাজ শিখেছেন সেই সকল কাজে বিড করতে হবে, যদি বিড করে কাজটি পেয়ে যান তাহলে কাজটি করতে হবে এবং কাজের ফলাফল জমা দিতে হবে। অবশেষে ক্লাইন্ট কাজটি চেক করবেন এবং আপনাকে পেমেন্ট করবেন। এবং আপনি সেই পেমেন্টের টাকা আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে তুলতে পারবেন।
এক কথায় শেষ করে দিলাম। এটি হচ্ছে একদমই নতুনদের জন্য ধারনা দেয়ার জন্য। আশা করি নতুনরা একটু একটু বুঝতে পেরেছেন। যদি বুঝে থাকেন তাহলে দ্বিতীয় পর্বের আমন্ত্রণ রইল। দ্বিতীয় পর্বে আপনি কি কাজ শিখবেন সেই বিষয়ে আলোচনা করব।

যদি কোথায় বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন।

Want your school to be the top-listed School/college in Pabna?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Abdul Hamid Road, Pabna
Pabna
6600