Homeopathic50

Homeopathic50

Share

08/10/2024

আমাশা রোগের কারণ কী?

১। উপযুক্ত আহারের অভাব।
২। পেটে ঠান্ডা লাগা।
৩। মাছ মাংস বেশি পরিমাণে খাওয়া।
৪। অপরিষ্কার পানি পান করা
৫। ঋতুর পরিবর্তন।
#হোমিওপ্যাথ #সেবা #রোগ #হোমিওপ্যাথিক #চিকিৎসা ゚

02/10/2024

নাকে, কানে, মলদ্বারে এবং মুত্র দ্বারে চুলকায়। শিশুরা প্রচন্ড জেদি, একগুয়ে, কোলে উঠেও শান্ত হয় না, জিহ্বা পরিষ্কার।মিষ্টি পছন্দ,
ঘুমে দাঁত কড়মড় করে। উপুর হয়ে শয়ন, প্রস্রাব সাদা। ঔষধ cina

#রোগ #হোমিওপ্যাথ #হোমিওপ্যাথিক #মেডিসিন #সেবা #নাক #কান #গলা

26/08/2024

হঠাৎ রক্তচাপ বেড়ে গেলে কী করবেন ❣️
উদাহরন :
রহমান সাহেবের বয়স ৪০ বছর। উচ্চ রক্তচাপের রোগী। হঠাৎ অস্থিরতা বোধ করায় হাসপাতালে এসেছেন। দেখা গেল, রক্তচাপ ১৮০/১০০ মিমি মারকারি। চিকিৎসা ইতিহাস থেকে জানা গেল, ওষুধ খেয়ে এত দিন তাঁর রক্তচাপ স্বাভাবিকই ছিল। রক্তচাপ স্বাভাবিক দেখে ভেবেছেন, আর ওষুধ খাওয়া লাগবে না। তাই তিনি গত কয়েক দিন ওষুধ বন্ধ রেখেছেন।

৬২ বছর বয়সী হাবীব পেশা ব্যবসা। নিয়মিত উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ খান। তারপরও হঠাৎ তাঁর রক্তচাপ অনেক বেড়ে যায়। পরীক্ষা করে দেখা গেল, আসলে তাঁর ফিওক্রোমোসাইটোমা নামক একটি বিরল রোগ আছে।

ওপরের দুজনের ক্ষেত্রেই রক্তচাপ হঠাৎ বেড়ে যাওয়া এবং রক্তচাপ না কমার ভিন্ন ভিন্ন কারণ রয়েছে। তাই একেক রোগীর সমস্যা সব সময়ই একেক রকম। একজনের অভিজ্ঞতা দিয়ে অন্যজনের চিকিৎসা করা মুশকিল। কিন্তু আমরা প্রায়ই তা করে থাকি। মানে পরিচিত, বন্ধু, প্রতিবেশী কী ওষুধ খাচ্ছেন, তা দেখে কিংবা দোকানির পরামর্শে ওষুধ খাই।

💔কখন বলবেন উচ্চ রক্তচাপ

সাধারণত রক্তচাপ ওপরেরটা (সিস্টোলিক) ১১০-১৪০ এবং নিচেরটার (ডায়াস্টোলিক) ৬০-৯০ মিমি মারকারি থাকলে আমরা তাকে স্বাভাবিক বলি। তবে বয়সভেদে এটির তারতম্য হতে পারে। সাধারণত রক্তচাপ হঠাৎ বাড়ে না। ধীরে ধীরে বাড়ে এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কোনো শারীরিক সমস্যা জানান না দিয়েই। এটিই হলো উচ্চ রক্তচাপের খারাপ দিক। কারণ, শারীরিক সমস্যা না হওয়ার কারণে রোগী বোঝেন না যে তাঁর কোনো রোগ হয়েছে। আর যখন সমস্যা শুরু হয়, তখন দেখা যায়, অনেক জটিলতা তৈরি হয়েছে।

❣️❣️উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ❣️❣️

সাধারণত উচ্চ রক্তচাপের কোনো উপসর্গ থাকে না।

যেসব উপসর্গ থাকতে পারে, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো মাথাব্যথা, ঘাড়ব্যথা।

বমি/বমি ভাব, ঝাপসা দেখা, বুকে চাপ, মাথা ঘোরা ইত্যাদি।

জটিলতা🫣😱

রক্তচাপ হঠাৎ বেড়ে গেলে অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বা বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে দেখা দিতে পারে জটিলতা। যেমন স্ট্রোকের কারণে হাত–পা অবশ বা নাড়াতে না পারা, মুখ বেঁকে যাওয়া, কথা আটকে যাওয়া, বুকে ব্যথা, কিডনির সমস্যার কারণে প্রস্রাব বন্ধ বা কম হওয়া, চোখে ঝাপসা দেখা ইত্যাদি।

😔হঠাৎ রক্তচাপ বাড়ার কারণ😔

রক্তচাপের ওষুধ হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া।

ওষুধের ডোজ/পরিমাণ কমিয়ে খাওয়া।

ওষুধ খেতে ভুলে যাওয়া।

সুনির্দিষ্ট অন্য অসুখের কারণে, যেমন অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি ও টিউমার বা প্যানক্রিয়াসের টিউমার ফিওক্রোমোসাইটোমা।

ঘুম কম হওয়া।

বেশি পরিমাণে লবণ/লবণাক্ত খাবার খাওয়া।

মানসিক অস্থিরতা ইত্যাদি।

রক্তচাপ হঠাৎ বেড়ে গেলে কী করবেন🤗

শান্ত পরিবেশে বিশ্রাম নিন।😊

মাথা/ঘাড়ে ঠান্ডা পানি দিলে আরাম পাবেন।😌

ওষুধ খেতে ভুলে গেলে, যখন মনে পড়বে, তখনই খেয়ে নিন।

দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। আগের চিকিৎসার কাগজপত্র সঙ্গে নিন।👍

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য

নিয়মিত শরীরচর্চা করুন।

ধূমপান বা মদ্যপানের অভ্যাস থাকলে ত্যাগ করুন।

রাতে কমপক্ষে ছয় ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।

স্বাস্থ্যকর খাবার খান।

অনেকে তেঁতুল খেয়ে রক্তচাপ কমানোর চেষ্টা করেন। তবে এটির সপক্ষে কোনো গবেষণা তথ্য নেই। কাঁচা লবণ বা পাতে লবণ খাওয়া বন্ধ করুন।

নিয়মিত ওষুধ খান।

এখানে বলে রাখা ভালো তেঁতুল খেলে কাজ করে কি না যানা নেই তবে পাকা তেঁতুলের বীজ চকলেট এর মত করে খেলে অনেক টা ভালো ফলাফল পাওয়া যায় । তাই হঠাৎ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে হাতের কাছে ওষুধ না থাকলে পাকা তেঁতুলের বীজ ব্যবহার করতে পারেন।তার পর সময় করে ওষুধ সেবন করবেন।

যারা আমার এই লিখা টি পরবেন তাঁদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ। উপকৃত হলে শেয়ার করে ভুলবেন না।

বিভিন্ন বই পরে তথ্য সংগ্রহ করেছি
লিখছি নাটোর থেকে
নাম: ডা: আলীমা আক্তার

06/02/2023

সুস্বাস্থ্য আমাদের জন্য আল্লাহর এক অফুরন্ত নিয়ামত। আমরা যারা নানাভাবে নানা প্রকার অসুস্থতায় কষ্ট পাচ্ছি তাদের বেশিরভাগ মানুষই হারে হারে টের পাচ্ছি সুস্থতা কি জিনিস। তাই সুস্থ তার প্রকৃত রূপ বা বৈশিষ্ট্য কিরূপ তা আমাদের সকলের জানা উচিত। সুস্থতাকে আজীবন ধরে রাখার সকল প্রকার চেষ্টা প্রচেষ্টা আমাদের সকলের করা উচিত। তাহলে আল্লাহর দয়া ও অনু গৃহে আমরা অসুস্থ হব কম। একজন অসুস্থ মানুষকে সুস্থ করতে চেষ্টা করার জন্য আমাদের কি পরিমাণ কষ্ট এবং হিসেবে অর্থকরী খরচ করতে হয় তা একমাত্র ভুক্তভোগীরা ভালো বলতে পারবেন।

চলুন মূল কথায় আসা যাক:

#স্বাস্থ্যের_প্রকারভেদ:

প্রথমেই আমাদের জানা উচিত স্বাস্থ্যের প্রকারভেদ সম্পর্কে, তাহলে আমাদের জানতে সুবিধা হবে, কে কোন প্রকারের স্বাস্থ্যর অসুস্থতায় ভুগতেছি এবং সেই অসুস্থতা থেকে কিভাবে আরোগ্য পেয়ে সুস্থতার অধিকারী হতে পারি স্বাস্থ্যকে আমরা ৫ ভাগে ভাগ করতে পারি।

১/শারীরিক স্বাস্থ্য ২/মানসিক স্বাস্থ্য ৩/জৈবিক স্বাস্থ্য ৪/নৈতিক স্বাস্থ্য এবং ৫/আত্মিক স্বাস্থ্য।

এর মধ্য স্বাস্থ্য সর্বনিম্ন স্তর হল শারীরিক স্বাস্থ্য এবং সর্বোচ্চ স্তর হল আত্মিক স্বাস্থ্য। এর এক বা একাধিক প্রকারের স্বাস্থ্যর অসুস্থতা দেখা দিলে অন্য প্রকারের স্বাস্থ্য কম বেশি প্রভাব পড়তে পারে।
শারীরিক অসুস্থতার প্রভাব মানসিক স্বাস্থ্যের উপর পড়ে,
মানসিক অসুস্থতার প্রভাব জৈবিক স্বাস্থ্যের উপর পড়ে, জৈবিক অসুস্থতার প্রভাব নৈতিক স্বাস্থ্যর উপর পড়ে , নৈতিক অসুস্থতার প্রভাব আত্মিক স্বাস্থ্যর উপর পড়ে মানুষ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনুরূপভাবে আত্নিকভাবে সুস্থ ব্যক্তি নৈতিকভাবেও সুস্থ থাকেন,
নৈতিকভাবে সুস্থ ব্যক্তি জৈবিকভাবে সুস্থ থাকেন,
জৈবিকভাবে সুস্থ ব্যক্তি মানসিকভাবে সুস্থ থাকেন,
মানসিকভাবে সুস্থ ব্যক্তি সদা সর্বদা শারীরিকভাবে সুস্থ থাকেন।
পৃথিবীতে সকল যুগে শারীরিক থেকে মানসিকভাবে অসুস্থ রোগী বেশি, মানসিক থেকে জৈবিকভাবে অসুস্থ রোগীর সংখ্যা আরো বেশি, জৈবিক থেকে নৈতিকভাবে অসুস্থ রোগীর সংখ্যা আরো বেশি, নৈতিকভাবে অসুস্থ রোগী থেকে আত্নিকভাবে অসুস্থ রোগীর সংখ্যা আরো বেশি। আত্নিকভাবে সুস্থ এবং অসুস্থ ব্যক্তিদেরকে সৃষ্টিকর্তা সম্ভবত জান্নাত জাহান্নাম বা স্বর্গ নরক নিয়ে পুরস্কৃত করবেন বা শাস্তি দিবেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানে বেশি আলোচনা পর্যালোচনা ও গবেষণা হয় শুধু শারীরিক, বর্তমানে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনা ও গবেষণা হচ্ছে তবে বেশিরভাগ মানুষিক রোগীরা এখনো অবহেলা ও নির্যাতনের শিকার। অন্য তিন প্রকারের স্বাস্থ্য সম্পর্কে খুব বেশি আলোচনা হয় না। সুস্বাস্থর অধিকারী হওয়ার জন্য এই পাঁচ প্রকার স্বাস্থ্য ভারসাম্যতা ও সুস্থতার দরকার, তা না হলে আমরা কেউ সুস্বাস্থ্য অধিকারী হতে পারব না।

Want your practice to be the top-listed Clinic in Natore?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Natore