Health Tips and Tricks
We published health-related tips daily for a better life.
কেন পা কামড়ায়? যা করবেন....
পা কামড়ানো- এটা অনেক পরিচিত এক কথা। কিন্তু কেন? পায়ের কি দাঁত আছে যে কামড়াবে? এই পা কামড়ানোর জন্য অনেকেই রাতে ঘুমাতে পারেন না। সারাদিন কোনো ব্যথা নেই, রাতে হলেই এই ব্যথা হানা দেয়।
পা কামড়া প্রচলিত থাকলেও চিকিৎসকেরা একে বলেন মাসল ক্র্যাম্প হওয়া। কিন্তু কেনই বা হয় এই মাসল ক্র্যাম্প?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণত রক্তে লবণের ঘাটতি হলে বা মাংসপেশিতে রক্তপ্রবাহ কমে গেলে পা কামড়াতে পারে। ডায়াবেটিক রোগী ও ধূমপায়ীদের পা কামড়ায় পায়ে রক্ত চলাচলে বিঘ্ন ঘটার কারণে। শিশুরা অনেক ছোটাছুটি করে বলে তাদের পায়ের পেশিতে রক্তপ্রবাহে টান পড়তে পারে। কিন্তু খানিক বিশ্রাম নিলেই তা সেরে যাবে। অনেকক্ষণ রোদে বা গরমে হাঁটাহাঁটি করলে লবণে ঘাটতি হয়। ফলে পা কামড়ায়।
এছাড়াও ঋতু পরিবর্তন, পুষ্টির অভাব, পানিশূন্যতা, প্রচণ্ড ব্যায়াম, দাঁড়িয়ে থাকা, গর্ভাবস্থাও, বাত, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, এমনকি হতাশাও পা কামড়ানোর অন্যতম কারণ হতে পারে।
আর চিকিৎসকরা বলছেন, পা কামড়ানো হতে পারে কোনো মাংসপেশি বা স্নায়ু জটিলতার লক্ষণ, যেমন মায়োপ্যাথি বা ডিসটোনিয়া-জাতীয় জটিল রোগের উপসর্গ। কিছু ওষুধেরও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে এটি। আপনি ডাইউরেটিক, সালবিউটামল, ল্যাসিডিপিন, টেলমিসারটান বা থাইরক্সিন-জাতীয় ওষুধ সেবন করছেন কি না খেয়াল করুন।
তবে বেশির ভাগ পা কামড়ানোর কারণ সাময়িক। বিচলিত হওয়ার মতো মোটেও নয়। যথেষ্ট বিশ্রাম, প্রচুর তরল পান, রাতের বেলা পায়ের কিছু প্যাসিভ এক্সারসাইজ বা পরোক্ষ ব্যায়াম এবং কখনো কখনো কুইনিন সালফেট-জাতীয় ওষুধই এর প্রতিকার।
সুত্র: অক্সফোর্ড হ্যান্ডবুক অব মেডিসিন।
14/04/2021
আজ বাংলাদেশ পুলিশের মুভমেন্ট পাস আবেদন ফরম সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। বাংলাদেশ সরকার করোনা সংক্রমণ মোকাবেলা করার জন্য আজ থেকে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। আমরা জানি ৫ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন ঘোষণা করা হলেও সেই লকডাউনে তেমন কোন পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি। কিন্তু আজ থেকে এক সপ্তাহের জন্য সরকার নতুন করে কঠোর লকডাউনের ঘোষণা করেছে।
লকডাউনে জরুরী সেবা ছাড়া কেউ বাড়ির বাইরে যেতে পারবে না। জরুরী সেবা গ্রহণ করার জন্য বাংলাদেশ পুলিশ মুভমেন্ট পাশের ব্যবস্থা করেছে। জরুরী প্রয়োজনে কোথাও যেতে হলে বাংলাদেশ পুলিশ কর্তৃক মুভমেন্ট পাসের আবেদন করতে হবে। আবেদনের তথ্য যাচাই-বাছাই করে বাংলাদেশ পুলিশ কর্তৃক একটি মুভমেন্ট পাস প্রদান করা হবে। মুভমেন্ট পাস নেওয়ার জন্য কিভাবে আবেদন করতে হবে তা নিম্নে আলোচনা করা হল। সুতরাং যারা উক্ত বিষয়ে আগ্রহী হলে দয়া করে পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ুন।
পুলিশের মুভমেন্ট পাস কি ?
পুলিশের মুভমেন্ট পাস হলো জরুরি সেবা গ্রহনের জন্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ পুলিশ কর্তৃক অনুমতি পত্র গ্রহণের প্রক্রিয়া ।
পুলিশের মুভমেন্ট পাস কেন প্রয়োজন?
বর্তমানে বাংলাদেশে লকডাউন অবস্থা বিরাজ করছে। নতুন বিধিনিষেধ অনুযায়ী একই স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়া যাবেনা। শুধুমাত্র জরুরী প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাড়ির বাইরে যেতে পারবে না। জরুরী প্রয়োজনে কোন ব্যক্তি যদি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ভ্রমণ করতে চায় তাহলে তাকে মুভমেন্ট পাস নিতে হবে। মুভমেন্ট পাস নিতে হলে বাংলাদেশ পুলিশের ওয়েবসাইটে আবেদন করতে হবে। আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা যাচাই-বাছাই করবে। আবেদনকারী পাশের উপযুক্ত হলে আবেদনকারীকে পাস প্রদান করা হবে।
পুলিশের মুভমেন্ট পাস না নিয়ে রাস্তায় বের হলে কি হতে পারে?
১. পাস না নিয়ে রাস্তায় বের হলে যেকোনো সময় পুলিশের কাছে জবাবদিহিতা করতে হতে পারে।
২. প্রশাসন যে কোনো যেকোনো ধরনের শাস্তি প্রদান করতে পারে।
৩. জরিমানা করা হতে পারে।
৪. অপমানিত করা হতে পারে।
৫. যাত্রা অবস্থায় আপনাকে পুনরায় ফেরত পাঠানো হতে পারে ।
পুলিশের মুভমেন্ট পাসের জন্য কিভাবে আবেদন করতে হবে?
বর্তমানে জরুরি সেবা গ্রহণের জন্য আমাদের রাস্তায় বের হবার প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু বাহিরে যেতে হলে আমাদের মুভমেন্ট পাস প্রয়োজন হবে। জরুরী সেবা গ্রহণের জন্য কোথাও যেতে হলে পাস অত্যন্ত জরুরী।সুতরাং মুভমেন্ট পাস এর জন্য আবেদন করার প্রক্রিয়া আমাদের সকলেরই জানা উচিত। যারা এই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে ইচ্ছুক তারা পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়বেন।
পুলিশের মুভমেন্ট পাস এর জন্য আবেদন করার নিয়ম....
১. সর্বপ্রথম http://movementpass.police.gov.bd/ সাইটে প্রবেশ করতে হবে
২. মুভমেন্ট পাসের আবেদন বাটনে ক্লিক করতে হবে
৩. প্রয়োজনীয় তথ্য অর্থাৎ ব্যক্তির নাম, মোবাইল ফোন নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র বা ড্রাইভিং লাইসেন্স, যাত্রার স্থান ও গন্তব্য, যাত্রার কারণ ইত্যাদি তথ্য প্রদান করতে হবে।
৩. প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়া হয়ে গেলে সাবমিট বাটন এ ক্লিক করতে হবে।
৪. আবেদনের পর যাচাই করে অনলাইন কিউআর কোড স্ক্যানার সহ একটি পাস দেবে পুলিশ।
৫. কোড স্ক্যান করে চেকপোস্টে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা আবেদনকারীর তথ্য ও যাত্রার কারণ পরিক্ষা করে দেখতে পারবেন
যে সকল কাজের ক্ষেত্রে মুভমেন্ট পাস প্রদান করা হবে:
১. মুদি দোকান ও কাঁচা বাজারে কেনাকাটা
২. ওষুধ ও চিকিৎসা কাজ
৩. কৃষিকাজ
৪. পণ্য পরিবহন ও সরবরাহ
৫. ত্রাণ বিতরণ
৬. পাইকারি বা খুচরা ক্রয়
৭.মৃতদেহ সৎকার
৮. ব্যবসা
এছাড়া যাদের বাইরে চলাফেরা প্রয়োজন কিন্তু কোনো শ্রেণির সঙ্গে মিল নেই, তাদের অন্যান্য শাখায় পাস দেওয়ার বিষয়ে বিবেচনা করবে পুলিশ।
সুতরাং, যারা উপরোক্ত কাজের জন্য বাহিরে যেতে চান তারা দয়া করে পুলিশের মুভমেন্ট পাস আবেদন করুন এবং পাশ সংগ্রহ করুন। যাত্রাপথে অবশ্যই পরিধান করুন।
মুভমেন্ট পাস আবেদন বাংলাদেশ পুলিশের চলমান করোনা পরিস্থিতিতে জনগণের চলাচলের জন্য "মুভমেন্ট পাস " অ্যাপটির পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুধু.....
কাবিখার কাজে অনিয়ম নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় ২০১২-১৩ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কারে কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় সাংসদের বিশেষ বরাদ্দের নামে কাবিখার ৩৮টি প্রকল্পে ২৭০ মেট্রিক টন চাল দেওয়া হয়। এর বেশির ভাগেরই কাজ শুরু...
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the practice
Website
Address
Narsingdi