Mohammad Riad
But I upload these videos with the help of animations with the help of story based on the meaning of the song.
05/01/2024
কোনো এক গোধুলি বেলায় সাগর পাড়ে নিভৃতে বসে এই গানটি গাওয়ার অনুভূতি অসাধারণ। তার সাথে হঠাৎ হঠাৎ ঢেউ এসে পায়ে আছড়ে পড়বে।
লেখায় - মোহাম্মাদ রিয়াদ
নামকরণে আলসেমি রয়েছে। থাক না কিছু কথা বেনামী।
এ শীতল হাওয়া বয়ে যাওয়া
অনুভুতি শূন্যতার।
এযে ঢেউ খেলা, কাটে বেলা
শব্দেরা মুগ্ধতার।
এ গোধুলি বেলা হাজার পাখিদের মেলা।
মন চায় সাগরেতে ভাসিয়ে দিই ভেলা।
অনুভুতি আজ হৃদয়ে বিরাজ করে।
ফেলে রেখে কাজ, সাজিয়ে কোলাজ।
আমি দিন রাত বসে থাকি সাগরের তীরে নিভৃতে।
আজ উপমারা হেরে গেছে, তাই পারছিনা বোঝাতে।
দুহাতে সাদা বালি, রোদ্রের আলো ঢালি।
চিকচিক রাশি রাশি যেন আমি মুক্তোর চাষি।
যেন আকাশের ঐ দিকে
নেমে যায় সাগরের ঝর্ণা।
যেন অলৌকিকতা মেখে
তীরে ঢেউর অভ্যার্থনা।
যেন বালিদের তৃষ্ণা খুব,
তারা দুপুরের পোহায় ধুপ।
আর সাগরের জল আছরে পরে যায়,
দেখে লাগে খুব অপরুপ।
এই ভুলোমনা আর ভুলেছি সংসার। তবু
সাগরের পাড়, ছাড়িনি অধিকার।
আমি দিন রাত বসে থাকি সাগরের তীরে নিভৃতে।
আজ উপমারা হেরে গেছে, তাই পারছিনা বোঝাতে।
রাতে তারার মেলা, সাগরে ঢেউ খেলা,
আকাশে চাঁদের টিপ, লাগবে আলাদিনের প্রদিপ।
যেন সাগরের গভীরে
ডুবে দেখব নতুন পৃথিবী।
যেন মোহময় সাগরে
মুক্তো গুনে হব হিসেবি।
শুনব তিমিদের আর্তনাদ।
বকব অনর্থক প্রলাপ।
আর সাথে যদি থাকত সঙ্গীনি
হত মিষ্টি প্রেমের আলাপ
এই সপ্নের রাত, কি জানি অনুবাদ করে।
যদি উল্কাপাত করে সাগরে আঘাত।
তবু দিন রাত বসে থাকব আমি নিভৃতে।
আজ উপমারা হেরে গেছে তাই পারছিনা বোঝাতে।
🌹(আমার সাহিত্যজগৎ)🌹
💜 💜ছোট গল্প💜
গল্পের নাম- রসিকের দেওয়া উপহার🎁
লেখায় : মোহাম্মদ রিয়াদ হাসান
[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]
PART- 2
[[[[[[[]]]]]]]
দিপুর সাথে জমিদারের মেয়ে জুলির ভাব একটু বেশি। পাশাপাশি দেখলে বোঝা যায় না কিন্তু মনে মনে তারা যেন লেয়লা-মজনু। যেন আজই তাদের বিয়ে। যেন একজন আরেকজনকে ছাড়া অপুর্ন। যেন শুধু বাংলা সিনেমার মতো ধনি গরিবের মতবিরোধের কারনে তারা এক হতে পারছে না।
অনুষ্ঠানে গিয়েই দিপু জুলিকে দেখতে পায়।
ডাক দেয়।
জুলি।
জুলি তার দিকে তাকায়। দূর থেকেই একটি হাসি দেয়। কোমল হাসি।
জুলি একজনের সাথে কথা বলছে। সে এখন ফিরে তাকায় দিপুর দিকে। দিপু তাকে চিনল না। কিন্তু লোকটা দিপুকে দেখে হাসে। কোমল হাসি নয়। তাচ্ছিল্যের হাসি।
দিপু কিছু বুঝে উঠতে পারে না। দৌড়ে জুলির কাছে যায়। গিয়ে বলে,
হ্যাপি বার্থডে জুলি। কেমন আছিস?
(দিপুর ভাষা প্রায় শুদ্ধই বলা যায়। জুলি দিপুকে শুদ্ধ ভাষা শিখিয়েছে। যা দিপু খুব সহজেই শিখে যায়। দিপুর ব্রেন ভালো!)
জুলি উত্তর দেয় না। সেই অপরিচিত লোকটার সাথে কথা বলছে।
হঠাৎ লোকটা বলে উঠল,
এই চাকরের বাচ্চাটা কে?
দিপু মর্মাহত হল। ভাবল জুলি এই কথার প্রতিবাদ করবে। কিন্তু না!
জুলি শুধু বলল, আমার বন্ধু।
চাকরের বাচ্চা বলার জন্য জুলির প্রতিবাদ না করায় দিপু হতাশ হয়ে সে স্থান থেকে সরে গেল।
কিছুক্ষন পড় জুলি দিপুর কাছে আসে। দিপুর চোখজোড়া জ্বলজ্বল করে উঠে। দিপু ভাবে জুলি হয়ত সেই সময়ের জন্য ক্ষমা চাইবে। কিন্তু জুলি বলে উঠলো, তোর কি বুদ্ধিশুদ্ধি নেই? দেখছিলি একজনের সাথে কথা বলছিলাম, তখন তোর ওখানে আসা প্রয়োজন ছিল?
দিপু কিছু বলে না কিন্তু ভেতরে ভেতরে সে কেদে দিয়েছিল। কিছুক্ষণ পর দিপু বলে, ঠিকআছে, আমি আর এমন করব না। তুই কি আমার এই বোকামির জন্য কষ্ট পেয়েছিস? আমায় ক্ষমা করে দে। তুই বললে আর তোর কাছে আসব না। তুই বললে তোর বারি থেকেই চলে যাব।
(দিপুর জন্যই জুলি আজ বেচে আছে। জুলি ডুবে যাচ্ছিল, দিপু তাকে বাচিয়েছিল। সে কৃতজ্ঞতা আজ জুলির নেই। জুলি আজ ভুলে গেছে দিপুর জন্যই সে আত্মহত্যার মত জঘন্যতম কাজ থেকে বাচতে পেরেছে।গলায় দরি দিতে গিয়ে জুলিকে দিপু দেখতে পায়। জুলির হতাশা দূর হবার একমাত্র কারন হলো দিপু। কিন্তু জুলি আজ ধনি গরিবের পার্থক্যের মাঝে সেই কথা গুলো ভুলে গেছে। অবশ্য সেই বিষয়গুলো দিপুও মনে রাখতে চায় না। দিপু সেগুলো বন্ধুত্বের খাতিরে করেছে, কোনো উদ্যেশ্য হাসিলে জন্য নয়।) দিপু কাদো কাদো গলায় বলল, চলে যাব? বল তুই?
হয়েছে আর ঢং করতে হবে না। বলে একটি হাসি দিল। হাসি দেখে দিপুর মন ভালো হয়ে যায়। দিপুও হাসে। সে হাসিতে গালে টোল পরে যায়। যা দেখে জুলি শুধু তাকিয়ে থাকে। কিছুক্ষণ হাসি পর্ব চলতে থাকে। জুলি হঠাৎ জিজ্ঞেস করে তুই মাথায় তেল দিয়ে মাথার এই অবস্থা করেছিস কেন? আন্টি বলেছে?
দিপু হাসে, কিছু বলে না।
দিপুর মায়ের সহজ কিছু বুঝ আছে। মাথায় তেল দিয়ে শিতি করে আচ্রালে নাকি বেশি সুন্দর লাগে। জুতোর দিকে নাকি মানুষ নজর দেয় না ইত্যাদি ইত্যাদি।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Narsingdi