MASS Computer Zone

MASS Computer Zone

Share

24/11/2021

== > ফেবু ও আমি < ==
...........২ মিনিট সময় নিয়ে পড়ুন ............

নিজ নিজ আইডি গুলো আমাদের নিজেদের ও কিছু সচেতন হতে হবে।
ফেইসবুক লাইফ এ খুব ইমেটেরিয়াল একটা জিনিস। আমরা বেশীর ভাগ মানুষ ই এর ফালতু ব্যাবহার করি। এর ফলে নিজেই জাইচা বাঁশ কান্ধে নেই। নিজের পুরো বংশ চোদ্দ গুশ্টি কে পুরা পৃথিবির সামনে তুলে ধরি। চেক ইন দিয়ে নিজের অবস্থ্যান। নিজের ব্যাক্তিগত এবং আর্থিক অবস্থান জন সম্নুখে তুলে ধরছি। নিজের রিলেশলশীপ থেকে শুরু করে অন্যের রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস ও পারলে নিজের আইডি তে দিয়ে দিচ্ছি।
মনে রাখবেন আইডি টা আপনার। আপনার পরিচয় আর আপনার যতটুকু পরিচয় না দিলেই নয় সেটা দেওয়া টাই যঠেষ্ঠ। এইখানে কেউ যদি আপনাকে বলে আপনার বিয়ে হইসে কিনা! বা ডিভোর্স হইসে কিনা বা আপনি কি আবার কাউরে বিয়া করসেন কিনা। কেউ জিজ্ঞেস করলে ফেইসবুক এই থাব্রানি দিবেন।
আপনাদের ফেইসবুক এ যারা এই সাইবার ক্রাইম বা অন্যান্য এক্সপার্ট তাদের কিন্তু দায়িত্ত যে তারা সবাইকে সচেতন করা।
আজ সকালেই এক জনের ফেইসবুক আইডি হ্যাকড হইসে। এবং তার আইডি থেকে গন মেসেজ দেওয়া হইসে। আজে বাজে মেসেজ। আমাদের সবার জীবনেই। পারিবারিক, রাজনৈতিক, সামাজিক, এবং ব্যাক্তিগত শত্রু আছেই। এবং শত্রু মানেই আমার ক্ষতি করবে করতে চাইবে। এখন আমি যদি এদের আরো ক্ষেত্র তৈরী করে দেই। তাহলে আমি নিজেই নিজের নিরাপত্তা নস্ট করেছি।
তাই
১. ফেইসবুক এ বুঝে ফ্রেন্ড এড করুন। আপনার ফ্রেন্ড লিস্ট এ ঢুকে শুধু আপনার না আপনার ফ্রেন্ড এর আইডি ও হুমকির সম্নুখিন হতে পারে।
২. বন্ধু লিস্ট হাইড করুন। বন্ধু লিস্ট এর মাধ্যমে অচেনা কেউ খুব সহজেই বুঝে যাচ্ছে এরা আপনার বন্ধু এদের মাঝে কারা খুব কাছের। তাদের ইনফো গুলো ও পেয়ে যাচ্ছে।
৩. ব্যাক্তিগত ছবি, পোস্ট এইগুলো বন্ধু দের মাঝেই সীমাবদ্ধ রাখুন। আপনার ছবি পাবলিক একসেস করতে পারবে কেনো!! প্রাইভেসি থাকলো!!
৪. কই যাচ্ছেন কোথায় খাচ্ছেন সেটাও বন্ধু লিস্ট এ সীমাবদ্ধ রাখুন।
৫. ট্রাস্টেবল একটা অপশন আছে যেখানে আপনি দুইজন খুব আপন মানুষ কে এড করবেন। আপনার আইডি উদ্ধারে কাজে লাগবে।
৬. লগিন ইনফরমেশন এ আপনার আইডি কোথা থেকে কোন ডিভাইস থেকে। কোন আইপি। এইগুলো এপ্রুভড করে রাখুন। মাঝেই চেক করবেন।
৭. ভুলেও অন্য কোনো ডিভাইস, মানে মোবাইল অথবা ল্যাপটপ দিয়ে আইডি বা মেইল এ লগইন করবেন না। এতে ৫০% নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়বেন।
৮. সিকিউরিটি তে আপনার ফোন নাম্বার দিয়ে দিন। যাতে অন্য কোনো ডিভাইস থেকে লগইন করতে চাইলে আগে আপনার ফোন এ মেসেজ আসে। সেই কোড ছাড়া মারা গেলে ও ঢুকতে পারবে না।
৯. অতি উতসাহী হয়ে ইনবক্স এ আসা কোনো লিংক। বা না বুঝে ক্লিক করবেন না। সেটা যত রমরমা খবর ই হোক না কেনো । এর পর ও অনেক রিস্ক থাকে! খারাপ মানুষ এর খারাপ কাজ ইচ্ছা হলে আপনি হাজার চেস্টা করে ও বন্ধ করতে পারবেন না।
১০. কিন্তু আইন আছে সব জায়গায় এক পায়ে দাঁড়িয়ে। আপনি অকারনে কারো সাথে দুস্টুমি করবেন!! সেই আইন ও আছে আছে ধারা।
একটু মনে রাখবেন। আপনার আইডিতে হয়তো কিছু নেই। কিন্তু অন্য অনেকের এমন কোনো কথা আছে যা অন্য কারো হাতে পড়লে আপনার ক্ষতি হতে পারে।

তাই সচেতন হই।

সকালে যার আইডি হ্যাক হইসে।
তার আইডির টেনশন এ আমিমি ঘুমাতে পারতেসি না।
আর সে আমাকে বলে আমার আইডি তো প্রায়ই হ্যাক হয় ।

24/06/2021

গুগল সার্চ হিস্ট্রি গোপন রাখবেন???

গুগল ছাড়া আমাদের এক মুহূর্ত চলে না। প্রতিনিয়ত নানা কাজে আমরা গুগলের সহায়তা নিয়ে থাকি। এ কারণে সার্চ হিস্ট্রিতে গুরুত্বপূর্ণ অনেক তথ্যের পাশাপাশি থাকে ব্যক্তিগত তথ্যও। ফলে সেগুলো গোপন বা সুরক্ষিত রাখা জরুরি।

ভারতের প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদমাধ্যম গেজেটস নাউ এক প্রতিবেদনে জানায়, সার্চ হিস্ট্রি, অ্যাসিসট্যান্ট কমান্ড, ম্যাপ এবং আরও অন্যান্য সেবার সংবেদনশীল তথ্য পাসওয়ার্ড দিয়ে সুরক্ষিত রাখার সুযোগ দেয় গুগল। যেকেউ সহজে এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারে।

তৃতীয় কোনও ব্যক্তির আপনার কম্পিউটার ব্যবহারের সুযোগ থাকলে গুরুত্বপূর্ণ এবং ব্যক্তিগত অনেক তথ্য নজরে আসতে পারে তার। বিশেষ করে সার্চ হিস্ট্রিতে প্রবেশের মাধ্যমে আপনার সংবেদনশীল বিভিন্ন তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে। এমনকি সহজে আপনার সম্পর্কে ধারণাও পেয়ে যেতে পারে ওই ব্যক্তি। এ ধরনের জটিলতা এড়াতে গুগল সার্চ হিস্ট্রিতে পাসওয়ার্ড যুক্ত করতে পারেন।

গুগল সার্চ হিস্ট্রিতে পাসওয়ার্ড যুক্ত করবেন যেভাবে

১. আপনার গুগল অ্যাকাউন্টে প্রবেশের পর ওয়েব ব্রাউজারে activity.google.com ওপেন করুন।

২. এই পেজে শুরুর দিকেই থাকা ‘ম্যানেজ মাই অ্যাক্টিভিটি’ ভেরিফিকেশনে ক্লিক করতে হবে।

৩. এবার ‘রিকয়ার এক্সট্রা ভেরিফিকেশন’ নামের অপশনটিতে ক্লিক করে ‘সেভ’ অপশনে ক্লিক করুন।

৪. আপনি অ্যাকাউন্টির মালিক কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য এ পর্যায়ে আপনার গুগল অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড চাওয়া হবে।

৫. পাসওয়ার্ড দিয়ে কনফার্ম করা মাত্রই আপনার সার্চ হিস্ট্রি সুরক্ষিত হয়ে যাবে।

গুগল সার্চ হিস্ট্রিতে পাসওয়ার্ড যুক্ত করার পর আপনি যা কিছুই সার্চ করেন না কেন, সেগুলো অন্য কেউ দেখতে পাবে না। পরবর্তীতে পুরো সার্চ হিস্ট্রি দেখতে হলে গুগল অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড দিয়ে আবারও প্রবেশ করতে হবে।

BT

28/04/2019

ডাউনলোড করে নিন অভ্র কীবোর্ড এর নতুন ভার্সন ....

বাংলা লেখার জন্য জনপ্রিয় সফটওয়্যার হচ্ছে অভ্র এটি সম্পর্কে হয়তো অনেকে জানেন ।অনেকে হয়তো বিজয় ব্যবহার করেন ।তাই অভ্র এর সুবিধা সম্পর্কে নিচে আলোচনা করলাম এবং এর নতুন ভার্সন আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম ।

অভ্র কী-বোর্ড হল মাইক্রোসফট উইন্ডোজ এবং লিনাক্স-এ গ্রাফিক্যাল লেআউট পরিবর্তক এবং ইউনিকোড ও এএনএসআই সমর্থিত বাংলা লেখার বিনামূল্যের ও মুক্ত সফটওয়্যার। এই সফ্টওয়্যারটির অনন্য বৈশিষ্ট্য হল এতে ফোনেটিক (ইংরেজিতে উচ্চারণ করে বাংলা লেখা) পদ্ধতিতে বাংলা লেখা যায়।

অভ্র সফটওয়্যারে বাংলা লেখার জন্য প্রয়োজনীয় সব কিছু ইচ্ছামত সাজিয়ে নেওয়া যায়। এতে বাংলা লেখার জনপ্রিয় সকল পদ্ধতিই যুক্ত করা হয়েছে। এর নিম্নরুপ বৈশিষ্ট্যসমূহ বিদ্যমান।

বাংলা ইউনিকোড ও এএনএসআই ফন্ট সমর্থন ও সরবরাহ করে।
উচ্চারণভিত্তিক (ফোনেটিক) বাংলা টাইপিং ব্যবস্থা: যদি “ami banglay gan gai” টাইপ করা হয় তবে লেখা হবে “আমি বাংলায় গান গাই”।
একাধিক কিবোর্ড লেআউট থেকে পছন্দের ব্যবস্থা রয়েছে, এমনকি ব্যবহারকারীর পছন্দনুযায়ী বিদ্যমান কিবোর্ড লেআউটকে সাজানো ও নতুন লেআউট সৃষ্টি করে যুক্ত করার ব্যবস্থা রয়েছে।
মাউস ক্লিকে অক্ষর চেপে বাংলা লেখার ব্যবস্থা রয়েছে।
ভাসমান বানান পরামর্শক: অভ্র ফনেটিক লেআউইটে, টাইপ করার সময় অভিধান থেকে শুদ্ধ বানানের একটি ভাসমান তালিকা দেখায়।
বানান শুদ্ধ করার জন্যে অভ্র’র সাথে ‘Avro Spell Checker’ নামে একটি স্বতন্ত্র প্রোগ্রাম রয়েছে। প্লাগ-ইন এর মাধ্যমে এমএস ওয়ার্ডে বানান যাচাই করা যায়।
কীবোর্ডের অনেকগুলো কী সমন্বয় করে ম্যাক্রো তৈরি করে একটি কমান্ড হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
“Unicode to Bijoy Text Converter” নামক একটি প্রোগ্রাম দিয়ে ইউনিকোডের বাংলা লেখাকে আনসিতে রূপান্তর করা যায়।
“Avro Converter”[৬] নামক একটি প্রোগ্রাম দিয়ে আনসি বাংলা লেখাকে ইউনিকোডে রূপান্তর করা যায়।
বাংলা লিপি ব্যবহার করে এমন সকল ভাষার জন্য ব্যবহারযোগ্য।
আইকমপ্লেক্স স্ক্রিপ্ট অন্তর্ভুক্ত ফলে, শুধুমাত্র অভ্র ইন্সটল করলেই কম্পিউটারকে বাংলা ভাষার জন্য ব্যবহারযোগ্য করা সম্ভব।

28/04/2019

কম্পিউটার ক্রাশ ও এর প্রতিকার…

আগেরকালের পিসিগুল যথেষ্ট বিশ্বত ছিল তাদের সহজ ও সরল আর্কিটেকচারের জন্য। আর এখনকার পিসিগুলোতে আগের কালের পিসিগুলোর তুলনায় বাঁশি ক্রাশ হয়। কারন বর্তমানে পিসির জটিল আকার ধারন করা ।

আরও কারন আছে ক্রাশ হওয়ার । পিসির বর্তমান অপারেটিং সিস্টেম এর কোড সাইজের স্বাভাবিক বাড়ার কথাই ধরুন। ১৯৯২ সালের উইন্ডোজ এনটি এর অরিজিনাল ভার্সনে সোর্স কোড এর সংখ্যা ছিল ৪ মিলয়ন লাইন। আর ১৯৯৬ সালে রিলিজ হওয়া এনটি ৪.০ এ সোর্স কোড এর পরিমান দারাইছে ১৬.৫ মিলিয়ন। এর পরে যে উইন্ডোজ এনটি এর ৫.০ ভার্সন বের হইছে তাতে সোর্স কোড এর পরিমান আসিল ৩০ মিলিয়ন লাইন । এইবার বুঝেন ঠ্যালা শতকরা বাড়ার হার ৬ বছরে ৭০০% ।

যদি এখানে কোন ক্ষতিকর বাগ থাকে তাহলে সিস্টেম ক্রাশ হতে কতক্ষণ লাগবে আপনারাই বের করেন?

অনেক সময় সফটওয়্যার এর সমস্যার কারনেও এটি হতে পারে । যখন কোন সিস্টেম ক্রাশ করে তখন সফটওয়্যার গুলো ফেইল করে। যদি এটি কোন এপ্লিকেশন হয় তাহলে আপনাকে আনসেভড কাজ গুলা হারাতে হবে । তবে উন্নতমানের অপারেটিং সিস্টেম অবশ্যই অন্যান্য প্রোগ্রামের মেমোরি পার্টিশন রক্ষা করবে। অনেকসময় ক্রাশ করা প্রোগ্রামটি আর অনেক প্রোগ্রাম এ সমস্যা সৃষ্টি করে ফলে পুরা সিস্টেম অচল হওয়া যায়। তখন পিসি রিবুত করা ছাড়া উপাই নাই। আবার অপ্রত্যাশিত রিবুত হার্ডডিস্কে নানান জঞ্জাল বানাতে পারে। তার ফলে আপনার হার্ডডিস্ক ক্রাশ করতে পারে। তার পর আপনাকে নতুন হার্ডডিস্ক লাগাতে হবে।

আবার ভাইরাস এর কারনেও সিস্টেম ক্রাশ হতে পারে। আবার নতুন এক ঝামেলা হইল কম্পিউটার এর হার্ডওয়্যার চুরি। বিশেষ করে র‍্যাম চুরি । র‍্যাম চুরির ফলে সিস্টেম অন হওয়ার সময় প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার এর অভাবে আপনার সিস্টেম ক্রাশ করবে।

ক্রাশ প্রতিরোধঃ

১) ভাল মানের অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করেন। যেমনঃ নরটন অ্যান্টিভাইরাস। অ্যান্টিভাইরাস আপনার মেমরির কিছু অংশ হয়ত দখল করবে। কিন্তু এটি আপনার কম্পিউটার কে ভাইরাস থেকে মুক্ত রাখবে । আর প্রতি ৩ মাস পর পর আপনার অ্যান্টিভাইরাস টি আপডেট দিন। আর মাসে অন্তত আপনার অ্যান্টিভাইরাস দিয়ে সম্পূর্ণ পিসি স্কেন করুন। কোন কিছু ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড দেয়ার পর স্কেন করে নিন।
২) আপনার কোন গুরুত্বপূর্ণ ফাইল এর ব্যাকআপ করে নিন। যদিও এটি একটি বিরক্তকর জিনিস। কিন্তু সিস্টেম ক্রাশ হলে আপনার অই গুরুত্বপূর্ণ ফাইল টি যদি না খুজে পাওয়া যায় তাহলে অইটা মনে হয় আর খারাপ হবে।
৩) সপ্তাহে অন্তত আপনার ড্রাইভ গুলো স্কেন ডিস্ক দিয়ে স্কেন করিয়ে নিন। এর জন্য আপনার ড্রাইভ এর উপর রাইট ক্লিক করে properties এ ক্লিক করুন। তার পর tools ট্যাব এ প্রবেশ করে Scan Disk এ ঢুকে আপনার ড্রাইভ টি স্কেন করুন। এটি আপনার হার্ডডিস্ক টি চেক করে এরর গুলো রিপেইর করে দিবে।
৪) প্রতি মাসে অন্তত একবার আপনার ড্রাইভ গুলো Defragment করে নিন। এতে আপনার পিসি এর পারফরমেন্স বাড়বে।
৫) স্টার্ট আপ থেকে অপ্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করে ফেলুন।
৬) অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইন্সটল করবেন না। করা থাকলেও আনইন্সটল করে ফেলুন।
৭) বেশি প্রোগ্রাম একসাথে রান করবেন না। ফলে আপনার মাল্টিটাস্কিং সুবিধা নিতে গিয়ে সিস্টেম রিসোর্চ ঘাটতি ঘটে আপনার সিস্টেম ক্রাশ করবে ।
৮) ক্রাশ প্রটেক্টর সফটওয়্যার ব্যবহার করুন । আমি কিছু ক্রাশ প্রটেক্টর সফটওয়্যার এর নাম দিলাম। যখন কোন প্রোগ্রাম ক্রাশ করার পর্যায় এ চলে আসে তখন এসব ক্রাশ প্রটেক্টর সফটওয়্যার অপারেটিং সিস্টেম কে এটি জানায়। তখন অপারেটিং সিস্টেম অই প্রোগ্রাম টিকে চালু রাখতে সাহায্য করে ও সমস্যা সমাধানে চেষ্টা চালায়। যদি তা সম্ভব না হয় তখন অপারেটিং সিস্টেম প্রোগ্রাম টি থেকে আনসেভড ফাইল সংরক্ষণ করতে চেষ্টা করে।

এইখানে কয়েকটি ক্রাশ প্রটেক্টর এর নাম দিলামঃ

1) PC Medic
2) Norton Crash Guard
3) Crush Defender Deluxe
4) First Aid
5) Safe & Sound

Want your business to be the top-listed Computer & Electronics Service in Narayanganj?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Narayanganj City Corporation Padma City-4(1st Floor), S. M. Maleh Road
Narayanganj
1400

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00