Joya Rani
19/04/2026
When the world turns into chaos, surrender… and find your true protector 🤍🙏
19/04/2026
Watching the Adiyogi Divya Darshanam is more than just a light show, it is 15 minutes of pure, cosmic energy. From the fiery golden aura to the deep blue of the infinite, seeing the world’s largest bust come alive at the Isha Yoga Center is something you have to feel to believe 🕉️
📍Adiyogi, Isha Yoga Center, Chikkaballapur, Karnataka
How to Reach :
🚗 By Road: A 1.5 to 2-hour drive from Bengaluru via NH44.
🚌 By Bus: Regular KSRTC and private buses run from Bengaluru to Chikkaballapur town, where local autos can take you the remaining 15 km to the site.
✈️By Air: The center is about 45–50 km (roughly a 1-hour drive) from Kempegowda International Airport.
• Timings: The premises are open daily from 6:00 AM to 8:00 PM.
• Light Show Schedule: The Divya Darshanam typically starts every day at 7:00 PM.
• Entry Fee: Admission to the center and the light show is completely free.
• Parking: On-site parking is available for a fee (approximately ₹50).
• Best Time to Visit: Arriving between 5:00 PM and 5:30 PM is recommended to witness the sunset behind the statue before the light show begins.
Follow for more travel content
Adiyogi, Adiyogi Light Show, Isha Yoga Center, Coimbatore, Sadhguru, Lord Shiva, Divya Darshanam, 3D Laser Mapping, Spiritual Journey, India Travel, Mahashivratri, Yoga, Meditation, Divine, Adiyogi Statue Night View, Velliangiri Mountains, Mahadev Status, Shiva Tandav, weekend trips from Bengaluru, half-day trips from Bengaluru, road trips from Bengaluru, weekend getaways, short drives from Bangalore, explore nearby, travel couple, picnic spots near Bangalore, places to visit around Bangalore, spiritual and serene escape, cave temple, Namma Bengaluru, one day trip with parents from Bangalore, day outing from Bengaluru, travel blogger, must visit spots near Bangalore, Shiv Temple near Bangalore, peaceful place, nature, places to visit in Chikkaballapur
14/04/2026
The history of 🎉🎉🎉
The History of Photography
Photography, the art and science of capturing images, has evolved dramatically since its inception. Here's a timeline of its key milestones:
1. Early Beginnings
Camera Obscura (5th Century BCE): The concept of projecting an image through a small hole was described by Chinese philosopher Mozi and later by Aristotle. It was used for artistic and scientific purposes but could not record images.
2. First Permanent Photograph (1826)
Joseph Nicéphore Niépce: In 1826, Niépce created the first permanent photograph, View from the Window at Le Gras, using a process called heliography. It required an 8-hour exposure on a pewter plate.
3. The Daguerreotype (1839)
Louis Daguerre: Daguerre introduced the daguerreotype process, which reduced exposure time to minutes and produced detailed, single-image photographs on silver-plated copper.
4. Calotype and Paper Negatives (1841)
William Henry Fox Talbot: Talbot invented the calotype process, which used paper negatives, allowing multiple copies of an image to be made. This was a precursor to modern photography.
5. Wet Plate Collodion Process (1851)
Frederick Scott Archer: The wet plate process improved image quality and reduced exposure times. However, it required photographers to develop images immediately, often in portable darkrooms.
6. Dry Plate Photography (1870s)
Richard Leach Maddox: The invention of dry plates eliminated the need for on-site chemical development, making photography more convenient and portable.
7. The Birth of Modern Photography (1888)
George Eastman and Kodak: Eastman revolutionized photography with the Kodak camera, which used roll film. The slogan "You press the button, we do the rest" made photography accessible to the masses.
8. Color Photography (1907)
Autochrome Lumière: The Lumière brothers introduced the first commercially successful color photography process using dyed grains of starch as filters.
9. Instant Photography (1948)
Polaroid Cameras: Invented by Edwin Land, the Polaroid camera allowed users to develop and print photos instantly, revolutionizing how people captured moments.
10. Digital Photography (1975)
Steven Sasson: The first digital camera was developed by Kodak engineer Steven Sasson. It captured images digitally rather than on film, marking the beginning of the digital era.
#गजाननमहाराज
My love Prabhu Sree Ram Lord of Ram 🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳🙏🙏🙏🙏🙏🙏
14/04/2026
শুভ সকাল ✨
আজকের সকালটা শুরু হোক লোকনাথ বাবার নাম স্মরণ করে।
জয় বাবা লোকনাথ 🙏
তারিখ:- ১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ইং
14/04/2026
"পদ্ম আসনে আসীন মাগো, করুণা তোমার অপার,
ভক্তজনে দাও গো দেখা, ঘুচাও অন্ধকার।
সকল অমঙ্গল দূরে সরিয়ে, করো সবার জয়,
তোমার নামে শান্ত থাকুক, এ বিশ্ব ধরাময়।"
🕉️ জয় মা পদ্মাবতী 🙏🙏🙏🌺🌺🌺🪔🪔🪔🐍🐍🐍🔥🔥🔥
13/04/2026
゚viralシfypシ゚viralシ #প্রবাসি
🕉️ বরুথিনী একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য
বৈশাখ কৃষ্ণপক্ষীয়া বরুথিনী একাদশী ব্রত-এর মাহাত্ম্য ভবিষ্যোত্তর পুরাণে যুধিষ্ঠির ও শ্রীকৃষ্ণের সংলাপে বর্ণিত হয়েছে।
যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণকে বললেন—
“হে বাসুদেব! আপনাকে প্রণাম। বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী কি নামে প্রসিদ্ধ এবং তার মহিমা কী, তা কৃপা করে বলুন।”
শ্রীকৃষ্ণ বললেন—
“হে রাজন! বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষীয় একাদশী ‘বরুথিনী’ নামে বিখ্যাত। এই ব্রত পালন করলে ইহলোক ও পরলোকে সুখ লাভ হয়, পাপক্ষয় ঘটে এবং সৌভাগ্য বৃদ্ধি পায়।”
✨ ব্রতের মাহাত্ম্য
এই ব্রত ভক্তি ও মুক্তি প্রদান করে
সর্বপাপ হরণ করে
গর্ভবাসের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেয়
দুর্ভাগা নারীরাও এই ব্রত পালনে সৌভাগ্য লাভ করেন
এই ব্রতের প্রভাবে—
মান্ধাতা, ধুন্ধুমার প্রভৃতি রাজারা দিব্যধাম লাভ করেছেন
এমনকি মহাদেব শিবও এই ব্রত পালন করেছিলেন
🔸 বলা হয়—
দশ হাজার বছরের তপস্যার ফলও একবার বরুথিনী একাদশী পালন করলে লাভ হয়।
📿 দান ও ব্রতের তুলনামূলক মাহাত্ম্য
শাস্ত্রে বলা হয়েছে—
অশ্বদান < গজদান < ভূমিদান < তিলদান < স্বর্ণদান < অন্নদান
👉 অন্নদান সর্বশ্রেষ্ঠ, কারণ—
পিতৃলোক, দেবলোক ও মানবলোকে সকলেই এতে তৃপ্ত হন
কন্যাদানকেও অন্নদানের সমান বলা হয়
গোদানকেও ভগবান অন্নদানের সমান বলেছেন
🔶 তবে এই সমস্ত দানের থেকেও বিদ্যাদান শ্রেষ্ঠ।
🔶 কিন্তু বরুথিনী একাদশী ব্রত পালন করলে সেই বিদ্যাদানের সমান ফল লাভ হয়।
⚠️ সতর্কতা
কন্যার উপার্জিত অর্থে জীবনধারণ করা পাপ
এর ফলে নরকযাতনা ভোগ করতে হয়
কিন্তু বরুথিনী ব্রত পালন করলে কন্যাদানের থেকেও বেশি ফল লাভ হয়
🛕 ব্রত পালনের নিয়ম (দশমী, একাদশী ও দ্বাদশী)
🔹 দশমীতে বর্জনীয়
কাঁসার পাত্রে ভোজন
মাংস, মসুর, ছোলা, শাক, মধু
অন্যের অন্ন
দুইবার আহার
মৈথুন
🔹 একাদশীতে বর্জনীয়
দ্যূতক্রীড়া (জুয়া)
নেশাজাতীয় দ্রব্য
দিবানিদ্রা
পরনিন্দা ও পরচর্চা
প্রতারণা, চুরি, হিংসা
ক্রোধ, মিথ্যাভাষণ
মৈথুন
🔹 দ্বাদশীতে বর্জনীয়
কাঁসার পাত্রে ভোজন
মাংস, মসুর, মধু, তেল
মিথ্যাভাষণ
ব্যায়াম
দুইবার আহার
মৈথুন
🌙 ব্রতের ফল
সকল পাপ বিনাশ হয়
অক্ষয় গতি লাভ হয়
রাত্রিজাগরণ করে ভগবান জনার্দনের পূজা করলে পরমগতি লাভ হয়
👉 যমরাজের যন্ত্রণা থেকে মুক্তির জন্য এই ব্রত পালন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
🔶 এই ব্রতের কাহিনি শ্রবণ বা পাঠ করলে—
সহস্র গোদানের ফল লাভ হয় এবং বিষ্ণুলোকে গতি হয়।
📜 একাদশী পালনের মূল নিয়ম
একাদশীর প্রধান উদ্দেশ্য—
👉 নিরন্তর ভগবানকে স্মরণ করা
✔️ সাধারণ নিয়ম
সমর্থ হলে—
দশমীতে একাহার
একাদশীতে নিরাহার
দ্বাদশীতে একাহার
অসমর্থ হলে—
একাদশীতে অনাহার
আরও অসমর্থ হলে—
পঞ্চ রবিশস্য বর্জন করে ফলমূল গ্রহণ
🥗 একাদশীতে গ্রহণযোগ্য খাদ্য
আলু, মিষ্টি আলু
চাল কুমড়ো, পেঁপে, টমেটো, ফুলকপি
দুধ, কলা, আপেল, আঙ্গুর
আনারস, তরমুজ, নারিকেল
বাদাম, লেবুর শরবত
👉 এগুলি ঘি বা বাদাম তেলে রান্না করে ভগবানকে নিবেদন করে গ্রহণ করতে হয়
❌ নিষিদ্ধ পঞ্চ রবিশস্য
১. ধানজাতীয়: চাল, মুড়ি, চিড়া, পায়েশ ইত্যাদি
২. গমজাতীয়: আটা, ময়দা, রুটি, বিস্কুট
৩. যব/ভুট্টা: ছাতু, খই
৪. ডালজাতীয়: মুগ, মসুর, ছোলা, মটর
৫. সরিষা/সয়াবিন/তিলের তেল
👉 এর যেকোনো একটি গ্রহণ করলে ব্রত নষ্ট হয়
🚫 অতিরিক্ত নিষেধ
চা, সিগারেট, নেশা বর্জনীয়
প্রসাধনী ব্যবহার নিষিদ্ধ
তেল, সাবান, শ্যাম্পু ব্যবহার বর্জনীয়
শেভ, চুল ও নখ কাটা নিষিদ্ধ
⚠️ বিশেষ সতর্কতা
আগের দিন রাত ১২টার আগে অন্ন ভোজন শেষ করতে হবে
ঘুমানোর আগে দাঁত পরিষ্কার করতে হবে
একাদশীতে রক্তক্ষরণ এড়ানো উচিত
রান্নায় পাঁচফোড়ন ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে
🌼 পারণ বিধি (ব্রত ভঙ্গ)
পঞ্জিকা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে পারণ করতে হবে
ভগবানকে অন্ন নিবেদন করে প্রসাদ গ্রহণ করতে হবে
নির্দিষ্ট সময়ে পারণ না করলে ব্রতের ফল পাওয়া যায় না
🕉️ উপসংহার
একাদশী ব্রতের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র উপবাস নয়—
👉 ভগবানের নাম স্মরণ, কীর্তন ও ভক্তিভাবেই এই দিন অতিবাহিত করা
🔶 এই ব্রত নিজের মুক্তির পাশাপাশি পিতা-মাতাকেও নরক থেকে উদ্ধার করতে সক্ষম বলে শাস্ত্রে উল্লেখ আছে।
13/04/2026
আজ একাদশী র দিনে রাধা রানীর কৃপা পেতে একবার রাধে রাধে বলে যান রাধে রাধে 🙏🏻
Good evening my friends 🙏♥️
🧡💐🥀💕💕
゚
13/04/2026
🕉️𝗦𝘂𝗯𝗵𝗼 𝗻𝗶𝗹 𝗽𝘂𝗷𝗮🕉️
সকলের জীবনটা শিব পার্বতীর আশীর্বাদে আনন্দে ভোরে উঠুক 🙏❤️
13/04/2026
ভারতীয় সৌর পঞ্জিকা (Solar Calendar) তৈরির ভিত্তি ছিল মূলত জ্যোতির্বিজ্ঞান (astronomy) ও প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ। প্রাচীন ঋষি ও জ্যোতির্বিদরা আকাশের নিয়মিত পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করে এই পদ্ধতি গড়ে তুলেছিলেন।
📌 প্রধান ভিত্তিগুলো:
১. সূর্যের গতি (Solar Motion)
সূর্য বছরে একবার আকাশপথ (ক্রান্তিবৃত্ত) ঘুরে আসে—এই চক্রকে এক বছর ধরা হয়
সূর্যের ১২টি রাশিতে প্রবেশ (সংক্রান্তি) অনুযায়ী ১২ মাস নির্ধারণ করা হয়
২. নক্ষত্র ও রাশিচক্র
আকাশকে ২৭টি নক্ষত্র ও ১২টি রাশিতে ভাগ করা হয়
সূর্য কোন নক্ষত্র/রাশিতে আছে তার উপর ভিত্তি করে সময় নির্ধারণ করা হতো
৩. দিন-রাত্রি ও ঋতুচক্র
দিন ও রাতের দৈর্ঘ্যের পরিবর্তন (উত্তরায়ণ–দক্ষিণায়ণ) লক্ষ্য করা
৬টি ঋতু (গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত) অনুযায়ী বছর ভাগ করা
৪. গণিত ও জ্যোতির্বিদ্যা
আর্যভট্ট সূর্যবর্ষের দৈর্ঘ্য নির্ণয় করেন (~৩৬৫ দিন)
বরাহমিহির ও ভাস্করাচার্য গ্রহ-নক্ষত্রের গতির সূক্ষ্ম হিসাব দেন
৫. প্রাচীন গ্রন্থ
বেদাঙ্গ জ্যোতিষ-এ সময় গণনার প্রাথমিক নিয়ম দেওয়া আছে
পরে বিভিন্ন জ্যোতির্বিদ্যা গ্রন্থে এই পদ্ধতি আরও উন্নত করা হয়
ভারতীয় সৌর পঞ্জিকার ভিত্তি ছিল
সূর্যের গতি + নক্ষত্র পর্যবেক্ষণ + ঋতুচক্র + গণিতভিত্তিক জ্যোতির্বিজ্ঞান
এটি পুরোপুরি প্রকৃতি ও আকাশ পর্যবেক্ষণের উপর নির্ভর করে তৈরি একটি বৈজ্ঞানিক সময় গণনা পদ্ধতি।
ঠিক আছে—এখন সহজভাবে একটি উদাহরণ দিয়ে বোঝাই ভারতীয় সৌর পঞ্জিকা কীভাবে কাজ করে 👇
🌞 উদাহরণ: বাংলা বছরের শুরু (পহেলা বৈশাখ)
বাংলা সনের প্রথম দিন (পহেলা বৈশাখ) নির্ধারণ করা হয় যখন সূর্য মেষ রাশিতে প্রবেশ করে — এটাকে বলা হয় মেষ সংক্রান্তি।
👉 এই ধারণাটি এসেছে প্রাচীন জ্যোতির্বিজ্ঞান থেকে, যা আর্যভট্ট ও বরাহমিহির-এর কাজের মাধ্যমে উন্নত হয়।
📅 কিভাবে মাস নির্ধারণ হয়?
সূর্য যখন এক রাশি থেকে আরেক রাশিতে যায়, তখন একটি নতুন মাস শুরু হয়:
সূর্যের অবস্থান বাংলা মাস
মেষ (Aries) বৈশাখ
বৃষ (Ta**us) জ্যৈষ্ঠ
মিথুন (Gemini) আষাঢ়
কর্কট (Cancer) শ্রাবণ
সিংহ (Leo) ভাদ্র
কন্যা (Virgo) আশ্বিন
তুলা (Libra) কার্তিক
বৃশ্চিক (Scorpio) অগ্রহায়ণ
ধনু (Sagittarius) পৌষ
মকর (Capricorn) মাঘ
কুম্ভ (Aquarius) ফাল্গুন
মীন (Pisces) চৈত্র
🌍 বাস্তবভাবে কী ঘটে?
সূর্য প্রতি ~৩০ দিনে একটি রাশি পরিবর্তন করে
এই পরিবর্তনের দিনটিই “সংক্রান্তি”
সংক্রান্তির পরের দিন থেকে নতুন মাস শুরু হয়
🧠 সহজভাবে মনে রাখুন:
👉 সূর্য = ক্যালেন্ডারের মূল ঘড়ি
👉 রাশি পরিবর্তন = নতুন মাস
👉 ১ পূর্ণ ঘূর্ণন = ১ বছর (~৩৬৫ দিন)
🎯 সংক্ষেপে:
ভারতীয় সৌর পঞ্জিকা সম্পূর্ণভাবে
সূর্যের আকাশে অবস্থান পরিবর্তনের উপর ভিত্তি করে তৈরি
এটাই এটিকে বৈজ্ঞানিক ও প্রাকৃতিক করে তুলেছে।
প্রতি বছর ঠিক ১৪ এপ্রিলই সূর্য মেষ রাশিতে প্রবেশ করে না।
🌞 আসলে কী হয়?
সূর্য যখন মেষ রাশিতে প্রবেশ করে, তাকে বলা হয় মেষ সংক্রান্তি—এই দিন থেকেই সৌর পঞ্জিকার নতুন বছর শুরু।
👉 কিন্তু এই প্রবেশের সময় প্রতি বছর একটু একটু করে বদলায়।
📅 কেন তারিখ পরিবর্তন হয়?
১. সৌর বছরের দৈর্ঘ্য ৩৬৫ দিন নয়
365.2422 \text{ দিন}
এই অতিরিক্ত ~০.২৪ দিন (প্রায় ৬ ঘণ্টা) প্রতি বছর জমা হয়।
২. লিপ ইয়ার (Leap Year)
প্রতি ৪ বছরে ১ দিন যোগ হয় (ফেব্রুয়ারি ২৯)
ফলে তারিখ কখনো ১৩, ১৪ বা ১৫ এপ্রিল হতে পারে
৩. জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গণনার সূক্ষ্ম পার্থক্য
সূর্যের প্রকৃত অবস্থান (sidereal calculation) অনুযায়ী সামান্য পরিবর্তন হয়
📊 বাস্তবে কী দেখা যায়?
বেশিরভাগ বছর: ১৪ এপ্রিল
কিছু বছর: ১৩ বা ১৫ এপ্রিল
🎯 সহজভাবে:
👉 সূর্য ঠিক একই দিনে নয়, বরং একই সময়ে (প্রায়) মেষ রাশিতে আসে
👉 কিন্তু ক্যালেন্ডারের দিন (date) একটু এদিক-ওদিক হয়।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বাংলা নববর্ষ (পয়লা বৈশাখ)
বাংলাদেশের মতো পুরোপুরি স্থির নয়—এটা সূর্যের প্রকৃত গতি (sidereal calculation) অনুযায়ী কিছু বছর ১৪ এপ্রিল, আবার কিছু বছর ১৫ এপ্রিল হয়।
🧠 কেন এমন হয়?
পশ্চিমবঙ্গের বাংলা ক্যালেন্ডার পুরোপুরি সূর্যের রাশি প্রবেশের জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব মেনে চলে
সূর্য ঠিক কখন মেষ রাশিতে প্রবেশ করে, তার উপর দিন নির্ভর করে
এই প্রবেশ কখনো ১৪ এপ্রিল সন্ধ্যার আগে/পরে হলে তারিখ বদলে যায়
⚖️ মূল পার্থক্য (বাংলাদেশ vs পশ্চিমবঙ্গ)
🇧🇩 বাংলাদেশ → সরকারিভাবে স্থির ১৪ এপ্রিল
🇮🇳 পশ্চিমবঙ্গ → জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী পরিবর্তনশীল (১৪ বা ১৫ এপ্রিল)
👉 সহজভাবে মনে রাখুন:
বাংলাদেশে ক্যালেন্ডার “ফিক্সড”, পশ্চিমবঙ্গে “অ্যাস্ট্রোনমিক্যালি অ্যাডজাস্টেড”
13/04/2026
শিবলিঙ্গে জল বা দুধ কেন ঢালা হয় ?
সমুদ্র মন্থনের সময় হলাহল নামক মারাত্মক বিষ উত্থিত হয়েছিল, যেটার চারিদিকে ছড়িয়ে যাবার ও বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সকল জীবের জীবন বিপন্ন করার ক্ষমতা ছিল অত্যধিক । ভগবান শিব সকল দেবতাদের অনুরোধে এই মারাত্মক বিষ থেকে সবাইকে রক্ষা করার ঐশ্বরিক দায়িত্ব নেন । দায়িত্ব সম্পন্নের জন্যই তিনি সমস্ত বিষ পান করেন এবং তার কন্ঠে সংরক্ষণ করে রেখে দেন । আর এজন্যই মহাদেবের কণ্ঠদেশ নীলবর্ণ হয়ে যায় ।
হলাহল বিষের বিষাক্ততা মাত্রা ছিল প্রচণ্ড রকমের বেশি, যদিও এটি ভগবান শিবের উপর কোন প্রভাব ফেলে নি । কিন্তু হলাহল বিষের তাপমাত্রা ছিল অসম্ভব বেশি । এই তাপমাত্রার প্রভাব প্রশমিত করার জন্য দেবতারা মহাদেবের জন্য গঙ্গা অভিষেক করেন, আর এই গঙ্গা অভিষেকের মাধ্যমে দেবতারা শিবকে প্রসন্ন করেছিলেন । ভগবান শিবের সেই গঙ্গা অভিষেকে শুধুমাত্র সাপ এগিয়ে এসেছিল এই ঐশ্বরিক কারণ সমর্থনের জন্য । তারা নিজেরাও বিষের কিছু অংশ পান করে ও তাদের বিষদাঁতে কিছু বিষ গ্রহণ করে । এজন্য সেদিন থেকেই কিছু সাপ বেশি বিষাক্ত হয়ে ওঠে ।
সমুদ্র মন্থনের সময় যে গঙ্গা অভিষেক করা হয়েছিল, শিবের উপাসকদের দ্বারা শিবলিঙ্গে জল বা দুধ ঢালার কারণ হচ্ছে শিবের প্রতি ভক্তদের ভক্তি ও ভালোবাসা প্রতিভাস (প্রকাশ) করার জন্য ।
শিবের পূজায় শিবলিঙ্গে এরকম জল বা দুধ ঢালা খুবই গুরুত্বপূর্ণ; অভিষেক ছাড়া শিবের পূজা অসম্পূর্ণ । অভিষেকের সময় এই জল বা দুধ ঢালা খুবই পবিত্র । কারণ অভিষেকের দ্বারাই শিবের প্রতি ভক্তদের গভীর অনুরক্তি প্রকাশিত হয়, আর এর মাধ্যমেই ভক্তিপরায়ণতা ফুটে উঠে ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
207 No Bk Road, Narayangonj
Narayanganj