PKB Mondol
25/06/2025
হরে কৃষ্ণ 🙏🥰❤️
🏵 #শাঁখা_সিঁদুর_পরার_কারণ–
----------------------------------------------
বৈদিক সনাতন বা হিন্দু নারীদের অলংকার শাখাঁ সিদুঁর। শাঁখা, সিঁদুরই তাদের অহংকার। শাঁখা, সিঁদুর ও লোহা ব্যবহারের আধ্যাত্মিক, সামাজিক ও বৈজ্ঞানিক এই তিনটি কারণ রয়েছে।
🧡ক) #আধ্যাত্মিক_কারণ–🌻শাঁখার সাদা রং–সত্ত্ব, সিঁদুরের লাল রং–রজঃ এবং লোহার কালো রং–তম গুণের প্রতীক। সংসারী লোকেরা তিনটি গুণের অধীন হয়ে সংসারধর্ম পালন করে। আর এই তিন গুণকে সাথী করে, আধ্যাত্মিকতায় ত্রিগুণের অতীত হওয়ারই প্রয়াস।
🧡খ) #সামাজিক_কারণ–🌻তিনটি জিনিস পরিধান করলে প্রথম দৃষ্টিতেই জানিয়ে দেয় ঐ রমণী একজন পুরুষের অভিভাবকত্বে আছেন। সে কারণেই অন্য পুরুষের লোভাতুর, লোলুপ দৃষ্টি প্রতিহত হয়। সভ্য এবং সুশিক্ষিত পুরুষেরা সর্বদাই নারীর মর্যাদা সকল স্থানে এবং সব সময়ে রক্ষা করে থাকেন। স্বামীর মঙ্গল চিহ্নতো অবশ্যই থাকে এই শাঁখা সিঁদুরের আবরণে।
🧡গ) #বৈজ্ঞানিক_কারণ–🌻রক্তের তিনটি উপাদান, শাঁখায় ক্যালসিয়াম, সিঁদুরে মার্কারি বা পারদ এবং লোহায় আয়রণ আছে।
🌻রক্তের তিনটি উপাদান মায়েদের মাসিক রজঃস্রাবের সাথে বের হয়ে যায়। তিনটি জিনিস নিয়মিত পরিধানে রক্তের সে ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে। আর্য ঋষিরা সনাতন ধর্মের প্রতিটি আচার অনুষ্ঠানই বৈজ্ঞানিক প্রয়োজনীয়তাকে প্রাধান্য দিয়ে আচার বা অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করেছেন।
🏵 #শাঁখা–🌳 শাঁখা সামুদ্রিক শঙ্খ থেকে তৈরি এবং এটি হিন্দু ধর্মীয় বৈবাহিক রীতির একটি অলঙ্কার। হিন্দু রমণীরা তাঁদের স্বামীর মঙ্গল কামনায় শাঁখা যত্ন সহকারে ব্যবহার করেন।
🌻কাটা বা ভাঙ্গা শাঁখা ব্যবহার করা অমঙ্গল ও শঙ্কাজনক মানসিকতার সৃষ্টি করে।
🌻শাঁখা স্বামীর প্রতি অকৃত্রিম ভালবাসার প্রতীক। সাধারণ শঙ্খে ডান থেকে বামে গোলাকার মোড় দেখা যায়। যখন কোনো শঙ্খে বিপরীতমুখী মোড় দেখা যায়, সে শঙ্খকে অতি মূল্যবান বলে ধরা হয় ও সেটিকে বলা হয় "দক্ষিণাবর্ত" বা সৌভাগ্যবান শঙ্খ। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এ শঙ্খকে পবিত্র শঙ্খ বলা হয়। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী দেবতা বিষ্ণু এ ধরণের শঙ্খ হাতে ধারণ করে থাকেন।
🌻ওলন্দাজ জাতির কাছেও শঙ্খ পবিত্র বলে চিহ্নিত।
🏵আকৃতি অনুযায়ী শঙ্খগুলিকে কয়েকটি নামে অভিহিত করা হয়। যেমন–
🌻পদ্ম শঙ্খ (যা বিষ্ণু ধারণ করেন),
🌻বাদ্য শঙ্খ (যা মন্দিরে ফুঁ দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়),
🌻জল শঙ্খ (পূজা-অর্চনায় ব্যবহৃত হয়),
🌻গোমুখ শঙ্খ (ধর্মীয় কাজে ব্যবহার-অযোগ্য),
🌻সাধারণ শঙ্খ ইত্যাদি।
🏵 #সিঁদুর/ #সিন্দূর–🌻সিঁদুর বা সিন্দূর এক প্রকার রঞ্জক পদার্থ। হিন্দুধর্মে সিঁদুর বিবাহিতা নারীর প্রতীক।
🌻হিন্দুদের পূজানুষ্ঠানের সময়ও সিঁদুর ব্যবহৃত হয়। হিন্দু ধর্মমতে এটি স্বামীর দীর্ঘ জীবন বয়ে আনে বলে বিবাহিত হিন্দু নারীরা সিঁদুর ব্যবহার করেন।
🌻এর রঙ লাল, কারণ এটি শক্তি ও ভালোবাসার প্রতীক।
🏵 #বাহ্যিক_সামাজিক_গুণাবলী–🌻কোনো শাঁখা সিদুঁর পরিহিত মহিলা দেখলে সবাই বুঝে যে, সে বিবাহিত। সেই ক্ষেত্রে তার সাথে সুশ্রী আচরণ করা হয়। যদিও প্রত্যেক নারীই সুশ্রী আচরণের যোগ্যা। নারীদেরও শাঁখা সিদুঁরের প্রতি আলাদা স্পৃহা থাকে। কেননা এটি তার জীবনের মিলবন্ধনে প্রতি মুহূর্তে তাকে জ্ঞাত করে। হিন্দু মেয়েদের কাছে তাদের স্বামী দেবতা স্বরূপ। তাই স্বামীর প্রথম দেওয়া এ শাখাঁ সিঁদুরই তার অহংকার।
🏵একজন নারী তার শাখাঁ সিদুঁরের মাধ্যমে এবং বিবাহের মন্ত্রসহ সকল কাজের সমাপ্তির মাধ্যমেই তার স্বামীর সাথে আপন হতে থাকে। একটু একটু করে সকল আচার বিধি শেষ হওয়ার মাধ্যমে অটুট হতে থাকে তাদের যুগযুগান্তরের বন্ধনও।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Mymensingh
২২৪০