MouSum
কিছু কষ্ট মানুষকে এমন ভাবে বদলে দেয় যে, সে আগের মতো আর থাকে না! হৃদয়ের সব নরম অনুভূতি ধীরে ধীরে কঠিন হয়ে যায়! যাকে এক সময় অনুভূতির গভীরে রাখা হতো, তার গুরুত্ব হারিয়ে যায়! অপেক্ষা, অভিমান সবকিছুই এক সময় অর্থহীন হয়ে যায়!
একদিন মানুষ শিখে যায়, বাঁচতে হলে নিজেকে শক্ত করে নিতে হবে!
অনুভূতির আঘাতে পাথর হয়ে যাওয়া হৃদয় আর কখনো মাটি হয়ে নরম হয়না! তখন জীবন তার নিজের পথে এগিয়ে চলে নির্লিপ্ত, নিঃশব্দ, নির্বাক!
✍️মৌসুম
🌺স্ত্রী’র মন ভালো রাখার উপায়ঃ
আপনার স্ত্রীর যদি ঘন ঘন মুড সুইং হয়, তবে তাকে যতটা সম্ভব পর্যাপ্ত সময় দিন! যতই ব্যস্ত থাকুন না কেন, তার মন বুঝার চেষ্টা করুন! আপনার সামান্য একটু আন্তরিকতা তার মন ভালো করে দেয়ার জন্য যথেষ্ট!
সারাদিন বাসায় বসে থাকতে থাকতে তার হয়তো একঘেয়েমি লাগতে পারে! তাই অন্তত ছুটির দিনগুলোতে এমন কোথাও তাকে নিয়ে ঘুরতে যান, যেখানে দু'জন একান্ত সময় কাটাতে পারবেন! কেননা প্রিয়জনের সাথে সময় কাটালে মানুষের বিষন্নতা দূর হয়ে যায়!
দাম্পত্য জীবনে স্বামী-স্ত্রী’র মাঝে মাঝে রাগ-অভিমান হওয়াটাই স্বাভাবিক! তবে স্ত্রী অভিমান করলে, বাসায় ফেরার পথে তার জন্য একটি গোলাপ আর কিছু চকলেট সাথে নিয়ে যেতে পারেন! গোলাপ আর চকলেট দেখে অন্তত সে আর রাগ করে থাকতে পারবে না!
স্ত্রী যদি রোমান্টিকতা পছন্দ করেন, তবে তার সাথে খুনসুটি দুষ্টুমি করুন, রান্নার সময় চুপিচুপি পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে তাকে বিরক্ত করুন! সে উপভোগ করবে!
জোছনা রাতে দুজন চাঁদ দেখতে পারেন, সেই সাথে তার সাথে সুখ-দুঃখের মিষ্টি মিষ্টি গল্প করলেও কিন্তু মন্দ হবে না! তার যতই মন খারাপ থাক, আপনার এমন রোমান্টিকতায় সে মুগ্ধ হয়ে যাবে!
স্ত্রী অসুস্থ থাকলে অন্তত ঔষধ খাওয়ানোর দায়িত্বটা নিজেই বহন করুন! কেননা অসুস্থ থাকলে কোনো কিছু ভালো লাগে না, ঔষধ খাওয়ার কথা ভুলে যাওয়ারই সম্ভাবনা থাকে! তাই নিয়ম করে আপনিই সে ক'টা দিন তাকে ওষুধ খাওয়ার কথা মনে করিয়ে দিন কিংবা পাশে থাকলে নিজেই খাওয়ান!
তার বিশেষ দিনগুলোতে (পিরিয়ড+প্রেগনেন্সি+শারীরিক অসুস্থতায়) তাকে পর্যাপ্ত সময় দিন! শত ব্যস্ততার পরেও তার ঘন ঘন খোঁজ নিন! তার খেঁয়াল রাখুন!তার সাথে অন্তত এই সময়গুলোতে বাজে ব্যবহার করবেন না! আপনাকে এই সময়গুলোতে হতে হবে সহনশীল! তাকে বুঝতে হবে, তাকেও বুঝাতে হবে! আন্তরিকতার সাথে তার সাথে মিশতে হবে!তার ঠিক কি করলে মন ভালো হবে, সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে!
মনে রাখবেন,
আপনার শত ব্যস্ততার মাঝেও স্ত্রীর জন্য সময়, যত্ন আর ভালোবাসাই পারে তার মন ভালো রাখতে, মানসিক শান্তি দিতে! যা কখনোই স্ত্রীকে টাকার পাহাড়ে শুইয়ে রাখলেও পারবেন না! দাম্পত্য জীবনে টাকার চাইতে বেশি জরুরী দুজনের বোঝাপড়া, আন্তরিকতা আর পরস্পরের ইতিবাচক মনোভাব!
জীবন সঙ্গীর পিছনে শুধু টাকা ব্যয় করার চেয়ে সময় ব্যয় করাটা বেশি জরুরী! কেননা টাকা দিয়ে কেবল সৌখিন চাহিদা পূরণ করা যায়, তবে মনে পরিপূর্ণ তৃপ্তি নিয়ে দাম্পত্য জীবন পার করা যায় না! জীবন সুন্দর যদি জীবনসঙ্গী সঠিক হয়! 💗🌺
আপনার ভালোবাসার মানুষটাই হতে পারে আপনার হ'ত্যাকারী!
মানুষকে আদেশ দিয়ে, খাচায় বন্ধি করে, দাস বানিয়ে রাখা যায় না, তবে ভালোবাসার মায়ায় ফেলে তাকে আজীবন বিনা সুতোই বেঁধে রাখা যায়!
আপনি যদি কাউকে নিজের চেয়ে বেশি, পৃথিবীর সমপরিমাণ ভালবাসেন! অপোজিট সাইডের ব্যক্তির এই ভালোবাসা সহ্য হবে না, সে আপনাকে গুরুত্ব দিবে না এমনকি বিনা কারণে আপনাকে অ'পমান অবহেলা করবে!
সে আপনার এই ভালোবাসাটাকে স্বস্তি হিসেবে না নিয়ে চাপ হিসেবে নেবে ফলস্বরুপ, সে আপনাকে ইগনোর করতে শুরু করবে! আর তারপরই শুরু হবে অশান্তি! ঠিক মত সময় দিবে না, গা'লিগা'লাজ করবে, আপনার সাথে সম্পর্কে থাকার পরও অন্য কারো সাথে কথা বলবে! আপনি এর প্রতিবাদ করতে গেলেই, হয়ে যাবেন তার পথের কাটা! তারপর থেকে সে আপনার উপর মানসিক ট'র্চার করবে, পরিস্থিতি এমনও হতে পারে সে আপনার ভালোবাসার সুযোগ নিয়ে আপনাকে পৃথিবী থেকে উ'ধাও করে দিবে, এমনটা সম্ভব না হলে আপনাকে বানিয়ে দিবে একজন মানসিক রুগী, যে কিনা নিজেই নিজেকে ঘৃণা করবে, নিজেই নিজের প্রতি বিরক্ত হবে! ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া হবে না ঘুম হবে না, একদম ছন্দ ছাড়া করে ফেলবে আপনাকে!
মনে রাখবেন! একতরফা ভালোবাসা কখনোই প্রকৃত ভালোবাসা নয়, তা একধরনের আত্মবিনাশ! ভালোবাসা তখনই সুন্দর, যখন তা দুজনের মাঝে ভারসাম্য বজায় রাখে! তাই কারও জন্য নিজেকে নিঃশেষ করবেন না, যে আপনার মূল্য বোঝে না সে কি করে আপনাকে ভালোবাসবে! যদি আপনার ভালোবাসা আপনাকে কষ্ট আর অপমানের মুখে ফেলে দেয়, তবে সরে আসাই শ্রেয়! কারণ, আপনার জীবনে, আত্মসম্মান, মানসিক শান্তি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ!
✍️মৌসুম
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Mymensingh
2200