Scientific elements

Scientific elements

Share

Photos 12/06/2016

রাতের মেঘমুক্ত আকাশে অনেক সময়
নক্ষত্রের মতো ছোট উজ্জল বস্তু
পৃথিবীর দিকে ছুটে আসতে দেখা যায় আর এই
নক্ষত্রগুলকে বলা হয় উল্কা। অনেকের
ধারনা ধূমকেতুর বিচ্ছিন্ন অংশ উল্কা সৃষ্টির
কারন। কিন্তু আসলে তা নয়। মহাকাশে
অসংখ্য জড়পিন্ড ভেসে বেড়ায় । এই
জড়পিন্ডগুলো মাধ্যাকর্যণ ও অভিকর্ষ
বলের আকর্ষনে প্রচন্ড গতিতে পৃথিবীর
দিকে ছুটে আসে।পৃথিবীর বায়ূমন্ডলে প্রবেশ
করার পর বায়ূর সংস্পর্শে এসে বায়ূর সাথে
ঘর্ষনের ফলে এরা জ্বলে উঠে। বেশীরভাগ
উল্কাই মহাশূন্যে কিংবা বায়ুর সাথে ঘর্ষনের
ফলে জ্বলে ছাই হয়ে যায়।এদের মধ্যে
যেগুলো পৃথিবীতে আসে সেগুলোকে
উল্কাপিন্ড বলে। প্রত্যেক বছর ই
পৃথিবীপৃষ্ঠে উল্কাপাত হয়ে থাকে।প্রায়
১৫০০ মেট্রিক টন উল্কাপিন্ড প্রতিবছর
পৃথিবীর বায়ূমন্ডলে প্রবেশ করে ।
উল্কাপিন্ড কোণাবিহীন এবং নানা আকারের
হয়ে থাকে। বেশীরভাগের রং সাধারনত কালো।
উল্কা যখন পৃথিবীর বায়ূম্নডলে প্রবেশ
তখন ই একে দেখা যায়।বায়ূম্নডলের
মেসোস্ফিয়ার স্তরে এদেরকে দেখা যায়।
উল্কাপিন্ড দৃষ্টিগোচর হয় ভূপৃষ্ঠ থেকে
৬৫ কিমি. - ১১৫ কিমি. এর মধ্যে।
উল্কাপাতের ফলে আকাশে বর্নীল
আলোকছ্ব্টার দেখা মেলে।
উল্কাপিন্ডঃ ভূপৃষ্ঠে পতিত হবার পর
উল্কাকে উল্কাপিন্ড বলে। ৩ ধরনের
উল্কাপিন্ড দেখা যায় -
১| পাথর সমৃদ্ধ উল্কাপিন্ড যা খনিজ
সিলিকেট দ্বারা গঠিত।
২| লোহা সমৃদ্ধ উল্কাপিন্ড যা লোহা -
নিকেল দ্বারা গঠিত।
৩| পাথর- লোহা সমৃদ্ধ উল্কাপিন্ড যা
বিভিন্ন ধরনের ধাতব পদার্থ ও পাথর দ্বারা
গঠিত।
বেশীরভাগ উল্কাপিন্ড ই পাথর এর
যেগুলোকে কন্ড্রাইট এবং একন্ড্রাইট
শ্রেনীতে ভাগ করা হয়েছে। মাত্র ৬%
উল্কাপিন্ড হচ্ছে লোহা এবং পাথর- লোহা
দ্বারা তৈ্রী।
পৃথিবীতে পতিত হওয়া প্রায় ৮৬ %
উল্কাপিন্ড হল কনড্রাইট। এদেরকে
কন্ড্রাইট বলা হয় কারন এগুলো ক্ষুদ্র ও
গোলাকার পদার্থে তৈ্রী। এগুলো খনিজ
সিলিকেট, আ্যমিনো এসিড দ্বারা গঠিত যা
আকশে ভাসমান অবস্থায় গলিত রূপে থাকে।
প্রায় ৮% উল্কাপিন্ড হল একন্ড্রাইট।
কনড্রাইট অলিভাইন ,পাইরোক্সিন,চুম্বক
দিয়ে গঠিত। বেশীরভাগ এর বয়স ৪ .৬ বিলিয়ন
বছর। একন্ড্রাইট এক ই ধরনের পদার্থে
তৈরী তবে পার্থক্য হল এতে গোলাকার
ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কনা দেখা যায়না যা উত্তপ্ত
উল্কাপিন্ডের গলিত পদার্থ ঠান্ডা হয়ে
তৈরী হয়।
রাতের মেঘমুক্ত আকাশে অনেক সময়
নক্ষত্ত্রের মত ছোট উজ্জল বস্তু
পৃথিবীর দিকে ছুটে আসতে দেখা যায় আর তাই
হলো উল্কাউল্কাবৃষ্টি । রাতের আকাশে তারা
গুনতে যেমন মজার তেমনি মজার উল্কাবৃষ্টি
দেখা। মেঘহীন রাতের আকাশে আমরা হঠাৎ
উল্কাপাত দেখি। ঝাঁকে ঝাঁকে , দলে দলে
উল্কা যখন পৃথিবীর দিকে ছুতে আসে তখন
তাকে উল্কাবৃষ্টি বা উল্কাঝড় বলে। দেখে
মনে হয় যেন প্রকৃতি উৎসবে মেতেছে।
উল্কাপাতের ঘটনাকে বলা হয় “ ইটা
আ্যকুয়ারাইডস ”। প্রতি বছর সাধারনত
এপ্রিলের শেষ সপ্তাহ থেকে মে মাসের
প্রথম সপ্তাহ পযন্ত এই উল্কাঝড়ের দেখা
পাওয়া যায়।পৃথিবীর সব জায়গায় সমানভাবে
এটি দেখা যায়না। উত্তর গোলার্ধের
লোকজন প্রতি ঘন্টায় ১০ টি উল্কাপাত
আর দক্ষিন গোলার্ধের লোকজন প্রতি
ঘন্টায় ৩০ টি উল্কাপাত দেখতে পারে।
বিষুবরেখার নিকট এলাকার লোকজন
গোধলীর সময় দেখতে পারে । বিষুবরেখার
নিকটবর্তী এলাকার লোকজন সূর্যদয়ের ৩
ঘন্টা আগেই উল্কাবৃষ্টি দেখতে পারে।
উল্কাবৃষ্টি দেখার সবচেয়ে ভাল সময় হলো
সন্ধ্যা ও ভোররাত।
কেউ কেউ উল্কাবৃষ্টি দেখার সময় দোয়া
প্রার্থনা করে এই মনে করে যে তা পুর্ন হবে।

10/06/2016

ফেসবুক অ্যাকাউন্টের জন্য ১০টি ‘না’
আ হ ম করিম, নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে |
০৯ জুন, ২০১৬
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এখন শুধু
পরস্পরের মধ্যে সংযোগ স্থাপনই করছে না, বরং
চাকরি, কর্মক্ষেত্র থেকে শুরু করে ব্যবসা–
রাজনীতি সবকিছুর ওপর প্রভাব ফেলেছে। সুতরাং
এটা এখন শুধু আপনার ব্যক্তিগত জীবনের অংশই
না, এটা আপনার পেশা জীবনেরও অংশ।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অন্যতম
জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুক। আর এই মাধ্যমকে
কাজে লাগাতে পারেন যদি না আপনি নিচের
কাজগুলো অনুসরণ করেন।
১. আপনার প্রকৃত নাম পরিবর্তন করবেন না
ফেসবুকে অনেক সময় অনেকে নকল নাম বা রূপক
নাম ব্যবহার করে থাকেন। এমনটি উচিত নয়। কেউ
যদি আপনার নাম জিজ্ঞেস করে আপনি নিশ্চয়
বলবেন না, আপনার নাম নীল দরিয়ার মাঝি, সাগর
পাড়ের কন্যা, আমি কষ্টে আছি অথবা উড়ন্ত
ছেলে। কারণ এগুলো আপনার নাম নয়। একজন
চাকরিদাতা বা ব্যবসায়ী যদি আপনার সম্পর্কে
ধারণা নিতে সার্চ ইঞ্জিনে আপনাকে খোঁজেন
তবে এমন নাম তাদের আপনার সম্পর্কে ভালো
ধারণা দেবে না। এমন নামকরণ ফেসবুকের
নীতিমালার বাইরে। যে কেউ অভিযোগ করলে
আপনার অ্যাকাউন্টটি তারা বন্ধ করে দিতে পারে।
তাই নাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে যদি নাম দুই অংশের
হয় তবে প্রথম ও শেষ নাম ব্যবহার করুন। যদি
তিন অংশের হয় তবে মধ্য নামও ব্যবহার (মধ্য
নামের initial ব্যবহার করতে পারেন) করুন। নিজ
ভাষা অথবা ইংরেজিতে নাম লিখতে পারেন, কিন্তু
এমন অক্ষর ব্যবহার করবেন না যেটা বুঝতে
অসুবিধা হয়।
২. শিরোনাম ব্যতীত ছবি পোস্ট করবেন না
এমনটি হতে পারে আপনি বোনের সঙ্গে ছবি
পোস্ট করছেন কিন্তু কোনো শিরোনাম
লেখেননি। আপনার বন্ধুরা হয়তো আপনাকে চেনে,
কিন্তু আপনার বোনকে চেনে না। এ রকমের
ছবিতে আপনার বন্ধুদের মন্তব্য আপনাকে বিব্রত
করতে পারে। এ জন্য এ ধরনের ছবি পোস্ট করার
আগে অবশ্যই শিরোনাম যোগ করবেন। এতে ছবি
পোস্টের উদ্দেশ্য বোঝা সহজ হয়। ছবি নিজেই
যদি শিরোনাম হিসেবে কাজ করে তাহলে হয়তো
শিরোনামের প্রয়োজন নেই।
৩. শুধু লাইক পাওয়ার জন্য কাউকে সংযুক্ত
করবেন না
শুধু লাইক পাওয়ার জন্য এমন কাউকে ছবি বা
পোস্টে সংযুক্ত করবেন না যিনি এর সঙ্গে
সম্পর্কযুক্ত নন। আপনি জানেন না এতে তিনি
আনন্দিত হবেন, না বিরক্ত হবেন। যদি সংযুক্ত
করা জরুরি মনে করেন তবে পূর্ব অনুমতি নিয়ে
নেবেন।
৪. ব্যক্তিগত কথাবার্তা ওয়ালে পোস্ট করবেন
না
ব্যক্তিগত কথাবার্তা আদানপ্রদানের জন্য
ফেসবুক অথবা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে
মেসেজ অপশন আছে। এ জন্য ব্যক্তিগত
কথাবার্তা ওয়ালে পোস্ট না করে মেসেজ
করবেন। যেমন; আপনি আপনার বন্ধুর কাছে টাকা
পাবেন, আপনি এই টাকাটা চাওয়ার জন্য তার
ওয়ালে লিখতে যাবেন না। প্রয়োজনে কল অথবা
মেসেজ করবেন।
৫. চেইন স্ট্যাটাস পোস্ট করবেন না
আপনিও হয়তো এমন ইমেইল পেয়ে থাকবেন—
কেউ আপনাকে নির্দিষ্ট ইমেইল পাঠিয়ে বলল, এই
ইমেইলটি আরও ১০ জনকে পাঠাতে হবে অন্যথায়
আপনার ভয়ানক বিপদ হবে। সেরকম ফেসবুকের
নিউজ ফিডে কিছু ছবি বা লেখা দিয়ে বলা হলো
আপনাকে লাইক ও শেয়ার করতে হবে, না হলে
বিপদ হবে। অথবা বলা হলো আপনি যদি
মুসলমান/হিন্দু বা অন্য কিছু হন, লাইক করুন,
আমিন লিখুন, শেয়ার করুন। এ রকম চেইন স্ট্যাটাস
পোস্ট করবেন না। এটা একরকম মানুষের আবেগ
নিয়ে খেলা। যদি সামাজিক সচেতনতা বিষয়ক কিছু
হয় তবে মানুষকে সাধারণ অনুরোধ করবেন।
৬. অপরিচিত লোকদের বন্ধু হওয়ার অনুরোধ
করবেন না
অনেকের হয়তো এমন ধারণা আছে যে, ফেসবুকে
বন্ধুর সংখ্যা যার যত বেশি তার জনপ্রিয়তার তত
বেশি। এ কথা হয়তো সত্য, বাস্তব জীবনে যত
বেশি মানুষ আপনাকে চেনে আপনি তত বেশি
পরিচিত। কিন্তু ফেসবুকে সম্পূর্ণ অজানা মানুষকে
যোগ করার মাঝে নয়। যদি কাউকে কোনো না
কোনোভাবে চেনেন এবং মনে করেন তার সঙ্গে
যোগ হলে উভয়ই উপকৃত হতে পারেন তবে
ব্যক্তিগত অনুরোধ করবেন।
৭. ভুয়া সংবাদ পোস্ট করবেন না
ফেসবুক হলো ভুয়া সংবাদের অন্যতম উৎস।
এখানে সবাই সাংবাদিক। এখানে সংবাদ পরিবেশনে
সবাই মুক্ত। তাই যেকোনো সংবাদভিত্তিক
পোস্টের আগে যাচাই করে নেবেন সংবাদটি সঠিক
উৎস থেকে আসছে কিনা। মনে রাখবেন একটি ভুল
সংবাদ ১০টি স্বাভাবিক জীবনের ওপর ক্ষতি বয়ে
আনতে পারে।
৮. ভুল ব্যক্তিগত তথ্য প্রধান করবেন না
ধরুন, একটি চাকরির জন্য আপনার জীবনবৃত্তান্ত
চাইল, আপনি নিশ্চয় আপনার জীবনবৃত্তান্তে ভুল
তথ্য প্রধান করবেন না। অনেক চাকরি আছে
যেগুলো ফেসবুকের আইডি দিয়ে লগইন করে
আবেদন করতে হয়। সুতরাং আপনার তথ্য যদি ভুল
থাকে তবে চাকরিদাতা আপনার সম্পর্কে ভুল
তথ্য পাবে যেটা আপনার জন্য কক্ষনোই
মঙ্গলজনক নয়। এ ছাড়া ভুল তথ্য মানুষকে
আপনার সম্পর্কে খারাপ ধারণা দেবে। তাই সকল
তথ্য (পেশাগত, শিক্ষাগত, ব্যক্তিগত) সঠিক ও
সমসাময়িক রাখুন।
৯. অশালীন মন্তব্য করবেন না
হয়তো ফেসবুক মন্তব্যের জন্য উন্মুক্ত এক
জায়গা। কিন্তু মনে রাখবেন আপনার মন্তব্য
আপনার ব্যক্তিত্বের পরিচায়ক। আপনার মন্তব্য
থেকে মানুষ আপনার সম্পর্কে ধারণা নেবে। কথা
বলার স্বাধীনতার ও সীমাবদ্ধতা আছে। আপনার
মন্তব্য যদি কাউকে ব্যথা দেয় কিংবা কারও
সম্মানহানির কারণ হয় সে দিকে নজর রাখবেন।
মোট কথা ফেসবুকে আপনার সকল কার্যক্রম
আপনার আচার–ব্যবহারেরই পরিচয় বহন করে,
সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন।
১০. ১৩ বছর বয়সের আগে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট
নয়
১৩ বছর বয়সের আগে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট
খোলা ফেসবুকের নীতিমালার বাইরে। এটা তাদের
মানসিক ও শারীরিক অবস্থার ওপর নেতিবাচক
প্রভাব ফেলতে পারে। এমনকি বড়দেরও অধিক
ফেসবুক ব্যবহার মানসিক, শারীরিক ও সামাজিক
সমস্যার সৃষ্টি করে। সাধারণত উন্নয়নশীল
দেশগুলোতে অভিভাবকের অসচেতনতার কারণে
অনেক শিশুই ফেসবুকে আসক্ত হয়ে পড়ে যা
তাদের লেখাপড়া ও সামাজিক বিকাশে
প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। সুতরাং আপনার
পরিচিত কেউ যদি এমনটি করে তাকে বুঝিয়ে
অ্যাকাউন্টটি মুছে দিন অথবা ফেসবুকে রিপোর্ট
করুন।

Help name Android N 10/06/2016

অ্যান্ড্রয়েড নাড়ু!
০৯ জুন, ২০১৬
অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণের সঙ্গে মিষ্টান্নের নামের
কোথাও কোনো কাটাকাটি নেই। সেটা শুরুর
কাপকেক হোক কিংবা হালের কিটক্যাট থেকে
মার্শমেলো। কাকতালীয়ভাবে মিলে গেছে—এমনটা
ভাবার কোনো কারণ নেই। এটা পরিকল্পিত।
পরবর্তী সংস্করণের জন্য এমনই কোনো
মিষ্টান্নের নাম যে বেছে নেওয়া হবে তা-ই
স্বাভাবিক। এবার অবশ্য সিন্দাবাদের ভূতের
মতো ঘাড়ে নাম চাপিয়ে দিচ্ছে না গুগল। নির্বাচনে
অংশ নিতে বলছে সবাইকে। শুধু নামটি মিষ্টান্নের
হতে হবে, আদ্যক্ষর ইংরেজি ‘এন’ হতে হবে, এবং
অবশ্যই ৯ জুলাইয়ের দুপুর ১২টা ৫৯মিনিটের আগে
নাম ঠিক করে হবে। যে নামটি সর্বোচ্চ
সংখ্যকবার জমা দেওয়া হবে, অ্যান্ড্রয়েডের
পরবর্তী সংস্করণের নাম সেটাই হবে।
নামটি যদি বাংলা কোনো নাম হয়? ভাবা যায়!
গোটা বিশ্বের কোটি কোটি ব্যবহারকারী
স্মার্টফোন ব্যবহার করবে বাংলা কোনো
মিষ্টির নামে। সে লোভটাই সামলাতে পারেনি গুগল
ডেভেলপার গ্রুপ (জিডিজি) ঢাকার
স্বেচ্ছাসেবকেরা। ‘নাড়ু’ নামটি বেছে নিয়ে তারা
প্রচারণা চালাচ্ছে ই-মেইল এবং এসএমএস
মারফত। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিরা (ক্যাম্পাস
অ্যাম্বাসেডর) নিজ নিজ ক্যাম্পাসে নাড়ুর জন্য
প্রচারণা চালাবেন। এই প্রচারণায় সহযোগী
প্রেনিউরল্যাব।
নাম নির্বাচনের জন্য নিবন্ধনের প্রয়োজন নেই।
www.android.com/n ঠিকানায় গিয়ে Naru লিখে
সাবমিট করলেই হলো। নাম চূড়ান্ত করাটা বেশ
কঠিন, তবে আশাবাদী হতে দোষ কি!

Help name Android N

Photos 23/05/2016

দুপুরে খাওয়ার পর ব্রাশ করেন,
আয়েশ করে সিগারেট ধরান , হজমের
জন্য হাঁটাহাঁটি করেন? এমন অভ্যাস
থাকলে এখনই বদলান , নয়তো
মারাত্মক ভবিষ্যত্ অপেক্ষা করছে।
দুপুরে খাওয়ার পর বেশকিছু কাজ বা
অভ্যাস অবিলম্বে বন্ধ করার পরামর্শ
দিয়েছেন চিকিত্সকরা , যা সুস্থ
জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দুপুরে খাওয়ার পর বিশেষ চারটি
অভ্যাসের দাস অনেকেরই। এই চারটি
অভ্যাসই শরীরের পক্ষে মারাত্মক
ক্ষতিকর। শুধু তা- ই নয় , চিকিত্সকদের
বক্তব্য , চার অভ্যাস না বদলালে মৃত্যু
পর্যন্ত হতে পারে। কী সেই
অভ্যাসগুলো ? আসুন , জেনে নেই
সেগুলো -
১. ব্রাশ করা : দুপুরে খাওয়ার পর
অনেকেই ব্রাশ করেন। তাদের
বিশ্বাস, দিনে অনেকবার ব্রাশ
করলেই হয়তো দাঁত ভালো থাকে।
একেবারেই ভুল ধারণা। দুপুরে
খাওয়ার পর দাঁত মাজা মানে দাঁতের
চরম ক্ষতি করা। বিশেষ ভাত
খাওয়ার পর যদি টক জাতীয় কিছু
খেয়ে থাকেন , তারপর ব্রাশ করলে
দাঁতের এনামেল উঠতে শুরু করে। ফলে
দাঁতের ক্ষয় শুরু হয়ে যায়।
২. প্রচুর পানি পান করা : শরীর
তাজা রাখতে পানি পানের বিকল্প
নেই। কিন্তু চিকিত্সকরা
জানিয়েছেন , পানি পান করার
নির্দিষ্ট সময় আছে। যেমন- লাঞ্চ
শেষ করেই পানি পান করা অত্যন্ত
ক্ষতিকর। লাঞ্চের পর rপ্রচুর পানি
পান করলে তার প্রভাব পড়ে হজমের
ওপর। ফলে পেটের নানা রকম সমস্যা
শুরু হয়ে যায়। তাতে আলসারও হতে
পারে।
৩. ধূমপান করা : লাঞ্চের পর আয়েশ
করে একটি সিগারেট বা বিড়ি
ধরানো অনেকেরই বাজে অভ্যাস।
অবিলম্বে এ অভ্যাস ত্যাগ না করলে
বিপদ অপেক্ষা করছে নিকটেই।
দুপুরে খাওয়ার পর শরীরে রক্ত
চলাচল বেড়ে যায়। তাই তখন ধূমপান
করলে নিকোটিনসহ অন্যান্য দূষিত
পদার্থ সহজেই রক্তে মিশে যায়।
যার কুপ্রভাব পড়ে কিডনিতে। ধীরে
ধীরে কিডনি খারাপ হতে থাকে।

Photos 15/05/2016

সুপার কম্পিউটার
সাধারণ ড্যাটা সেন্টার এয়ার
কন্ডিশনের মাধ্যমে Argonne Natinal
Lab এর Blue Gene/P সুপার কম্পিউটার
একসাথে প্রায় আড়াই লক্ষ প্রসেসর
চালিয়ে থাকে। যা অপটিকেল
নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে সংযুক্ত
দ্রুত গতির সারি সারি সাজানো ৭২টি
রেক বা কেবিনেটে বিন্যস্ত অবস্থায়
রাখা আছে।
প্রসেসিং ক্ষমতা বিশেষ করে হিসাব
নিকাষের গতির উপর নির্ভর করে কোন
নির্দিষ্ট সময়ে পৃথিবীর অগ্রগণ্য
কম্পিউটারগুলোকে সুপার কম্পিউটার
বলা হয়ে থাকে। ১৯৬০ সালের দিকে
কন্ট্রোল ড্যাটা কর্পোরেশন
(সিডিসি) এর সেইমার ক্রে সর্বপ্রথম
প্রাথমিক ভাবে সুপার কম্পিউটারের
একটি ডিজাইন তৈরি করেন এবং তা
পৃথিবার কাছে তুলে ধরেন। ১৯৭০
সালের দিকের সুপার
কম্পিউটারগুলোতে সমান্য কয়েকটি
প্রেসেসর ব্যবহার করা হয়ে থাকলেও
১৯৯০ সালের দিকের সুপার
কম্পিউটারগুলোতে হাজার হাজার
প্রসেসর ব্যবহার হতো কিন্তু বিংশ
শতাব্দীর শেষের দিকে সুপার
কম্পিউটারে প্রসেসরের এ সংখ্যা
লক্ষ ছাড়িয়ে যায়।
সুপার কম্পিউটারগুলোতে অসংখ্য
প্রসেসর নিয়ে কাজ করার জন্য
সাধারণত দুটি পদ্ধতির একটি ব্যবহৃত
হয়ে থাকে। ১ম পদ্ধতির নাম গ্রীড
কম্পিউটিং এবং ২য় পদ্ধতির নাম
ক্লাস্টার কম্পউটিং। গ্রীড পদ্ধতিতে
বিশাল সংখ্যক কম্পিউটারের
প্রসেসিং ক্ষমতা সুষ্ঠভাবে বন্টিত
অবস্থায় থাকে এবং প্রাপ্যতার উপর
ভিত্তি করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে
কম্পিউটারগুলোকে বৈচিত্রময়
প্রশাসনিক কিছু উপায় মেনে পুনরায়
আবার কাজে লাগিয়ে দেয়া হয়।
অপরদিকে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের
ক্ষেত্রে একে অপরের সাথে খুবই
নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত বিশাল
সংখ্যক প্রসেসর একত্রে ব্যবহার করা
হয়ে থাকে। কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রনাধীন
অসংখ্য মাল্টি-কোর প্রসেসর সংযুক্ত
করার মাধ্যমে চালিত উক্ত পদ্ধতিটির
জনপ্রিয়তা ক্রমশ বাড়ছে। বর্তমান
বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশীল সুপার
কম্পিউটার চীনের Tianhe-2 , যা
ক্লাস্টার পদ্ধতিতে চালীত হয়।
কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যা, আবহাওয়ার
পূর্বাভাস দেয়া, জলবায়ু গবেষণা,
তেল ও গ্যাসের উৎস চিহ্নত করতে,
আণবিক মডেল পর্যবেক্ষণ যেমন কোন
কেমিকেল কম্পাউন্ড,
বায়োলজিক্যাল ম্যাক্রোমলিকিউল,
পলমার এবং ক্রিস্টালের গঠন ও
বৈশিষ্ট্য পর্যবেক্ষনের ক্ষত্রে এবং
বাহ্যিক সিমিউলেসন যেমন
এয়ারপ্লেন সিমিউলেসন, নিয়ক্লিয়
বোমা বিস্ফোরণ সিমিউলেসন এবং
নিউক্লিয়ার ফিউশন গবেষণার ক্ষত্রে
সুপার কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত
হয়ে থাকে।
sorce-http://bdrunner.tk

Want your organization to be the top-listed Government Service in Muktagachha?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Muktagachha
MUKTAGACHHA