Anda Panda Collections
এই "Faking" এর দুনিয়ায় একটু খানি "Trust Making" এর চেষ্টায় কাজ করে যাচ্ছে - "Anda Panda Collections" :)
বিশ্বস্ততার সাথে রুচিশীল ও মানসম্মত প্রোডাক্ট নিয়ে আমরা আছি আপনার পাশে । আমাদের রয়েছেঃ
-- প্রতিটি আইটেমের "কোয়ালিটি চেক"
--"কাস্টমার স্যাটিস্ফ্যাকশন" প্রায়োরিটি ;
-- সারা দেশে হোম ডেলিভারী;
-- দক্ষ ও আন্তরিক একটা টীম :)
বড়দের ড্রেস আর অন্যান্য আইটেম এর পাশাপাশি ছোট্ট সোনামনিদের জন্যেও দার
আমি স্ট্রিক্ট প্যারেনটিং এ বিশ্বাসী।
স্ট্রিক্টনেস অর্থ এই নয় বাচ্চা অংকে কম নাম্বার পেলে তাকে হ্যাংগার দিয়ে পেটানো। কুকুরের চেইন দিয়ে বেঁধে রাখা। পান থেকে চুন খসলে গালমন্দ করা। দুষ্টুমির জন্য কোন নালিশ এলে অন্ধকার বাথরুমে দরজা বন্ধ করে আটকে রাখা।
স্ট্রিক্ট থাকতে হবে প্রিন্সিপালে, ডিসিপ্লিনারী ইস্যুজ এ, ডু'জ এন্ড ডোণ্টজ এ, ফ্যামিলি রুলস এ।
বাচ্চা যেন খুব পরিষ্কার ভাবে এই মেসেজটি পায় যা নো, তা নো-ই থাকবে। গড়াগড়ি দিয়ে কাঁদলেও ইয়েস হবে না। কোনমতেই ফ্যামিলি রুলস ভাঙা যাবে না।
এখানে ফ্যামিলি মেম্বারদেরও একটি দায়িত্ব আছে। আদর দেখাতে ছোট বাচ্চাদের চিপস চকলেট আর বড় বাচ্চাদের রিপিটেডলি দামী গিফট দেবেন না।
বাচ্চাকে গিফট দিয়ে হাত করবার একটা বাজে টেন্ডেন্সি কারও কারও ভেতর থাকে। অনেক সময় নি:সন্তান কেউ থাকলে তারা বুঝতে চায় না। সে কি ভাববে এই ভেবে বাবা মাও কিছু বলতে পারে না।
বাবা মাদের বলব তাদের মন রাখতে গেলে আপনার সন্তান গোল্লায় যাবে। আর তাদের এবং দাদা-দাদী, নানা-নানীকে বলব বাবা-মা কে দায়িত্ব পালন করতে দিন। তাদের কাজে বাম হাত ঢোকাবেন না। আপনার টার্ন চলে গেছে।
বাচ্চা কোন ভাল কাজ করলে ছোট খাট গিফট দিয়ে পুরষ্কৃত করা যায়। আমার মেয়ে একদম ছোট থাকতে আমি জার ভরে মাল্টি কালারের বিডস লুকিয়ে রাখতাম। যে কোন ছোটখাট এচিভমেন্টে একটা করে দিতাম। বড় ধরনের এচিভমেন্টে হয়তো ৩ টা ৩ কালারের বিডস, বাটার ফ্লাই, বই।
এচিমেন্টের মাত্রা বুঝে বই এর সংখ্যা। কিন্তু ব্র্যান্ডেড অরিজিনাল কপি কখনো না।
এর উদ্দেশ্য ছিল এটা বোঝানো, দুনিয়াতে সব কিছু কষ্ট করে আর্ন করতে হয় সে যাই হোক। কষ্ট করে আর্ন করা কোন জিনিসই তুচ্ছ না। জিনিসকে ভ্যালু করতে শেখানো, এক্সপেকটেশান্স লেভেল কে লো রাখা। অল্পতে তুষ্ট থাকা, খুশি হতে শেখানো। গিফটকে কখনো টাকার দাড়িপাল্লায় না মাপা।
একবার স্কুলে এক বাচ্চাকে কোন এক কাজের পুরষ্কার হিসেবে গাড়ির মত দেখতে ইরেজার দেবার পর আরেক বাচ্চা বলেছিল এ আর এমন কি এসব তার বাবা রোজই আনে। বাবার কিনে আনা জিনিস আর কষ্ট করে পুরষ্কার হিসেবে পাওয়া জিনিস দেখতে এক রকম হলেও যে এক নয়, সেটা সেই বাচ্চাকে তার বাবাই শিখতে দেয়নি।
এই বাচ্চা কিছুই আর্ন করতে শিখবে না। সব কিছুই ফ্রি তে পেতে চাইবে এবং এক্সপেক্টেশান্স লেভেলও বাড়তে থাকবে।
মা ভালোবাসে, কাজেই যখন যা ইচ্ছা করবে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করে তাই আদায় করা যাবে, এই কনফিডেন্স বাচ্চাদের ভেতর কোনভাবেই গ্রো করতে দেয়া উচিৎ না।
আদর করা আর স্পয়েল করার মধ্যে যে ফাইন লাইন আছে সেটি বুঝতে হবে।
বাচ্চার ইচ্ছামত বাসার চাকা ঘুরবে না, সে পরিবারের বস না, বাবা ইস দা বস। শেষ কথা তার। এটা বাচ্চাকে শেখানো মার দায়িত্ব।
বাচ্চা ঘরের মেমবার হিসেবে তার ওপিনিয়ান দিতে পারে, কিন্তু ডিসিশান না। ওপিনিয়ান দেয়া আর ডিসিশান দেয়ার ভেতর পার্থক্য মাকে নিজের বুঝতে হবে আগে। তাকেও চেইন অফ কমান্ড মানতে হবে।
বাবাকে পরিবারের বস মানতে অনেক মাদের-ই আপত্তি থাকে। অনেক সময় মায়েরা নিজেদের দাবী গুলো বাচ্চার মাধ্যমে আদায় করেন, বাচ্চাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেন, সেসব ক্ষেত্রে বাচ্চাকে বোঝানো বেশ কঠিন, প্রায় অসম্ভব। এই মায়েরা নিজ স্বার্থে সন্তানকে ব্যবহার করে তার ভবিষ্যত ধ্বংস করে।
মাতৃতান্ত্রিক পারিবারিক ব্যবস্থাপনায় যেসব সংসার চলে যুগ যুগ ধরে অর্থাৎ পরিবারের গার্ডিয়ান মা, মার বস নানী, সেই শিক্ষায় বেড়ে ওঠা বাচ্চারা নৈতিক দিক থেকে খুব বেশী উন্নত হয় না। আল্লাহ তা'লার নিয়মের বাইরে গিয়ে সমৃদ্ধ হওয়া যায় না।
যেসব ফ্যামিলিতে রান্না, খাওয়া, আড্ডা, ঘোরাঘুরি অর্থাৎ ফূর্তি বেশী চলে সে ফ্যামিলির বাচ্চারা পড়াশোনায় মনোযোগী হতে পারে না। তারা ফোকাসড হয় না এবং সময়ের মূল্য বোঝে না। পারিবারিক এমন আবহ প্র্যাক্টিসিং মুসলিম হিসেবে বেড়ে ওঠার জন্যও সহায়ক নয়।
যেসব মায়েদের ধর্ম, পশুপ্রেম, আর্ট, ক্রাফট,গার্ডেনিং এর প্রতি আগ্রহ নাই তাদের বাচ্চাদের সংবেদনশীল ধার্মিক এবং ক্রিয়েটিভ হিসেবে তৈরি করা বেশ কষ্টকর।
বিয়ের আগ থেকেই নিজেকে মা হিসেবে তৈরি করুন মানষিকভাবে। একটি ব্যাচেলার মেয়ে তার পুরো সংসারও যদি টানে, বছরের পর বছর বাইরে এমনকি স্কুলেও যদি কাজ করে, তবুও সেই মেয়ে এবং একজন মায়ের দায়িত্বের মধ্যে পার্থক্য আকাশ পাতাল। ভালো মা হতে বললেই সে পারবে এমন নয়। বাচ্চা জন্ম দেয়া সহজ, মা হওয়া কঠিন।
একজন মা কে যথেষ্ট ম্যাচিওর বুদ্ধিমতি এবং স্যাক্রিফাইসিং মানষিকতার হতে হয় যদি সে ভালো মা হতে চায়। অনেক সময় বাবাকেও বাবা হিসেবে তার টাস্ক কি সেটিও ওই মাকেই শিখিয়ে দিতে হয়।
বাবা মায়ের দায়িত্ব বাচ্চাকে মানুষ করে দুনিয়াতে ছেড়ে দেয়া যেন সে ভালো মন্দ পার্থক্য বুঝে একা পথে চলতে পারে। মন্দ থেকে দূরে থাকতে পারে। মানুষের হক্ক আদায় করতে পারে। আল্লাহ তা'লার অনুগত বান্দা হতে পারে।
আজ আমি খাওয়াবো আর পরে সে কামাই করে খাওয়াবে এমন দুনিয়াবী আশা রাখা বাবা মায়েরা প্রকৃতপক্ষে নি:স্বার্থ ভাবে আল্লাহ তা'লার দেয়া দায়িত্ব হিসেবে সন্তান প্রতি পালন করেন না। তারা ইনভেস্ট করেন।
একটা সময় ছেলেদের ব্যাপারে এমন আশা রাখা হত। ইদানিং কয়েক বছর ধরে দেখছি বহু বাবা মা বিবাহিত মেয়েদের কাছ থেকেও রীতিমত দাবী করে টাকা আদায় করছেন। তাদের মানুষ করেছে, খরচা করেছে, এহসান করেছে এখন তাদের পালা তা শোধ করার, এসব বলে চাপ দিয়ে চাকরি করান। কেউ কেউ মুখে না বললেও হাবে ভাবে এমনটিই বোঝান।
এসব মেয়েরা নিজেদের সন্তান সংসার ফেলে চাকরি করছে শুধু বাবা মাকে সার্ভ করার জন্য। নিজের কামাই এর এক পয়সাও নিজের সংসারে এরা খরচ করতে পারে না। বাস্তব থেকে বলছি। তাদের স্বামীরাও এসব নিয়ে প্রশ্ন তোলে না।
এমন বাবা মা যারা আল্লাহ তা'লার সন্তষ্টির জন্য মেয়েদের মানুষ করেন নাই বরং ইনভেস্ট করেছেন ভবিষ্যতে লাভের গুড় খাবার আশায়, তারা আল্লাহ তা'লার কাছ থেকে কেমন প্রতিদান পাবেন আল্লাহ তা'লাই জানেন। এমন বাবা মার হাত থেকে এসব সন্তানদের আল্লাহ তা'লা হিফাজত করুন।
প্যারেনটিং_টিপস
"অত:পর কোনো বিপদাপদ মানুষকে স্পর্শ করলে সে আমাকে ডাকে। তারপর যখন আমরা আমাদের পক্ষ থেকে নি'আমাত দিয়ে তাকে অনুগ্রহ করি তখন সে বলে, 'জ্ঞানের কারণেই কেবল আমাকে তা দেওয়া হয়েছে'। বরং এটা একটা পরীক্ষা। কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা জানে না।"
--- সূরাহ: আয-যুমার: ৪৯.
খুব সাধারণ সব ব্যাপারে মেয়েদের খুঁত ধরা হয়। ‘মেয়েদের খেতে এত সময় লাগলে হয়? তুমি এত আস্তে খাও বলেই তো তুমি ঠিকমত খেতে পারো না, বাচ্চা ঘুম থেকে উঠে যায়। মহিলারা কি করে এত আস্তে আস্তে খায়?’ কেন ?
একজন পুরুষের জন্য যদি বাসায় একটা কাজও না করে খাবার টেবিলে গল্প করে করে এক ঘণ্টা ধরে বিপুল পরিমাণে খাওয়াটা দোষ না হয়, তাহলে একজন মহিলা সারাদিন রান্নাবাড়া করে, ঘরের কাজ বাইরের কাজ বাচ্চা সামলে তাকে জন্তুজানোয়ারের মতো হাপুস হুপুস করে খেতে হবে কেন? কেন সে স্বস্তি মতো খাওয়ার সময়টুকুও নিজের জন্য ব্যয় করতে পারবে না? বিয়ে হলেই মেয়েদের কাছে আশা করা হয় সে তার চিরাচরিত খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করে ফেলবে, অথচ একজন পুরুষ শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গেলেও তার জন্য তা-ই রান্না করা চাই যা সে নিজের বাড়িতে খায়।
সন্তানসম্ভবা হলে যখন মেয়েদের বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়, তার অনেক কারণ থাকে। কিন্তু আমার খুব অদ্ভুত লাগে এই ভেবে যে, মেয়েটা যতদিন কাজ করার উপযোগী ছিল ততদিন তাকে শ্বশুরবাড়িতে রাখা হলো, আর যখন তাকে দেখাশোনা করা প্রয়োজন হয়ে পড়ল—তখন তাকে মায়ের বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হলো! বলি বাচ্চাটা কোন বাড়ির?
বই : নট ফর সেল
লেখিকা : রেহনুমা বিনতে আনিস
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Mirpur
1216