Skill & Fun Studio
শুনুন, পুরুষগণ! খারাপ চরিত্রকে "মুড সুইংস" হিসেবে সহ্য করা বন্ধ করুন।
এটা লাইন টানার সময়। অনেক পুরুষ "মুড সুইংস" এর অজুহাতে নারীদের কাছ থেকে ভয়াবহ আচরণ মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে। স্পষ্টভাবে বলি—খারাপ চরিত্র কোনো মুড সুইংস নয়, বরং এটা শৃঙ্খলা এবং সঠিক পারিবারিক শিক্ষার অভাব। একজন শৃঙ্খলাপূর্ণ ব্যক্তি কখনোই তার আবেগকে অন্যদের প্রতি তার আচরণ পরিচালনা করতে দেয় না।
"আজকের দিনটা খারাপ যাচ্ছে" বলেই রূঢ়তা, অসম্মান, এবং সরাসরি আক্রমণ সহ্য করার এই পাগলামি শেষ হওয়া উচিত।
আমাদের সবার খারাপ দিন যায়। পুরুষ ও নারী উভয়েই মানসিক চাপ, হতাশা, এবং আবেগগত ক্লান্তির মুহূর্তের মধ্য দিয়ে যায়। কিন্তু চরিত্রবান ব্যক্তি এবং চরিত্রহীন ব্যক্তির মধ্যে পার্থক্য হলো শৃঙ্খলা। শৃঙ্খলা মানে হলো নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং নিশ্চিত করা যে আপনার হতাশা অন্যদের প্রতি আপনার আচরণে প্রতিফলিত না হয়। এর মানে হলো আপনার অনুভূতিগুলো অসম্মানজনক বা খারাপ আচরণের কারণ নয়।
যদি এমন একজন নারীর সাথে আপনার সম্পর্ক থাকে, যিনি বারবার আপনার উপর রাগ ঝাড়েন, অসম্মান দেখান, বা মনে করেন যে তার "খারাপ মুড" এর কারণে সবাই তার প্রতি দয়া দেখাবে, তাহলে আপনি একজন আত্মনিয়ন্ত্রণহীন মানুষের সাথে সম্পর্ক করছেন। এবং এটি একটি সাময়িক সমস্যা নয়। এটি একটি অভ্যাস, যা গভীরতর অপরিপক্বতা এবং অতিরিক্ত প্রত্যাশার প্রতিফলন।
পুরুষগণ, এটি মেনে নেওয়া বন্ধ করুন। আপনি যদি কোনো পুরুষের এমন আচরণ মেনে নেন না, তাহলে নারীর ক্ষেত্রেও এর অজুহাত করবেন না। যদি তিনি পরিপক্ব হন, তবে তিনি জানবেন কিভাবে তার আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে হয় এবং আপনাকে তার আবেগের পাঞ্চিং ব্যাগ বানাবেন না। যদি তিনি শৃঙ্খলাবদ্ধ হন, তবে তিনি তার অনুভূতি যাই হোক না কেন, আপনাকে সম্মানের সাথে আচরণ করবেন। সম্পর্ক পারস্পরিক সম্মানের ওপর ভিত্তি করে হয়, আবেগগত আবর্জনা ফেলার জায়গা নয়।
একটি বাস্তব সত্য হলো: খারাপ চরিত্র সম্পর্ক, পরিবার, এবং জীবনকে ধ্বংস করে। যদি তিনি এখন নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন, তাহলে জীবন যখন সত্যিকারের চ্যালেঞ্জ নিক্ষেপ করবে তখন কী হবে? যখন বিয়ের চাপ, সন্তান পালন, বা আর্থিক সংকট আসবে তখন কী হবে? আজকের মুড সুইংস ভবিষ্যতের অন্তহীন নাটকে পরিণত হবে। নিজেকে সারাজীবনের বিশৃঙ্খলার জন্য প্রস্তুত করবেন না।
আর সমাজের কথায় কান দেবেন না যে আপনি "সংবেদনশীল নন" কারণ আপনি এই আচরণকে চ্যালেঞ্জ করছেন। আপনি সংবেদনশীল নন। সম্মান এবং শৃঙ্খলার দাবি করা হৃদয়হীনতা নয়—এটি একজন মানসম্পন্ন মানুষের পরিচয়। আপনি কোনো থেরাপিস্ট, আবেগের পাঞ্চিং ব্যাগ, বা তার আত্মনিয়ন্ত্রণহীনতার বলি নন। যদি তার কোনো অমীমাংসিত সমস্যা থাকে, তবে তিনি তা সমাধান করবেন, আপনাকে এর শিকার বানাবেন না।
সীমা নির্ধারণ করুন এবং সেখানেই থাকুন। আপনার কাজের মাধ্যমে তাকে শেখান—যে কোনো অজুহাতেই খারাপ আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। যদি তিনি নিজেকে গুছিয়ে নিতে না পারেন, তবে তার থেকে দূরে সরে যাওয়াই ভালো। সারাজীবন অর্থহীন বিষয় সহ্য করার জন্য জীবন অনেক ছোট।
এটা মনে রাখবেন: শৃঙ্খলাহীন নারী আপনার শান্তি নষ্ট করবে। নিজের শান্তি রক্ষা করুন। একটি চরিত্রবান এবং আবেগগত পরিপক্ব নারী বুঝতে পারবেন যে সম্মান শর্তাধীন নয়—এটি ন্যূনতম প্রয়োজন। সতর্ক থাকুন, পুরুষগণ, এবং নিজের জন্য সেরা দাবি করুন।
১০০টি বেলুন ফুলিয়ে, ক্লাসের প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর হাতে ১টি করে দিলেন শিক্ষক। বললেন─ "বেলুনে নিজ-নিজ নাম লিখে, ফেরত দাও।"
নাম সম্বলিত বেলুনগুলো নিয়ে, ক্লাসের মাঝখানে স্তুপ করে রাখলেন তিনি মিশিয়ে। তারপর বললেন─ "এবার এখান থেকে সবাই নিজের নামের বেলুনটি বেছে নাও।"
এতোগুলো বেলুন থেকে নিজের নামের বেলুনটি বেছে নিতে গিয়ে গলদঘর্ম অবস্থা প্রত্যেকেরই। সময় গড়াতে লাগলো, দু'য়েকজন খুঁজে পেলো নিজের বেলুনটি, বাকিরা হাতড়াতে লাগলোই, হতোদ্যম।
শিক্ষক বললেন─ "এক কাজ করো তাহলে; প্রত্যেকেই নিজের ঠিক সামনের বেলুনটি নাও, ওটায় তোমার যে-বন্ধুর নাম লিখা আছে তার হাতে তুলে দাও ওটা।"
এবার দেখা গেলো─ খুব অল্প সময়েই যার বেলুন তার কাছে পৌঁছে গেলো।
বেলুন হাতে বসে থাকা তাঁর সন্তানসম হাস্যোজ্জ্বল ছাত্রছাত্রীদের দিকে তাকালেন শিক্ষক। তাঁর চোখে আনন্দাশ্রু চিকচিক করছে।
─ "বাবারা, পৃথিবীতে সুখ ছড়িয়ে আছে, ঠিক ওই বেলুনগুলোর মতোই। খুঁজে নাও। কিন্তু, নিজের জন্য নয়; অন্যের জন্য খোঁজো সুখ, তাকে তোমার অর্জিত সুখের ভাগ দাও; সেও তোমাকে তার সুখের─ সমস্তটা না-পারলেও─ ভাগটুকু দেবে। মা রে, তোমরা মিলেমিশে বেঁচে থাকো সারাটা জীবন, থইথই সুখের ভাগাভাগিতে।"
Salah Uddin Ahmed Jewel অনুদিত─
মূল লিখক: anon.
You work 8 hours to live 4.
You work 5 days to enjoy 2.
You work 8 hours to eat in 15 minutes.
You work 8 hours to sleep 6
You work all year just to take a week or two vacation.
You work all your life to retire in old age.
And watch only your last breaths.
Eventually, you realize that life is nothing but a parody of yourself practicing your own oblivion.
We have become so accustomed to material and social slavery that we no longer see the chains..⛓️
Life is a short trip,
Live it up.
ডা. তুমি পাগল হলে কীভাবে ?
পাগল: পাগল হইছি কি সাধে?
আমি এক বিধবা মহিলাকে বিয়ে করে ছিলাম!
তার এক যুবতী মেয়ে ছিল। তাকে বিয়ে করল আমার বাবা!!
আমার মেয়ে হয়ে গেল আমার মা!!! আমি হয়ে গেলাম আমার বাবার শশুর!!!!
তার ঘরে হল একটা মেয়ে,সে হলো আমার বোন!!!!!কিন্তু আমি তার নানীর জামাই!!!!!!
সেদিক থেকে সে আমার নাতনীও!!!!!!!
এভাবে আমার একটা পোলা হল!!!!!!!
আমার পোলা হইল আমার বাপের শালা।
আর আমি আমার পোলার ভাগিনা!!!!!!!
ডা. চুপ কর শালা,তুই আমারেও পাগল বানাইয়া ফেলবি ;)
বাংলাদেশে এপার্টমেন্ট কেনা একটা জঘন্য রকমের ইনভেস্টমেন্ট।
এটার সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে বাংলাদেশে এসেটের দামের তুলনায় ভাড়া হাস্যকর রকমের কম!
ছোট একটা উদাহরণ দেই। ধরেন আপনি উত্তরায় ২০০০ স্কয়ার ফিটের একটা এপার্টমেন্ট কিনলেন, দাম নিল দুই কোটি টাকা। এই বাসার ভাড়া হবে বড়জোড় পঞ্চাশ হাজার টাকা।
ধরে নিলাম একজন এই বাসাটা কিনে নিজেই থাকা শুরু করলো। আমরা তার অপোরচুনিটি কস্ট ক্যালকুলেট করবো। হিসাবের সুবিধার্থে আমি ইনফ্লেশন ক্যালকুলেট করবো না, এটা উভয় পক্ষের হিসাব থেকেই বাদ যাবে।
এপার্টমেন্টটা যদি সে না কিনতো, পঞ্চাশ হাজার টাকা ভাড়া দিয়ে সে এই বাসাতেই এক বছরে মাত্র ছয় লাখ টাকা দিয়ে থাকতে পারবে। মানে দশ বছর থাকতে পারবে ষাট লাখ টাকায়। তিরিশ বছর থাকতে পারবে এক কোটি আশি লাখ টাকায়!
সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল, তাকে এককালীন যে দুই কোটি টাকা ইনভেস্ট করতে হত সেটা করতেই হল না। তার সঞ্চয় খরচ হল না, তার চিকিৎসার সিকিউরিটি থাকলো, তাকে তার সারা জীবনের সব সঞ্চয় এক জায়গায় বিনিয়োগের ঝুকি নিতে হল না, তাকে ঋণের দায় নিতে হল না। এই দুই কোটি টাকা সে অন্য যে কোন জায়গায় ইনভেস্ট করে তিরিশ বছরে আরও অনেক টাকা বানাতে পারে।
ধরলাম সে ইনভেস্ট করবে না, সে সবচেয়ে বাজে উপায়ে টাকাটা ব্যবহার করবে। অর্থাৎ সে শুধু ব্যাংকে টাকাটা রেখে দিবে। ধরলাম ব্যাংক তাকে ৬% হারে সুদ দিবে। তাহলে দুই কোটি টাকায় বছরে সে পাবে ১২ লাখ টাকা। অর্থাৎ মাসে এক লাখ। পঞ্চাশ হাজার টাকা ভাড়া দিয়েও হাতে আরও পঞ্চাশ থাকে। তিরিশ বছরে সংখ্যাটা তিন কোটি ষাট লাখ টাকা শুধু ইন্টারেস্টেই! সঞ্চয়পত্রে ইনভেস্ট করলে সংখ্যাটা আরও অনেক বেশি।
আর এই তিরিশ বছরে আপনার কেনা ফ্ল্যাট এর চেহারার অবস্থা কি দাঁড়াবে বলেন তো? ফ্ল্যাট তো জমি না, এর ডেপ্রিসিয়েশন আছে। এখনকার বাজারে তিরিশ বছরের পুরনো একটা ফ্ল্যাট কিনতে যান, বুঝবেন। ক্রেতা পান কিনা সন্দেহ! আর নিজেরা থাকলে বিল্ডিং ভেংগে আবার নতুন করে বাড়ি বানাতে হবে- আরও খরচ! নিজের ফ্ল্যাটে প্রতিবেশিরা ভাল না হলে ইউ উইল বি স্টাকড, আজীবন টক্সিক একটা পরিবেশে থাকতে হবে। ভাড়া বাসায় পুরো তিরিশ বছরই নতুন ফ্ল্যাটে থাকতে পারবেন, সুবিধা অনুযায়ী এলাকায় শিফট করতে পারবেন, পরিবেশ ভাল না লাগলে বদলে ফেলতে পারবেন।
অনেকে আবার লোন করে ফ্ল্যাট কিনে। বিশ হাজার টাকা ভাড়া দিয়ে যে ফ্ল্যাটে থাকা যায়, সেই ফ্ল্যাটে ডাউন পেমেন্টের টাকা পকেট থেকে দিয়ে তিরিশ হাজার টাকা প্রতি মাসে কিস্তি দেয়। এসেট হয়ে যায় লায়াবিলিটি, প্রতি মাসে যার খরচ দশ হাজার টাকা!
"নিজের বাড়ি" একটা বিংশ শতকের এলিটিস্ট আবেগ। একে প্রশ্রয় না দিয়ে স্মার্ট হোন!
বড়জোড় একটা জমি কিনে রেখে ভাড়া থেকে জীবন কাটায় দেন!
(ডিসক্লেইমার: আমি অবশ্যই বলছি না যে টাকা নিয়ে ব্যাংকে ফেলে রাখা ভাল জিনিস। এটা টাকার সবচেয়ে বাজে ব্যবহার৷ উদাহরণ টানলাম এটা বোঝাতে যে টাকার সবচেয়ে বাজে ব্যবহারও ফ্ল্যাট কেনার চেয়ে ভাল)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Matuail