Freelancer Rokon
22/05/2023
০১। মূর্খ লোকের সাথে তর্ক করবেন না, এরা আপনাকে তাদের লেভেলে নামিয়ে নিয়ে যাবে।
০২। অন্যেরা আপনার সম্পর্কে কি ভাবছে, আপনি একদম ভাববেন না, মনে রাখবেন সমালোচনা করা সহজ, কিন্তু আলোচনায় আসা খুব কঠিন।
০৩। বন্ধুর প্রশংসা পেয়ে আনন্দিত হবে না অথবা শত্রুর সমালোচনা দেখে বিচলিত হবেন না, দুটোই মূল্যহীন।
০৪। পৃথিবীতে কেউ বিজি না, আসলে সব নির্ভর করে গুরুত্বের উপর। কাজেই যে আপনাকে গুরুত্ব দিচ্ছে, তাকে গুরুত্ব দিন, জীবন অনেক সুন্দর ও উপভোগ্য মনে হবে।
০৫। কারো অনুপ্রেরণার জন্য অপেক্ষা করবেন না, কিছু একটা শুরু করুন।
০৬। চাকরি পেতে হবে এই ভাবনা নিয়ে পড়াশোনা করবেন না, চাকরি দিতে পারবেন সেই ভাবে নিজেকে তৈরি করুন।
০৭। সুযোগের জন্য অপেক্ষা করবেন না, সুযোগ তৈরি করে নিন, স্বার্থ বিনে কেউ সুযোগ দিবে না।
০৮। সবাই সফল হবেন না, এটা মেনে নিন। সফল তারাই হয় যারা এর পিছনে লেগে থাকে, খরচ করে। সেটা হতে পারে, সময়, সেটা হতে পারে অর্থ কিংবা দুটোই।
০৯। নারাজ মুডে থাকবেন না, হাসুন, হাসিই আপনার সাইনবোর্ড, আপনার ব্রান্ডিং।
১০। অপরের কাজ দেখে তাকে অনুকরণ বা অনুসরণ করবেন না, সফল কোন লোকই অন্য কারও মতো নয়, সবাই নিজের মতো।
১১। অপরের নামে তার অগোচরে বাজে আলাপ করবেন না, এরকম যারা করে তাদের প্রশ্রয় দিবেন না, কারন, তারা আপনার অগোচরে আপনার নামেও বাজে কথা বলবে।
১২। কারো কাছ থেকে প্রতিদান আশা করবেন না, দিতে শিখুন। লিডাররা শুধু দিয়েই যায়, এটাই নিয়ম।
১৩। শর্টকাটে সফল হওয়ার চেষ্টা করবেন না, সফলতার কোন শর্টকাট নেই। ধাপে ধাপে এগোন।
১৪। কিছুতেই আশাহত হবেন না। মনে রাখবেন, মানুষ তার আশার সমান সুন্দর, বিশ্বাসের সমান বড়।
১৫। বন্ধুদের অশ্রদ্ধা করবেন না, কাউকে ভালো কাজে নিরুৎসাহিত করবেন না।
ভালো লাগলে জানাতে ভুল করবেন না
"পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন মূহুর্ত হলো, কাউকে খুব বেশি পরিমাণে ভালো লেগে যাওয়ার পর উপলব্ধি করা যে ঐ মানুষটাকে কখনোই পাওয়া হবে না !!
পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো, কাউকে খুব বেশি পরিমাণে ভালো লেগে যাওয়ার পর তার প্রতি ঐ ভালোলাগা কমানোর চেষ্টা করা যখন মানুষটা ভালোলাগা কমানোর মত কিছুই করছে না !!
কাউকে অকারণে ভালোবাসা যায় ... কিন্তু কাউকে অকারণে ঘৃণা করা যায় না ... জীবনের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি খুব সম্ভবত এটাই !!"
Real love এর ৮ টি চিহ্ন:
|
|
১। আপনি তার sms বার বার
পড়েন।
২। আপনি তার কাছে যেতে
একটু
লজ্জা বোধ করেন।
৩। আপনি যখন তার কথা
চিন্তা
করেন, আপনার heart
beat
বেড়ে যায়।
৪। তার কথা শুনলে আপনার
হাসি
পায়।
৬। আপনি তার জন্য সব কিছু
করতে
পারেন।
৭। এই status টা পড়ার সময়
আপনি তার কথা চিন্তা
করছেন।
৮।আপনি তার চিন্তায়
এতটাই বিভোর হয়ে আছেন
যে,আপনি খেয়ালই
করেন নি আপনি 5 no.
point মিস করেছেন।
So, u r in love...
প্রতিটি মানুষের রয়েছে ভালোবাসাকে
ঘিরে এক দুর্বলতা,,খুব শক্ত প্রকৃতির মানুষ গুলোও হয়ে যায় তার প্রিয় মানুষ আর তার সেই প্রিয় মুখের সামনে খুব অসহায়,,,,""
ভালোবাসা ব্যাপারটা সত্যিই খুব অদ্ভুত আর
অসম্ভব রকমের শক্তি আছে তার ভিতর,, ""
প্রতিটি মানুষের জীবনে ইচ্ছা আছে/থাকে
ভালোবাসার ছোঁয়া পাবার,,,,""
কেউ কেউ দেখা পায় তার সেই স্বপ্নের
ভালোবাসার, সেটা পেয়ে নিয়ে সুখে থাকে
প্রিয় মানুষটিকে ঘিরে তাকে নিয়ে সাজায়
একটা সুন্দর জীবন,,""
আবার অনেক মানুষ আছে যারা তাদের
ভালোবাসা আর ভালোবাসার মানুষকে পেয়ে
অনেক চেস্টা আর কস্ট করার পর ও তাকে
রাখতে পারেনি নিজের কাছে, হারিয়ে
পালিয়েছে তার প্রিয় মানুষটি,,,,""
আবার অনেক মানুষ আছে যারা দিনের পর
দিন,মাসের পর মাস,বছরের পর বছর অনেক
চেস্টা আর কস্ট করে ও দেখা পায় না তাদের
ভালোবাসার,, প্রিয় মানুষটার কাছে বার বার
অবহেলার শিকার হয়ে ও আবার তাকে পেতে
চেয়ে ও পায় না,,এই রকম মানুষের সংখ্যাটা
সব থেকে বেশি,,,,""
ভালোবাসা ব্যাপার সত্যিই খুব অদ্ভুত
ভালোবাসার ছোঁয়া মানুষকে যেমন বদলে
খারাপ কে ভালো করে দিতে পারে ঠিক
তেমনি একটা মানুষ তার ভালোবাসার পিছে
ছুটতে ছুটতে না পেয়ে হয়ে যায় পুড়ে ছাই,,,,""
ভালোবাসা এক অসাধারণ সৃস্টি,,
ভালোবাসায় সুখের থেকে কস্ট বেশি
থাকে,তার পর ও মানুষ ভালোবাসার পিছে
ছুটে খুঁজে পেয়ে নিতে চাই তাকে,,,,আর
ভালোবাসা না পাওয়ার সেই কস্ট যে কতোটা
ভয়ংকর তা শুধু তারা জানে যাদের মন কেউ
ভেঙেছে বা অনেক চেস্টার পর ও নিজের
করতে ভালোবাসার মানুষকে,,,,""
যারা অনেক চেস্টার পর ও পাননি তাদের
ভালোবাসার দেখা,তারা এই ভেবে ভালো
থাকুন যে আপনার না হলে আপনার
ভালোবাসার মানুষটা তো ভালো আছে,এটাই
বা আপনার জন্য কম কিসে,,সে ভালো আছে
আর এটাই তো আপনার চাওয়া,, নাই বা হোক
আপনার আপনার চোঁখের সামনে দূরে থাকলে
ও তো ভালো আছে,,,,""।
আজ তার কথা খুব মনে পড়ছে। এখন আর ওর প্রতি কোনো মোহ নেই আছে শুধু বুক ভরা গৃনা আর ভালবাসার অনেক ঊষ্ম স্তৃতি। বারান্দায় বসে একটার পর একটা সিগারেট খাচ্ছি আর তার কথা ভাবছি। ৩বছরের রিলেশান ছিলো আমাদের। এইতো সেইদিনের কথা ও আমাকে বলেছিলো আমাকে ছাড়া নাকি ওর জীবনটা একধম ছলবেনা। কিন্তু ওর দিব্বি চলে যাচ্ছে শুধু আমার পথ চলা থেমে যায় মাঝে মাঝে। ওহ আমাদের পরিচয় তো দেয়া হোলোনা। আমি মেহেদী অনার্স এর পাশাপাশি আবাহনি ডিসকভারি ক্রিকেট একাডেমিতে প্র্যাকটিস করছি। আর ও জারা খুলনার মেয়ে অনার্স করছে। হুম অন্য সবার মত আমাদের প্রেমটাও ফেসবুকে হয়। ৩টা বছর খুব ভালই চলছিলো। মাঝে মাঝে ওর সাথে দেখা করার জন্য আমি খুলনা যেতাম।
সারাদিন ঘুরতাম হাতে হাত রেখে দিগন্তের শেষে কাশফুলের বাগানে, মাঝে মাঝে রিকশায় ঘুরতাম।
হুম আজ আরেকবার ওর মায়া ভরা মুখটা দেখতে ঢাকা থেকে রাতের বাসে খুলনা রওনা দিলাম। সারারাত ওর স্বপ্নেই বিভোর ছিলাম।
সকাল ৮টায় পোঁছালাম ও আসতে আরো ২ঘন্টা তাই কিছুক্ষন ঘুরাফিরা করে নিলাম।
ওইতো ওকে দেখা যাচ্ছে পার্ক এর সরু পথ ধরে হেটে আসছে। মেয়েটাকে শাড়ীতে আজ অপরুপ লাগছে, খোলা চুল সাথে কপালে ছোট্ট একটা টিপ।
-কেমন আছো.?
-....(আমি নিশ্চুপ শুধু তাকিয়ে আছি)
- ঐ..! হাবার মত কি দেখো..?
- তোমাকে।
-আমাকে কি আজ নতুন দেখছো নাকি হাবারাম..?
- নাহ তবে নতুন করে দেখছি। শাড়িতে তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে।
-হইছে আর ন্যাকামো করতে হবেনা। আসতে খুব কষ্ট হইচে না বাবু..?
- একধম না। তোমার কথা ভাবতে ভাবতে রাতটা কেটে গেছে।
- ওলে বাবালে আমার বাবুটা আজ কত্তো রোমান্টিক।
- তোমার হাতটা ধরি..?
- আমি কি তোমাকে নিষেধ করছি..?
অত:পর ওর কোমল হাতে হাত রেখে সারাটা পার্ক ঘুরলাম। ওকে নিয়ে রিকশায়ও ঘুরলাম।
সেদিনের মত বিদায় নিয়ে চলে আসলাম।
রাতে বাসায় এসে ওকে ফোন করলাম নাম্বার ওয়েটিং অনেকবার রিং হওয়ার পর রিসিভ করলো।
-হ্যালো
-কার সাথে কথা বলছিলা এতক্ষন..?
-অনিকের সাথে। কেনো..?
-অনিক কে..?
-আমার ফ্রেন্ড।
-ওহ। তা কেমন আছো..?
-ভালো, তুমি..?
- ভালো। আচ্ছা আমি তোমাকে পরে ফোন দিবো কেমন..?
- আচ্ছা ঠিক আছে।
টুট টুট
আমার বাই বলার অপেক্ষা না করেই ফোনটা রেখে দিলো।
বারান্দায় এসে সিগারেট ধরালাম। ও যেনো কেমন হয়ে যাচ্ছে দিন দিন। আগের মত আমাকে ফোন করেনা। ওর এখন নতুন ১টা ফ্রেন্ড হইছে। যখনি ওকে কল করি অনিকের সাথে কথা বলছে। জিজ্ঞেস ককরলে ববলে অনিক ওর শুধুই বন্ধু তাই আমিও কিছু বলিনা। এসব ভাবতে ভাবতে ওকে আবার কল দিলাম।
হুম ও এখনো ওয়েটিং ৫বারের সময় ফোন রিসিভ করলো।
- কি হইছে দেখছো ওয়েটিং আছি তারপরেও কল কেন দিচ্ছো..?
- মানে..? আমি তোমাকে ফোন দিতে পারবোনা..?
- হুম পারবা কিন্তু এভাবে না।
-ওহ সরি।
-হুম।
-কার সাথে কথা বলছিলা..?
-অনিকের সাথে।
-আচ্ছা আমার থেকে কি ও তোমার কাছে বেশী ইম্পরট্যান্ট..?
-মানে..? ও আমার শুধুই ফ্রেন্ড এটা নিয়ে তুমি এসব কি বলছো..?
-ও ফ্রেন্ড হলে এতক্ষন কিসের কথা বলো..? আর আমাকে ওয়েটিং এ রেখে ওর সাথে কিসের কথা বলো..?
-আজব..! তোমার এতো নিচু মন মানসিকতা আমি আগে জানতাম না।
-জানলে কি করতা..?
-ধুর তোমার সাথে আর কথাই বলতে ইচ্ছে করছেনা ফালতু যত্তসব।
-ও এখনতো আমি ফালতু আমার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করবে কেনো। তোমারতো এখন অনিক আছে।
- ঐ চুপ আর ১টা বাজে কথাও বলবানা।
টুট টুট টুট
মেয়েটা ফোন অফ করে রেখেছে।
আজ ৩দিন ওর ফোন অফ কিছুই ভালোলাগছেনা। বারান্দায় বসে আছি আর সিগারেট টানছি হঠাৎ তার ফোন।
-হ্যালো, কেমন আছো.? ফোন অফ কেনো রাখছিলা.? বাবু আই এম সরি আর কক্ষনো এমন হবেনা এই কান ধরছি।
- তোমার সাথে আমার খুব ইম্পরট্যান্ট কথা আছে।
-বলো বাবু।
-আমি আর এই রিলেশান রাখতে পারবোনা।
-মানে..? ধুর মজা কোরোনা এমনিতেই ভালো লাগছেনা।
- মজা না আমি আর সত্যিই এই রিলেশান রাখতে পারবোনা।
- কিন্তু কেনো..? আমি সেদিন এসব বলেছি তাই.? আমিতো বললাম সরি আর এসব বলবোনা।
- নাহ আমার ফ্যামিলি আমাদের ব্যাপারে জেনে গেছে। সো এই রিলেশান রাখা আমার পক্ষে আর সম্ভব না। নেক্সট টাইম আমার সাথে আর যোগাযোগ করার চেষ্টা করবানা বাই।
টুট টুট টুট
ওর শেষ কথাগুলো এখনো আমার কানে বাজে। তবুও বেহায়ার মত ওকে খুঝে বেড়াই ওকে কল করি কিন্তু ও কোনো উত্তর দেয়না।
এভাবেই আমার জীবন চলতে চলতে থেমে যায় কারণ কিছু একটা আমার জীবনে নেই হয়তো হারিয়ে ফেলেছি।
আজ অনেকদিন পর ও কল করেছে হুম আমি জানতাম ও একদিন ফিরে আসবে।
-কেমন আছো..?
-ভালো, তুমি..?
-এইতো চলছে.. তা হঠাৎ এতদিন পর..?
-আমার তোমাকে একটা কথা বলার আছে.. প্লিজ আমাকে হেল্প করো..
-মানে কি হইছে..? খুলে বলো..
-অনিক আমার সাথে ব্রেক আপ করেছে..
-মানে..? আমিতো কিছুই বুঝতেছিনা.. খুলে বলো।
-তোমার সাথে আমি ব্রেক আপ করার পর অনিকের সাথে আমার রিলেশান হয় কিন্তু ও এখন আমাকে ছাড়তে চায়।
-কিন্তু তুমিতো বলেছিলে ও তোমার ফ্রেন্ড..
-মিথ্যা বলেছিলাম আমি তখন ওকে ভালবাসতাম..
-ওহ, তা কেনো ছাড়তে চায়..?
-ও বলছে আমার আগে তোমার সাথে রিলেশান ছিলো আর নাকি শারীরিক অনেক কিছুই হইছে তাই..
-কিন্তু আমাদের মাঝেতো শারীরিক কিছুই হয়নি..
-সেটা তুমি আর আমি জানি কিন্তু অনিক বিশ্বাস করছেনা..
-ওহ, তা এখন আমি কি করবো..?
-প্লিজ তুমি অকে ১টু সব বুঝিয়ে বলো..
-আচ্ছা ঠিক আছে।
লাইনটা কেটেই অনিকের সাথে অনেক কথা বলে অনেক রিকুয়েস্ট করে প্রায় হাতে পায়ে ধরে ওকে বুঝিয়ে সব বললাম। ছেলেটা রাজি হলো।
হুম আজ আমি সত্যিই স্বার্থক কারণ আমার ভালোবাসার মানুষের কাছে তার ভালোবাসার মানুষ কে ফিরিয়ে দিতে পেরেছি। চোখের কোনে কিছু জ্বল জমেছে হয়তো আনন্দ অশ্রু অথবা বেদনার মাঝে কিছু পেয়ে হারাবার বেদনাময় অশ্রুসিক্ত চোখ আমার।
জানো আজো তোমাকে ভুলার চেষ্টা করি কিন্তু প্রতিবারই মনে পড়ে তোমাকে।
জানি তুমি ভালো আছো অনেক ভালো চাই সারাটা জীবন এমন ভালো থাকো।
হুম এখনো তোমাকে মনে পড়লে আগের মত ১টার পর ১টা সিগারেট ধরাই, তোমার ছবি দেখে বারান্দার কোনে একাকি বসে কাঁদি আর মোবাইলের সব কষ্টের গান শুনে তোমার সাথে কাটানো স্রৃতি গুলো মনে করে কাঁদি।
জানি তুমি ভালো আছো কিন্তু আমি হয়তো নেই কেননা আমার তুমি নেই।
তুমিহিনা আমি অসহায়, অপরিপূর্ণ, অব্যক্ত।।।
লিখা - ifat ahmed
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Daulatpur
Khulna
9202